ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যাঙের মোড়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
মাইকে ঘোষণা দিয়ে ব্যাঙের মোড়ে দুই গ্রামবাসীর রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ
শেরপুর সদরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই গ্রামবাসীর মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিন পুলিশ সদস্যসহ উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। 
বাবেলাকোনা পাহাড়ে মিলল বিপুল ভারতীয় প্রসাধনী
বাবেলাকোনা পাহাড়ে মিলল বিপুল ভারতীয় প্রসাধনী
শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার
শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার
আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ: ঘরের ভেতর দাফন করা সেই বৃদ্ধের মরদেহ স্থানান্তর
আরটিভিতে সংবাদ প্রকাশ: ঘরের ভেতর দাফন করা সেই বৃদ্ধের মরদেহ স্থানান্তর
দাফনের জায়গা না থাকায় ঘরেই কবর হলো বৃদ্ধের
দাফনের জায়গা না থাকায় ঘরেই কবর হলো বৃদ্ধের
কড়ি কাইট্টা উদ্ধার করে পুরস্কার পেল স্কুলছাত্রী রিশা
কড়ি কাইট্টা উদ্ধার করে পুরস্কার পেল স্কুলছাত্রী রিশা
জরাজীর্ণ ঘরেই ধান নিয়ে গবেষণা, ২১ বছরে ২৫ জাত উদ্ভাবন সেন্টু হাজংয়ের
জরাজীর্ণ ঘরেই ধান নিয়ে গবেষণা, ২১ বছরে ২৫ জাত উদ্ভাবন সেন্টু হাজংয়ের
শেরপুরে ড্রামে নারীর লাশ, পরিচয় শনাক্ত করেছে পিবিআই
শেরপুরের শ্রীবরদীতে খালের ভেতর ড্রামবন্দী অবস্থায় উদ্ধার হওয়া এক নারীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। নিহত নারীর নাম ঝিনুক (২৮)। তিনি গাজীপুরের টঙ্গী এলাকার শাকিলের মেয়ে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া ইউনিয়নের কুড়িকাহনীয়া বাজারসংলগ্ন সেতুর নিচে কুটেমনি খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সকালে সেতু দিয়ে চলাচলের সময় কয়েকজন পথচারী খালের মধ্যে একটি ড্রাম দেখতে পান। ড্রামের মুখ খোলা থাকায় তারা ভেতরে মানুষের শরীরের অংশ দেখতে পেয়ে কাছে যান। পরে এক নারীর মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে শ্রীবরদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহের পরিচয় শনাক্তের কাজ শুরু করে পিবিআই। প্রযুক্তির সহায়তায় বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে নিহত নারীর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। মরদেহের মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ওই নারীকে হত্যার পর মরদেহ ড্রামে ভরে সেতুর নিচে ফেলে রাখা হয়েছে। শেরপুর ও জামালপুর জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার পংকজ দত্ত বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলেই মনে হচ্ছে। পিবিআই বায়োমেট্রিক ডিভাইসের সাহায্যে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করেছে। তার ঠিকানা গাজীপুরের টঙ্গী এলাকায় হলেও সেখানে গিয়ে স্বজনদের পাওয়া যায়নি। তবে তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই ঠিকানায় থাকেন না। দ্রুতই নিহতের পরিবারের সন্ধান মিলবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা এবং জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে পুলিশ ও পিবিআই তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। আরটিভি/টিআর
আরও