ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
দিনে রেকি, রাতে গৃহবধূর ঘরে মুখোশধারী ৩ যুবক
দিনে রেকি, রাতে গৃহবধূর ঘরে মুখোশধারী ৩ যুবক
ফেনীর ছাগলনাইয়ায় গভীর রাতে বাসায় ঢুকে এক নারী ও তার দুই শিশুকন্যাকে জিম্মি করে ডাকাতির অভিযোগ উঠেছে। ডাকাতেরা ওই বাসার সোনা, টাকা ও মুঠোফোন লুট করেছে।
আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে ১৬ বছর ধরে বন্ধ থাকা দোস্ত টেক্সটাইল
আলোর মুখ দেখতে যাচ্ছে ১৬ বছর ধরে বন্ধ থাকা দোস্ত টেক্সটাইল
মেয়ের বটির কোপে বৃদ্ধা মায়ের মৃত্যু
মেয়ের বটির কোপে বৃদ্ধা মায়ের মৃত্যু
ঝোপের আড়ালে গোঙাচ্ছিলেন তাঁতী দল নেতা, ঘটনা কী
ঝোপের আড়ালে গোঙাচ্ছিলেন তাঁতী দল নেতা, ঘটনা কী
টানা ৯০ দিন জামাতে নামাজ আদায়, বাইসাইকেল পেল ৩২ শিশু-কিশোর
টানা ৯০ দিন জামাতে নামাজ আদায়, বাইসাইকেল পেল ৩২ শিশু-কিশোর
ফেনীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল এসআরবি কর্মকর্তার
ফেনীতে ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল এসআরবি কর্মকর্তার
প্রবীণ কর আইনজীবী গোলাম মাইন উদ্-দীন মারা গেছেন
প্রবীণ কর আইনজীবী গোলাম মাইন উদ্-দীন মারা গেছেন
আবাসিক হোটেলের টয়লেটে চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল ‘খাঁটি মধু’
টয়লেটে গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা বসিয়ে আসল মধুর সঙ্গে ১০ কেজি চিনি জ্বাল দিয়ে তৈরি হচ্ছিল ‘খাঁটি মধু’। খবর পেয়ে ফেনী শহরের বড় মসজিদ রোডের ‘হোটেল ট্যুরিস্ট আবাসিক’-এ অভিযান চালিয়ে ভেজাল মধু প্রস্তুতকারী চক্রের ৪ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।  গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— মোহাম্মদ মহসিন (৪৫), মেহেদী হাসান (৪০), মোহাম্মদ রাসেল (৩৮) ও জসিম উদ্দিন (৪০)। তাদের সবার বাড়ি কুমিল্লা জেলার দেবীদ্বার উপজেলায়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হোটেলের ছয়তলার একটি কক্ষের টয়লেটে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসের চুলা বসিয়ে চিনি জ্বাল দিয়ে ভেজাল মধু তৈরির কাজ চালিয়ে আসছিল চক্রটি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রোববার রাতে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে চক্রের মূল হোতা মোহাম্মদ মহসিন জানান, বাজারে ভালো মানের প্রতি কেজি খাঁটি মধুর দাম ১ হাজার ২০০ টাকার ওপরে। সাধারণ ক্রেতাদের কমদামে মধু কেনার আগ্রহ থাকে। এই ধারণাকে পুঁজি করেই তারা প্রতিদিন দুই কেজি আসল মধুর সঙ্গে ১০ কেজি চিনি মিশিয়ে ১২ কেজি ভেজাল মধু তৈরি করত।  দুই কেজি আসল মধু ও চিনি জ্বালাতে তাদের খরচ হতো প্রায় সাড়ে তিন হাজার টাকা। এরপর সেগুলো বোতলে ভরে ‘খাঁটি মধু’ নামে প্রায় ছয় হাজার টাকায় বাজারে বিক্রি করা হতো। জিজ্ঞাসাবাদে মহসিন আরও জানান, তাদের চক্রে মোট ৩৮ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে ২৪ জন সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া এলাকায় এবং অপর ১৪ জন এই আবাসিক হোটেলে অবস্থান করে তৈরি করা ভেজাল মধু বিভিন্ন এলাকায় প্রতিনিয়ত বিক্রি করতেন। হোটেল ট্যুরিস্ট আবাসিকের ব্যবস্থাপক রুস্তম আলী বলেন, পুলিশ যাদের হোটেল থেকে আটক করেছে, তারা দীর্ঘ আট বছর ধরে আমাদের হোটেলে নিয়মিত যাতায়াত ও অবস্থান করতেন। আমরা তাদের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী বলে জানতাম। তবে তাদের ব্যবসা কী, কখনো জানার চেষ্টা করিনি। তাদের আচরণেও কখনো সন্দেহ হয়নি। টয়লেটের ভেতরে এমন অপকর্ম চলছিল, তা হোটেলের কেউ কখনো টের পাননি। স্থানীয় বাসিন্দা নুর নবী জীবন বলেন, একে তো অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিনি জ্বাল দিয়ে ভেজাল মধু উৎপাদন করা হচ্ছে, তার ওপর খাঁটি মধুর নাম দিয়ে বাজারে বিক্রি করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে চক্রটি। সহজ-সরল মানুষেরা এসব মধু কিনে যেমন প্রতারণার শিকার হচ্ছেন, তেমনই তাদের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে। খাদ্যে ভেজাল মিশ্রণের সঙ্গে জড়িত এমন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। অভিযান পরিচালনাকারী ফেনী মডেল থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মোহাম্মদ সবুজ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতার ব্যক্তিরা চিনি মিশিয়ে ভেজাল মধু তৈরির কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেফতার চারজনকে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরটিভি/এসআর
আরও