ঢাকা সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩

‘বাকের ভাইয়ের কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’

পাভেল রহমান

প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর ২০১৭, ১২:৫১ পিএম

আশির দশকের শেষের দিকে বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) প্রচার হতো হুমায়ূন আহমেদের ‘এইসব দিনরাত্রি’। দেশে তখন একমাত্র টিভি চ্যানেল বিটিভি। নাটক শুরুর সময় দেখা যেত রাস্তাঘাট সব ফাঁকা। লোকজন সব ভিড় জমিয়েছেন টিভি সেটের সামনে। যাদের বাড়িতে টিভি নেই, তারা ভিড় জমাতেন পাশের বাড়িতে।

‘এইসব দিনরাত্রি’ নাটকের শফিক চরিত্রে বুলবুল আহমেদ, রফিক চরিত্রে আসাদুজ্জামান নূর আর নীলু ভাবী চরিত্রে ডলি জহুর তখন সবার কাছে ভীষণ জনপ্রিয়। ছোট্ট টুনির মৃত্যুর মাধ্যমে ধারাবাহিকটি শেষ করেন হুমায়ূন আহমেদ। পরদিনই প্রেসক্লাবের সামনে টানানো হলো ব্যানার ‘টুনির কেন মৃত্যু হলো, হুমায়ূন আহমেদ জবাব চাই’।

হুমায়ূন আহমেদের নাটকের চরিত্রের জন্য রাজপথে মিছিল করার মতো ঘটনা তো একাধিকবার দেখা গেছে। ‘বাকের ভাইয়ের কিছু হলে, জ্বলবে আগুন ঘরে ঘরে’ স্লোগানের মিছিলটি কোনো রাজনৈতিক দলের ছিল না। হুমায়ূন আহমেদের ধারাবাহিক নাটক ‘কোথাও কেউ নেই’র প্রধান চরিত্র বাকের ভাইকে ফাঁসি না দেওয়ার দাবি জানিয়ে এই স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল।

নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে হুমায়ূন আহমেদ লিখেন ধারাবাহিক ‘কোথাও কেউ নেই’। এ নাটকের প্রধান চরিত্র বাকের ভাইকে বাঁচানোর দাবিতে মিছিল, দেয়াল লিখন ও সমাবেশ হয়েছে। কিন্তু শেষপর্যন্ত গল্পের যবনিকা টানতে গিয়ে বাকের ভাইকে ঝুলতে হলো ফাঁসিতে। বাকের ভাইয়ের ফাঁসি এখনো মেনে নিতে পারেননি অনেকে।

একটি টিভি নাটক নিয়ে যে আন্দোলন গড়ে উঠতে পারে, তার দৃষ্টান্ত তৈরি করলেন হুমায়ূন আহমেদ। বাকের ভাই চরিত্রে আসাদুজ্জামান নূর এখনো মানুষের মুখে মুখে বিচরণ করছেন। আসাদুজ্জামান নূর বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতিমন্ত্রী। এখনো তিনি কোনো অনুষ্ঠানে গেলে তাকে বাকের ভাই বলেই ডাকা হয়। কোনো নাটকের চরিত্র যে কতটা জনপ্রিয় হতে পারে সেটা হুমায়ূন আহমেদ দেখিয়েছেন।

‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকটি প্রচারের প্রায় দুই দশক পর আসাদুজ্জামান নূর যখন সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হলেন, তখন বাকের ভাইয়ের নাম ধরেই নীলফামারীতে ভোট চাওয়া হয়েছে। চরিত্র সৃষ্টিতে এমনই এক নিপুণ কারিগর ছিলেন হুমায়ূন আহমেদ। একইভাবে হুমায়ূন আহমেদের অয়োময়, বহুব্রীহি ও আজ রবিবার নিয়ে প্রবল আবেগ রয়েছে মানুষের মাঝে।

টিভি চ্যানেলের ঈদ আয়োজন কিংবা দৈনিক পত্রিকার ঈদ সংখ্যা যেন তাকে ছাড়া চলতোই না। চাঁদ রাতে সপরিবারে হুমায়ূন আহমেদের নাটক দেখতে বসা যেন প্রতি বছরের ঈদের নির্মল আনন্দের নিত্য ঘটনা। একইসঙ্গে ঈদ সংখ্যায় হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস। সব মিলিয়ে ঈদের আনন্দে লাখো মানুষকে ভাসিয়েছেন যাদুকর হুমায়ূন আহমেদ।

১৯৯৫ সাল থেকে বিটিভিতে ব্যক্তি উদ্যোগে নির্মিত প্যাকেজ অনুষ্ঠান প্রচারের সুযোগ শুরু হয়। পরবর্তী সময়ে দেশে বেসরকারি টিভি চ্যানেলের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। নাট্যকার হুমায়ূন আহমেদ হয়ে উঠেন নির্মাতা-পরিচালক। দেশের টিভি চ্যানেলগুলো প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠে— কে কত বেশি হুমায়ূন আহমেদের নাটক প্রচার করতে পারে। প্রতি ঈদেই দেশের শীর্ষ টিভি চ্যানেলগুলো তাদের প্রাইম টাইম ঠিক করে রাখে হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত নাটক প্রচারের জন্য।

ধারাবাহিকের পাশাপাশি একদিন হঠাৎ, খাদক, অন্যভুবন, অচিনবৃক্ষ, খোয়াব নগর, জোছনার ফুল, আজিজ সাহেবের পাপ, আমরা তিনজন, ভূত বিলাস, বুয়া বিলাস, এই বৈশাখে, চৈত্রদিনের গান, নাট্যকার হামিদ সাহেবের একদিন, পক্ষীরাজ, জুতা বাবা, তারা তিনজন-টি মাস্টার, তৃষ্ণা, রূপালী রাত্রি, মন্ত্রী মহোদয়ের আগমন শুভেচ্ছা স্বাগতম, বাদল দিনের প্রথম কদমফুল, ঘটনা সামান্য, চেরাগের দৈত্য, বৃক্ষমানব, এই বসন্তে’সহ অসংখ্য খণ্ড নাটক তৈরি করেছেন তিনি।

পিআর/সি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
বলিউড কিং শাহরুখ খানের মেয়ে বলে জন্ম সূত্রেই বনে গেছেন তারকা। তাই যে কোনো পার্টি-অনুষ্ঠানে মধ্যমণি হয়ে উঠেন শাহরুখ কন্যা সুহানা খান। তার প্রতি মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। সুহানার বয়স এখনো ১৮ পার হয়নি। বলিউডের সিনেমাতেও অভিনয় করেননি। তবে শাহরুখ খানের সঙ্গে মাঝে মাঝে কিছু অনুষ্ঠানে দেখা যায় তাকে। এবার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে নজর কেড়েছেন সুহানা। আকর্ষণীয় সাজে বিয়ের অনুষ্ঠানে দেখা গেছে শাহরুখ কন্যার মোহনীয় রূপ। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ হবার পর রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। ওই বিয়ের অনুষ্ঠান ছিল দিল্লিতে। সুহানাকে দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে তার বয়স মাত্র ১৭। সোনালি লেহেঙ্গায় বেশ লাবণ্যময়ী লাগছিল সুহানাকে। সেই ছবি দেখে অনেকেই প্রশংসা করেছেন। এছাড়া কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছিল সুহানার গোসলের ছবি। সুহানা নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবিটি প্রকাশ করেছিলেন। এরপর সেই ছবি নিয়ে নানারকম খবর প্রকাশ হয়েছে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে। বলিউডের সিনেমায় অভিনয় না করলেও মঞ্চনাটকে অভিনয় করেন সুহানা। মুম্বাইয়ের একটি নাটকের দলের সঙ্গে যুক্ত আছেন সুহানা। ‘সিন্ডারেলা’ নাটকের অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। নাটকের ভিডিও দেখে কেউ কেউ সুহানাকে সিনেমায় অভিনয়ের প্রস্তাব দেয় বলে জানা গেছে। তবে শাহরুখ চান না তার মেয়ে এখনই সিনেমায় আসুক। পিআর/এসএস
নজর কেড়েছেন শাহরুখ কন্যা
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
শোবিজের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা ও ‘আয়নাবাজি’খ্যাত অভিনেত্রী মাসুমা রহমান নাবিলা বিয়ে করতে যাচ্ছেন। তার বরের নাম জোবাইদুল হক। পেশায় একজন ব্যাংকার। দুই পরিবারের মধ্যে বিয়ের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে। আগামী এপ্রিলের ২৬ তারিখ হবে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা এমনটাই জানালেন নাবিলা। নাবিলা বলেন, ‘আমাদের দু’জনার পরিচয় প্রায় ১৮ বছরের। বলতে পারেন আমরা দুজনেই দু’জনার প্রথম প্রেম। আমরা যখন জেদ্দায় থাকতাম, ওদের পরিবারও সেখানে থাকত। দুজনে একই স্কুলে পড়তাম। তখন থেকে তার প্রতি ভালো লাগা তৈরি হয়। তবে কল্পনাও করিনি এতদিন পর আমাদের সেই প্রেমের সফল পরিণতি হবে। সবার কাছে দোয়া চাই।’ বাবার চাকরি সূত্রে নাবিলার জন্ম ও বেড়ে ওঠা সৌদি আরবে। তার কৈশোর কেটেছে জেদ্দা শহরে। এসএসসি পাসের পর জেদ্দা থেকে নাবিলা স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে আসেন। অন্যদিকে নাবিলার হবু বর জোবাইদুল হকের কৈশোরও কেটেছে জেদ্দায়, তার বাবার চাকরি করতেন সেখানে। এখন তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত আছেন। ২০০৬ সালে বাংলাভিশনের এবং ক্লাসের বাইরে নামে একটি স্কুল ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানের উপস্থাপনার মাধ্যমে শোবিজে নাবিলার পথচলা শুরু হয়। এরপর তিনি এনটিভির লাইভ কুইজ অনুষ্ঠান ‘জানার আছে বলার আছে’ এবং বাংলাভিশনে ‘মিউজিক টুগেদার’। এছাড়া আরটিভিতে প্রচারিত ‘এক্সট্রা ইনিংস’ পরবর্তী সময়ে ‘ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড লাকি লাইন’ ও এশিয়ান টিভির ‘স্টার ডান্স’সহ অসংখ্য অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন। এম/সি
পাঁচ মাস পরেই নাবিলার বিয়ে
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
অবশেষে ছাড়পত্র পেয়েছে দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত বলিউডের তুমুল আলোচিত সিনেমা ‘পদ্মাবতী’। তবে সিনেমাটির নাম বদলে ফেলতে হয়েছে। গত শনিবার সিনেমাটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে ভারতীয় চলচ্চিত্র সেন্সরবোর্ড। তবে সিনেমাটির নাম পরিবর্তন করে ‘পদ্মাবত’ রাখা হয়েছে। এই সিনেমাটির ছাড়পত্র পাওয়ার পেছনে নাকি বলিউডের মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিমের হাত রয়েছে। মূলত ডনের চাপেই সিনেমাটিকে ছাড়পত্র দেয়া হয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম ‘সংবাদ প্রতিদিন’-এ প্রকাশিত একটি খবরে এই তথ্য জানা গেছে। তবে সেন্সরবোর্ড থেকে ছাড়পত্র দেয়ার সঙ্গে কিছু দৃশ্য পরিবর্তন করারও পরামর্শ দেয়া হয়েছে। পরিচালক সেই দৃশ্যগুলো পরিবর্তনগুলো করতে সম্মত হয়েছেন। এদিকে আন্দোলনরত কার্ণি সেনা অভিযোগ করেছে, দাউদ ইব্রাহিমের চাপে ছবিটিকে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে বোর্ড। এই সিনেমার মুক্তি দেশের জন্য মঙ্গলজনক হবে না। তাই রাজস্থানের যে হলেই এই ছবিটি  চলবে, তা ভেঙে গুঁড়িয়ে দেয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন কার্ণি সেনার প্রেসিডেন্ট সুখদেব সিং গোগামেড়ি। মূলত এই কার্ণি সেনার চাপেই ‘পদ্মাবতী’র মুক্তি পেছানো হয়। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বানশালীর শুটিং সেটে গিয়েও হামলা করা হয়। পরবর্তীতে ছবিটিকে ঘিরে ভারতজুড়ে শুরু হয় অস্থিরতা। একাধিক রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রীরা ছবিটিকে নিয়ে মন্তব্য করেন। পশ্চিমবঙ্গের মূখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতায় ছবিটির প্রিমিয়ার করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। একইসঙ্গে সিনেমা সংশ্লিষ্ট অনেকেই ছবিটিকে মুক্তি দেয়ার জন্য সুপারিশ করেন। নানা বিতর্কের পর এবার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পথে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলো ছবিটি। পিআর/এম
দীপিকার পাশে দাঁড়ালেন দাউদ ইব্রাহিম!
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
তারকা দম্পতি শাকিব খান ও অপু বিশ্বাসের সংসার এখন ভাঙনের পথে। এরইমধ্যে অপু বিশ্বাসকে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছেন শাকিব খান। তবে বিষয়টি মানতেই পারছেন না এক সময়ের নাম্বার ওয়ান নায়ক ওমর সানী। শাকিব-অপুকে উদ্দেশ্য করে এক দীর্ঘ ফেসবুক স্ট্যাটাস লিখেছেন তিনি। আরটিভি অনলাইনের পাঠকদের জন্য ওমর সানীর স্ট্যাটাসটি নিচে তুলে ধরা হলো। ওমর সানী লিখেছেন, শাকিব খানের শুরুটা হয়েছিল আমার আর মৌসুমীর হাত ধরে, সোহান সাহেবের (পরিচালক সোহানুর রহমান সোহান) ছবিতে আমার শ্যালিকা ইরিনের নায়ক হয়ে। তাকে (শাকিব) আমি ছোট ভাইয়ের মতো স্নেহ করি, আদর করি। আমি চাই শাকিব সুন্দর একটি সংসার করুক, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে। তার ফুটফুটে একটি বাচ্চা আছে, যার নাম জয়। কত সুন্দর তার মুখ, তাকে দেখলে মনে হয় এত মায়াবী শিশু আর হয়না। শাকিবের একজন স্ত্রী আছে, সেও সিনেমার নায়িকা। কিন্তু শাকিব তুমি কি করছো? এত সুন্দর একটি সংসার এভাবে নষ্ট করে দিচ্ছ? তুমি কি চাও জয় তার বাবার আদর না পাক? অপু তার স্বামীর সোহাগ বঞ্চিত হোক? আমি ও মৌসুমী ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে বিয়ে করেছিলাম, পবিত্র বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলাম। আমরা কি নিজেদের ভালোবাসার কথা দেশবাসীকে, ভক্তদের জানাইনি? আমাদের ভক্তরা তা সাদরে গ্রহণ করেছে। আমাদের ভালোবেসেছে, আজো বাসছে। মৌসুমী আজো দেশের প্রধান নায়িকা। আমাদের দুই সন্তান এতদিন পরেও তাদের বাবা-মায়ের আদর, শাসন, স্নেহ পাচ্ছে। আমি চাই তুমি ও তোমার স্ত্রী তোমাদের দায়িত্ব পালন করবে জয়ের প্রতি। অপুর প্রতি আমার উপদেশ, তুমি স্বামী-সংসারে মন দাও। মেয়েদের বড় অলংকার তার স্বামী, স্বামীর অহংকার তার স্ত্রী। এ অলংকার, এ অহংকার রক্ষা করতে হবে তোমাদেরকেই। ক্যারিয়ারের চেয়েও অনেকসময় বড় হয় সংসার, ভালোবাসা থাকলে, বিশ্বাস থাকলে, পরিশ্রম করলে সব একসুতোয় গেঁথে যাবে। যে মালা কারো কানকথায় ছিঁড়বে না। আমি চাই তুমি সংসার করে যাও একজন আদর্শ স্ত্রীর মতো। তোমরা দুজনেই আমাদের প্রিয়, স্নেহভাজন। তোমাদের মঙ্গলের জন্যই আমি বলছি, তোমরা সব ভুলে গিয়ে এক হয়ে যাও। জয়ের দিকে চেয়ে, তোমাদের ভক্ত দর্শকের দিকে চেয়ে। জয়ের জয় হোক, ভালোবাসার জয় হোক। এম/পিআর
কিন্তু শাকিব তুমি কী করছো?
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
হালের ক্রেজ দিশা পাটানি খুব একটা বেশি সিনেমায় কাজ না করলেও অল্প সময়েই এসেছেন আলোচনায়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার ফলোয়ারের সংখ্যা কম নয়। ইনস্টাগ্রামে মাঝে মাঝেই নিজের ছবি শেয়ার করেন দিশা। সেখানেই নিজের আপডেট ভক্তদের মাঝে শেয়ার করেন তিনি। ভালো লাগার মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে আনন্দ পান দিশা। গেলো শনিবার তেমনই একটি ছবি পোস্ট করেছেন দিশা। বছরের শেষ কয়েকটা দিন ছুটির মেজাজে থাকতে চেয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে সমুদ্র সৈকতে বালির উপর সাদা বিকিনি পরা অবস্থায় বসে আছেন নায়িকা। একাকি সমুদ্রের নীল জল ও বিশালতা মুগ্ধ হয়ে দেখছেন। তবে লোকেশন নিয়ে সরাসরি কিছু না জানালেও, ধারণা করা হচ্ছে ছবিটি শ্রীলঙ্কার কোনো সমুদ্রসৈকতের ধারে। ভারতীয় গণমাধ্যমে কারণ হিসেবে বলা হয়েছে, দিন কয়েক আগেই টাইগার শ্রফের সঙ্গে বিমানবন্দরে দেখা গিয়েছিল তাকে। দিশা জানিয়েছিলেন, বর্ষবরণ করতে শ্রীলঙ্কায় ছুটি কাটাতে যাচ্ছেন তিনি। এদিকে বলিউডে গুঞ্জন আছে টাইগার ও দিশার মধ্যে অনেকদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্ক চলছে। আর তাইতো নিন্দুকেরা বলছেন তাহলে কি সমুদ্রের তীরে বসে দিশার এমন খোলামেলা ছবি টাইগারেরই তোলা? তবে বিষয়টি নিয়ে টাইগার-দিশার কেউই কোনো মন্তব্য করেননি। এম/পি
দিশার খোলামেলা ছবি তুললেন কে?
আরও পড়ুন
ফিরে দেখা: বছরজুড়ে নতুন নাটক
পারিবারিক থ্রিলার ‘বুমেরাং’
‘দেশের ক্রান্তিকালে পথনাটক ভূমিকা রেখেছে’
নগরজুড়ে পথনাটক