ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

আইপিএল নিলামের দিনক্ষণ চূড়ান্ত, কত কোটি রুপি অবশিষ্ট রয়েছে দলগুলোর?

স্পোর্টস ডেস্ক, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০৫ নভেম্বর ২০২৪, ০২:২৪ পিএম
ছবি- সংগৃহীত

আইপিএলের ১৮তম আসরের আগে রিটেনশন প্রক্রিয়া শেষ করেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। এবার পালা মেগা নিলামের। আগামী ২৪ ও ২৫ চলতি নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে দল গোছানোর লড়াই। এবারের নিলাম আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি আরব।

ভারতীয় গণমাধ্যমের সূত্র থেকে জানা গেছে, সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে অনুষ্ঠিত হবে এবারের মেগা নিলাম। নিলামের আগে সর্বোচ্চ ৬ ক্রিকেটারকে রিটেইন করার সুযোগ পেয়েছে দলগুলো। ইতোমধ্যে আয়োজকদের কাছে রিটেইন লিস্ট জমাও দিয়েছে দলগুলো।

আইপিএলের ১০টি দল মিলিয়ে ৪৬ জন ক্রিকেটারকে আগামী তিন আসরের ধরে রেখেছে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো। একটি ফ্র্যাঞ্চাইজি সর্বোচ্চ ৬ জনকে রিটেইন এবং সব মিলিয়ে ২৫ জন ক্রিকেটারকে দলে নিতে পারবে। সেই হিসেবে এবারের মেগা নিলামে দল পেতে যাচ্ছে আরও ২০৪ জন ক্রিকেটার। এর মধ্যে ৭০ জন থাকবেন বিদেশি ক্রিকেটার।

মেগা নিলামের আগে সবচেয়ে বেশি ছয়জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স এবং রাজস্থান রয়্যালস। সেই হিসেবে আরও ১৯ জন ক্রিকেটারকে দলে ভিড়াতে পারবে এই দুই ফ্র্যাঞ্চাইজি। এবার দল গঠনের জন্য দলগুলোর বাজেট নির্ধারিত করা হয়েছে ১২০ কোটি ভারতীয় রুপি।

আসুন এক নজরে দেখে নিই মেগা নিলামের আগে কোন দলের কাছে কত কোটি রুপি অবশিষ্ট রয়েছে।

কলকাতা নাইট রাইডার্স

সর্বোচ্চ ছয়জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। নিলামে আরও ১৯ জন ক্রিকেটারকে নেওয়ার সুযোগ থাকছে শাহরুখ খানের দলের সামনে। সেই ১৯ জনের মধ্যে বিদেশি ক্রিকেটার নেওয়া যাবে ৬ জন।

রিঙ্কু সিং (১৩ কোটি রুপি), বরুণ চক্রবর্তী (১২ কোটি), সুনীল নারাইন (১২ কোটি), আন্দ্রে রাসেল (১২ কোটি), হার্ষিত রানা (৪ কোটি) ও রামনদীপ সিং (৪ কোটি)।

এই ছয়জন কিনতে কলকাতার ব্যয় হয়েছে ৫৭ কোটি রুপি এবং ৬৩ কোটি রুপি নিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করবে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

সানরাইজার্স হায়দরাবাদ

আগামী তিন আসরের জন্য পাঁচ জন ক্রিকেটারকে রেখে দিয়েছে গত আসরের রানার্স আপ হায়দরাবাদ। যার মধ্যে দুইজন ভারতীয় এবং তিনজন বিদেশি ক্রিকেটার। ফলে নিলামে পাঁচ জন বিদেশি ক্রিকেটারকে নিতে পারবেন কাব্য মারানেরা। সব মিলিয়ে আরও ২০ জন ক্রিকেটারকে দলে নেওয়ার সুযোগ থাকছে হায়দরাবাদ কর্তৃপক্ষের সামনে।

প্যাট কামিন্স (১৮ কোটি), অভিষেক শর্মা (১৪ কোটি), নীতিশ কুমার রেড্ডি (৬ কোটি), হেনরিখ ক্লাসেন (২৩ কোটি), ট্রাভিস হেড (১৪ কোটি)।

এই পাঁচজনকে ধরে রাখতে হায়দরাবাদের খরচ হয়েছে ৭৫ কোটি রুপি এবং ৪৫ কোটি নিয়ে নিলামে অংশ নিবেন কাব্য মারান।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স

আইপিএলের আরেকটি সফল দল মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। তারাও পাঁচ জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে। সকলেই ভারতীয় ক্রিকেটার। তাই নিলাম থেকে সর্বোচ্চ আট জন বিদেশি ক্রিকেটারকে নেওয়ারই সুযোগ রয়েছে মুম্বই কর্তৃপক্ষের সামনে। সব মিলিয়ে ২০ জন ক্রিকেটারকে নিলাম থেকে কিনতে পারবে আম্বানি পরিবারের দলটি।

রিটেইন করা ক্রিকেটারগুলো হলো, জাসপ্রীত বুমরা (১৮ কোটি), সূর্যকুমার যাদব (১৬.৩৫ কোটি), হার্দিক পাণ্ডিয়া (১৬.৩৫ কোটি), রোহিত শর্মা (১৬.৩০ কোটি) ও তিলক ভার্মা (৮ কোটি)।

এই পাঁচজনকে ধরে রাখতে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের খরচ হয়েছে ৭৫ কোটি রুপি এবং ৪৫ কোটি নিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করবে তারা।

চেন্নাই সুপার কিংস

একজন বিদেশিসহ পাঁচজন ক্রিকেটারকে রেখে দিয়েছে চেন্নাই। নিলামে আরও ২০ জন ক্রিকেটারকে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে সফল দলটির কাছে। সর্বোচ্চ সাত জন বিদেশি ক্রিকেটারকে নিলাম থেকে নিতে পারবেন চেন্নাই কর্তৃপক্ষ।

রিটেইন করা ক্রিকেটারগুলো হলো, রুতুরাজ গায়কোয়াড় (১৮ কোটি), মাথিশা পাথিরানা (১৩ কোটি), শিবম দুবে (১২ কোটি), রবীন্দ্র জাদেজা (১৮ কোটি) ও মহেন্দ্র সিং ধোনি (৪ কোটি)।

এই পাঁচজনকে ধরে রাখতে চেন্নাই সুপার কিংসের খরচ হয়েছে ৬৫ কোটি রুপি এবং ৫৫ কোটি নিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করবে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নরা।

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

নিলামে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২২ জন ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ রয়েছে বেঙ্গালুরুর। কারণ তিনজন ভারতীয় ক্রিকেটারকে আগামী তিন বছরের জন্য রেখে দিয়েছেন আরসিবি কর্তৃপক্ষ। ফলে সর্বোচ্চ আট জন বিদেশি ক্রিকেটারকেই নিলাম থেকে নেওয়ার সুযোগ থাকছে। পাশাপাশি, আরও ১৪ জন ভারতীয় ক্রিকেটারকে দলে নেওয়ার সুযোগ রয়েছে তাদের।

রিটেইন করা ক্রিকেটারগুলো হলো, বিরাট কোহলি (২১ কোটি), রজত পাতিদার (১১ কোটি) এবং যশ দয়াল (৫ কোটি)।

এই তিনজনকে ধরে রাখতে বেঙ্গালুরুর খরচ হয়েছে ৩৭ কোটি রুপি এবং ৮৩ কোটি নিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করবে কোহলির দল।

গুজরাট টাইটান্স

একজন বিদেশি-সহ পাঁচ জন ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে গুজরাট টাইটান্স। ফলে নিলাম থেকে ২০ জন ক্রিকেটারকে নিতে পারবেন তারা। যেখানে বিদেশি থাকবেন সাতজন।

রিটেইন করা ক্রিকেটারগুলো হলো, রশিদ খান (১৮ কোটি), শুভমান গিল (১৬.৫০ কোটি), সাই সুদর্শন (৮.৫ কোটি), রাহুল তেওয়াতিয়া (৪ কোটি) এবং শাহরুখ খান (৪ কোটি)।

এই পাঁচজনকে ধরে রাখতে গুজরাটের খরচ হয়েছে ৫১ কোটি রুপি এবং ৬৯ কোটি নিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করবে শুভমান গিলের দল।

দিল্লি ক্যাপিটালস

আইপিএলের নিলাম থেকে ২১ জন ক্রিকেটারকে দলে নিতে পারবে দিল্লি। তারা একজন বিদেশি-সহ চারজন ক্রিকেটারকে আগামী তিন বছরের জন্য রেখে দিয়েছে। নিলামে দিল্লি কর্তৃপক্ষ আরও সাতজন বিদেশি ক্রিকেটারকে নেওয়ারও সুযোগ পাবেন। ভারতীয় ক্রিকেটার নিতে পারবেন ১৩ জন।

রিটেইন করা ক্রিকেটারগুলো হলো, অক্ষর প্যাটেল (১৬.৫ কোটি), কুলদীপ যাদব (১৩.২৫ কোটি), ত্রিস্টান স্টাবস (১০ কোটি) ও অভিষেক পোরেল (৪ কোটি)।

এই চারজনকে ধরে রাখতে বেঙ্গালুরুর খরচ হয়েছে ৪৩.৫ কোটি রুপি এবং ৭৬.৫ কোটি নিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করবে রাজধানীর ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

রাজস্থান রয়্যালস

কলকাতার মতো রাজস্থানও ছয়জন ক্রিকেটারকে রেখে দিয়েছে। যার মধ্যে পাঁচ জন ভারতীয় এবং এক জন বিদেশি। রাজস্থান কর্তৃপক্ষ নিলামে আরও ১৯ জন ক্রিকেটারকে কিনতে পারবেন। তবে সাত জনের বেশি বিদেশি ক্রিকেটারকে নিতে পারবেন না তারা।

রিটেইন করা ক্রিকেটারগুলো হলো, সাঞ্জু স্যামসন (১৮ কোটি), যশস্বী জয়সোয়াল (১৮ কোটি), রিয়ান পরাগ (১৪ কোটি), ধ্রুব জুরেল (১৪ কোটি), শিমরন হেটমায়ার (১১ কোটি) ও সন্দীপ শর্মা (৪ কোটি)।

এই ছয়জন কিনতে রাজস্থানের ব্যয় হয়েছে ৭৯ কোটি রুপি এবং ৪১ কোটি রুপি নিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করবে তারা।

লখনৌ সুপার জায়ান্টস

গুজরাট টাইটান্সের মতো লখনৌও একজন বিদেশিসহ পাঁচ জন ক্রিকেটারকে রেখে দিয়েছে। ফলে নিলাম থেকে ২০ জন ক্রিকেটারকে নিতে পারবেন তারা। যেখানে বিদেশি থাকবেন সাতজন।

রিটেইন করা ক্রিকেটারগুলো হলো, নিকোলাস পুরান (২১ কোটি), রবি বিষ্ণুই (১১ কোটি), মায়াঙ্ক যাদব (১১ কোটি), মহসীন খান (৪ কোটি) এবং আয়ুষ বাদোনি (৪ কোটি)।

এই পাঁচজনকে ধরে রাখতে লখনৌয়ের খরচ হয়েছে ৫১ কোটি রুপি এবং ৬৯ কোটি নিয়ে নিলামে অংশগ্রহণ করবে তারা।

পাঞ্জাব কিংস

আইপিএলের ১০টি দলের মধ্যে নিলামে সবচেয়ে বেশি ক্রিকেটার কেনার সুযোগ রয়েছে পঞ্জাব কিংসের। শুধু দু’জন ভারতীয় ক্রিকেটারকে ধরে রেখেছে তারা। নিলাম থেকে আট জন বিদেশিসহ ২৩ জন ক্রিকেটারকে দলে নিতে পারবে প্রীতি জিনতার দল।

রিটেইন করা ক্রিকেটার দুজন হলেন, শশাঙ্ক সিং (৫.৫ কোটি) এবং প্রভসিমরণ সিং (৪ কোটি)।

এই দুই ক্রিকেটারকে দলে নিতে পাঞ্জাবের খরচ হয়েছে ৯.৫ কোটি রুপি। তাই এবারের নিলামে সবচেয়ে বেশি ১১০.৫ কোটি রুপি নিয়ে দল তৈরি করতে বসবে প্রীতি জিনতার দল।

সুতরাং, এবারের আইপিএলের নিলামে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোকে দল গোছাতে কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি হতে হবে তা অনেকটাই নিশ্চিত।

আরটিভি/এসআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বিপিএল ২০২৫ / নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
ঢাকা ক্যাপিটালসকে হারিয়ে বিপিএলের ১১তম আসরে শুভসূচনা করেছে গ্লোবাল সুপার লিগের চ্যাম্পিয়ন দল রংপুর রাইডার্স। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেও। সিলেটকে ৩৪ রানে হারিয়ে টুর্নামেন্টে ব্যাক টু ব্যাক জয় পেয়েছে বসুন্ধরা গ্রুপের দলটি। চার উইকেট তুলে নিয়ে এই জয়ের অন্যতম নায়ক নাহিদ রানা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল রংপুর। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় রংপুর রাইডার্স। চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি সিলেট। ৩ বলে ২ রান করে দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরে ফেরেন জর্জি মানজি। তিনে ব্যাট করতে নেমে ইনিংস বড় করতে পারেননি জাকির হাসানও। ১২ বলে ১৮ রান করে বোল্ড আউট হন এই বাঁহাতি ওপেনার। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি পল স্ট্রালিংও। ৫ বলে ৬ রান করে এই আইরিশ ব্যাটার আউট হলে ৪৩ রানে ৩ উইকেট হারায় সিলেট। তবে জাকের আলীকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরেন ওপেনার রনি তালুকদার। দুজনের ব্যাটে জয়ের স্বপ্ন দেখতে থাকে সিলেট।  কিন্তু ১৫তম ওভারে রনি তালুকদারকে বোল্ড করেন খুশদিল শাহ। এর আগে ৩৬ বলে ৪১ রান করেন রনি। পরের বলে আরিফুল হককে ডাক আউট করে রংপুরকে খেলায় ফেরান খুশদিল শাহ। তবে এক প্রান্ত আগলে রেখে লড়াই করতে থাকেন জাকের আলী। তবে ১৬তম ওভারে দ্বিতীয় বলে ২৪ রান করে এই উইকেটরক্ষক ব্যাটারকে ফিরিয়ে উল্লাস শুরু করে পেসার নাহিদ রান। এরপর তানজিম হাসান সাকিব (৩), নাহিদুজ্জামান (১) এবং শিনওয়ারি ৮ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত রিস টপলি ৫ রানে এবং আল আমিন ৩ রানে অপরাজিত থাকলেও নির্ধারিত ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২১ রান তুলতে পারে সিলেট। এতে ৩৪ রানের জয় পায় সোহান-মাহেদীরা। রংপুর রাইডার্সের হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট শিকার করেন নাহিদরা। এ ছাড়াও খুশদিল শাহ ও সাইফউদ্দিন দুটি করে উইকেট নেন। আর এক উইকেট নেন কামরুল হাসান। এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পেয়েছিল রংপুর। আরটিভি/এসআর/এআর  
নাহিদ রানার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ব্যাক টু ব্যাক জয় রংপুরের
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
জয় দিয়ে বছরটা রাঙিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। বছরের শেষ ম্যাচে কষ্টার্জিত হলেও জয়ে ফিরল বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। বসুন্ধরা কিংস ফেডারেশন কাপ শুরু করেছিল ব্রাদার্স ইউনিয়নের বিপক্ষে জয় দিয়ে। মাঝখানে ফর্টিস এফসির কাছে হেরেছে। আজ কিংস অ্যারেনায় নিজেদের গ্রুপের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ পুলিশ এফসিকে ৩–২ গোলে হারিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। ঘরের মাঠে কিংস অ্যারেনায় জয়ে পেতে মরিয়া বসুন্ধরা ম্যাচের শুরুতেই গোলের দেখা পায়। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে তপু বর্মণের গোলে এগিয়ে গেলেও বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি বসুন্ধরার উল্লাস। ম্যাচের অষ্টম মিনিটেই পুলিশ সমতা ফেরে আল আমিনের গোলে। তবে পাল্টা আক্রমণে ম্যাচের ১১তম মিনিটে ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল ফেরেইরার গোলে আবারও এগিয়ে যায় কিংস। ২৫ মিনিটে গোলরক্ষক রাকিবুল তুষার ও সাগর মিয়ার ভুমিকায় পুলিশ গোল হজম করা থেকে রক্ষা পায়। ৩৪ মিনিটে রাকিবকে আরেকবার হতাশ করেন গোলরক্ষক তুষার। প্রথমার্ধের খেলা ২–১ ব্যবধানে থেকে শেষ করে দুই দল। এরপর দ্বিতীয়ার্ধের ৫২ মিনিটে স্কোরলাইন ৩–১ করেন কিংসের আরেক ব্রাজিলিয়ান জোনাথন ফার্নান্দেজ। ৫৪ মিনিটে পুলিশের আল আমিন নিজের দ্বিতীয় গোলটি করে ব্যবধান ৩–২ করে খেলা জমিয়ে তুলেছিলেন। তবে পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠা ম্যাচে কিংসকে চোখ রাঙালেও শেষ পর্যন্ত দারুণ কিছু করতে পারেনি পুলিশ। এ ম্যাচে পুলিশ হারলেও চলতি মৌসুমে দারুণ ফর্মে থাকা দলটির স্ট্রাইকার আল আমিনের ২টি গোলই নজর কেড়েছে। অষ্টম মিনিটে ঈসা ফয়সালের ক্রস থেকে আল আমিনের প্রথম গোলটি ছিল সুযোগের সন্ধানে থাকার ফল। প্রিমিয়ার লিগে ৬ গোল করে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা আল আমিনের দ্বিতীয় গোলটি ছিল অসাধারণ। সৈয়দ কাজেমের ডিফেন্সচেরা থ্রু ধরে কিংসের গোলকিপার মেহেদী হাসানকে কাটাতে গিয়ে বাঁ পাশে সরে গেলেও বেশ কঠিন অ্যাঙ্গেল থেকে বল জালে পাঠান আল আমিন।  কুমিল্লার ভাষাসৈনিক ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়ামে দিনের অন্য খেলায় জয় কুমারের জোড়া গোলে বড় জয় পেয়েছে ফর্টিস এফসি। ঢাকা ওয়ান্ডারার্সকে তারা হারিয়েছে ৩–০ গোলে।  আরটিভি/এমএম
পুলিশকে হারিয়ে জয়ে ফিরল কিংস
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে রংপুর রাইডার্স। এই ম্যাচে আগে ব্যাট করে সিলেটকে ১৫৬ রানের লক্ষ্য দিয়েছে নুরুল হাসান সোহানের দল। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) টস জিতে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি রংপুর। ৭ বলে ৬ রান করে সাজঘরে ফেরেন ইংলিশ ওপেনার অ্যালেক্স হেলস। ৭ বলে ৪ রান করে তাকে সঙ্গে দেন সাইফ হাসান। এদিন ব্যাট হাতে আলো ছড়াতে পারেননি আরেক ওপেনার স্টিভেন টেইলর। ১৫ বলে ১২ রান করেন তিনি। তবে ইফতেখার আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন খুশদিল শাহ। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। ১৬ বলে ২১ রান করে বাউন্ডারি লাইনে কাটা পড়েন এই পাক অলরাউন্ডার। ষষ্ঠ উইকেপ ইফতেখারকে সঙ্গ দেন নুরুল হাসান সোহান। দুজনের ব্যাটে ভর করে ১৬তম ওভারে ১০০ রানের কোটা পার করে রংপুর। ১৯তম ওভারের প্রথম বলে বাউন্ডারি লাইনে দুর্দান্ত ক্যাচ ধরে সোহানকে সাজঘরে ফেরান আরিফুল ইসলাম। ২৪ বলে ৪১ রান করেন তিনি। এরপর পিচে এসে বলে বলে বাউন্ডারি মারতে থাকেন শেখ মাহেদী। শেষ দিকে মাহেদী ৮ বলে ১৬ রান করে আউট হলেও ইফতেখারের ২৪ বলের অপরাজিত ৪২ রানে ভর করে ১৫৫ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি পায় রংপুর। সিলেট স্ট্রাইকার্সের হয়ে দুই উইকেট শিকার করেন আল আমিন হোসেন ও তানজিম সাকিব। এ ছাড়াও সাইমুল্লাহ শিনওয়ারি ও রিস টপলি এক করে উইকেট নেন। আরটিভি/এসআর/এআর  
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ১১তম আসরে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দেখা গিয়েছে বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে। এই সময় ধারাভাষ্য কক্ষে বেশ কিছু সময় পার করেন তিনি।   মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনা টাইগার্স এবং চট্টগ্রাম কিংসের মধ্যকার ম্যাচের কিছু সময় ধারাভাষ্য দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি ফারুক আহমেদ। এদিন ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ধারাভাষ্য কক্ষে প্রবেশ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ফারুক। এরপর কিছুক্ষণ বাংলায় ধারাভাষ্য দেন তিনি। এসময় খুলনার ছুঁড়ে দেওয়া ২০৪ রানের টার্গেট তাড়া করছিল চট্টগ্রাম। ধারাভাষ্য কক্ষ থেকে বের হয়ে প্রেস বক্সে সাংবাদিকদের সাথে দেখা করেন ফারুক। সেখানে ধারাভাষ্য করার অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ফারুককে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘আমাকে বল-টু-বল ধারাভাষ্য করতে হয়নি। আমি একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছি।’ আরটিভি/এমএম
বিপিএলে ধারাভাষ্য দিলেন বিসিবি সভাপতি
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
বিপিএলের তৃতীয় ম্যাচে চিটাগংকে ৩৭ রানে হারিয়েছে খুলনা টাইগার্স। এই ম্যাচের দ্বিতীয় প্রথম ইনিংসে বোলিংয়ে এসে ১ বলে ১৫ রান খরচ করে রেকর্ড গড়েছেন ওশানে থমাস। তবে তার একটি নো বলের সিদ্ধান্ত নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন খুলনার কোচ তালহা জুবায়ের। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) খুলনার দেওয়া ২০৪ রানের জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের প্রথম বলেই আউট হন নাইম শেখ। তবে নো বল হওয়ায় সে যাত্রায় বেঁচে গিয়েছেন। আর নো বলের ভিডিওটা টিভিতে না দেখানোই সন্দেহ প্রকাশ করেছেন তালহা। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে খুলনার কোচ বলেন, প্রথম বলে দেখলাম উইকেট পড়েছে গেছে; তারপর দেখি যে নো বল। আমার ওই নো বল নিয়ে একটি সন্দেহ আছে। কারণ, আমি এটি রিপ্লেতে দেখতে পারিনি। এটা দেখানো উচিত ছিল। আমি এটি দেখতে চাইব। এক বলে ১৫ রান দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, এরকম আগে দেখিনি নো বল ওয়াইড আবার নো বল, ফ্রি হিট। আর হয়তো থমাসও শুরুটা ভালো করতে পারেনি। আর এমনিতেই ওর নো বল দেওয়ার প্রবনতা রয়েছে। জাতীয় দলের হয়েও প্রায় নো বল করতে দেখা যায়। নো বল দেওয়ার জন্য থমাসের ফিটনেসকে দায়ী করেছেন তালহা। তার ভাষ্য, আসলে ওর যে ফিটনেস সেটা পেস বোলার হিসেবে ঠিক নেই। আর নিজের ফিটনেস এবং রানিং নিয়ে হয়তো এর আগে কোনো কাজ করেনি। তাই নো বল দেওয়ার প্রবনতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি। তবে ১ বলে ১৫ রান এটা নতুন। নাইম ইসলামের বিপক্ষে ওশান থমাস ইনিংসের প্রথম বলেই ক্যাচ লুফে নেন তিনি। আম্পায়ারের কলে সেটা ছিল নো বল। ফ্রি-হিটের পরের বলে ছিল ডট। সেটা ছিল লিগ্যাল ডেলিভারি। এরপরেই আসে ওশান থমাসের লিগ্যাল ডেলিভারির জন্য লম্বা সংগ্রাম। নো বলে ৬ রান হজম করেছেন। এরপর দুই ওয়াইড বল। পরের নো বলে হজম করেছেন ৪ রান। ততক্ষণে চলে এসেছে ১৪ রান। স্কোরবোর্ডে ১ বলের পাশে ১৫ রান। শেষ পর্যন্ত বৈধ বল ওশান থমাস করেছেন। সেটায় ছিল ডট। তারপর ফের একটা নো-বল। সেই বলেও ক্যাচ হয়েছিলেন নাইম। দ্বিতীয়বার জীবন পান ওই এক ওভারেই। ফ্রি-হিটের পর অবশ্য নিজেকে আর বাঁচাতে পারেননি অভিজ্ঞ এই ব্যাটার। বোসিস্টোর হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরতে হয় তাকে। এর আগে এক বলে ১৩ রান নিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েছিলেন ভারতের ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল। চলতি বছর জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে এমন কীর্তি গড়েছিলেন ভারতের এই ওপেনার। অবশ্য সেবার ৭ রান তিনি পেয়েছিলেন নো-বল থেকে আর ১টা ছিল ছক্কার মার। এর আগে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (সিপিএল) এর ম্যাচে ১ বলে ১৪ রান তুলেছিলেন ওশান থমাস। আরটিভি/ এসআর  
থমাসের নো বল নিয়ে সন্দেহ, আবারও দেখতে চান কোচ তালহা
আরও পড়ুন
সোহান ও ইফতেখারের ব্যাটে ভর করে সিলেটকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
টস জিতে খুলনাকে ব্যাটিংয়ে পাঠাল চিটাগং
ঢাকাকে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দিলো রংপুর
বরিশালের কাছে হেরে যে আক্ষেপে পুড়ছেন বিজয়