দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সংবাদকর্মীরা করোনাভাইরাসের ঝুঁকি নিয়ে সংবাদ সংগ্রহ করছেন। তাদের নেই কোনো সুরক্ষা পোশাক।
করোনাভাইরাস ছোঁয়াচে, তাই ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি এবং এক জনগোষ্ঠী থেকে অন্য জনগোষ্ঠীতে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। সরকার করোনাভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে জনগণকে ঘর থেকে বের হতে নিষেধ করছে। সারা দেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। তবুও সারাদেশের মতো থেমে নেই হিলির সংবাদকর্মীরা।
করোনাভাইরাস মোকাবিলায় দায়িত্ব পালনকারী সাংবাদিকদের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ দিতে আইনজীবী জে আর খান রবিন জনস্বার্থে হাইকোর্টে ২৩ মার্চ রিট দায়ের করেন।
হাকিমপুর (হিলি) প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বুলু বলেন, হিলিতে দেশের প্রায় সবকটি টিভি চ্যানেলসহ বিভিন্ন প্রিন্ট মিডিয়ার ৪০ জন সংবাদকর্মী আছেন। তারা করোনা পরিস্থিতির মধ্যেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
হাকিমপুর (হিলি) প্রেসক্লাবের সভাপতি গোলাম মোস্তাফিজার রহমান মিলন বলেন, সংবাদকর্মীরা সবসময় অবহেলার শিকার। সারা দেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। তবুও থেমে নেই সীমান্ত ঘেঁষা হিলির সংবাদকর্মীরা।
জেবি/পি