ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
শেরপুরে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪
শেরপুরে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪
শেরপুরে বাস ও সিএনজিচালিত রিকশা (অটোরিকশা) মুখোমুখি সংঘর্ষে জুয়েল (৪২) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চারজন।
তরুণীকে নিয়ে তদন্তকেন্দ্রের বাথরুমে পুলিশ কর্মকর্তা, অতঃপর...
তরুণীকে নিয়ে তদন্তকেন্দ্রের বাথরুমে পুলিশ কর্মকর্তা, অতঃপর...
জামায়াত নিজেদের কর্মীদের ছাড়া একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না: মীর শাহে আলম
জামায়াত নিজেদের কর্মীদের ছাড়া একজন ফকিরকেও ভিক্ষা দেয় না: মীর শাহে আলম
জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক, এ ইতিহাস পাল্টানো যাবে না: শাহে আলম
জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষক, এ ইতিহাস পাল্টানো যাবে না: শাহে আলম
ছুটি শেষে আর কর্মস্থলে ফেরা হলো না পুলিশ কর্মকর্তার
ছুটি শেষে আর কর্মস্থলে ফেরা হলো না পুলিশ কর্মকর্তার
রেস্তোরাঁর পেছনে নিরবকে কুপিয়ে চলে যায় ১২ জন
রেস্তোরাঁর পেছনে নিরবকে কুপিয়ে চলে যায় ১২ জন
শজিমেক হাসপাতালের ওটিতে আগুন
শজিমেক হাসপাতালের ওটিতে আগুন
ধানক্ষেতে মিলল শিশুর মরদেহ, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য
পরকীয়ার সম্পর্কের জেরে নিজের সাত বছর বয়সী শিশুসন্তান ইউসুফকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে মা রিনি বেগমের বিরুদ্ধে। নিখোঁজের তিন দিন পর বগুড়ার সোনাতলার বড় বালুয়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে ইউসুফের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এ ঘটনায় শিশুটির মা রিনি বেগম আদালতে হত্যার কথা স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। নিহত ইউসুফ বড় বালুয়া এলাকার বাসের হেলপার উজ্জ্বল হোসেনের সঙ্গে বসবাস করত। তবে স্থানীয় সূত্রের দাবি, ইউসুফ উজ্জ্বল হোসেনের নিজের সন্তান নয়। রিনি বেগম শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে পরে উজ্জ্বল হোসেনকে বিয়ে করেন। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে স্থানীয় একটি ধানক্ষেত থেকে ইউসুফের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শিশুটির মৃত্যুর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। তদন্তসংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, হত্যাকাণ্ডের সময় শিশুটির দুই পা চেপে ধরে রেখেছিলেন তার মা। পরে শিশুটির নিথর দেহ ধানক্ষেতে ফেলে যাওয়া হয় বলে ওই সূত্র জানিয়েছে। তবে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত ছিলেন কি না, কীভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ সম্পর্কে পুলিশের বিস্তারিত বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রিনি বেগমের প্রথম বিয়ে হয়েছিল বগুড়া শহরের অদূরে। প্রথম স্বামীর সঙ্গে সংসার টেকেনি। পরে শিশু ইউসুফকে নিয়ে তিনি সোনাতলার বড় বালুয়া এলাকায় উজ্জ্বল হোসেনকে বিয়ে করে তার সঙ্গে বসবাস শুরু করেন। উজ্জ্বল পেশায় বাসের হেলপার। পরবর্তী সময়ে রিনি বেগম পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন বলে স্থানীয়ভাবে আলোচনা ছিল বলে একটি সূত্র দাবি করেছে। এর আগে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ইউসুফ নিখোঁজ হওয়ার আগের দিন তাদের বাড়িতে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি এসেছিলেন। ওই দিন থেকেই শিশুটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে সোনাতলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন শিশুটির বাবা। নিখোঁজের তিন দিন পর ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার হয় শিশুটির অর্ধগলিত মরদেহ। বালুয়াহাট বাজারের ব্যবসায়ীদের কাছেও পরিচিত ছিল ইউসুফ। স্থানীয় দোকানিদের ভাষ্য অনুযায়ী, সে বাজারের বিভিন্ন দোকানে পানি ও প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র এনে দিয়ে সহযোগিতা করত। বিনিময়ে দোকানিরা তাকে পাঁচ থেকে দশ টাকা করে দিতেন। ছোট্ট শিশুটির এমন করুণ মৃত্যুতে স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। একটি শিশুর নিরাপত্তা ও সুরক্ষার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আশ্রয় হওয়ার কথা তার পরিবার। অথচ ইউসুফের মৃত্যুর ঘটনায় তার মায়ের বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। শিশুটির মৃত্যু ঘিরে উঠে আসা তথ্যগুলো যেমন মর্মান্তিক, তেমনি এ ঘটনায় অপরাধের প্রকৃত কারণ, সম্ভাব্য সহযোগী এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ চিত্র উদ্ঘাটন করাও জরুরি। পুলিশ জানিয়েছে, আদালতে দেওয়া জবানবন্দি ও তদন্তের তথ্যের ভিত্তিতে মামলার পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। শিশুটির মৃত্যুর পেছনে প্রকৃত কারণ কী এবং এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হওয়া যাবে। সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন জানান, শিশুটিকে হত্যার ঘটনায় তার মা রিনি বেগম আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। পরে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে কীভাবে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য গোপন রাখা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
চাঁদা না পেয়ে তেলের দোকানে আগুন দেওয়ার অভিযোগ
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে চাঁদা না পেয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন জ্বালানি তেলের দোকানে আগুন দিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক মুহিদুল ইসলাম।  মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে উপজেলার ভেলাবাড়ি ইউনিয়নের জোরগাছা বাজারে চাঁদের আলো ফিলিং স্টেশনে আগুনের এ ঘটনা ঘটে।  আগুনে প্রায় আট হাজার লিটার জ্বালানি তেল, অটোরিকশার শোরুম, কম্পিউটার প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং পাশের তিনটি বাড়ি পুড়ে গেছে। এতে ৩০ লাখ টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মালিক। স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রাত সাড়ে ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। মুহিদুল ইসলাম ভেলাবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য এবং চাঁদের আলো ফিলিং স্টেশনের স্বত্বাধিকারী। তার ভাষ্য, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে হেলমেট পরা এক যুবক মোটরসাইকেলে এসে দোকান থেকে দুই লিটার পেট্রল নেন। এরপর এক হাজার টাকার নোট দিলে কর্মচারী মামুন টাকা ভাঙাতে ক্যাশ কাউন্টারে যান। এর পরপরই তেলের ড্রামে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন আশপাশের প্রতিষ্ঠান ও তিনটি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ওই মোটরসাইকেল আরোহীকেও আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। মুহিদুলের অভিযোগ, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে তাকে বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। চার মাস আগে স্থানীয় এক নেতাকর্মী সুবল উদ্দিন তার কাছে তিন লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। এ ছাড়া গত মাসে সিঙ্গাপুরপ্রবাসী হাসনাত নামের এক ব্যক্তি মেসেঞ্জারে তাকে হুমকি দেন। গত শনিবার (১০ অক্টোবর) বগুড়া শহরের আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে তার নবম শ্রেণিপড়ুয়া ছেলে সিয়াম হাসানকে মারধর করে হাতঘড়ি ও মানিব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলেও দাবি করেন তিনি। এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত চক্রটিই পরিকল্পিতভাবে আগুন দিয়েছে বলে সন্দেহ মুহিদুলের। তবে চাঁদা দাবির অভিযোগে অভিযুক্ত সুবল উদ্দিন তিন মাস আগে থেকেই একটি হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে। আগুনের ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বুধবার (১৪ অক্টোবর) ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা গেছে, আগুনে ফিলিং স্টেশন, পাশের দুটি প্রতিষ্ঠান ও পেছনের তিনটি বাড়ি পুড়ে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। মুহিদুলের দাবি, ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি কয়েকটি গ্যাস সিলিন্ডারও ছিল। অটোরিকশার শোরুমে থাকা পাঁচটি নতুন অটোরিকশা ও ৫৫টি ব্যাটারি পুড়ে গেছে। একই সঙ্গে কম্পিউটার প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কম্পিউটার ও আসবাবপত্রও আগুনে নষ্ট হয়েছে। মুহিদুল জানান, ফিলিং স্টেশনের বিস্ফোরক পরিদপ্তরের অনুমোদন ছিল না। তবে ফায়ার সার্ভিস ও জেলা পরিষদের অনুমোদন ছিল বলে দাবি করেন তিনি। এ বিষয়ে বগুড়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সহকারী পরিচালক রফিকুজ্জামান বলেন, প্রতিষ্ঠানটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। সেখানে জ্বালানি তেলের পাশাপাশি এলপিজি সিলিন্ডারও বিক্রি করা হতো। ফায়ার সার্ভিস এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন দেয় না; অনুমোদন দেওয়ার দায়িত্ব বিস্ফোরক পরিদপ্তরের। প্রতিষ্ঠানটি অনুমোদন ছাড়াই জ্বালানি তেল বিক্রি করছিল। সারিয়াকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আ ফ ম আসাদুজ্জামান বলেন, চাঁদা দাবির বিষয়টি তার জানা নেই। তবে মুহিদুলের এক কর্মচারী হিসাব বুঝিয়ে না দিয়ে চাকরি ছেড়ে যাওয়ার ঘটনায় থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল। সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম বলেন, অনুমোদনহীন জ্বালানি তেলের দোকানে আগুনের খবর তিনি পেয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস এ বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেছে। ক্ষতিগ্রস্ত তিন পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে সহযোগিতার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। আগুনের প্রকৃত কারণ, এটি পরিকল্পিতভাবে লাগানো হয়েছিল কি না এবং এর পেছনে কারও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে। একই সঙ্গে অনুমোদনহীন জ্বালানি তেলের ব্যবসা কীভাবে চলছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। আরটিভি/টিআর
ধানক্ষেত থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার
বগুড়ার সোনাতলায় নিখোঁজের তিন দিন পর বড় বালুয়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে ইউসুফ (৭) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।  বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুরে মরদেহ উদ্ধারের পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত ইউসুফ সোনাতলা উপজেলার বড় বালুয়া এলাকার উজ্জ্বল হোসেনের ছেলে। শিশুটির মৃত্যু কীভাবে হয়েছে, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এটি দুর্ঘটনা নাকি হত্যাকাণ্ড, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এরই মধ্যে শিশুটির বাড়িতে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তির আসা এবং এরপর থেকে তার নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা চলছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার আগের দিন শিশুটির বাড়িতে কয়েকজন অপরিচিত ব্যক্তি বেড়াতে এসেছিলেন। এরপর থেকে ইউসুফকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান না পেয়ে শিশুটির বাবা সোনাতলা থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। নিখোঁজের তিন দিন পর মঙ্গলবার দুপুরে বড় বালুয়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে শিশুটি কীভাবে নিখোঁজ হয়েছিল এবং তার মৃত্যুর পেছনে কোনো অপরাধমূলক ঘটনা রয়েছে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। বালুয়াহাট বাজারের এক মুদি দোকানি জানান, শিশুটির বাড়িতে কয়েকজন লোক এসেছিলেন। তারা কারা, তা জানতে চাইলে শিশুটির মা তাদের চেনেন না বলে জানান। অপরিচিত ব্যক্তিদের বাড়িতে খাওয়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান বলে দাবি করেন ওই দোকানি। তবে ওই ব্যক্তিরা কারা ছিলেন, কেন এসেছিলেন এবং শিশুটির নিখোঁজ হওয়ার ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, ইউসুফ বালুয়াহাট বাজারের বিভিন্ন দোকানে পানি ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পৌঁছে দিয়ে সহযোগিতা করত। এই কাজের বিনিময়ে বাজারের দোকানিরা তাকে ৫ থেকে ১০ টাকা করে দিতেন। এভাবেই বাজারের দোকানিদের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেছিল শিশুটি। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে শোকের পাশাপাশি নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। শিশুটির বাড়িতে আসা অপরিচিত ব্যক্তিদের পরিচয়, তার নিখোঁজ হওয়ার পরিস্থিতি এবং ধানক্ষেত থেকে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনা তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে তদন্তের আগে এসব ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে বলে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। সোনাতলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কবির হোসেন বলেন, ৫ থেকে ৭ বছর বয়সী একটি শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। আরটিভি/টিআর
আরও