ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

‘কখনও চাইনি ভদ্র নায়ক হিসেবে কাজ করব’ (ভিডিও)

গাজী আনিস, আরটিভি অনলাইন

প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৮:২৬ পিএম

সুদর্শন অভিনেতা সাঈদ বাবু। ছোট পর্দার নিয়মিত এই অভিনেতা বড় পর্দায়ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেছেন। বিশেষ করে ‘পোড়ামন টু’ ছবিতে অভিনয় করে দারুণ প্রশংসিত হয়েছেন তিনি। এই ছবিতে নেতিবাচক চরিত্রে কাজ করেছিলেন। অভিনয় দক্ষতা দিয়ে মাঝেমধ্যে আলোচনায় আসেন। সম্প্রতি ‘ন ডরাই’ নামের একটি চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। ছবিটি শীঘ্রই মুক্তি পাবে। ছবির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা হয়েছে আরটিভি অনলাইনের সঙ্গে।

আরটিভি অনলাইন: কেমন আছেন?

সাঈদ বাবু: ভালো আছি।

আরটিভি অনলাইন: আপনার ‘ন ডরাই’ ছবিটি মুক্তির আগেই বেশ আলোচনায়, কীভাবে দেখছেন?

সাঈদ বাবু: আসলে আমার ভালো লাগার দিক হচ্ছে এখন পর্যন্ত যে কয়টা মুভি করেছি প্রত্যেকটা রিলিজের পর আলোচনায় এবং কিছু রিলিজের আগে থেকে আলোচনায়। ‘ন ডরাই’ মুভিটা করেছি এটা এখনও রিলিজ হয়নি, কিন্তু মোটামুটি সবার কাছে অনেক ভালোবাসা পাচ্ছি। ছবির ফাস্ট লুক সবাই ভালোভাবে নিচ্ছেন। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের দেশ ছোট, বাজেট ছোট সেই হিসেবে সেই হিসেবে আমরা যদি ভালো মুভি করি অনেকেই তাকিয়ে থাকে যে সীমাবদ্ধতা স্বত্বেও এখানে ভালো চলচ্চিত্র হচ্ছে।

আরটিভি অনলাইন: ছবিটির ভাষা নিয়ে অনেকের মাঝে বিভ্রান্তি আছে, বিষয়টি নিয়ে কিছু বলুন।

সাঈদ বাবু: ‘ন ডরাই’ নিয়ে কেউ কেউ বলেছেন, চলচ্চিত্রটি চট্টগ্রামের ভাষায় হচ্ছে, এটা অনেকেই বুঝবে না। এই কথাটা এক ধরণের বোকামি। যেহেতু এই ফিল্মটা চট্টগ্রামের ভাষায়, আর এটা কান চলচ্চিত্র উৎসবে জমা পড়েছে, সুতরাং তারাও তো বলতে পারে আমরা এই ভাষা বুঝছি না। সুতরাং এই প্রশ্ন তোলা একেবারে বোকামি এই কারণে ওখানে সাবটাইটেল থাকবে। আর বাংলাদেশের ভাষার মধ্যে এতটা ভয়াবহ পরিবর্তন নেই যেটা গল্প দেখার পর দর্শক বুঝবেন না।

বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আমার কাছে ভালো বার্তা এসেছে। তারা বলছেন ভাই, চট্টগ্রামের ভাষা হলেও আপনাদের যে সম্পৃক্ততা দেখলাম আশা করছি ভালো কিছু হবে। আপনাদের প্রচেষ্টা অসাধারণ।

আরটিভি অনলাইন: ছবিতে কাজ করতে গিয়ে কী ধরণের সহযোগিতা পেয়েছেন?

সাঈদ বাবু: বিশেষ করে আমাদের পরিচালক তানিম রহমান অংশু, প্রযোজকসহ আমার সহশিল্পীরা একেবারেই মন উজাড় করে কাজ করেছেন। আমার সহশিল্পী শরিফুল রাজ ও সুনেরাহ অভিনয়ে নতুন হলেও দুই থেকে তিন মাস তারা কক্সবাজার ছিল শুধুমাত্র সার্ফিং শেখার জন্য। মনপ্রাণ দিয়ে কাজ করেছে।

আরটিভি অনলাইন: আপনার কাছে ছবিটি কেমন লেগেছে?

সাঈদ বাবু: আমি সবসময় মনে করি, ভালো কাজ করলে অবশ্যই সেটা দর্শকদের দোরগোড়ায় পৌঁছাবে। যখন তাদের কাছে ভালো কাজ পৌঁছাবে তারা অবশ্যই হলে এসে ছবি দেখবেন। ছবি দেখার পর তারা ভালো মন্দ বিচার করবেন। আমার শেষ ছবির সফলতার পর আমি এই ছবিটি নিয়ে আশাবাদী। শুধু আমার দিক থেকে আশাবাদী না, সাধারণ মানুষকে দেখেছি তারাও ছবিটিকে অনেক সাধুবাদ জানাচ্ছেন, এজন্য আশাটা দ্বিগুণ হয়েছে। ন ডরাই রিলিজ হলে অবশ্যই ভালো কিছু দেখবেন।

আরটিভি অনলাইন: আপনি তো চট্টগ্রামের ভাষা জানতেন না, সমস্যা হয়নি?

সাঈদ বাবু: আমি চট্টগ্রামের ভাষা কখনই জানতাম না। তবে ভাষা শিখেছি। আমাকে সহকর্মীরা সহযোগিতা করেছেন। আরও একটি বিষয় হচ্ছে, আমার অনেকগুলো সহশিল্পী বিদেশি। এখানে আমার স্ত্রী চরিত্রের একজন বিদেশি ছিলেন। তার বাড়ি ইউরোপে। এছাড়া ডেনমার্ক ও অস্ট্রেলিয়ানও ছিলেন। বিদেশি শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করা অনেকটা কষ্টের ছিল। কারণ এখানে ভাষাগত একটা জটিলতা ছিল। ছবিটি দেখলে বোঝা যাবে আমাদের কী পরিমাণ চেষ্টা আছে।

আরটিভি অনলাইন: আপনি আগে থেকে সার্ফিং জানতেন না, কীভাবে কাজটি করলেন?

সাঈদ বাবু: আমার জন্য সবচেয়ে বড় জটিলতা ছিল আমি সার্ফার না। কিন্তু এটা আমাকে শিখতে হয়েছিল। বিষয়টা কষ্টকর ছিল কারণ পানির বিরুদ্ধে আমাকে যুদ্ধ করতে হয়েছে। বাংলাদেশের সার্ফাররা কত কষ্ট করে যে সার্ফিং শেখে তারপর বিশ্ব দরবারে মাথা তুলে দাঁড়ায়। ছবিটি দেখলে বোঝা যাবে।

আরটিভি অনলাইন: আপনার সহশিল্পী সুনেরাহ বিনতে কামালকে খুব বেশি প্রচারে দেখা যাচ্ছে না।

সাঈদ বাবু: সুনেরাহ বিনতে কামাল খুবই ভালো একজন অভিনেত্রী। সে মূলত মডেলিং করত। তবে সে সাহসিকতার সঙ্গে কাজটি নিয়েছে। বড় পর্দায় কাজ করার জন্য সে অনেক সাহসিকতা দেখিয়েছেন। আমি তার সঙ্গে যে কয়টি দৃশ্যে অংশ নিয়েছি, তার যথেষ্ট সম্পৃক্ততা ছিল। আলোচনা বা মার্কেটিংকে আমি বড় করে দেখছি না। আমি বলব এটা একটা দলীয় কাজ। হয়তো এমনও হতে পারে আমি একটু সবার সঙ্গে কথা বলছি এটা কিন্তু আমার দলের স্বার্থে। হয়তো সুনেরাহ এবং শরিফুল রাজ পরে আলোচনায় আসবেন। অথবা এমন হতে পারে ফিল্ম দেখার পর দর্শক তাদের নিয়ে আলোচনায় থাকবেন। এটা একেবারে দর্শকদের ওপর নির্ভর করে। হয়তো দর্শকরা ভাবছেন সাঈদ বাবু আগের ছবিটা ভালো হয়েছে, দেখি নতুন ছবিটা কেমন হয়। আসলে আলোচনাটা সবার জন্য ভালো।

আরটিভি অনলাইন: ‘পোড়ামন ২’ ছবিতে আপনাকে ব্যতিক্রমী একটি চরিত্রে দেখা গিয়েছিল? নতুন এই সিনেমায়ও ভিন্নভাবে হাজির হচ্ছেন, অভিজ্ঞতা কেমন হলো?

সাঈদ বাবু: দুটোর অভিজ্ঞতা দুই রকম। ছোট থেকে আমি থিয়েটারে কাজ করেছি। আমার কমেডি ও খল চরিত্রের প্রতি অন্যরকম আগ্রহ। আমি কখনও চাইনি ভদ্র নায়ক হিসেবে কাজ করব। এই দুই চরিত্র আমায় জন্য উপযুক্ত। ‘পোড়ামন ২’ হলো বানিজ্যিক মুভি। এর আগে আমি ‘চ্যাম্প’ নামের একটা চলচ্চিত্রে কাজ করেছি। দুর্ভাগ্য যে ছবিটি রিলিজ হয়নি। এই ছবিটিও নিয়ে অনেক পরিশ্রম করেছি। বাংলাদেশের জাতীয় কোর্সের কাছ থেকে শিখে ছবিতে অভিনয় করেছি। আমার প্রত্যেকটা কাজের পেছনে একটা ইচ্ছে কাজ করে যে আমি সবকিছু শিখে অভিনয় করব। এছাড়া আমি ‘রাবেয়া’, ‘এই তো প্রেম’ ছবিতেও কাজ করেছি। তবে ‘পোড়ামন ২’তে আমার সফলতার কারণ হলো আমি মনপ্রাণ দিয়ে কাজ করেছি।

আরটিভি অনলাইন: এই চলচ্চিত্রে আপনার চরিত্রটি কেমন?

সাঈদ বাবু: ‘ন ডরাই’ হলো একেবারে ব্যতিক্রম। কারণ এখানে বাংলাদেশের ফাদার অব সার্ফারের চরিত্র প্লে করেছি। এটাও অনেক বড় প্রাপ্তি। এজন্য আমার তার সম্পর্কে জানতে হয়েছে। তার হাঁটা, চালচলন জেনে তারপর অভিনয় করেছি। এটা অন্যরকম একটা অর্জন। তার সম্পর্কে আমার জানতে হয়েছে, পড়তে হয়েছে। যদিও এখানে আমার নামটা পরিবর্তন হয়েছে। আমি আমির চরিত্রে অভিনয় করেছি। সুনেরাহ বিনতে কামালের চরিত্রের নাম আয়েশা। একজন নারী সার্ফারের জীবন থেকে উৎসাহিত হয়ে এই ছবির গল্প। আয়েশা (সুনেরাহ) ও সোহেল (রাজ) নামক দুইজন চরিত্রকে ঘিরে সিনেমাটির গল্প গড়ে উঠেছে। সামাজিক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে একজন সার্ফার হওয়ার স্বপ্ন দেখে দরিদ্র ও রক্ষণশীল পরিবার থেকে উঠে আসা এই দুই তরুণ-তরুণী। সমুদ্রঘেঁষা তাদের শহরে আমির একজন সেলফ-মেড সার্ফার। তার মত সার্ফার বাংলাদেশে বিরল। সার্ফার হওয়ার স্বপ্ন দেখা তরুণদের সার্ফিং শেখায় আমির।

আরটিভি অনলাইন: তাহলে কী ছবিটাতে বাংলাদেশের ফাদার অব সার্ফারের বায়োপিক হাইলাইট হয়েছে?

সাঈদ বাবু: না, বিষয়টি এমন নয়। আমি এটাকে বায়োপিক বলব না। কারণ আমার চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে আমি তার সম্পর্কে জেনেছি। গল্প একটাই বাংলাদেশের সার্ফারদের নিয়ে। প্রথম থেকে বাংলাদেশের সার্ফারদের জীবন কীভাবে কাটছে তা নিয়ে। কেউ হয়তো ভাববেন সার্ফার জাফরের জীবনী নিয়ে নির্মিত হচ্ছে। এছাড়াও উঠে আসবে জীবন সংগ্রামের বিভিন্ন দিক। সবকিছু মিলায়ে কাজটি করা হয়েছে।

আরটিভি অনলাইন: আপনার অভিনয় জীবনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত নিয়ে বলুন।

সাঈদ বাবু: আমি ১৯৯৫ সাল থেকে অভিনয়ে পা রেখেছি। তখন থিয়েটার দিয়ে শুরু করেছিলাম। আচার-আচরণ, চালচলন সবকিছু মূলত থিয়েটার থেকে শিখেছি। এমনকি ঘর ঝাড়ু দেওয়া। অভিনয়ের ধরণ শিখেছি। মিশ্র দা আমার একজন গুরু ছিলেন তার হাত ধরে এগিয়েছি। থিয়েটার করতে করতে মাঝে আমি মালয়েশিয়ায় পড়তে যাই। আবার ফিরে আসি দেশে কাজ শুরু করি। আমার সবসময় পছন্দের মানুষ ছিলেন হুমায়ূন ফরীদি ভাই ও আফজাল হোসেন। ২০০৫ সালের নভেম্বরের ১৯ তারিখে আফজাল ভাইয়ের কাজে অংশ নিই। আফজাল ভাই আমাকে দেখলেন, প্রশ্ন করলেন সেসব মুহূর্ত এখনও মনে আছে। আফজাল ভাইয়ের হাত ধরে পাঁচটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেছি। এরপর মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ভাইয়ের সঙ্গে কাজ করেছি। এরপর এক সেটে বিজ্ঞাপন নির্মাতা অমিতাভ রেজা ভাই আমাকে দেখেন, কল করেন। বাংলালিংকের একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করে আমার ভাগ্য বদলে যায়।

জিএ/এম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন ওয়াসিম সিতার
ছোট পর্দার পরিচালক ও অভিনেতা  ওয়াসিম সিতার ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার বিকেলে ওয়াসিমের সঙ্গে আরটিভির পক্ষ থেকে চুক্তিপত্র করেন চ্যানেলটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আরটিভির প্রধান কার্যালয়ে চুক্তিপত্র স্বাক্ষরের সময় উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠান বিভাগের প্রধান দেওয়ান শামসুর রকিব ও অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।  এ ব্যাপারে ওয়াসিম সিতার আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমার চ্যানেল 'ককটেল এন্টারটেইনমেন্ট' ইউটিউব চ্যানেলটি আরটিভি ডিজিটালের তত্ত্বাবধানে থাকবে। ইতোমধ্যে এর মাধ্যমে আমি বেশকিছু কন্টেন্ট দর্শকদের উপহার দিয়েছি। এখন থেকে নিয়মিত দর্শকদের ওয়েবসিরিজ ও শটফিল্ম উপহার দেব। এছাড়া তরুণদের নিয়েও কাজ করব। বিশেষ করে যারা মেধাবী শিল্পী কিন্তু কোনো প্লাটফর্ম খুঁজে পাচ্ছেন না তাদের সুযোগ দেব। আমার পক্ষ থেকে জুনাইদ ইরফান তত্ত্বাবধানে থাকবেন।  ধন্যবাদ আরটিভিকে আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। ওয়াসিম সিতার বেশকিছু টেলিভিশন নাটক পরিচালনা করেছেন। তার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে আছে সেলফিবাজ, দ্য ডেসটিনেশন ওয়েডিং, রোলিং ইন দ্য ডে, আনমেরিড, আই অ্যাম স্যরি ইত্যাদি। অভিনয়েও বেশ পাকাপোক্ত অবস্থান তার। সবশেষ বাংলা চলচ্চিত্র 'ন ডড়াই'তে লিয়াকত চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মন জয় করেছেন। জিএ 
ইউটিউব ক্রিয়েটর হিসেবে আরটিভির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হলেন ওয়াসিম সিতার
নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা
রাত পোহালেই নতুন বছরের আগমন। বিদায় ২০১৯। স্বাগত ২০২০ সাল। পুরোনো বছরকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকা। ভক্তদের এ নিয়ে জানার কৌতূহল তো থেকেই যায়। আরটিভি অনলাইন পাঠকদের জন্য তেমনি কয়েকজন জনপ্রিয় তারকার পরিকল্পনার কথা জানাচ্ছে। চলুন পাঠক জেনে নেয়া যাক আপনার প্রিয় তারকার ভাবনা।        আব্দুন নূর সজল গেল বছর কম কাজ করেছি। সব পছন্দনীয় কাজ ছিল। ১২ বছর পর মিউজিক ভিডিওতে কাজ করেছি। এটা ভালো লাগার। বঙ্গবন্ধু বিপিএল টুর্নামেন্টকে ঘিরে ঢাকা প্লাটুনের থিম সং করেছি। এছাড়া জীন মুভিতে কাজ করেছি। ফেব্রুয়ারির কোনও এক সময় মুক্তি পাবে ছবিটি। বছরের শেষে বিগ বাজেটের একটা ওয়েব সিরিজে কাজ করেছি। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বেশ ভালো ছিলাম।  ভক্তদের জন্য বলবো নতুন বছরে কম কাজ করব। বাছাই করে কাজ করব। আসলে বছরের সংখ্যাটা বড় কথা না কাজ, চিন্তাভাবনাটাই আসল।   ব্যক্তিগত জীবন ও বিয়ে নিয়ে তিনি বলেন, জীবনের সঙ্গে এখনও কেউ জড়ায়নি। হুট করে কিছু করব না। কিছু ঘটলে সবাইকে জানিয়ে ঘটাবো। সাদিকা পারভিন পপি গতকাল ফিল্ম ক্লাবের নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছি। ৩৯০ ভোটের মধ্যে প্রায় ৩৫০ পেয়েছি। গেল বছর ফিল্ম-অভিনয় নিয়ে ভালোই কেটেছে। নতুন বছরের ভাবনা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিকে নিয়ে। হলের সংখ্যা কমে গেছে। এছাড়া অনেক ছবি চলছে না কোন্দল ও নোংরা পলিটিক্সের কারণে। গণ্ডগোল না করে চলচ্চিত্র কীভাবে বাঁচবে এদিকে সবাই খেয়াল করব। কাজ নিয়ে তিনি বলেন, ভালো কাজ আসবে, ভালো কাজ করব। আমি আমার ক্যারিয়ারে কম টাকার কাজ ও নিম্ন কাজ করিনি। আশা করি সুস্থ ও সুন্দর বছর পার করব।   সাজু খাদেম গত বছর ২০১৯ সালের মতো কাটল, নতুন বছর ২০২০ সালের মতো কাটবে। ২০১৯ সালে অনেক কাজ করেছি। ২০২০ সালে কিছু চমক নিয়ে আসব। ভক্তদের অপেক্ষা করতে বলবো। আসলে বছর কাউন্ট করে তো কিছু হয় না। আমার মনে হয় প্রতিটা দিন মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ সেটা যদি আমি কাজে লাগাতে পারি তাহলে দর্শকরা আমাকে আরও ভালোবাসবেন। আর দর্শকরা সময়টা কাজে লাগালে জীবন সমৃদ্ধির দিকে যাবে। সাঈদ বাবু ২০১৯ সালে আমার জন্য সুখের ছিল। নাটক করেছি বেশ কিছু।  ‘ন ডরাই’ সিনেমা ছিল আমার চমক। এই সিনেমায় অনেক পরিশ্রম করেছি। ২০২০ সালে আরও ভালো কাজ উপহার দেবো। ইতোমধ্যে কয়েকটা সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছি। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে বসবো। তারপর ফলাফল জানাবো। আশা করছি ভক্তরা সুখবর পাবেন। জিএ/এম   
নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা
সৃজিতকে বিয়ের কারণ জানালেন মিথিলা
২০১৯ সালের সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা কলকাতার সৃজিত ও ঢাকার মিথিলার বিয়ে। তাদের বিয়ে নিয়ে গণমাধ্যমে তুমুল আলোচনা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়াও সরব ছিল। বিয়ের পর সুইজারল্যান্ডে হানিমুন সেরেছেন তারা। এবার সৃজিতকে বিয়ের দুটি কারণ জানালেন মিথিলা। ইনস্টাগ্রামে দুজনের ছবি পোস্ট করে এই এক হওয়া প্রসঙ্গে মিথিলা লিখেছেন, প্রথম কারণ আমরা দুজনই একই রকম পাগলাটে। দ্বিতীয় কারণ হিসেবে লেখেন, আমরা অলস হয়েও সব সময় ব্যস্ত। গেল ৬ ডিসেম্বর কলকাতায় রেজিস্ট্রি বিয়ে করেন সৃজিত-মিথিলা। তাদের পরিচয় গায়ক অর্ণবের একটি মিউজিক ভিডিওতে কাজের মাধ্যমে। সেখানে থেকেই বন্ধুত্ব তারপর প্রেম।   এম
সৃজিতকে বিয়ের কারণ জানালেন মিথিলা
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’র মহরত অনুষ্ঠিত হলো। ৩০ ডিসেম্বর এফডিসির জহির রায়হান কালার ল্যাবে সায়মন তারিক পরিচালিত ছবিটির ঘোষণা দেয়া হয়। এতে প্রথমবারের মতো জুটি বাঁধলেন চিত্রনায়িকা তানিন সুবাহ ও চিত্রনায়ক আসিফ ইমরোজ। মহরতে উপস্থিত ছিলেন- পরিচালক সমিতির মহাসচিব বদিউল আলম খোকন, নির্মাতা মুশফিকুর রহমান, নির্মাতা ছটকু আহমেদ, হেলেনা জাহাঙ্গীর, বড় দা মিঠু, তারিক আনাম খান, গাজী মাজারুল ইসলাম, মুনিরা মিঠুসহ চলচ্চিত্রের অনেকেই। এ সময় গুনী নির্মাতা ছটকু আহমেদ বলেন, আমাদের চলচ্চিত্র এখন একটা খারাপ সময় যাচ্ছে। তবে আমার বিশ্বাস আমরা সবাই মিলে কাজ করলে আবার চলচ্চিত্র ঘুরে দাঁড়াবে। তানিন সুবহা বলেন, চমৎকার একটি গল্প নিয়ে ছবিটি নির্মিত হতে যাচ্ছে। এমন চরিত্রে প্রথম অভিনয় করব। আমার জন্য একটু কষ্টের হবে। তবুও গল্পের প্রয়োজনে এটা আমি করব। নতুন বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে ছবিটির শুটিং শুরু হবে জানান পরিচালক। এম
নতুন ছবি ‘সিগন্যাল’
কাজলের মন ভেঙেছে
বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী কাজল। নতুন ছবি তানাজি নিয়ে আসছে ১০ জানুয়ারি দর্শকের সামনে হাজির হচ্ছেন তিনি। সঙ্গে আছেন স্বামী অজয় দেবগণ ও সাইফ আলী খান। এরই মধ্যে মন ভেঙেছে কাজলের। কারণ হিসেবে সাইফকেই দায়ী করলেন তিনি। ধোকাবাজ বলে বসলেন কাজল। টুইটারে যত রাগ প্রকাশ করলেন। কাজল লিখেছেন, তুমি আমার সঙ্গে 'ওমকারা'র সময়ও ধোকাবাজি করেছিলে। আবার করলে। আশা করবো তুমি আমার এই পোস্ট সুইজারল্যান্ড থেকে পড়বে। ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, সাইফের ছবির প্রোমোশনে না আসাই কাজলের রাগের কারণ। ছবির প্রোমোশন না করে সাইফ গিয়েছেন সুইজারল্যান্ডে তৈমুর ও কারিনার সঙ্গে ছুটি কাটাতে। মাথা গরমের কারণেই নাকি কাজল এমন পোস্ট করেছেন। বিষয়টি বন্ধুত্বেরও। তা নিমিষেই ঠিক হয়ে যাবে। তানাজি ছবিতে মারাটা যোদ্ধা হয়েছেন অজয়। কাজল তার স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছেন। আর ভিলেনের চরিত্রে দেখা যাবে সাইফকে। এম
কাজলের মন ভেঙেছে
আরও পড়ুন
নতুন বছর নিয়ে কী ভাবছেন তারকারা
মুক্তি পেয়েছে ‘মায়া- দ্য লস্ট মাদার’
আরটিভি স্টার অ্যাওয়ার্ডে কে হচ্ছেন শ্রেষ্ঠ অভিনেতা?
আরটিভি স্টার অ্যাওয়ার্ডে শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা হচ্ছেন কে?