ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

সত্যজিৎ রায়ের আলোচিত ৫ চলচ্চিত্র

বিনোদন ডেস্ক, আরটিভি

প্রকাশ : ০২ মে ২০২৪, ০৭:০৪ পিএম
ছবি : সংগৃহীত

প্রথমবারের মতো বাংলা সিনেমা যার হাত ধরে পৌঁছেছিল বিশ্ব দরবারে, সেই কিংবদন্তি চলচ্চিত্র নির্মাতা সত্যজিৎ রায়ের আজ জন্মদিন। জীবদ্দশায় মোট ৩২টি কাহিনিচিত্র ও চারটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করা এই গুণী নির্মাতা ডাক পেয়েছেন কান, বার্লিনসহ বিশ্ব চলচ্চিত্রের সব বড় বড় উৎসবে। ভূষিত হয়েছেন জাতীয়-আন্তর্জাতিকসহ অসংখ্য পুরস্কারে।

আজ আমরা জানবো খ্যাতনামা এই নির্মাতার বহুল আলোচিত পাঁচটি চলচ্চিত্র সম্পর্কে।

পথের পাঁচালী

সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্র নিয়ে কথা বললে সবার আগে যে নামটি সামনে আসে, তা হলো ‘পথের পাঁচালী’। ১৯৫৫ সালে মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্র দিয়েই তিনি নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। একই সঙ্গে সক্ষম হন সমালোচকদের নজর কাড়তেও।

বাংলা সাহিত্যের খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাস অবলম্বনে সত্যজিৎ রায় এই সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন। এতে অজপাড়াগাঁয়ে কঠোর দারিদ্রের সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে থাকা একটি পরিবার ও তাদের সুখ-দুঃখের কাহিনি তিনি দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।

সিনেমাটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছে অপু নামের একটি শিশু। যাকে নিয়ে সত্যজিৎ রায় পরবর্তীতে নির্মাণ করেন ‘অপরাজিত’ এবং ‘অপুর সংসার’ নামে আরও দু’টি সিনেমা।

মুক্তির পরই ‘পথের পাঁচালী’ সিনেমাটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বেশ কয়েকটি পুরস্কার অর্জন করে। এরপর ১৯৫৬ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ভূষিত হয়
‘শ্রেষ্ঠ মানবিক দলিল’ পুরস্কারে।

জলসাঘর
কথা সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত সিনেমা ‘জলসাঘর’। এই সিনেমায় সত্যজিৎ রায় গত শতাব্দীর বিশের দশকে যখন ব্রিটিশ সরকার ভারতে জমিদারি প্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করে, তখনকার প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন।

১৯৫৮ সালে মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্রটির কেন্দ্রীয় চরিত্রে বিশ্বম্ভর বাবু নামের একজন সদ্য সাবেক জমিদারকে দেখানো হয়েছে। যিনি কোনোভাবেই তার জমিদারির পতন মেনে নিতে পারেন না। একইসাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে তার করুণ পরিণতিও।

এই সিনেমার মাধ্যমে তৃতীয় বারের মতো ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন সত্যজিৎ রায়।

মহানগর
কথা সাহিত্যিক নরেন্দ্রনাথ মিত্রের ছোটগল্প ‘অবতরণিকা’ অবলম্বনে ‘মহানগর’ সিনেমাটি নির্মাণ করেন সত্যজিৎ রায়। ১৯৬৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমার জন্য ১৯৬৪ সালে অনুষ্ঠিত চতুর্দশ বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা পরিচালকের খেতাব পান এই বাঙালি নির্মাতা। জিতে নেন ‘সিলভার বিয়ার ফর বেস্ট ডিরেক্ট’ পুরস্কার।

‘মহানগর’ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন খ্যাতনামা অভিনয়শিল্পী মাধবী মুখোপাধ্যায়। যাকে প্রথমে দেখা যায় রক্ষণশীল মধ্যবিত্ত পরিবারের একজন গৃহবধূ হিসেবে। কিন্তু তৎকালীন কলকাতায় সংসার চালানোর জন্য স্বামীর আয় যথেষ্ট না হওয়ায় পরে তিনি অনেকটা জোর করেই বাড়ির বাইরে বের হন এবং একটি চাকরি নেন। এক পর্যায়ে স্বামী চাকরি হারালে পুরো সংসারের হাল ধরেন। এমন অবস্থার মধ্যেও নিজের অফিসে ঘটে যাওয়া এক অন্যায়ের প্রতিবাদে উপার্জনের একমাত্র উৎস সেই চাকরিতেও ইস্তফা দেন তিনি।

এই চলচ্চিত্রের জন্য সত্যজিৎ রায় যেমন কুড়িয়েছেন সমালোচকদের প্রশংসা, তেমনি ‘অসাধারণ’ অভিনয়ের মাধ্যমে তাদের নজর কেড়েছেন অভিনয়শিল্পী মাধবী মুখোপাধ্যায়।

অশনি সংকেত
বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘অশনি সংকেত’ উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত সিনেমা ‘অশনি সংকেত’। যা ১৯৭৩ সালে মুক্তি পায়। সিনেমাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৩ সালে ব্রিটিশ ভারতে, বিশেষতঃ বাংলা অঞ্চলে ঘটে যাওয়া মর্মান্তিক দুর্ভিক্ষ, যা তেতাল্লিশের মন্বন্তর নামে পরিচিত- তার প্রেক্ষাপটে রচিত হয়েছে।

সত্যজিৎ রায়ের এই সিনেমাটি সত্তরের দশকে বার্লিন আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতে নেয়। ‘সিলভার বিয়ার’ পাওয়ার নয় বছর পর তার হাতে ওঠে কানের ‘গ্লোল্ডেন বিয়ার’। পাশাপাশি ভারতের রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদকসহ আরও বেশ কয়েকটি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার অর্জন করে।

হীরক রাজার দেশে
১৯৮০ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ সিরিজের দ্বিতীয় সিনেমা ‘হীরক রাজার দেশে’। এতে প্রজাদের ওপর নির্যাতন চালানো একজন স্বৈরশাসকের শেষ পরিণতি কেমন হয়, সেটিই তুলে ধরা হয়।

শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায় চৌধুরীর জনপ্রিয় দুই চরিত্র গুপী ও বাঘার উপস্থিতি এবং তাদের ছড়ার সুরে বলা সংলাপের কারণে শিশু-কিশোরদের কাছেও ‘হীরক রাজার দেশে’ সিনেমাটি বিশেষভাবে জনপ্রিয়।

এতে গুপী-বাঘা চরিত্রে অনবদ্য অভিনয় করে তপন চট্টোপাধ্যায় এবং রবি ঘোষ দর্শক-সমালোচক উভয়ের কাছ থেকেই প্রশংসা কুড়ান। তবে সমালোচকদের অনেকেই মনে করেন, শক্তিশালী অভিনয়ের দিক থেকে ছবিতে তাদেরকেও ছাপিয়ে গেছেন ‘হীরক রাজা’র চরিত্রে অভিনয় করা খ্যাতনামা শিল্পী উৎপল দত্ত।

এই সিনেমার মাধ্যমে সত্যজিৎ রায় আরও একবার ভারতের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
শোবিজের পরিচিত মুখ বারিশা হক। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রোমোটিংয়ের কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান গড়েছেন তিনি। নাটকেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু মাঝে মধ্যেই নানান কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন বারিশা। বিশেষ করে তার শারীরিক স্থূলতা নিয়ে। একটা সময় স্লিম ফিগার ছিল বারিশার। তবে পরবর্তীতে তার স্বাস্থ্য বেড়ে গেলে তাকে নিয়ে শুরু হয় নেটিজেনদের চর্চা। আবার নিজেকে খানিকটা আকর্ষণীয় করতে বোটক্সের মতো প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছেন এই মডেল।   কয়েকদিন আগে বোটক্স সার্জারি নিয়ে বিদ্রুপের মুখে পড়েন বারিশা। সেসময় নিশ্চুপই ছিলেন তিনি। এমনকি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি তাকে। তবে মনের মধ্যে ক্ষোভ আর আক্ষেপ পুষে রেখেছিলেন। সম্প্রতি সেটাই প্রকাশ করতে গেল বারিশাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে তুলনা করে আক্ষেপ করলেন।   নেটদুনিয়ায় তামান্নার কিছু ছবি পোস্ট করে বারিশা লিখেছেন, তামান্না ভাটিয়া আন্তর্জাতিক মানের তারকা; যিনি আমার ও আপনাদেরও প্রিয়। বাংলাদেশের মেয়েদের ও খুব প্রিয়। সে কিন্তু জিরো ফিগার এর নয়, বরং তার শরীরের মেদ নিয়েও স্টেজ এ আকর্ষণীয় পোশাকে সবাইকে মুগ্ধ করে তার প্রতিভায়। তিনি আরও লেখেন, তাকে আমাদের দেশের মেয়েরা খুব প্রশংসায় ভাসিয়ে দেয়। সে প্রশংসা পাওয়ারই যোগ্য, তবে আমরা নই।ম কারণ আমরা অকর্ম, আমরা সব গালাগাল পাওয়ার যোগ্য; কারণ আমরা বলিউড নই, আমরা শ্যাম বাঙালি! ভালোবাসি সবাইকে। বর্তমানে মডেলিং কিংবা অভিনয়ের চেয়ে ব্রান্ড প্রমোশনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বারিশা। ২০০৮ সালে বিটিভিতে কুইজ শো এবং বিতর্কে অংশ নেন তিনি। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে ক্লাসিক্যাল নৃত্যে দীক্ষা নেন। এভাবেই শুরু হয় বারিশার পথ চলা। অল্প দিনের পথচলায় নৃত্য ও উপস্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি।  আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তার জন্য গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় চ্যারিটি কনসার্ট ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’। এতে পারফর্ম করেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। কনসাটর্টির আয়োজক ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম।  এই কনসার্ট থেকে আয় হওয়া ১ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার ৪৮৫ টাকা আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবার নিয়ে কাজ করা কল্যাণমূলক সংস্থা ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এ দান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনটির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।  এ সময় ‘স্পিরিটস অব জুলাই’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ‘ইকোস অব রেভোল্যুশন’ কনসার্টের আয়োজক মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি, এস এম এহসান উল্লাহ ধ্রুব, খাইরুল আহসান মারজান, সাদেকুর রহমান সানি, মো. নূর এ আলম চৌধুরী, মো. জাফর আলী এবং রাইয়ান রহমান ইরাত। কনসার্টে এ দিন বিনা পারিশ্রমিকে গান পরিবেশন করেন রাহাত ফতেহ আলী। তিনি ছাড়া আরও গান পরিবেশন করেন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গান গেয়ে জেল-জুলুমের শিকার হওয়া শিল্পী হান্নান, র‍্যাপার সেজান, দেশীয় ব্যান্ডদল চিরকুট, আর্টশেল ও আফটারম্যাথ। কনসার্টে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। আয়োজকরা জানান, স্পিরিটস অব জুলাই কর্তৃক আয়োজিত কনসার্টটির যাবতীয় আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অডিট রিপোর্ট প্রস্তুতের জন্য দেশের স্বনামধন্য অডিট কোম্পানি ‘Hoda Vasi Chowdhury & Co’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থসংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।  এ পরিষদে ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আনসারুল আলম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ মাহবুব কায়সার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান এবং বারডেম হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হাসান মুনির। আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
মেধা ও রুচিশীল কাজ দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন গুণি নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা। শুধু নির্মাণই নয়, ভালো অভিনয়ও করেন তিনি। চলতি বছরের ‘মহারাজা’সিনেমায় অনুরাগ অভিনয় দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। এবার জানা গেল, বলিউড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই নির্মাতা।   এরপর থেকেই অনুরাগের ভক্তদের প্রশ্ন, হঠাৎ কি হলো নির্মাতার? কী কারণে বলিউড ছাড়তে চাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অনুরাগ। পাশাপাশি হিন্দি ভাষার শোবিজ ত্যাগ করার জন্য বেশ কিছু কারণও দেখিয়েছেন নির্মাতা।  অনুরাগ বলেন, বলিউডে এখন আর সৃজনশীলতার কোনো জায়গা নেই। সবকিছুই অর্থের দিকে চলে গেছে। চলচ্চিত্রের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন সিনেমা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো সিনেমা নির্মাণের আগে থেকেই চিন্তা থাকে কিভাবে তা বিক্রি করা যাবে। আর এই চাপের মধ্যে সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। বলিউডের পরিবর্তে দক্ষিণী সিনেমায় নিয়মিত হতে চান জানিয়ে নির্মাতা বলেন,  আমি দক্ষিণে যেতে চাই। সেখানে এমন পরিবেশ আছে যেখানে সৃজনশীলতার সুযোগ বেশি। এখানে যদি থাকা না হয়, আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ হয়ে মরে যাব। আমি নিজের ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অত্যন্ত হতাশ এবং খুবই অসন্তুষ্ট। কিন্তু মলায়ালম সিনেমাতে আমার এমন কিছু অনুভূতি হয়নি। সেখানে অভিনয় অভিজ্ঞতা বেশ ইতিবাচক। প্রতিভা ব্যবস্থাপনা করে এমন এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন নানা তিনি বলেন, এই এজেন্সিগুলো তরুণ অভিনেতাদের শুধুমাত্র মুনাফার জন্য ব্যবহার করে। তাদের মনোযোগ কেবল স্টার তৈরির দিকেই থাকে। অভিনয় দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ নেই তাদের। অনুরাগ আরও বলেন, বলিউডে এখন আর কেউ অভিনয় করতে চায় না, সবাই স্টার হতে চায়। এজেন্সি কাউকে স্টার বানায় না। কিন্তু একবার যদি কেউ স্টার হয়ে যায়, তখন তারা তাদের থেকে মুনাফা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে যায়।    আরটিভি/এইচএসকে  
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
প্রতিবছর আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে ও ফানুস উড়িয়ে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করেন সবাই। কিন্তু এই উৎসবে অনেক সময় বিপাকে পরতে হয় সাধারণ মানুষকে। আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর শব্দে অত্যন্ত আতঙ্কের মাঝে কাটে শিশু থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষ, এমনকি পশু-পাখিও। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার, সামাজিক কিংবা প্রাণী কল্যাণ সংগঠনগুলো। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগেও সামাজিক মাধ্যমে আতশবাজি-ফানুস তাণ্ডবের ভয়াবহতা তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছেন। পিছিয়ে নেই অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ।  পটকা ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে হেলিকপ্টার থেকে গুলির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি থার্টিফার্স্ট নাইট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী।  গণমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ২০২৪-এ আমাদের সবচেয়ে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা ছিল হেলিকপ্টার থেকে গুলিতে নিরপরাধ শিশুর প্রাণ হারানো। কখনও কী ভেবে দেখেছেন, আমাদের উল্লাসে আকাশে ছুঁড়ে দেওয়া আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পাখিদের ছোট্ট শরীর পুড়ে যায় একইভাবেই।  তিনি আরও বলেন, আমাদের উৎসবের শব্দে আতঙ্কে তাদের জীবনের আলো নিভে যায়! অথচ এই পৃথিবী তো শুধু আমাদের নয়, তাদেরও। ছোট্ট শিশু উমায়ের প্রাণ হারিয়েছিল এই বর্ষবরণের আতশবাজির ভয়াবহ শব্দে। অভিনেত্রী বলেন, এবারের বর্ষবরণ আগ্রাসী না হোক, চলুন দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। আপনার বাসার অসুস্থ বুড়ো বাবা-মা এবং শিশুদের কথা ভেবে, রাস্তার অসহায় পথপ্রাণী আর পাখিদের কথা ভেবে এবারের বর্ষবরণ হোক আতশবাজি মুক্ত। ২০২৫ হোক মঙ্গলময় পরিবর্তনের বছর। নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে।   আরটিভি/এইচএসকে  
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
মাঝে মধ্যেই জুয়ার অ্যাপের প্রচারণায় খবরের শিরোনামে উঠে আসে তারকাদের নাম। কেউ শুভেচ্ছাদূত হয়ে, কেউ বা আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসব অ্যাপের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে প্রচারণায় অংশ নেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুলের নাম।  চলমান বিপিএলকে কেন্দ্র করে একটি জুয়ার অ্যাপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আর এতেই তোপের মুখে পড়েছেন পিয়া। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন তিনি। পিয়া বলেন, আমি একজন ক্রিকেটপ্রেমী। বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসি। আমি শুধু ক্রিকেট নিয়ে পোস্ট করেছি, যা ক্রিকেট সম্পর্কে আমার ভালোবাসা প্রকাশ করে। তাছাড়া আমি শুধু ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করছি। এখানে কে স্পনসর দিলো সেটা তো বিষয় না। এর বেশি আর কিছুই বলতে চাই না। জানা গেছে, যে জুয়ার অ্যাপের টি-শার্ট পরে পিয়া অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তা বাংলাদেশের সেরা জুয়ার এজেন্টদের একটি। এদিকে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশগ্রহণ করেন, তা হবে ওই ব্যক্তির অপরাধ।’ এর আগে পরীমণি, নুসরাত ফারিয়া, অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, এবং শবনম বুবলীর মতো তারকাদের এ ধরনের প্রচারণায় দেখা গেছে। আরটিভি/এইচএসকে/এস/এআর  
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
আরও পড়ুন
প্রথম সিনেমায় যত টাকা পারিশ্রমিকে অভিনয় করেছিলেন শর্মিলা