ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
প্রভাবশালী চক্রের দখলে মাইনীমুখ বাজার রোড, নীরব প্রশাসন
প্রভাবশালী চক্রের দখলে মাইনীমুখ বাজার রোড, নীরব প্রশাসন
রাঙামাটির লংগদু উপজেলার অন্যতম সর্ববৃহৎ বাণিজ্যিক কেন্দ্র মাইনীমুখ বাজার এখন প্রভাবশালী চক্রের অবৈধ দখলের থাবায় বিনষ্ট হতে বসেছে। ধীরে ধীরে দখল হয়ে যাচ্ছে বাজারের ফায়ার রোড ও বাজার ফান্ডের কোটি কোটি টাকার সরকারি জায়গা।
দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেব মন্দিরে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহায়তা
দুর্গাপূজা উপলক্ষে শ্রীশ্রী জগন্নাথ দেব মন্দিরে সেনাবাহিনীর আর্থিক সহায়তা
সোনা চুরির অপবাদে ভেঙেছিল সংসার, ১২ বছর পর সামনে এলো চরম সত্য
সোনা চুরির অপবাদে ভেঙেছিল সংসার, ১২ বছর পর সামনে এলো চরম সত্য
‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে লংগদুতে যুবদলের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন
‘অপপ্রচারের’ প্রতিবাদে লংগদুতে যুবদলের পাল্টা সংবাদ সম্মেলন
লংগদুতে যুবদল নেতা ইউনুছকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ও শাস্তির দাবি
লংগদুতে যুবদল নেতা ইউনুছকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ও শাস্তির দাবি
ব্রিজের ভাঙা অংশ দিয়ে খালে পড়ে ৮ বছরের শিশুর মৃত্যু
ব্রিজের ভাঙা অংশ দিয়ে খালে পড়ে ৮ বছরের শিশুর মৃত্যু
লংগদুতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন 
লংগদুতে আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন 
দুর্গম পথ পাড়ি দিয়েও মিলছে না ‘কাঙ্ক্ষিত সেবা’
একমাত্র এক্স-রে মেশিনের অভাবে রাঙামাটির লংগদু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে প্রতিদিন চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন শত শত সাধারণ ও হতদরিদ্র রোগী। সরকারি সুবিধা না পেয়ে বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ খরচে তাদের যেতে হচ্ছে বিভিন্ন বেসরকারি ক্লিনিকে। সরকারি হাসপাতালে তিন বছর ধরে আধুনিক এক্স-রে মেশিন পড়ে থাকলেও তা চালু না থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। জানা গেছে, ৩৫ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নীত এই হাসপাতালটি দুর্গম লংগদু উপজেলার একমাত্র সরকারি চিকিৎসাকেন্দ্র। প্রতিদিন উপজেলার বিভিন্ন দূর-দূরান্তের ইউনিয়ন থেকে শত শত হতদরিদ্র মানুষ এখানে চিকিৎসা নিতে আসেন। তবে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা না থাকায় অনেকে অর্থসংকটে সঠিক চিকিৎসা না পেয়েই ফিরে যাচ্ছেন। হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় তিন বছর আগে সরকারিভাবে হাসপাতালটিতে একটি এক্স-রে মেশিন বরাদ্দ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে গত প্রায় ৩০ বছর ধরে হাসপাতালে ‘এমদাদ’ নামের একজন এক্স-রে টেকনিশিয়ান (এক্স-রে ম্যান) কর্মরত থাকলেও মেশিনটি চালু না থাকায় তিনি কোনো সেবা দিতে পারছেন না। ফলে কারিগরি লোকবল থাকা সত্ত্বেও সরকারের দেওয়া সরঞ্জাম অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থেকে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতালে তীব্র চিকিৎসকসংকট দেখা দিয়েছে। মঞ্জুরকৃত ২৮টি চিকিৎসক পদের বিপরীতে বর্তমানে মাত্র পাঁচজন চিকিৎসক দিয়ে কোনোমতে জোড়াতালি দিয়ে চলছে চিকিৎসাসেবা। এমনকি প্রশাসনিক গুরুত্বপূর্ণ পদ—আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (UH&FPO)—উভয় পদই বর্তমানে শূন্য রয়েছে। চিকিৎসা নিতে আসা রোগীরা অভিযোগ করে বলেন, কষ্ট করে দুর্গম পথ পাড়ি দিয়ে হাসপাতালে এসেও ঠিকমতো চিকিৎসক পাওয়া যায় না। সাধারণ এক্স-রে করানোর জন্যও বাইরে বেসরকারি ক্লিনিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। দরিদ্র মানুষের পক্ষে বাইরের খরচ বহন করা সম্ভব হয় না। এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক সাইদুর রহমান জানান, বিনামূল্যে এক্স-রে সেবা দিতে পারলে রোগীদের জন্য অনেক উপকার হতো। কিন্তু কিছু কারিগরি জটিলতার কারণে মেশিনটি চালু করা সম্ভব হচ্ছে না। অবিলম্বে এক্স-রে মেশিনটি চালু করা এবং শূন্য পদে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক নিয়োগ দিয়ে অবহেলিত এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাধারণ মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী জনগণ। আরটিভি/টিআর
আরও