ঢাকা রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩
চার বন্ধুর স্বপ্নের খামারে বিষ, ভেঙে গেল সফল হওয়ার স্বপ্ন
চার বন্ধুর স্বপ্নের খামারে বিষ, ভেঙে গেল সফল হওয়ার স্বপ্ন
নিজেদের জমানো টাকা ও ঋণ করে পুকুরে মাছ চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন একই গ্রামের চার বন্ধু। কিন্তু এক রাতেই তাদের সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। মাছ চাষের পুকুরে  বিষ প্রয়োগ করে প্রায় দশ লাখ টাকার  মাছ মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা।  
ফেসবুক পোস্ট ঘিরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০
ফেসবুক পোস্ট ঘিরে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০
অর্ধযুগেও শেষ হয়নি মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ, ক্ষুব্ধ মুসল্লিরা
অর্ধযুগেও শেষ হয়নি মডেল মসজিদের নির্মাণকাজ, ক্ষুব্ধ মুসল্লিরা
অবশেষে বাঁধের কাজের অর্থ আত্মসাতকারীর পরিচয় মিলল
অবশেষে বাঁধের কাজের অর্থ আত্মসাতকারীর পরিচয় মিলল
মহিলা সমিতির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতাহাতি
মহিলা সমিতির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীর হাতাহাতি
প্রাথমিক শিক্ষায় বৈষম্য, কোথাও শিক্ষক নেই, কোথাও পরিপূর্ণ
প্রাথমিক শিক্ষায় বৈষম্য, কোথাও শিক্ষক নেই, কোথাও পরিপূর্ণ
পাটলাই নদীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ১
পাটলাই নদীতে চাঁদাবাজির অভিযোগে আটক ১
সুনামগঞ্জে ৩ সন্তানকে হত্যার ঘটনায় বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে তিন সন্তানসহ বিষপান করেছেন এক বাবা। বিষক্রিয়ায় মুমূর্ষু বাবা সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। জানা গেছে, মাদক ও জুয়ায় আসক্ত বাবা শরাফত আলী নিজেই সন্তানদেরকে খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে খাওয়ান। তারপর নিজেও বিষপান করেন। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) রাত ১টার দিকে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বড়দল উত্তর ইউনিয়নের রজনীলাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে প্রতিবেশী ও স্বজনরা তিন শিশু ও বাবাকে উদ্ধার করে প্রথমে নিকটস্থ বাদাঘাট বাজারের ডা. হাফিজ উদ্দিনের কাছে ও পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। মৃত তিন শিশু হলো, মেয়ে মাওয়া (১০) ও দুই ছেলে তামিম (৭) ও শামিম (২)। তাহিরপুর সদর হাসপাতালে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. ফৌজিয়া জানান, ধারণা করা যাচ্ছে ঘটনা রাতে ১টা বা দেড়টার দিকে ঘটেছে। পরে সকাল ৭টা ২০ মিনিটের দিকে তিন সন্তান ও বাবাকে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে দেখা যায়, শিশু তিনজন হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই মারা গেছে। আর বাবা শরাফতকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেশী ও আত্মীয় রনু মিয়া বলেন, শরাফত মিয়ার স্ত্রী সৌদি আরব প্রবাসী। ঘটনার দিন দিনে তিন শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে স্থানীয় বড়ছড়া বাজারে যান শরাফত মিয়া। বাড়ি ফেরার পথে সঙ্গে করে বিরিয়ানি নিয়ে যান। ধারণা করা হচ্ছে, বিরিয়ানির সঙ্গে বিষ মিশিয়ে তা সন্তানদের খাইয়ে নিজেও খান। তিনি আরও জানান, শরাফত জুয়ায় ও মাদকে আসক্ত। তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, তিন শিশুর মরদেহ বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহগুলো সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। আশপাশে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শরাফত মিয়া জুয়ায় ও মাদকে আসক্ত। আরটিভি/এসএস
সুনামগঞ্জে বাবার হাতে বিষপানে ৩ শিশুর মৃত্য
সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে বাবার হাতে বিষপানে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সন্তানদের বিষপান করানোর পর নিজেও বিষপান করেন তিনি। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ওই বাবাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নের রজনীলাইন গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশুরা হলো- রজনীলাইন গ্রামের সরফত আলীর মেয়ে মাওয়া আক্তার (১০) এবং ছেলে শামিম মিয়া (৭) ও তামিম মিয়া (২)। তাদের বাবা সরফত আলী (৩৫) বর্তমানে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সরফত আলীর স্ত্রী ফাতেমা বেগম তিন দিন আগে সৌদি আরবে প্রবাসে যান। শুক্রবার রাতে সরফত আলী তার তিন সন্তানকে নিয়ে বসতঘরে ঘুমাতে যান। পরে রাত আনুমানিক ১টার দিকে তিনি তিন সন্তানসহ কীটনাশক পান করেন বলে জানা গেছে। বিষপানের পর সরফত আলী ময়মনসিংহে থাকা তার এক ফুফুকে মোবাইল ফোনে বিষয়টি জানান এবং দাবি না রাখতে বলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তার ফুফু বাড়িতে থাকা সরফত আলীর ছোট ভাই রহমত আলীকে খবর দেন। পরে রহমত আলীসহ পরিবারের লোকজন দ্রুত সরফত আলীর বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে চারজনকে উদ্ধার করেন। পরে তাদের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তিন শিশুকে মৃত ঘোষণা করেন।  সরফত আলীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহমদ বলেন, তিন শিশুর মরদেহ বর্তমানে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহগুলো সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। ঘটনার বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ঘটনার কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানা যায়নি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আরটিভি/এসএস
আরও