ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
থানায় ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাকবিতণ্ডা, পুলিশের জিডি
থানায় ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাকবিতণ্ডা, পুলিশের জিডি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ভেতরে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনজুর কাদের ভূঁইয়ার কক্ষে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার বাকবিতণ্ডার ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে৷ 
সরাইলে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
সরাইলে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ২
থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাগ্‌বিতণ্ডা, বললেন ‘আওয়ামী লীগের চোর’
থানার ওসির সঙ্গে রুমিন ফারহানার বাগ্‌বিতণ্ডা, বললেন ‘আওয়ামী লীগের চোর’
গরুর ঘাস কাটা নিয়ে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ
গরুর ঘাস কাটা নিয়ে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের তুমুল সংঘর্ষ
ওয়াজে যাওয়ার পথে কিশোরীকে তুলে নিয়ে গেলেন ৬ জন, অতঃপর...
ওয়াজে যাওয়ার পথে কিশোরীকে তুলে নিয়ে গেলেন ৬ জন, অতঃপর...
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ট্রাকচাপায় দুই মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু
বিয়েতে নাচের জন্য ডেকে দুই নৃত্যশিল্পীকে মাঝনদীতে ধর্ষণ
বিয়েতে নাচের জন্য ডেকে দুই নৃত্যশিল্পীকে মাঝনদীতে ধর্ষণ
নাচতে এসে নৌকায় গণধর্ষণের শিকার দুই নৃত্যশিল্পী
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশন করতে এসে কিশোরীসহ দুই নারী নৃত্যশিল্পী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ সেপ্টেম্বর বিকেলে সরাইল উপজেলার শাহাবাজপুর এলাকায় তিতাস নদীতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী দুই নারী কুমিল্লার চান্দিনা এলাকার বাসিন্দা। তারা পেশাগতভাবে বিভিন্ন স্থানে নৃত্য পরিবেশন করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগীদের ফেসবুক পেজ থেকে যোগাযোগ নম্বর নিয়ে রাকিব মিয়া নামের এক যুবক শাহাবাজপুর এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচ পরিবেশনের জন্য তাদের সঙ্গে ৯ হাজার টাকায় চুক্তি করেন। চুক্তি অনুযায়ী, ওই দিন বিকেলে তারা সরাইল বিশ্বরোড এলাকায় পৌঁছালে রাকিব ও তার সহযোগীরা তাদের সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে শাহাবাজপুরের একটি সেতুর নিচে নিয়ে যান। পরে বিয়ের অনুষ্ঠানে নেওয়ার কথা বলে তাদের একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকায় তোলা হয়। নৌকাটি তিতাস নদীর মাঝপথে পৌঁছালে চালক ইঞ্জিন বন্ধ করে দেয়। এরপর নৌকার ছাউনির ভেতরে নিয়ে দুই নারীকে আসামিরা পর্যায়ক্রমে একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় তাদের সঙ্গে থাকা এক পুরুষ সদস্য বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে আসামিরা ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এজাহার অনুযায়ী, বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত নদীর মাঝখানে নৌকার ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত আনুমানিক ৮টার দিকে ভুক্তভোগীদের নাসিরনগর উপজেলার কুণ্ডা তিতাস নদীসংলগ্ন ভুঁইয়া ঘাট এলাকায় নামিয়ে দিয়ে আসামিরা পালিয়ে যায়। এরপর আইনি সহায়তা পেতে তারা প্রথমে নাসিরনগর থানায় যান। তবে ঘটনাস্থল সরাইল থানার অধীন হওয়ায় তাদের সরাইল থানায় মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয়। ভুক্তভোগীদের পক্ষ থেকে গত ১১ সেপ্টেম্বর রাতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে সরাইল থানায় মামলা করা হয়। মামলায় রাকিব মিয়াকে প্রধান আসামি করে অজ্ঞাতনামা আরও চার থেকে পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া জানান, এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের দ্রুত গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, মামলার ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত ও অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের স্বার্থে আপাতত গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করা হচ্ছে না। আরটিভি/এসকে
টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুইপক্ষের সংঘর্ষ, এএসপি-চেয়ারম্যানসহ আহত ৫০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে ফুটবল খেলা দেখতে গিয়ে তর্কাতর্কি ও ধাক্কাধাক্কির জেরে টর্চ লাইটের আলো জ্বালিয়ে দুইদল গ্রামবাসীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে এক পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার স্বল্প নোয়াগাঁও ও হাবলীপাড়া গ্রামের মধ্যে এ সংঘর্ষ শুরু হয়। রাত সোয়া ১০টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়। স্থানীয়রা জানায়, বিকেলে স্বল্প নোয়াগাঁও স্কুল মাঠে ফুটবল খেলা দেখতে যায় হাবলি পাড়ার লামিন। খেলা দেখার সময় স্বল্প নোয়াগাঁও গ্রামের শুভর সঙ্গে লামিনের কথাকাটাকাটি ও ধাক্কা-ধাক্কি হয়। এক পর্যায়ে শুভ হাবলি পাড়া গ্রামের লামিনকে মারধর করে। এ ঘটনার পর থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে দুইপক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এ সময় রাতে আঁধারে টর্চ লাইটের আলো জ্বালিয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় পুরো এলাকাজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।  সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ জানান, সংঘর্ষে আহত ব্যক্তিদের মধ্যে অন্তত ৩৫ জন রাত সাড়ে ৯টার মধ্যে এখানে চিকিৎসা নিয়েছেন। পরে আরও অনেকে এসেছেন। সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুর কাদের ভূঁইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমাদের ওপরও হামলা হয়েছে। আমাদের সার্কেল স্যার আহত হয়েছেন। তিনি পায়ে ইটের আঘাত পেয়েছেন। জড়িত অন্যদের আইনের আওতায় আনা হবে। আরটিভি/টিআর
আরও