ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
এইচএসসিতে নীলফামারীর ১৪ প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল
এইচএসসিতে নীলফামারীর ১৪ প্রতিষ্ঠানে সবাই ফেল
দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় নীলফামারী জেলার ১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেনি। এছাড়া মাদরাসা শিক্ষাবোর্ডের ২ প্রতিষ্ঠান থেকে অংশ নেওয়া সবাই ফেল করেছেন।
রাতের আঁধারে ৬০০ শিমগাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা, বুকফাটা আর্তনাদ কৃষকের
রাতের আঁধারে ৬০০ শিমগাছ কেটে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা, বুকফাটা আর্তনাদ কৃষকের
দিনাজপুরে আদিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে গণশুনানি অনুষ্ঠিত
দিনাজপুরে আদিবাসীদের জীবনমান উন্নয়নে গণশুনানি অনুষ্ঠিত
বিএনপি রাজনীতি করে প্রত্যেকটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
বিএনপি রাজনীতি করে প্রত্যেকটি মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য: সমাজকল্যাণমন্ত্রী
৭০ বছরের ঐতিহ্য বউমেলা, পুরুষের প্রবেশ নিষেধ!
৭০ বছরের ঐতিহ্য বউমেলা, পুরুষের প্রবেশ নিষেধ!
প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা
প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষককে পিটিয়ে হত্যা
পিকআপ নিয়ে গিয়ে গরু চুরি, বাধা দেওয়ায় খামারমালিককে ছুরিকাঘাত
পিকআপ নিয়ে গিয়ে গরু চুরি, বাধা দেওয়ায় খামারমালিককে ছুরিকাঘাত
মায়ের মৃত্যুর ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলের মৃত্যু, একসঙ্গে জানাজা
দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মায়ের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে মারা গেছেন বড় ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন (৫৫)। মায়ের মৃত্যুর মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে ছেলের এমন আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে শোকের মাতম চলছে। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সকালে একই মাঠে মা ও ছেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাঁদের পাশাপাশি পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন ফুলবাড়ী উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জিএম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক ক্রীড়া শিক্ষক সৈয়দ আবুল মাহমুদের (চাঁদ) স্ত্রী সৈয়দা মাজেদা খাতুন (৭৫) এবং তার বড় ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন (৫৫)। পরিবারের সদস্যরা জানান, বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বারোকোনা গ্রামে নিজ বাসভবনে মারা যান সৈয়দা মাজেদা খাতুন। মায়ের মৃত্যুর পর শোকে কাতর হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন ছেলে সৈয়দ মেজবাউর। রাত ১১টার দিকে তাকে ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বারোকোনা গ্রামের রজব আলী বলেন, ‌‘মা সৈয়দা মাজেদা খাতুনের মৃত্যু খবর শুনে বড় ছেলে সৈয়দ মেজবাউর রশিদ সুমন শোকে মাতম করছিলেন। বিকেল থেকে বারবার অজ্ঞান হয়ে পড়ছিলেন। রাতে একপর্যায়ে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। পরে তাকে দ্রুত ফুলবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বেলা ১১টায় বারোকোনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে মা ও ছেলের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে তাদের পারিবারিক গোরস্থানে দাফন করা হয়। আরটিভি/টিআর
আরও