ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

৮০০ ক্যান্ডিডেটকে নমিনেশন দেয়া দেশে কখনো ঘটেনি: তথ্যমন্ত্রী

আরটিভি অনলাইন রিপোর্ট

প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০১৯, ০৯:৩৯ পিএম

তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, একটি নির্বাচন করার আগে যে প্রস্তুতি দরকার, যে প্রক্রিয়াগুলো অনুসরণ করা দরকার। বিএনপির সবকিছু ছিল ত্রুটিযুক্ত, নিয়োগ বাণিজ্যের মাধ্যমে ৮০০ ক্যান্ডিডেটকে নমিনেশন দেয়া আমাদের দেশে কখনো ঘটেনি।

আজ বুধবার সচিবালয়ে গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সচিবালয় রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে এ কথা বলেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বিএনপির গত ১০ বছরে সব রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড প্রচণ্ড ভুলে ভরা। তারা আন্দোলনের ক্ষেত্রে জনগণের বিষয়-আশয় ফোকাস না করে তারা তাদের দলীয় স্বার্থকে ফোকাস করেছে। নির্বাচনের ক্ষেত্রে যে প্রস্তুতি দরকার ছিল তা তারা নেয়নি।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিষয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, তিনি একজন সজ্জন মানুষ। কিন্তু তিনি একটি বৃহত্তর দলের মহাসচিব হিসেবে সম্পূর্ণই ব্যর্থ। তবে তিনি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।

বিএনপি নেতারা ৩০ ডিসেম্বরকে ‘জাতীয় বিপর্যয় দিবস’ পালনের কথা বলেছেন- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, বিএনপি বলেছে জাতীয় বিপর্যয়- এটি আসলে বিএনপির মহাবিপর্যয়, সেটা তারা পালন করতে পারে।

বিএনপি উপজেলা নির্বাচনে অংশ নাও অংশ নিতে পারে- এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে বিএনপি যেমন আত্মহননের পথ বেছে নিয়েছিল। তারা যদি আবার উপজেলা নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে বিএনপি তবে ২০১৪ সালে অংশগ্রহণ না করার মতো মহাভুল করবে। আমি মনে করি বিএনপি দলগতভাবে অংশগ্রহণ না করলেও বিএনপির অনেক নেতা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে।

এসএস

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার করতে হবে: আব্দুর রহমান
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খুনের মূল পরিকল্পনাকারী জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচারের দাবি করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে ‘মুক্তিযুদ্ধে নারী’ শীর্ষক আলোচনা ও নারী মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে গৌরব ‘৭১। আব্দুর রহমান বলেন, জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক বলা হয়। কিন্তু জিয়উর রহমান ছিল আসল রাজাকার। সে মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে অনুপ্রেবেশ করেছিল। অনুপ্রেবেশ করে মুক্তিযুদ্ধের নামে রাজাকারদের সহযোগিতা করেছিল। শুধু তাই নয়, জিয়াউর রহমান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খুনেরও মূল পরিকল্পনাকারী। তাই আজ সময় এসেছে। খুনি জিয়ার মরণোত্তর বিচার এ বাংলার মাটিতে করতে হবে। জিয়াউর রহমান কৌশলে মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রেবেশ করেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানিরা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ফাঁসি দিতে চেয়েছিল।কিন্তু বাংলার জনগণের কারণে তারা ফাঁসি কার্য্কর করতে পারেনি। তবে এই ফাঁসি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাস্তবায়ন করা হয়েছে। আর এর মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন জিয়াউর রহমান। জিয়াউর রহমান রাজাকারদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে সেটার প্রমাণও করেছিলেন। তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমানের ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়াও নিজামি-মুজাহিদদের গাড়িতে পতাকা তুলে দিয়েছিলেন। তাই তারও বিচার করা প্রয়োজন। মুক্তিযুদ্ধের সকল অর্জন ও আনন্দ বিএনপি বিলিন করেছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগের ওই প্রবীন নেতা বলেন, ৮১ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এসছিলেন বলেই আজ নারী মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়েছে। শুধু তাই নয়, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকল অসাধ্যকে সাধন করে যাচ্ছেন। রাজাকারদের বিচার করা কারো পক্ষে সম্ভব ছিলো না জানিয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ক্ষমতা আসায় তাদের বিচারও সম্পন্ন হয়েছে। এক এক করে রাজাকারদের ফাঁড়ির দড়িতে ঝুলতে হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে হলে শেখ হাসিনার বিকল্প নাই জানিয়ে তিনি বলেন, আসুন আমরা সবাই অপশক্তি নির্মূল করে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার শপথ গ্রহণ করি। সংবর্ধনা প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধারাদের মধ্যে রয়েছেন- কৃষ্ণা রহমান, কল্যাণী ঘোষ, অধ্যাপক মমতাজ বেগম, ফরিদা খানম সাকি, বুলবুল মহলানবিশ, শাহীন সামাদ, পদ্মা রহমান, ডা. মাখদুমা নার্গিস রত্না, ডালিয়া রওশীন, শারমিন মুরশিদ, রমা দাস, হিরন্ময়ী দাস রুনু, মৃনালীনি ওঝা ও কনক প্রভা মন্ডল। গৌরব ‘৭১ এর সাধারণ সম্পাদক এফ এম শাহীনের পরিচানায় অনুষ্ঠানে আগত নারী মুক্তিযোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করেন। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- মুজিব নগর সরকারকে প্রথম গার্ড অব অনার প্রদানকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব উদ্দিন আহমেদ (বীর বিক্রম)। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বলেন, আপনারা এ দেশ স্বাধীন না করলে এই বাংলাদেশের পতাকা পেতাম না। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধে নারীদের অবদান অনেক বেশি। নারীরা মুক্তিযুদ্ধে অনেক সহযোগিতা করেছেন। তারা স্বামী ও সন্তানদের যুদ্ধে পাঠিয়েছেন। এছাড়াও অনেকেই অনেকভাবে যুদ্ধে অংশ নিয়েছেন। রাজাকারদের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে পুরুষ রাজাকার থাকলেও কোনো নারী রাজাকার নেই। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের সদস্য অ্যাডভোকেট সানজিদা খানম বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসায় এ দেশে রাজাকারদের ফাঁসি হয়েছে। শুধু তাই নয়, ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসে নারীদের সর্বোচ্চ সম্মান দিয়েছেন। সুতরাং নারী যে ক্ষমতায়ন পেয়েছে সেই সম্মান ধরে রাখতে হবে। বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, আমাদের রক্তমাকা পতাকা রাজাকারদের গাড়িতে তুলে দিয়েছিল বিএনপি। এই পথে বাংলাদেশের মানুষ আর যেতে চায় না। এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করে বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি অনেক ছোট ছিলাম। তবে আমার বাবা স্কুল শিক্ষক ছিলেন। সেই সুবাধে আমাদের বাড়িতে বাবা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য একটি ক্যাম্প করে দিয়েছিলেন। ছোট থাকার কারণে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পারেন নাই জানিয়ে সানজিদা খানম বলেন, মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে পারি নাই। তবে কলে (টিউবলে) চাপ দিয়ে মুক্তিযোদ্ধাদের পানি পান করিয়েছি।তাই গর্ববোধ করি। জয় বাংলা স্লোগান জাতীয় স্লোগান ছিল জানিয়ে তিনি বলেন, জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বক্তব্য শুরু করতে হবে। আবার জয় বাংলা স্লোগান দিয়ে বক্তব্য শেষ করতে হবে। এটা দ্রুত বাস্তাবায়নের আহ্বান জানান তিনি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ উপাচার্য মুহাম্মদ আবদুস সামাদ বলেন, দেশে অনেক নারী মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন। তারা তালিকার বাহিরে আছেন।   পরিসংখ্যান উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশে মাত্র দুইজন নারী মুক্তিযোদ্ধা খেতাব পেয়েছেন। আর ৩০০ জন নারী মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় রয়েছেন।এটা কোনোক্রমেই সঠিক নয়।তাই নারী মুক্তিযোদ্ধাদের সঠিক তালিকা করার দাবি জানান তিনি। সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুছ বলেন, মুক্তিযুদ্ধে যারা অংশ নিয়েছিলেন তারা জীবন বাজি রেখেই নিয়েছিলেন। তাই তাদের বিশেষ সম্মান দেয়ার জন্য গৌরব ৭১ কে ধন্যবাদ জানাই। তিনি বলেন, একটি অসম্প্রাদায়িক দেশ গড়তে পারলে লাখো শহীদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে। স্বাগত বক্তব্য রাখেন-গৌরব ৭১ এর সভাপতি এস এম মনিরুল ইসলাম মনি। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন-ঢাকা কর অঞ্চলের কর কমিশনার মো. আসাদুজ্জামান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)’র স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক সাদ বিন কাদের চৌধুরী প্রমুখ।
জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার করতে হবে: আব্দুর রহমান
শতবর্ষী ইসহাক আলী মাস্টারকে গণভবনে ডেকে নিলেন প্রধানমন্ত্রী
সেই শতবর্ষী আওয়ামী লীগ নেতা ইসহাক আলী মাস্টারকে গণভবনে ডেকে নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।  সোমবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের মাধ্যমে তাকে ডেকে নেন দলীয় সভানেত্রী। এসময় ১৯৫০ সালে যশোরে জাতির পিতার জনসভার স্মৃতিচারণ মনোযোগ দিয়ে শোনেন বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। গত ২০ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের সম্মেলনে লাঠি ভর দিয়ে যোগদান করেন কুষ্টিয়ার ১০৪ বছর বয়সী ইসহাক আলী মাস্টার। আওয়ামী লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আমিনুল ইসলাম জানান, শতবর্ষী আওয়ামী লীগ নেতা ইসহাক আলী মাস্টারকে গণভবনে ডেকেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এসময় তিনি তার সঙ্গে দীর্ঘ সময় কথা বলেন। ১৯৫০ সালে জাতির পিতা যশোর সফর করেছিলেন। সেই সময় মঞ্চে কে কে উপস্থিত ছিলেন এবং সেই দিন ভাষণে কি বলেছিলেন সেসব স্মৃতিচারণ প্রধানমন্ত্রী তার কাছ থেকে শোনেন।  এক পর্যায়ে শতবর্ষী ইসহাক আলী মাস্টার আবেগে আপ্লুত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে দোয়া করেন। এছাড়া গণভবনে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান শতবর্ষী এই আওয়ামী লীগ নেতা। এসময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আপনাদের মতো বঙ্গবন্ধুপ্রেমী আছে বলেই আওয়ামী লীগের ভীত এতো শক্ত। ইসহাক আলী মাস্টারের সঙ্গে ছিলেন তার ছেলে ও ছেলের বউ।  এসজে
শতবর্ষী ইসহাক আলী মাস্টারকে গণভবনে ডেকে নিলেন প্রধানমন্ত্রী
তড়িঘড়ি করে আমাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়েছে: ভিপি নুর (ভিডিও)
  আমার ডাকসুর মেয়াদ আর তিন মাস বাকি আছে। ইতোমধ্যে আমার নামে আইসিটি অ্যাক্টে মামলা দেয়া হয়েছে। আমাকে যাতে অ্যারেস্ট করা হয়, আমি যাতে জামিন না পাই, সেজন্য তড়িঘড়ি করে আমাকে রিলিজ দেয়া হয়েছে। বললেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) নুরুল হক নুর।  আজ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাকে রিলিজ দেয়। পরে হাসপাতাল ত্যাগ করার সময় সাংবাদিকদের কাছে এ আশঙ্কার কথা জানান তিনি। ডাকসু ভবনে হামলার শিকার হয়ে এতদিন ঢামেকে ভর্তি ছিলেন ভিপি নুর। আজ দুপুরে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান তিনি। ছাড়া পেয়ে হাসপাতাল ভবনের নিচে ভিপি নুর সাংবাদিকদের বলেন,  ভিপি নুর বলেন, ঘটনার দিন লাইট বন্ধ করে আমাদের মারধর করে ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত ও সেক্রেটারি সাদ্দাম। তারা আমার ভাই আমিনুরকে পিস্তলের বাট দিয়ে মেরে তিন তলা থেকে ফেলে দেয়। অন্যদেরকেও এভাবে মেরেছে। সরকারের দুঃশাসন ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কার্যক্রম কথা বলায় আমাকে হত্যা করতে চেয়েছে। তিনি বলেন, আমি হাঁটতে পারি না, সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারি না। কাশি দিলে পাঁজরে ব্যথা পাই। মাথা ঘোরে, চোখে ঝাপসা দেখি। আমার চিকিৎসার ব্যাপারে সন্দেহ আছে। আমাকে মেরে ফেলার জন্য আটবার হামলা করা হয়েছে। এগুলো করা হচ্ছে সরকারের ইশারায়। তিনি আরও বলেন, ছাত্রলীগ যেভাবে হামলা করেছে যদি এদের বিচার না হয়, তাহলে অন্য সরকার আসলে এভাবেই চলতে থাকবে। এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের যেন বিচার হয়। ছাত্রলীগকে নিয়ে যেভাবে সাফাই গাওয়া হচ্ছে…আমাকে মেরে ফেলার যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র। এসজে
তড়িঘড়ি করে আমাকে হাসপাতাল থেকে রিলিজ দেয়া হয়েছে: ভিপি নুর (ভিডিও)
সবাইকে নিয়েই একসঙ্গে কাজ করব: তাপস
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়রপ্রার্থী ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেন, আগামী বছর ঢাকাবাসীর জন্য একটি নবসূচনা করতে পারব। আমাদের অনেক করণীয় আছে। দীর্ঘদিন ঢাকাবাসী তাদের নাগরিক সেবা থেকে অবহেলিত-বঞ্চিত। আসন্ন নির্বাচনে ঢাকাবাসী যদি আমাকে নির্বাচিত করে, তাদের সেবক হিসেবে কাজ করার সুযোগ দেয়, তাহলে নাগরিক মৌলিক সেবা নিশ্চিত করাই হবে আমার প্রথম ও প্রধান কাজ। সবাইকে নিয়েই একসঙ্গে কাজ করব। রাজধানীর গোপীবাগে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মঙ্গলবার সকালে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে তিনি একথা বলেন। ব্যারিস্টার তাপস বলেন, আপনারা আমাকে পরীক্ষা করে দেখবেন। আপনাদের সেবক হিসেবে নির্বাচিত হলে প্রতিটি প্রতিশ্রুতি ইনশাআল্লাহ দ্রুত বাস্তবায়ন করব। আমি আশা করব ঢাকাবাসী স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন। ঢাকাবাসীকে আরও বেশি সেবা দেয়ার ইচ্ছা থেকেই আমি মেয়র পদে নির্বাচনে অংশ নিয়েছি। দুই সিটির রিটার্নিং কমকর্তার দপ্তর সূত্র জানা গেছে, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র, সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে মোট দুই হাজার ২৬০টি মনোনয়নপত্র বিতরণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মধ্যে উত্তর সিটিতে এক হাজার ১৫টি এবং দক্ষিণ সিটিতে এক হাজার ২৪৫টি মনোনয়নপত্র বিক্রি হয়েছে। উত্তরে মেয়র পদে ১০ জন এবং দক্ষিণে ৮ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছেন। উল্লেখ্য, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দাখিলকৃত মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি এবং প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ জানুয়ারি। প্রতীক বরাদ্দ ১০ জানুয়ারি। ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণ হবে ৩০ জানুয়ারি। পি
সবাইকে নিয়েই একসঙ্গে কাজ করব: তাপস
সিটি নির্বাচনে ফলাফল যাই হোক, মেনে নেবে আ. লীগ: কাদের
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন নতুন বছরের চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ‘নিরপেক্ষ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে নির্বাচন কমিশনকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। নিরপেক্ষ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে চায় সরকার। ফলাফল যাই হোক সেটা মেনে নিতে প্রস্তুত আছে আওয়ামী লীগ।’ মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সমসাময়িক ইস্যুতে প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, এখন থেকে প্রতি মাসে পদ্মা সেতুতে তিনটি করে স্প্যান বসবে।  সিটি নির্বাচন নিয়ে বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে। ভালো নির্বাচন হবে। নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করলে টেম্পারিং করার সুযোগ থাকবে না। নতুন বছরে গণতন্ত্র ও আইনের শাসনের অবস্থা উন্নতি করা হবে। এসজে/পি
সিটি নির্বাচনে ফলাফল যাই হোক, মেনে নেবে আ. লীগ: কাদের
আরও পড়ুন
জিয়াউর রহমানের মরণোত্তর বিচার করতে হবে: আব্দুর রহমান
শতবর্ষী ইসহাক আলী মাস্টারকে গণভবনে ডেকে নিলেন প্রধানমন্ত্রী
সবাইকে নিয়েই একসঙ্গে কাজ করব: তাপস
সিটি নির্বাচনে ফলাফল যাই হোক, মেনে নেবে আ. লীগ: কাদের