ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

হিযবুত তাহরীর সদস্য নয় মাহফুজ, গুজব বলল প্রেস উইং

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৪ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৩৮ এএম
আপডেট : ০৪ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৪৭ এএম
ফাইল ছবি

গুজব একটি ভয়ংকর উপসর্গ। যা অতিদ্রুত ডালপালা মেলে। আর মানুষও যাচাই-বাছাই না করে অন্ধের মতো সেই গুজবের পেছনে ছোটে। সম্প্রতি ঘটেছে এমনই এক ঘটনা। ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম হিযবুত তাহরী বা অন্য কোনো নিষিদ্ধ গোষ্ঠীর সদস্য। কিন্তু আদতে বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে জানিয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে চালু হওয়া প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের ফ্যাক্ট চেকিং পেজ।

সোমবার (৪ নভেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য জানায়।

এতে বলা হয়, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমকে হিযবুত তাহরীর সদস্য হিসেবে দাবি করে দেওয়া ফেসবুক পোস্টগুলো গুজব। ইংরেজি দৈনিক দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড প্রকাশিত একটি নিবন্ধের একটি স্ক্রিনশট ব্যবহার করে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যেখানে আবদুল্লাহ আল মাহফুজ নামে এক ব্যক্তিকে হিযবুত তাহরীর কথিত সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফেসবুক পোস্টে আরও বলা হয়, অভিযুক্ত আবদুল্লাহ আল মাহফুজ ও বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলম দুজন ভিন্ন ব্যক্তি। বিষয়টি দৈনিক আজকের পত্রিকার ফ্যাক্ট-চেকিং ইউনিট রোববার (৩ নভেম্বর) এক প্রতিবেদনে পরিষ্কার করেছে।

প্রসঙ্গত, মাহফুজ আলম ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের নেতৃত্বদানকারী একজন গুরুত্বপূর্ণ সদস্য। পাশাপাশি বর্তমানে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আরটিভি/আইএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
জি নিউজের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট: প্রেস উইং ফ্যাক্টস
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসকে নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে জানিয়েছে বাংলাদেশের চিফ অ্যাডভাইজার (সিএ) প্রেস উইং ফ্যাক্টস। সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) এক ফেসবুক পোস্টে এ কথা জানান হয়। এতে বলা হয়, ভারতের জি নিউজে প্রকাশিত সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। এটি প্রফেসর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের বিরুদ্ধে ভারতীয় মিডিয়া দ্বারা শুরু করা একটি সুপরিচিত প্রচারণার একটি অংশ। আমরা সুস্পষ্টভাবে এই খবরের প্রতিটি বিষয়বস্তু অস্বীকার করছি এবং বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে পরিচালিত এই ধরনের অপপ্রচারে দৃষ্টি না দেওয়ার জন্য সবাইকে অনুরোধ করছি। প্রেস উইং ফ্যাক্টস আরও জানায়, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নেতৃত্ব গ্রহণের পরপরই অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ভারতীয় গণমাধ্যমকে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমন্ত্রণ জানান এবং ঘটনাস্থল থেকে প্রতিবেদন প্রকাশ করার অনুরোধ জানান। দুর্ভাগ্যবশত, এমনকি কিছু শীর্ষ ভারতীয় মিডিয়াও এতে সাড়া দেয়নি। এর পরিবর্তে সুবিধাজনকভাবে নামহীন সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে গল্প উদ্ভাবন চালিয়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, জি নিউজের প্রকাশিত সেই খবরে দাবি করা হয়, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আই আর জি সি) আদলে বাংলাদেশ একটি নতুন সন্ত্রাসী নেটওয়ার্কের উত্থানের ঘটনা দেখা গেছে। সেখানে আরও দাবি করা হয়, ড. ইউনূস ইসলামিক রেভল্যুশনারি আর্মি (আইআরএ) নামে একটি জঙ্গি বাহিনী প্রতিষ্ঠার আয়োজন করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই উত্থান আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্য সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলতে পারে বলেও খবরে প্রকাশ করা হয়। আরটিভি/আরএ/এস
জি নিউজের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট: প্রেস উইং ফ্যাক্টস
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৩ দাবি ঘোষণা করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট রাজনীতিকে চূড়ান্তভাবে কবর দেওয়াসহ তিনটি দাবি ঘোষণা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।   রোববার (২৯ ডিসেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি এ দাবি জানান। তার দাবিগুলো হলো ১. আওয়ামী ফ্যাসিস্ট রাজনীতিকে চূড়ান্তভাবে কবর দিতে হবে। আওয়ামী রাজনীতির প্রত্যাবর্তন অসম্ভব করে দিতে হবে।   ২. ভারতীয় আধিপত্যবাদের অবসান ঘটাতে হবে। স্বাধীন, সার্বভৌম, আত্মনির্ভর মর্যাদার নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।   ৩. বাংলাদেশে একটা সাম্য ও ইনসাফের সমাজ গড়তে হবে। এর আগে, রাজধানীর বাংলামোটরের সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, জুলাই বিপ্লবের ঘোষণাপত্র ৫ আগস্ট না হওয়ার কারণে বিদেশে বসে ষড়যন্ত্র করেই যাচ্ছে ফ্যাসিস্টরা। এটি গণঅভ্যুত্থানের লেজিটিমেসিকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। গণঅভ্যুত্থান ঘিরে মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে এবং ’৭২-এর সংবিধান যে মানুষ প্রত্যাখ্যান করেছে, তার একটি দালিলিক প্রমাণ হিসেবে ৩১ ডিসেম্বর জাতির সামনে মুজিববাদী ’৭২-এর সংবিধানের কবর রচিত হবে। নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে মানুষের আকাঙ্ক্ষা ঘোষণার জন্য ৩১ ডিসেম্বর মানুষ শহীদ মিনারে জড়ো হবে। আরটিভি/কেএইচ-টি
ফেসবুক স্ট্যাটাসে ৩ দাবি ঘোষণা করলেন হাসনাত আব্দুল্লাহ
হাসিনার গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা, যা বললেন সাইয়েদ আব্দুল্লাহ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্য সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যঙ্গ গ্রাফিতি মুছে ফেলার চেষ্টা করে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা। পরে বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষার্থীরা এসে বাধা দেয়। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাতের এ ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। ছাগল-কাণ্ডে আলোচনায় আসা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের সাবেক ছাত্র ও সোশ্যাল অ্যাক্টিভিস্ট সাইয়েদ আব্দুল্লাহ এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে মেট্রোরেলের পিলার থেকে এই গ্রাফিতিটা গতকাল গভীর রাতে মুছে ফেলা হচ্ছিল। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গভীর রাতেই অনলাইনে সরব হই আমরা কয়েকজন। ওইটা মোছা হয়ে যাওয়ায় পরবর্তীতে কয়েকজন হাসিনার অন্য একটা ক্যারিকেচার আঁকে। কিন্তু কথাটা হলো, ভিন্নটা কেন করা হবে, আগেরটাই লাগবে। হুবহু আগেরটাই এবং ওইটার ওপরও কালি মেখে, রক্তের মতো লাল রঙ দিয়ে ডা–ই–নি টাইপ ভাইবই রাখতে হবে। আর ওইটাতে যেভাবে জুতার মালা দেওয়া ছিলো, ওই একইভাবে রাখতে হবে। মানে হুবহু রিস্টোর করতে হবে।  তিনি লিখেছেন, ওইটার ভেতর যে মেসেজ ছিলো, নতুনটার ভেতর সেটা নাই। গণঅভ্যুত্থানে দেশের জনগণ হাসিনাকে যেভাবে প্রত্যাখ্যান করে উৎখাত করেছিলো, সেটার অটো রিপ্রেজেনটেশন ছিলো ওইটাতে৷ আর হুটহাট করে যারা এইটা মোছার প্ল্যান করেছিলো বা যাদের মাথা দিয়ে এই প্ল্যান বের হয়েছিলো, তাদের প্রত্যেককে আইডেন্টিফাই করে কঠোর জবাবদিহিতার ভেতর নিয়ে আসা উচিত।   ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এই সাবেক ছাত্র লিখেছেন, এই নির্দেশ এসেছিলো কোন সংস্থা থেকে? এবং ক্যাম্পাসের ভেতর বড় টেকনিক্যাল ভেহিকেল নিয়ে এসে এই কাজ করা হয়েছে, তার মানে হলো এটার পারমিশনের সঙ্গে ভিসি বা প্রক্টরের এফিলিয়েশন থাকবার কথা। অর্থাৎ কোনো এজেন্সি থেকে যদি বলা হয় এবং প্রক্টর বা ভিসি যারা এইটা প্রতিরোধ করে নাই, তাদের প্রত্যেককে কঠোর জবাবদিহিতার ভেতর নিয়ে আসতে হবে। স্বৈরাচারী হাসিনাকে প্রত্যাখ্যান করার চিহ্নগুলো মুছে দিয়ে এরা কী করতে চায়, সেটা বোঝার দরকার আছে। এবং একইসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় ওই জুতারমালা গলায় দেওয়া প্রত্যাখ্যাত হাসিনার ডা-ই-নি রূপ ফুটিয়ে তোলা দরকার। যতবার মুছতে চাইবে, ততবার আরও বেশি করে সব জায়গায় ফুটিয়ে তুলতে হবে। সবশেষে তিনি লিখেছেন, বিভিন্ন জায়গা থেকে এরা প্রথমে গ্রাফিতি মুছতে চাইবে, তারপর দেশের মানুষের মন থেকেই ওই হয়েনাদের অপকর্মের ফিরিস্তি মুছে দিতে চাইবে। কিন্তু আমরা তা হতে দেব না। দেশের জনগণের উচিত সেটা কোনো অবস্থাতেই না হতে দেওয়া। এর আগে, সিটি করপোরেশনের কিছু লোক শনিবার মধ্যরাতে রাজু ভাস্কর্য সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে শেখ মুজিব ও হাসিনার ব্যঙ্গাত্মক গ্রাফিতি মুছতে ক্রেন নিয়ে আসে। সে সময় হাসিনার গ্রাফিতির মাথা পর্যন্ত মুছে ফেললেও মুজিবের পুরোটাই মুছে ফেলা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা এসে বাধা দিলে তারা এটি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, শেখ হাসিনার গ্রাফিতিটা ছিল মূলত ঘৃণা স্তম্ভ। এটি জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি। আমরা এটি দেখে প্রক্টরকে কল করলে প্রক্টর এসে জানান যে, তাকে গোয়েন্দা সংস্থা কল করেছেন শেখ মুজিব এবং শেখ হাসিনার ছবি মুছে দেওয়ার জন্য। পরে প্রক্টর স্যার এস্টেট অফিসকে জানালে অফিস সিটি করপোরেশন ও মেট্রো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এটি মুছে ফেলার উদ্যোগ নেয়। যা শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে সম্ভব হয়নি। আরটিভি/আইএম
হাসিনার গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা, যা বললেন সাইয়েদ আব্দুল্লাহ
কোন সাহসে হাসিনার গ্রাফিতি মোছে, প্রশ্ন উমামা ফাতেমার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্য-সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যঙ্গ গ্রাফিতি মুছে ফেলার চেষ্টা করে সিটি করপোরেশনের কর্মীরা। পরে বিষয়টি জানতে পেরে শিক্ষার্থীরা এসে বাধা দেয়। শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাতের এ ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়া। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, প্রক্টররে পদত্যাগ করতে হবে। এনএসআইয়ের প্রেসক্রিপশন নাকি ‘র’ এর প্রেসক্রিপশন এসব আমি চিনি না।  এ সময় প্রশ্ন রেখে তিনি আরও লিখেছেন, কোন সাহসে হাসিনার গ্রাফিতি মোছে? এর আগে, সিটি করপোরেশনের কিছু লোক শনিবার মধ্যরাতে রাজু ভাস্কর্য-সংলগ্ন মেট্রোরেলের পিলারে শেখ মুজিব ও হাসিনার ব্যঙ্গাত্মক গ্রাফিতি মুছতে ক্রেন নিয়ে আসে। সে সময় হাসিনার গ্রাফিতির মাথা পর্যন্ত মুছে ফেললেও মুজিবের পুরোটাই মুছে ফেলা হয়। পরে শিক্ষার্থীরা এসে বাধা দিলে তারা এটি বন্ধ করতে বাধ্য হয়। শিক্ষার্থীরা জানান, শেখ হাসিনার গ্রাফিতিটা ছিল মূলত ঘৃণা স্তম্ভ। এটি জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি। আমরা এটি দেখে প্রক্টরকে কল করলে প্রক্টর এসে জানান যে, তাকে গোয়েন্দা সংস্থা কল করেছেন শেখ মুজিব এবং শেখ হাসিনার ছবি মুছে দেওয়ার জন্য। পরে প্রক্টর স্যার এস্টেট অফিসকে জানালে অফিস সিটি করপোরেশন ও মেট্রো কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে এটি মুছে ফেলার উদ্যোগ নেয়। যা শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে সম্ভব হয়নি। আরটিভি/আইএম/এস
কোন সাহসে হাসিনার গ্রাফিতি মোছে, প্রশ্ন উমামা ফাতেমার
পুলিশ এখনও থানায় টাকা খাচ্ছে: সারজিস আলম
এখনও পুলিশের অনেক সদস্য দেদারছে ঘুষ গ্রহণ করছেন বলে অভিযোগ করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।  শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ অভিযোগ করেন। সারজিস আলম বলেন, শতশত পুলিশ এখনও থানায় টাকা খাচ্ছে। যেসব বেহায়ার রক্তে দুর্নীতি, তাদের শাস্তি না দিয়ে কি করে সংস্কার করবেন? এ সময় প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, শুধু বদলি করে? হাস্যকর... এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত স্ট্যাটাসটিতে সাড়ে ১২ হাজারেরও বেশি পাঠক মন্তব্য করেছেন। রায়হান আহমেদ তামিম নামে একজন লিখেছেন, ওদের ওপর প্রেশার তৈরি করে ওদেরকে মানুষ বানানোর দায়িত্ব স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার। আমাদের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা তো স্ট্রং না, মিনমিনে স্বভাবের। পরিবর্তন কীভাবে আসবে, কার হাত ধরে আসবে? আদিলুর রহমান মোহসীন লিখেছেন, প্রায় সবখানে তাদের দুর্নীতি এখনও অব্যাহত আছে। বিভিন্ন স্থানে আগের মতো দুর্নীতি করতে না পেরে কাজের প্রতি অবহেলা করতেছে। আব্দুল মতিন লিখেছেন, এটা দেখার কেউ নেই। এবি মামুন নামে আরেকজন লিখেছেন, যারা সরাসরি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের বদলি নয় স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করতে হবে। আরটিভি/আইএম/এস
পুলিশ এখনও থানায় টাকা খাচ্ছে: সারজিস আলম
আরও পড়ুন
জি নিউজের সংবাদটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট: প্রেস উইং ফ্যাক্টস
শুনতে পাচ্ছি শেখ হাসিনাকে ফেরত দেবে না ভারত: মাহফুজ আলম
জানুয়ারিতে বৃহত্তর পরিসরে আলোচনার পরিকল্পনা: উপদেষ্টা মাহফুজ
মুক্তিযোদ্ধার গলায় জুতার মালা, জড়িতদের আইনের আওতায় আনার নির্দেশ