ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
ভাওয়াইয়া চর্চায় নতুন দিগন্ত, উলিপুরে নির্মিত হচ্ছে এক কোটি টাকার ভবন
ভাওয়াইয়া চর্চায় নতুন দিগন্ত, উলিপুরে নির্মিত হচ্ছে এক কোটি টাকার ভবন
ভাওয়াইয়া গানের দীর্ঘ ইতিহাস ও সমৃদ্ধ ঐতিহ্য সংরক্ষণে নতুন মাইলফলকের পথে এগোচ্ছে কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার বাংলাদেশ ভাওয়াইয়া পরিষদ। প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে সংগঠনটির জন্য নির্মাণ করা হচ্ছে একটি স্থায়ী ও আধুনিক বহুতল ভবন।
যৌতুকের টাকার জন্য গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী-শাশুড়ি পলাতক
যৌতুকের টাকার জন্য গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যা, স্বামী-শাশুড়ি পলাতক
দাদাকে কুপিয়ে হত্যা: দুই পা কেটে রাখা হয় ট্রাভেল ব্যাগে
দাদাকে কুপিয়ে হত্যা: দুই পা কেটে রাখা হয় ট্রাভেল ব্যাগে
নাতির বিরুদ্ধে দাদাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
নাতির বিরুদ্ধে দাদাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ
মাদরাসা ‘গোল্লায়’ গেলেও বেতন নিতে ভুল করেন না শিক্ষক-কর্মচারীরা
মাদরাসা ‘গোল্লায়’ গেলেও বেতন নিতে ভুল করেন না শিক্ষক-কর্মচারীরা
২৫ বছর ইমামতির পর ঘোড়ার গাড়িতে ইমামের রাজকীয় বিদায়
২৫ বছর ইমামতির পর ঘোড়ার গাড়িতে ইমামের রাজকীয় বিদায়
অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় পথচারী নিহত
অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় পথচারী নিহত
জুলাই শহীদের কবরে ককটেল বিস্ফোরণ ও বসতঘর ভাংচুরের অভিযোগ 
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় স্থানীয় বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জুলাই শহীদ জুনায়েত হোসেনের কবরে ককটেল বিস্ফোরণ ও বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর অভিযোগ উঠেছে রাজনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু আলম ও তার অনুসারীদের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে চেয়ারম্যান পাল্টা দাবি করেছেন, শহীদ জুনায়েতের পক্ষের লোকজনই আগে তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার (০৭ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের বিলদেওনিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু আলমের সঙ্গে জুলাই শহীদ জুনায়েত হোসেনের বাবা শাহ আলম ফরাজী ও চাচা ইব্রাহিম ফরাজীর দীর্ঘদিনের জমিসংক্রান্ত বিরোধ রয়েছে। গত জুলাইয়ে জুনায়েত নিহত হওয়ার পর দায়ের করা হত্যা মামলায় চেয়ারম্যান আবু আলম ও তার অনুসারীদের আসামি করা হয়। এরপর থেকেই দুপক্ষের মধ্যে বিরোধ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। আরও পড়ুন শরীয়তপুরে ভাতের হোটেলে জুয়া খেলার সময় আটক ৬ জানা গেছে, এর আগেও একাধিকবার তাদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ দিন রাতে তাদের দুপক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে সংঘর্ষ শুরু হয়। উভয় পক্ষের বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে কয়েকজন আহত হন। জুনায়েতের বাবা শাহ আলম ফরাজী অভিযোগ করে বলেন, ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। পরে জানতে পারি আমার ঘরবাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। এর আগেও আমার বাড়িতে হামলা হয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদে বসে চেয়ারম্যান আবু আলম ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লোকজন পরিকল্পনা করে এই হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, রাজনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জুনায়েতের পরিবারের সঙ্গে আমাদের জমি নিয়ে মামলা চলমান। জুনায়েত মারা গেলে আমি নিজে ঢাকায় গিয়ে তার মরদেহ নিয়ে আসি। জানাজায় অংশ নিয়েছি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ব্যবস্থা করেছি। অথচ সেই হত্যা মামলায় আমাদের পাঁচ ভাইকে আসামি করা হয়েছে। আমরা রাজনৈতিকভাবে চাপে আছি। আমরা কীভাবে শহীদ পরিবারের ওপর হামলা চালাবো? আরও পড়ুন বিয়ে পড়াতে গিয়ে শাস্তি পেলেন কাজী তিনি দাবি করে বলেন, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তারা আমার পরিষদে এসে আমার ওপর হামলা চালিয়েছে। ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। এতে আমার লোকজন আহত হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। নড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহাম্মদ মহিউদ্দিন মিরাজ বলেন, স্থানীয় চেয়ারম্যানের ওপর হামলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে দুপক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে এবং কয়েকজন আহত হয়। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, অস্থায়ী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে প্রথমে একটি পক্ষকে মারধর করা হয়; পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ অভিযোগ দায়ের করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ঘটনার পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তবে যে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে জানা গেছে। আরটিভি নিউজ
শরীয়তপুরে ভাতের হোটেলে জুয়া খেলার সময় আটক ৬
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার ভোজেশ্বর বাজারে একটি ভাতের হোটেলে জুয়া খেলার সময় ৬ জনকে আটক করেছে পুলিশ। রোববার (২১জুন) দুপুরে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বিষটি নিশ্চিত করেন।  এর আগে শনিবার রাতে ভোজেশ্বর বাজারের ধানপট্টি এলাকায় মালেক মৃধার ভাতের হোটেলে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হোটেলের ভেতরে অবৈধভাবে জুয়া খেলার সময় তাদের আটক করা হয়। আটক হওয়া ৬ জন হলেন— আব্দুল মালেক মৃধা (৪২), মানিক বেপারী (৩৫), আব্দুর রহিম মাঝি (৬০), চুন্নু মিয়া পেদা (৩৮), ফয়জুল শরীফ (৫৫) এবং নিজাম ঢালী (৪২)। তাদের সবার বাড়ি নড়িয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (নড়িয়া সার্কেল)-এর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়ার নেতৃত্বে রাত্রীকালীন বিশেষ ডিউটির সময় এসআই এরশাদ হোসেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে এ অভিযান পরিচালনা করেন। আরও পড়ুন কাপ্তাই হ্রদে মিলল নারীর মরদেহ, ছিলেন নিখোঁজ ওসি বলেন, ভোজেশ্বর বাজারে একটি হোটেলের ভেতরে অবৈধ জুয়া খেলার খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় জুয়া খেলায় জড়িত ৬ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে ১৮৬৭ সালের জুয়া আইনের ৪ ধারায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জুয়া, মাদক ও অন্যান্য অপরাধ প্রতিরোধে নড়িয়া থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। আরটিভি/এসএস
বিয়ে পড়াতে গিয়ে শাস্তি পেলেন কাজী
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিয়ে পড়ানোর প্রস্তুতির অভিযোগে এক নিকাহ রেজিস্ট্রারকে (কাজী) কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একইসঙ্গে বাল্যবিবাহটি তাৎক্ষণিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সন্ধ্যায় নড়িয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট লাকী বিষয়টি নিশ্চিত করেন।  এর আগে, বিকেলে উপজেলার মোক্তারেরচর ইউনিয়নের নয়ন মাদবরকান্দী গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় পুলিশ ও উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তারা অংশ নেন। ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে ৩৬ বছর বয়সী এক ব্যক্তির বিয়ের আয়োজন চলছিল। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ভ্রাম্যমাণ আদালত বিয়ের সত্যতা পান এবং তাৎক্ষণিকভাবে তা বন্ধ করে দেন। এ সময় উপস্থিত নিকাহ রেজিস্ট্রার মাওলানা মো. জাকির হোসেন বাল্যবিবাহ সম্পাদনের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়।  আরও পড়ুন আবাসিক হল থেকে ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে বাল্যবিবাহের প্রস্তুতির প্রমাণ হিসেবে একটি খসড়া রেজিস্ট্রার খাতা জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় বর, তার বাবা-মা এবং বিয়ের সঙ্গে জড়িত স্থানীয় এক ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে প্রশাসন জানিয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল কাইয়ুম খান বলেন, বাল্যবিবাহ একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। প্রশাসনের এ ধরনের তৎপরতায় স্থানীয় সচেতন মহল সন্তোষ প্রকাশ করেছে। তারা বলছেন, বাল্যবিবাহ বন্ধে নিয়মিত নজরদারি ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকলে এ ধরনের অপরাধ অনেকাংশে কমে আসবে। আরটিভি/আইএম
চটপটির দোকান বসানো নিয়ে অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ
শরীয়তপুরে চটপটির দোকান বসানো নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় অন্তত অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (২৯ মে) রাতে নড়িয়া উপজেলার মুলফৎগঞ্জ বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুলফৎগঞ্জ এলাকায় পদ্মা নদীর তীরে দোকানঘর নির্মাণ করছিলেন রাসেল ব্যাপারী। স্থানীয় কয়েকজন এই নির্মাণ কাজে বাধা দেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। আরও পড়ুন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তালগাছের সঙ্গে মোটরসাইকেলের ধাক্কা, নিহত ২ এ বিষয়ে নাড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া জানান, একটি চটপটির দোকান বসানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। তবে এখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।  তিনি আরও জানান, বর্তমানে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। একইসঙ্গে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। আরটিভি/আইএম
হাসপাতালে গৃহবধূর মরদেহ ফেলে পালালেন স্বামী-শ্বশুরবাড়ির লোকজন
শরীয়তপুরের নড়িয়ায় হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এক গৃহবধূর মরদেহ ফেলে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (৭মে) সন্ধ্যায় নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে।  নিহত শিমু আক্তার (৩৫) নড়িয়া পৌরসভার বাড়ৈপাড়া এলাকার কুদ্দুস খানের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি ঢাকায়। আরও পড়ুন ভুল প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা, দায়িত্ব হারালেন দুই কর্মকর্তা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিমু আক্তারকে অচেতন অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী কুদ্দুস খান ও তার পরিবারের লোকজন। পরে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করার পরপরই শিমুর স্বামী কুদ্দুস খান ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন হাসপাতালে মরদেহ ফেলে রেখে পালিয়ে যান। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পুলিশকে জানায়। বিষয়টি নিশ্চিত করে নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, ‌খবর পেয়ে হাসপাতালে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর থেকে ওই নারীর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক। তাদের ঘরেও তালা ঝুলছে। আমরা মেয়ের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। ওসি বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসক জানিয়েছেন, নিহতের গলায় দাগ আছে। তিনি আরও বলেন, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়া গেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।  আরটিভি/এমএম
শরীয়তপুরে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে জেলের মৃত্যু
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার পদ্মা নদী থেকে জাল তোলার সময় বজ্রপাতে রাজিব ছৈয়াল (৩৫) নামে এক জেলের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে।  বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর সোয়া ১টার সময় উপজেলার জবশা ইউনিয়নের মাইজপাড়া এলাকায় পদ্মা নদীতে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রাজিব উপজেলার জবশা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রাম কান্দি এলাকার হারুন ছৈয়ালের ছেলে। আরও পড়ুন বজ্রপাতে গরুর মৃত্যু, আয়ের উৎস হারিয়ে হতাশায় কৃষক পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাজিব ছৈয়াল নামের ওই যুবক দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। প্রতিদিনের মতো বুধবার সকালে পদ্মা নদীর বিভিন্ন অংশে চায়না দুয়ারি জাল পেতে রেখে বাড়িতে চলে আসেন রাজিব।  পরে, দুপুরে তিনি সেই জাল তুলতে নদীতে নামেন। তিনি যখন জাল তুলছিলেন হঠাৎ বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন। পরে অন্যান্য জেলেরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।   স্থানীয় ইউপি সদস্য আমির মাদবর বলেন, নদীতে জাল তুলতে গিয়ে রাজিব ছৈয়াল বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। তার মরদেহ হাসপাতাল থেকে দাফনের জন্য বাড়িতে নিয়ে আসা হয়েছে। নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া বলেন, বজ্রপাতে রাজিব ছৈয়াল নামের এক জেলের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। এ বিষয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। আরটিভি/এমআই 
মেয়েকে যৌন নিপীড়ন, সৎ বাবা কারাগারে
শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় মেয়েকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় এক সৎ বাবাকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বিকালে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে নড়িয়া থানা পলিশ। এর আগে গতকাল রাতে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগী মেয়ের মা। আটক ব্যক্তি জহির মগদম নড়িয়া উপজেলার জপসা ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের নুরুল হক মগদমের ছেলে। পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত জহির মগদম দীর্ঘদিন ধরে তার সৎ মেয়েকে যৌন নিপীড়ন করে আসছিল। বিষয়টি প্রথমে পরিবারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও পরবর্তীতে ভুক্তভোগী কিশোরীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার অবনতি হলে ঘটনাটি প্রকাশ পায়। পরে ভুক্তভোগীর মা এ ঘটনায় থানায় যৌন নিপীড়নের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বৃহস্পতিবার তাকে আটক করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আরও পড়ুন পঞ্চগড়ে বেড়েছে ডায়রিয়া রোগী নড়িয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি তদন্ত) সুকান্ত কুমার জানান, ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে যৌন নিপীড়নকারী সৎ পিতার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছেন। আমরা অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়েছি। আরটিভি/এসএস
আরও