ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
বান্দরবানে বজ্রপাতে প্রাণ গেল শিশুসহ দুইজনের
বান্দরবানে বজ্রপাতে প্রাণ গেল শিশুসহ দুইজনের
বান্দরবান জেলার লামা উপজেলায় বজ্রপাতে শিশুসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন হানিফ ও নুর মোহাম্মদ নামে দুই শিশুও।
প্রবারণা পূর্ণিমায় বান্দরবানে সপ্তাহব্যাপী নানা আয়োজন
প্রবারণা পূর্ণিমায় বান্দরবানে সপ্তাহব্যাপী নানা আয়োজন
দুর্গম পাহাড়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেখাতে গিয়ে প্রাণ গেল তরুণের
দুর্গম পাহাড়ে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেখাতে গিয়ে প্রাণ গেল তরুণের
আলীকদমে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ
আলীকদমে রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ
নারীকে নিয়ে নিজের রিসোর্টে এনসিপি নেতা, অতঃপর...
নারীকে নিয়ে নিজের রিসোর্টে এনসিপি নেতা, অতঃপর...
বান্দরবানের তিন্দু সড়কে পর্যটকবাহী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
বান্দরবানের তিন্দু সড়কে পর্যটকবাহী যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা
লেবুর বস্তায় মিলল ৩ কোটি টাকার ইয়াবা
লেবুর বস্তায় মিলল ৩ কোটি টাকার ইয়াবা
স্কুলের রেজিস্ট্রেশন কার্ড নিতে গিয়ে নিখোঁজ ৩ ছাত্রী উদ্ধার, যা জানা গেল
বান্দরবানের লামায় রেজিস্ট্রেশন কার্ড আনতে গিয়ে নিখোঁজ তিন ছাত্রীকে চার দিন পর চট্টগ্রাম শহরের খুলশী এলাকা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৪ অক্টোবর) দিনগত রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানা এলাকার পৃথক দুটি বাসায় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা হয় তাদের। উদ্ধার হওয়া ছাত্রীরা হলেন- ইয়াংছা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী তানিয়া সুলতানা, নবম শ্রেণির ছাত্রী হালিমাতুজ সাদিয়া ও রেশমি আক্তার। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ অক্টোবর সকালে রেজিস্ট্রেশন কার্ড আনতে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয় রেশমি আক্তার। পরে তার সঙ্গে অন্য দুই কিশোরীও বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছিল না। স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাদের সন্ধান না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নিখোঁজের ঘটনায় লামা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের উদ্ধারে অভিযান পরিচালনার এক পর্যায়ে গতকাল বুধবার দিনগত রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানাধীন ২ নম্বর রোডের একটি বাসা এবং খুলশী টাউন সেন্টারের কনকর্ড টাওয়ারের একটি বাসা থেকে পৃথকভাবে তিন কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানানো হয়, তারা সেখানে গৃহপরিচারিকার কাজের জন্য অবস্থান করছিলেন। অপরদিকে, পরিবারের সদস্যদের দাবি, রেজিস্ট্রেশন কার্ড আনতে যাওয়ার কথা বলে তারা বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। চকরিয়া উপজেলার মানিকপুর উচ্চবিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক দুলাল কান্তি শর্মা জানান, রেশমি আক্তারসহ তিন কিশোরী তার বিদ্যালয়ে যায়নি। রেশমি অষ্টম শ্রেণিতে ওই বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছিল। চলতি বছর সে লামার ইয়াংছা উচ্চবিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে ভর্তি হয়। গত ১২ অক্টোবর রেশমির মামা পরিচয়ে এক ব্যক্তি বিদ্যালয়ে এসে তার বিষয়ে খোঁজখবর নিলে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন। ইয়াংছা উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজ উদ্দিন জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থীই বিদ্যালয়ে অনিয়মিত ছিল। গত ৩০ সেপ্টেম্বর তারা সর্বশেষ নিজ নিজ শ্রেণিতে উপস্থিত ছিল। এরপর থেকে আর বিদ্যালয়ে আসেনি। সোমবার অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার পর তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানা গেছে। সত্যতা নিশ্চিত করে বান্দরবানের পুলিশ সুপার মোহা. ওহাবুল ইসলাম খন্দকার বলেন, গত ১৪ অক্টোবর দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী থানা এলাকার দুটি বাসা থেকে তিন কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, তারা বাসাবাড়িতে গৃহপরিচারিকার কাজের জন্য সেখানে অবস্থান করছিল। পরে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে তাদের পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে। আরটিভি/এমএ  
তিন দিন ধরে নিখোঁজ বান্দরবানের ৩ কিশোরী, খোঁজা হচ্ছে সিসিটিভি ফুটেজ
বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়ন থেকে নিখোঁজ হওয়া তিন কিশোরীর তিন দিনেও সন্ধান মেলেনি। রোববার (১১ অক্টোবর) বিদ্যালয় থেকে নিবন্ধন কার্ড নিয়ে আসার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল তারা। এর পর থেকে তাদের খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। বুধবার পুলিশ ও পরিবারের সদস্যরা এ তথ্য জানিয়েছেন। নিখোঁজ তিন কিশোরীর বয়স ১৪ থেকে ১৫ বছর। তারা ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের একই পাড়ার বাসিন্দা এবং পরস্পরের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। তাদের মধ্যে ১৫ বছর বয়সী কিশোরী চকরিয়ার মানিকপুর এলাকার একটি বিদ্যালয়ে নবম শ্রেণিতে পড়ে। অন্য দুজন স্থানীয় একটি উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। পরিবারের সদস্যরা জানান, রোববার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে তিন কিশোরী চকরিয়ার মানিকপুরে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়। ১৫ বছর বয়সী কিশোরী বিদ্যালয় থেকে নিবন্ধন কার্ড আনতে যাচ্ছিল। তবে তারা বিদ্যালয়ে পৌঁছেছিল কি না, তা নিশ্চিত হতে পারেননি পরিবারের সদস্যরা। এক কিশোরীর মা জানান, তিনজনের কারও কাছে মুঠোফোন থাকার কথা নয়। তবে যে অটোরিকশায় তারা চকরিয়ায় গিয়েছিল, সেই চালক পরিবারের সদস্যদের জানিয়েছেন, কিশোরীদের হাতে একটি অ্যান্ড্রয়েড মুঠোফোন দেখেছেন। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও সন্ধান না পেয়ে মঙ্গলবার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন পরিবারের সদস্যরা। লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদ জানান, চকরিয়া বাসস্ট্যান্ডে একটি মুঠোফোনসহ তিন কিশোরীকে স্থানীয় কয়েকজন দেখেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। তবে সেখান থেকে তারা কোন দিকে গেছে, তা জানা যায়নি। নিখোঁজ কিশোরীরা চকরিয়া অথবা কক্সবাজারের কোথাও থাকতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ওসি কাইছার হামিদ আরও জানান, কিশোরীদের সন্ধানে চকরিয়া থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। আরটিভি/এসএস
আরও