ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩

‘শাস্তি হলে এইসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না’

আসিফ আলম

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৪, ০৫:১৯ পিএম

ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা তমা মির্জা। চলচ্চিত্রে ১৪ বছর কেটে গেছে তার। ২০১৫ সালে শাহনেওয়াজ কাকলী পরিচালিত ‘নদীজন’ সিনেমায় অভিনয় করে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তমা। কিন্তু গতানুগতিক নায়িকাসুলভ চরিত্র থেকে বের হতে পারছিলেন না তিনি। তারপর নির্মাতা রায়হান রাফী পরিচালিত ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি’তে নিজেকে ভেঙে নতুন করে জন্ম দেন তমা। পরে ‘সাত নম্বর ফ্লোর’ দিয়ে আবারও জ্বলে ওঠেন। সময় যত যাচ্ছে, ক্রমেই যেন জ্বলে উঠছেন তমা। কারও কারও মতে, তমাকে নতুন করে দর্শকের সামনে উপস্থাপন করেছেন রায়হান রাফী। সেই রাফীরই ‘ফ্রাইডে’, ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি’, ‘সুড়ঙ্গ’তে বাজিমাত করেন তমা।

সর্বশেষ ‘সুড়ঙ্গ’ সিনেমায় আফরান নিশোর বিপরীতে নজর কেড়েছিলেন তমা। বাণিজ্যিকভাবে সফলতার পাশাপাশি দর্শকদের প্রশংসাও কুড়িয়েছিল সিনেমাটি। এই সিনেমায় অভিনয়ের পর খুব একটা পর্দায় দেখা যায়নি তাকে। নতুন কাজ ও সমসাময়িক নানা বিষয় নিয়ে আরটিভির সঙ্গে কথা হয় তমা মির্জার।

আরটিভি: কেমন আছেন?

তমা মির্জা: আলহামদুলিল্লাহ্‌ নানা ঝামেলা চুকিয়ে পরিবার নিয়ে ভালোই আছি।

আরটিভি: ‘সুড়ঙ্গ’র পর নতুন কোনো কাজে আপনাকে দেখা যায়নি। নতুন কাজ নিয়ে জানতে চাই...

তমা মির্জা: খুব তাড়াতাড়ি জানাবো নতুন কাজের কথা। বেশ কয়েকটি কাজ ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা আছে। দেশে একটি পরিবর্তন এসেছে। যার কারণে সেভাবে কাজ করা হয়নি। সুতরাং দর্শকরা যেহেতু আমাকে এ বছর তেমনভাবে পর্দায় দেখেনি, তাই নতুন বছর ওটিটি ও বড় পর্দায় নতুন কাজ নিয়েই তাদের সামনে আসবো।

আরটিভি: সম্প্রতি নির্মাতা রাফীর সঙ্গে তমা মির্জার প্রেমের ইতি হয়েছে শোনা যাচ্ছে। আপনার মন্তব্য কী?

তমা মির্জা: আসলে আমি বিষয়টি নিয়ে কোথাও মন্তব্য করিনি। অনেকেই নিজেদের মতো করে লিখে দিচ্ছে। যেটি কাম্য নয়। আমি এখনও রাফীর বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাচ্ছি না।

আরটিভি: ‘সুড়ঙ্গ’র পর নাকি সম্মানী বাড়িয়েছে তমা মির্জা?

তমা মির্জা: সম্মানী নিয়ে দর–কষাকষি করা আমার মোটেও পছন্দ না। এটা নিয়ে কথা বলার চেয়ে গল্প নিয়ে কথা বলাটা আমার জন্য ভীষণ আরামের ও আনন্দের। চরিত্র ও গল্প পছন্দ হলে সম্মানী আমার কাছে ম্যাটার করে না। আমার কাছে মনে হয়, একটা ভালো কাজ কোনো প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান করতে চাইছে যেহেতু, সেখানে সম্মানীর জন্য বাড়তি চাপ দেওয়ার কোনো অর্থ হয় না।

আরটিভি: বিভিন্ন সময় ইঙ্গিতপূর্ণ স্ট্যাটাস দিতে দেখা যায়, আসলে সেগুলো কাকে উদ্দেশ্য করে?

তমা মির্জা: আমি কাউকে কখনও ইঙ্গিত করে স্ট্যাটাস দিই না। তবে আমি প্রচুর রিলস দেখি। অনেকগুলো থাকে মটিভেশনাল, মজার কিংবা অনেক সময় দুঃখের স্টোরি। যখন যেটা আমার ভালো লাগে সেটিই স্ট্যাটাস দিই। আমি যদি কখনও কিছু বলতে চাই, তা সরাসরি স্পষ্টভাবে বলি। সম্প্রতি একটি স্ট্যাটাস নিয়ে নিউজ হয়েছে, আসলে অনেকেই না বুঝে নিউজ করে ফেলেছে। আমার স্ট্যাটাসটি অনেকের জীবনের সঙ্গেই মিলে যায়, সেটা হোক ব্যক্তিজীবন কিংবা প্রফেশনাল জীবন। স্ট্যাটাস দিলেই যে সেটা ভালোবাসা নিয়ে হবে তা-ও কিন্তু ঠিক নয়। আমাদের ব্যক্তিজীবন থেকে শুরু করে কর্মজীবনে বিভিন্ন ধরনের ক্রাইসিস থাকে। আমার লেখাগুলো সেই ক্রাইসিসগুলো নিয়েই।

আরটিভি: শোবিজে আগের থেকে অনেক কাজ কমে গেছে গত দু’মাসে। বিষয়টি আপনি কীভাবে দেখছেন?

তমা মির্জা: আসলে আবহাওয়া পরিবর্তনের পর আমাদের একটু সময় লাগে নতুন আবহাওয়ার সঙ্গে মিলিয়ে নিতে। সেখানে একটি দেশের সব ক্ষেত্রেই পরিবর্তন এসেছে। আমাদের একটু ধৈর্য ধরা উচিত। আমাদের এই পরিবর্তনটা দরকার ছিল। শুধু কাজে কবে ফিরবো কিংবা নিজে ভালো আছি কি না সেটা নিয়ে ভাবলে চলবে না। আমরা অনেক স্বার্থপর। এই স্বার্থপর জায়গা থেকে আমাদের বের হয়ে আসা উচিত। দেশে যেহেতু একটা পরিবর্তন এসেছে সেক্ষেত্রে আমাদের সুন্দর করে দেশটাকে গড়া উচিত। তাই আমি বলব শোবিজে আগের থেকে কাজ কমে যাওয়ার বিষয়টি একদমই নেগেটিভলি দেখছি না।

আরটিভি: সম্প্রতি দেশে বেশ কিছু গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে। দেশের সুনাগরিক হিসেবে আপনার মন্তব্য কী?

তমা মির্জা: আসলে আগেও বলছি আমি সবসময় স্পষ্ট কথা বলি। গণপিটুনির বিষয়টি নিয়েও আমি ফেসবুকে প্রতিবাদ করেছি। যারা ঘটনাটির সঙ্গে জড়িত তাদের শাস্তি দাবি করেছি। অবশ্যই তাদের শাস্তি হওয়া উচিত। কারণ, আমরা কিছুদিন পরপর নতুন একটি ঘটনা ঘটলে আগেরটা ভুলে যাই। আসলে কোনো ক্ষেত্রেই এমনটা হওয়া উচিত না। আমরা যখন যে বিষয়টা নিয়ে আওয়াজ তুলি সেটি যেন শেষপর্যন্ত থাকে। আমি আবার হয়তো বিষয়টি নিয়ে কিছুদিন পর কথা বলব। কারণ, যেই ছেলেটিকে গণপিটুনিতে হত্যা করা হয়েছে তা হয়তো আমরা অনেকেই ভুলে গেছি। যখন নিজেদের সঙ্গে কিছু হয় তখন আমরা ভুলি না, কিন্তু অন্যের সঙ্গে হলে আমরা ভুলে যাই। যেটি আসলে কাম্য নয়। ছেলেটিকে কেন বা কী পরিস্থিতিতে হত্যা করা হয়েছে সেটি আমি জানতে চাই না। আমি শুধু চাই যারা জড়িত তাদের শাস্তি। শাস্তি হলে এইসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না।

আরটিভি /এএ/এসএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
শোবিজের পরিচিত মুখ বারিশা হক। শুরুটা মডেলিং দিয়ে হলেও উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ড প্রোমোটিংয়ের কাজ করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শক্ত অবস্থান গড়েছেন তিনি। নাটকেও অভিনয় করেছেন। কিন্তু মাঝে মধ্যেই নানান কারণে সমালোচনার মুখে পড়েন বারিশা। বিশেষ করে তার শারীরিক স্থূলতা নিয়ে। একটা সময় স্লিম ফিগার ছিল বারিশার। তবে পরবর্তীতে তার স্বাস্থ্য বেড়ে গেলে তাকে নিয়ে শুরু হয় নেটিজেনদের চর্চা। আবার নিজেকে খানিকটা আকর্ষণীয় করতে বোটক্সের মতো প্লাস্টিক সার্জারিও করিয়েছেন এই মডেল।   কয়েকদিন আগে বোটক্স সার্জারি নিয়ে বিদ্রুপের মুখে পড়েন বারিশা। সেসময় নিশ্চুপই ছিলেন তিনি। এমনকি কোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে দেখা যায়নি তাকে। তবে মনের মধ্যে ক্ষোভ আর আক্ষেপ পুষে রেখেছিলেন। সম্প্রতি সেটাই প্রকাশ করতে গেল বারিশাকে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রীতিমতো দক্ষিণের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তামান্না ভাটিয়ার সঙ্গে তুলনা করে আক্ষেপ করলেন।   নেটদুনিয়ায় তামান্নার কিছু ছবি পোস্ট করে বারিশা লিখেছেন, তামান্না ভাটিয়া আন্তর্জাতিক মানের তারকা; যিনি আমার ও আপনাদেরও প্রিয়। বাংলাদেশের মেয়েদের ও খুব প্রিয়। সে কিন্তু জিরো ফিগার এর নয়, বরং তার শরীরের মেদ নিয়েও স্টেজ এ আকর্ষণীয় পোশাকে সবাইকে মুগ্ধ করে তার প্রতিভায়। তিনি আরও লেখেন, তাকে আমাদের দেশের মেয়েরা খুব প্রশংসায় ভাসিয়ে দেয়। সে প্রশংসা পাওয়ারই যোগ্য, তবে আমরা নই।ম কারণ আমরা অকর্ম, আমরা সব গালাগাল পাওয়ার যোগ্য; কারণ আমরা বলিউড নই, আমরা শ্যাম বাঙালি! ভালোবাসি সবাইকে। বর্তমানে মডেলিং কিংবা অভিনয়ের চেয়ে ব্রান্ড প্রমোশনেই বেশি ব্যস্ত থাকেন বারিশা। ২০০৮ সালে বিটিভিতে কুইজ শো এবং বিতর্কে অংশ নেন তিনি। বুলবুল ললিতকলা একাডেমি থেকে ক্লাসিক্যাল নৃত্যে দীক্ষা নেন। এভাবেই শুরু হয় বারিশার পথ চলা। অল্প দিনের পথচলায় নৃত্য ও উপস্থাপনার পাশাপাশি বেশ কিছু নাটকেও অভিনয় করেছেন তিনি।  আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
তামান্নার সঙ্গে তুলনা করে বারিশার আক্ষেপ
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারকে সহায়তার জন্য গত ২১ ডিসেম্বর রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় চ্যারিটি কনসার্ট ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’। এতে পারফর্ম করেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। কনসাটর্টির আয়োজক ‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্ম।  এই কনসার্ট থেকে আয় হওয়া ১ কোটি ৬৫ লাখ ১১ হাজার ৪৮৫ টাকা আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবার নিয়ে কাজ করা কল্যাণমূলক সংস্থা ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন’-এ দান করা হয়েছে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ২টায় রাজধানীর শাহবাগস্থ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন ফাউন্ডেশনটির কার্যালয়ে প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ সম্পাদক সারজিস আলমের হাতে এই চেক তুলে দেওয়া হয়।  এ সময় ‘স্পিরিটস অব জুলাই’র পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন, ‘ইকোস অব রেভোল্যুশন’ কনসার্টের আয়োজক মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি, এস এম এহসান উল্লাহ ধ্রুব, খাইরুল আহসান মারজান, সাদেকুর রহমান সানি, মো. নূর এ আলম চৌধুরী, মো. জাফর আলী এবং রাইয়ান রহমান ইরাত। কনসার্টে এ দিন বিনা পারিশ্রমিকে গান পরিবেশন করেন রাহাত ফতেহ আলী। তিনি ছাড়া আরও গান পরিবেশন করেন ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গান গেয়ে জেল-জুলুমের শিকার হওয়া শিল্পী হান্নান, র‍্যাপার সেজান, দেশীয় ব্যান্ডদল চিরকুট, আর্টশেল ও আফটারম্যাথ। কনসার্টে টাইটেল স্পন্সর হিসেবে ছিল প্রাইম ব্যাংক পিএলসি। আয়োজকরা জানান, স্পিরিটস অব জুলাই কর্তৃক আয়োজিত কনসার্টটির যাবতীয় আর্থিক হিসাবের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে অডিট রিপোর্ট প্রস্তুতের জন্য দেশের স্বনামধন্য অডিট কোম্পানি ‘Hoda Vasi Chowdhury & Co’র সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। উল্লেখ্য, অর্থসংক্রান্ত সার্বিক বিষয়ের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ ও পরামর্শ প্রদানের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছিল।  এ পরিষদে ছিলেন—ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের প্রাধ্যক্ষ ড. কাজী মাহফুজুল হক সুপণ, আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. আনসারুল আলম, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ মাহবুব কায়সার, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ রুহুল আমিন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল আলম চৌধুরী, ব্যবসায় প্রশাসন ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. রেজওয়ানুল হক খান এবং বারডেম হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মাহবুবুল হাসান মুনির। আরটিভি/এইচএসকে/এআর  
জুলাই ফাউন্ডেশনে গেল রাহাত ফতেহ আলীর কনসার্টের টাকা
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
মেধা ও রুচিশীল কাজ দিয়ে বলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন গুণি নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। দর্শকদের উপহার দিয়েছেন বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা। শুধু নির্মাণই নয়, ভালো অভিনয়ও করেন তিনি। চলতি বছরের ‘মহারাজা’সিনেমায় অনুরাগ অভিনয় দাগ কেটেছে দর্শকের মনে। এবার জানা গেল, বলিউড ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন এই নির্মাতা।   এরপর থেকেই অনুরাগের ভক্তদের প্রশ্ন, হঠাৎ কি হলো নির্মাতার? কী কারণে বলিউড ছাড়তে চাচ্ছেন তিনি। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন অনুরাগ। পাশাপাশি হিন্দি ভাষার শোবিজ ত্যাগ করার জন্য বেশ কিছু কারণও দেখিয়েছেন নির্মাতা।  অনুরাগ বলেন, বলিউডে এখন আর সৃজনশীলতার কোনো জায়গা নেই। সবকিছুই অর্থের দিকে চলে গেছে। চলচ্চিত্রের খরচ বেড়ে যাওয়ায় এখন সিনেমা তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে। কোনো সিনেমা নির্মাণের আগে থেকেই চিন্তা থাকে কিভাবে তা বিক্রি করা যাবে। আর এই চাপের মধ্যে সৃজনশীলতা হারিয়ে যায়। বলিউডের পরিবর্তে দক্ষিণী সিনেমায় নিয়মিত হতে চান জানিয়ে নির্মাতা বলেন,  আমি দক্ষিণে যেতে চাই। সেখানে এমন পরিবেশ আছে যেখানে সৃজনশীলতার সুযোগ বেশি। এখানে যদি থাকা না হয়, আমি একজন বৃদ্ধ মানুষ হয়ে মরে যাব। আমি নিজের ইন্ডাস্ট্রির প্রতি অত্যন্ত হতাশ এবং খুবই অসন্তুষ্ট। কিন্তু মলায়ালম সিনেমাতে আমার এমন কিছু অনুভূতি হয়নি। সেখানে অভিনয় অভিজ্ঞতা বেশ ইতিবাচক। প্রতিভা ব্যবস্থাপনা করে এমন এজেন্সিগুলোর বিরুদ্ধে তীব্র সমালোচনা করেছেন নানা তিনি বলেন, এই এজেন্সিগুলো তরুণ অভিনেতাদের শুধুমাত্র মুনাফার জন্য ব্যবহার করে। তাদের মনোযোগ কেবল স্টার তৈরির দিকেই থাকে। অভিনয় দক্ষতা গড়ে তোলার দিকে মনোযোগ নেই তাদের। অনুরাগ আরও বলেন, বলিউডে এখন আর কেউ অভিনয় করতে চায় না, সবাই স্টার হতে চায়। এজেন্সি কাউকে স্টার বানায় না। কিন্তু একবার যদি কেউ স্টার হয়ে যায়, তখন তারা তাদের থেকে মুনাফা তৈরির প্রতিযোগিতায় নেমে যায়।    আরটিভি/এইচএসকে  
কেন বলিউড ছাড়ছেন অনুরাগ কাশ্যপ
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
প্রতিবছর আতশবাজি, পটকা ফুটিয়ে ও ফানুস উড়িয়ে থার্টিফার্স্ট নাইট উদযাপন করেন সবাই। কিন্তু এই উৎসবে অনেক সময় বিপাকে পরতে হয় সাধারণ মানুষকে। আতশবাজি ও পটকা ফোটানোর শব্দে অত্যন্ত আতঙ্কের মাঝে কাটে শিশু থেকে শুরু করে অসুস্থ মানুষ, এমনকি পশু-পাখিও। শুধু তাই নয়, প্রাণনাশের ঘটনাও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে মানুষকে সচেতন করতে কাজ করছে সরকার, সামাজিক কিংবা প্রাণী কল্যাণ সংগঠনগুলো। কেউ কেউ নিজ উদ্যোগেও সামাজিক মাধ্যমে আতশবাজি-ফানুস তাণ্ডবের ভয়াবহতা তুলে ধরে সচেতনতার বার্তা দিচ্ছেন। পিছিয়ে নেই অভিনেত্রী কাজী নওশাবা আহমেদ।  পটকা ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনকে হেলিকপ্টার থেকে গুলির সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি থার্টিফার্স্ট নাইট বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন অভিনেত্রী।  গণমাধ্যমে এ প্রসঙ্গে নওশাবা বলেন, ২০২৪-এ আমাদের সবচেয়ে ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা ছিল হেলিকপ্টার থেকে গুলিতে নিরপরাধ শিশুর প্রাণ হারানো। কখনও কী ভেবে দেখেছেন, আমাদের উল্লাসে আকাশে ছুঁড়ে দেওয়া আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পাখিদের ছোট্ট শরীর পুড়ে যায় একইভাবেই।  তিনি আরও বলেন, আমাদের উৎসবের শব্দে আতঙ্কে তাদের জীবনের আলো নিভে যায়! অথচ এই পৃথিবী তো শুধু আমাদের নয়, তাদেরও। ছোট্ট শিশু উমায়ের প্রাণ হারিয়েছিল এই বর্ষবরণের আতশবাজির ভয়াবহ শব্দে। অভিনেত্রী বলেন, এবারের বর্ষবরণ আগ্রাসী না হোক, চলুন দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হই। আপনার বাসার অসুস্থ বুড়ো বাবা-মা এবং শিশুদের কথা ভেবে, রাস্তার অসহায় পথপ্রাণী আর পাখিদের কথা ভেবে এবারের বর্ষবরণ হোক আতশবাজি মুক্ত। ২০২৫ হোক মঙ্গলময় পরিবর্তনের বছর। নতুন বছরের শুভেচ্ছা সবাইকে।   আরটিভি/এইচএসকে  
আতশবাজির জ্বলন্ত টুকরোতে পুড়ে যায় পাখিদের ছোট্ট শরীর: নওশাবা
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
মাঝে মধ্যেই জুয়ার অ্যাপের প্রচারণায় খবরের শিরোনামে উঠে আসে তারকাদের নাম। কেউ শুভেচ্ছাদূত হয়ে, কেউ বা আবার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এসব অ্যাপের স্পন্সরশিপের মাধ্যমে প্রচারণায় অংশ নেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুলের নাম।  চলমান বিপিএলকে কেন্দ্র করে একটি জুয়ার অ্যাপের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে কথা বলতে দেখা গেছে তাকে। আর এতেই তোপের মুখে পড়েছেন পিয়া। অবশেষে বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে মুখ খুলেছেন তিনি। পিয়া বলেন, আমি একজন ক্রিকেটপ্রেমী। বাংলাদেশের ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে ভালোবাসি। আমি শুধু ক্রিকেট নিয়ে পোস্ট করেছি, যা ক্রিকেট সম্পর্কে আমার ভালোবাসা প্রকাশ করে। তাছাড়া আমি শুধু ওই অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করছি। এখানে কে স্পনসর দিলো সেটা তো বিষয় না। এর বেশি আর কিছুই বলতে চাই না। জানা গেছে, যে জুয়ার অ্যাপের টি-শার্ট পরে পিয়া অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন তা বাংলাদেশের সেরা জুয়ার এজেন্টদের একটি। এদিকে প্রস্তাবিত সাইবার সুরক্ষা আইনে বলা হয়েছে, ‘যদি কোনো ব্যক্তি সাইবার স্পেসে জুয়া খেলার জন্য কোনো পোর্টাল বা অ্যাপ বা ডিভাইস তৈরি করেন বা পরিচালনা করেন বা জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করেন বা খেলায় সহায়তা বা উৎসাহ প্রদান করেন বা উৎসাহ প্রদানের জন্য বিজ্ঞাপনচিত্রে অংশগ্রহণ করেন, তা হবে ওই ব্যক্তির অপরাধ।’ এর আগে পরীমণি, নুসরাত ফারিয়া, অপু বিশ্বাস, মাহিয়া মাহি, এবং শবনম বুবলীর মতো তারকাদের এ ধরনের প্রচারণায় দেখা গেছে। আরটিভি/এইচএসকে/এস/এআর  
জুয়ার প্রচারণায় তোপের মুখে যা বললেন পিয়া জান্নাতুল
আরও পড়ুন
ঈদে আসছে শাকিব-রাফীর ‘তাণ্ডব’
ভিডিও ভাইরাল, নতুন সিদ্ধান্ত নিলেন ক্যাটরিনা
সেই আবরারকে নিয়ে নির্মিত সিনেমার মুক্তির তারিখ ঘোষণা
ময়মনসিংহে বসছে ‘ইউরোপিয়ান আর্ট হাউজ সিনেমা ডে’ এর ৯ম আসর