ঢাকা বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩

আজ কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের ৭২তম জন্মদিন (ভিডিও)

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৩ নভেম্বর ২০২০, ১০:১২ এএম
আপডেট : ১৩ নভেম্বর ২০২০, ০৩:২৯ পিএম
কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ

সময়ের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ এর আজ শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) ৭২তম জন্মদিন। ১৯৪৮ সালের এই দিনে নেত্রকোনায় জন্মগ্রহণ করেন হুমায়ূন আহমেদ। ঔপন্যাসিক, ছোটগল্পকার, গীতিকার, নাট্যকার, চলচ্চিত্র পরিচালক হিসেবে প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন জনপ্রিয়তার শীর্ষে।

হুমায়ূন আহমেদ এর দুই প্রথম উপন্যাস ‘নন্দিত নরকে’ও ‘শঙ্খনীল কারাগার’। এরপর আর থেমে থাকেননি তিনি। বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন ‘জোছনা ও জননীর গল্প’, ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘এইসব দিনরাত্রি’, ‘কবি’, ‘বাদশা নামদার’সহ অসংখ্য উপন্যাসে। তার সর্বশেষ ‘দেয়াল’উপন্যাসটিও পেয়েছে আকাশচুম্বী পাঠকপ্রিয়তা। আর তার সৃষ্টি ‘হিমু’, ‘মিসির আলী’, ‘শুভ্র’চরিত্রগুলো তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে সববয়সী পাঠকের কাছে অনুকরণীয় হয়েছে।
লেখালেখির সঙ্গে সঙ্গে হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত চলচ্চিত্রগুলোও সবার কাছে বিশেষ সমাদৃত হয়। ‘আগুনের পরশমণি’, ‘শ্রাবণ মেঘের দিন’, ‘দুই দুয়ারী’, ‘শ্যামল ছায়া’, ও ‘ঘেটুপুত্র কমলা’চলচ্চিত্রগুলোর জন্য তিনি পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। এছাড়া তার নির্মিত বাংলা নাটকের অমর সৃষ্টি ‘কোথাও কেউ নেই’, ‘এইসব দিনরাত্রি’, ‘অয়োময়’ও ‘বহুব্রীহি’ ইত্যাদি।

হুমায়ূন আহমেদ তার দীর্ঘ চার দশকের সাহিত্যজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন একুশে পদক, বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, হুমায়ুন কাদির স্মৃতি পুরস্কার, লেখকশিবির পুরস্কার, মাইকেল মধুসূদন দত্ত পুরস্কার, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ও বাচসাস পুরস্কার।

যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২০১২ সালের ১৯ জুলাই পৃথিবীর মারা ত্যাগ করে চলে যান তিনি। বেঁচে থাকতে হুমায়ূন আহমেদের জন্মদিন ঘিরে নানা আয়োজনে মুখরিত থাকতো দখিন হাওয়া ও নূহাশপল্লী। যদিও এখনও তার পরিবার ও ভক্তরা দিনটি স্মরণ করে নানা কর্মসূচি পালন করে থাকে।
পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
আজ কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাসের জন্মদিন
আজ (২৭ ডিসেম্বর) রোববার কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাসের জন্মদিন। গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া উপজেলার জহরেরকান্দি গ্রামে তিনি এইদিনে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা বঙ্কিম চন্দ্র বিশ্বাস ও মা মালতী দেবী। শিক্ষক বাবা-মায়ের আপত্য স্নেহে কাটে তার বর্ণিল শৈশব ও কৈশোরকাল।  নটর ডেম কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ইংরেজি সাহিত্যে সম্মানসহ মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনায় পুনরায় মাস্টার্স করেন লন্ডনে। কলেজজীবন থেকেই তার লেখালিখির শুরু। তিনি অসম্ভব প্রাণোচ্ছল ও সংবেদি একজন মানুষ। অধুনালুপ্ত বাংলাদেশ অবজারভার পত্রিকায় একসময় নিয়মিত কলাম লিখতেন। বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক ও সাময়িকীতে শিশু-কিশোরদের জন্য লিখছেন ছড়া, গল্প, অ্যাডভেঞ্চার উপন্যাস, ভুতুড়ে ও গোয়েন্দা কাহিনী। পেশাগত কাজের ফাঁকে (অতিরিক্ত কমিশনার, বাংলাদেশ কাস্টমস) তিনি সমসাময়িক বিষয় নিয়ে রম্য ধাঁচে নিয়মিত কলাম লিখছেন।  রম্যরচনা ও কিশোর অ্যাডভেঞ্চার বিষয়ে তার লেখাজোখা প্রচুর। তবে তিনি গোয়েন্দাগল্পের বিশেষ ভক্ত। এপার বাংলায় ফেলুদার মতো একটি চৌকস বুদ্ধিদীপ্ত গোয়েন্দা চরিত্র গড়ে তুলতে তিনি বদ্ধপরিকর। ‘অলোকেশ রয়’ তার সৃজিত প্রাইভেট ডিটেকটিভ; যাকে নিয়ে লেখা উপন্যাস জলপিপি, কফিমেকার, আলিম বেগের খুলি, অথৈ আঁধার, অনল মিত্রের অপমৃত্যু বিশেষ পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে। তার প্রচেষ্টায় ‘দ্য ডিটেকটিভস’ নামে একটি গোয়েন্দাগল্প লিখিয়ে প্লাটফর্ম ইতোমধ্যে আত্মপ্রকাশ করেছে। লেখকের এ পর্যন্ত লেখা গ্রন্থের সংখ্যা শতাধিক। স্ত্রী ডা. তপতী মণ্ডল। দুই ছেলে অনিকেত ও অগ্নিশ। তারাও লেখে। পুরো লেখক পরিবার।  তিনি নটর ডেম কলেজ থেকে মেধার স্বীকৃতিসূচক ‘অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সেলেন্স-১৯৯৫’, ইউনিভার্সিটি অফ লন্ডন থেকে ‘সার্টিফিকেট অফ ডিসটিঙশন’ এবং ‘স্পাই’ উপন্যাসের জন্য চ্যানেল আই প্রবর্তিত এসিআই-আনন্দ আলো সাহিত্য পুরস্কার ২০১৮ লাভ করেন। পি   
আজ কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাসের জন্মদিন
বাংলা একাডেমির চার পুরস্কার পাচ্ছেন যারা
বাংলা একাডেমি পরিচালিত সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধসাহিত্য পুরস্কার, কবীর চৌধুরী শিশুসাহিত্য পুরস্কার এবং সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত রবীন্দ্র পুরস্কারপ্রাপ্ত গুণিজনের নামও ঘোষণা করা হয়েছে। এবছর বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন শিল্পী সাধন ঘোষ। অপরদিকে ২০২০ সালের প্রবন্ধসাহিত্য সাহিত্যিক মোহম্মদ বরকতুল্লাহ পুরস্কার পেয়েছেন রফিক কায়সার, কবীর চৌধুরী শিশুসাহিত্য পুরস্কার শাহরিয়ার কবির এবং সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন জুলফিকার মতিন। আগামী শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) বাংলা একাডেমির সাধারণ পরিষদের ৪৩তম বার্ষিক সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হবে। আজ সোমবার (২১ ডিসেম্বর) বাংলা একাডেমির জনসংযোগ, তথ্যপ্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক অপরেশ কুমার ব্যানার্জী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। পি  
বাংলা একাডেমির চার পুরস্কার পাচ্ছেন যারা
আনিসুল হকের কবিতা নিয়ে মঞ্চে এলো ‘৩২ নম্বর মেঘহল’ 
মঞ্চে উঠলো গীতিনাট্য ৩২ নম্বর মেঘমহল। বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় নরসিংদী জেলা শিল্পকলা একাডেমির মূল হলে এই নাটকের উদ্বোধনী মঞ্চায়ন শুরু হয়। বাঁধনহারা থিয়েটারের প্রযোজনায় সতেরো মিনিটব্যাপী এই গীতিনাট্যে অভিনয় করেছেন প্রায় ৪০জন অভিনয়শিল্পী। সামাজিক দূরত্ব মেনে এই নাটক মঞ্চায়নকালে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক সৈয়দা ফারহানা কাউনাইন। এছাড়া অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জেলা কালচারাল অফিসার শাহেলা খাতুন, নরসিংদী সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলী, জেলা শিল্পকলা একাডেমির নাট্য প্রশিক্ষক জহিরুল ইসলাম মৃধাসহ সুধীসমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের কর্মীবৃন্দ।  আনিসুল হকের কবিতা ‘৩২ নম্বর মেঘের ওপারে’ অবলম্বনে এটির নাট্যরূপ ও নির্দেশনা দিয়েছেন কামরুজ্জামান তাপু। এ বিষয়ে নির্দেশক বলেন, এটি মূলত গীতিনাট্য। স্বাধীনতা পূর্ব অবস্থা, যুদ্ধচলাকালীন অবস্থা ও স্বাধীনোত্তর বাংলাদেশের অবস্থা ও পঁচাত্তরের নির্মম হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত বিভিন্ন পরিস্থিতি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি এই নাটকে। পি  
আনিসুল হকের কবিতা নিয়ে মঞ্চে এলো ‘৩২ নম্বর মেঘহল’ 
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বঙ্গবন্ধুর বালু ভাস্কর্য
জাতির পিতার ভাস্কর্য ভাঙার অভিনব প্রতিবাদ জানানো হয়েছে কক্সবাজারে। ‘জাতির পিতার সম্মান রাখবো মোরা অম্লান’এই প্রতিপাদ্য নিয়ে বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারের লাবণী পয়েন্টে নির্মাণ করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর ‘বালু ভাস্কর্য’। আজ বুধবার বিজয় দিবসের দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে এ ব্যতিক্রমী আয়োজন সবার নজর কেড়েছে। কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পরিকল্পনায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্যটির নির্মাণে সার্বিক সহযোগিতা করেছে ‘ব্র্যান্ডি কক্সবাজার’নামে একটি প্রতিষ্ঠান। ব্র্যান্ডি কক্সবাজারের সমন্বয়ক ইশতিয়াক আহমেদ জয় ও ভাস্কর্য নির্মাতা টিমলিডার কামরুল ইসলাম শিপনের নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০ জনের একটি টিম এই অপরূপ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন। সপ্তাহব্যাপী কঠোর পরিশ্রম করে প্রায় ৬ ফুট উচ্চতা ও ১৪ ফুট প্রশস্ত এ ভাস্কর্যটি নির্মাণ করেন তারা। নির্মাতাদের দাবি এযাবতকালে বাংলাদেশে নির্মিত সবচেয়ে বড় বালুর ভাস্কর্য এটি। ভাস্কর্য নির্মাতা গ্রুপের টিমলিডার কামরুল হাসান (শিপন) বলেন, পৃথিবীর বৃহত্তম সমুদ্রসৈকত যেমন কক্সবাজার তেমনি বাংলাদেশের মানুষের কাছে বৃহত্তম নেতা বঙ্গবন্ধু। তাই বৃহত্তর জায়গায় বৃহত্তম মানুষটিকে সারা পৃথিবীর মানুষকে দেখানোর জন্য আমাদের বিজয়ের দিনে বালু ভাস্কর্য নির্মাণ। এ যাবতকালে বাংলাদেশে যতো বালু ভাস্কর্য নির্মাণ হয়েছে, তার মধ্যে এটি সবচেয়ে বড় ভাস্কর্য। এটি নির্মাণে সময় লেগেছে প্রায় একসপ্তাহ। কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কামাল হোসেন বলেন, কক্সবাজার পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্রসৈকত। এই সৈকতে বঙ্গবন্ধুর বালুর ভাস্কর্য নির্মাণ করে বঙ্গবন্ধুর চেতনা সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে চাই। বর্তমান সময়ে এটি সবচেয়ে বড় প্রতিবাদ। বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য থাকবে। একই ধরনের ভাস্কর্য আরও হবে। এবারে দীর্ঘতম সৈকতে দুটি ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়। তার মধ্যে একটি বঙ্গবন্ধুর ফ্রি স্ট্যান্ডিং ভাস্কর্য। অপরটি রিলিফ ভাস্কর্য। সৈকতে ভ্রমণে আসা দর্শনার্থীরা এই ভাস্কর্য দেখে আনন্দিত হচ্ছে। স্থাপিত ভাস্কর্য দুটি আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। এরপর প্রশাসনিকভাবে তা বিনষ্ট করে ফেলা হবে।  পি  
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বঙ্গবন্ধুর বালু ভাস্কর্য
ভার্চুয়াল নয় আগের মতোই হচ্ছে বইমেলা: ফরিদ আহমেদ
ভার্চুয়ালি নয় শারীরিক উপস্থিতিতেই এবারের অমর একুশে বইমেলা ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে৷ রোববার (১৩ ডিসেম্বর) বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজীর সঙ্গে বৈঠক শেষে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ। এর আগে করোনাভাইরাসের কারণে আগামী বছরের অমর একুশে গ্রন্থমেলা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল আয়োজক প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি। তবে প্রতিষ্ঠানটির একক ওই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হতে পারেননি লেখক ও প্রকাশকরা। তারা অনেকেই এই সিদ্ধান্তে নাখোশ হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানান আবার অনেকে গণমাধ্যমেও প্রতিক্রিয়া দেন। এমনকি স্টল বসিয়ে বইমেলা স্থগিতের বিপক্ষে গতকাল শনিবার (১২ ডিসেম্বর) বিবৃতি দেয় বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রয় সমিতি এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি। পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রয় সমিতির সভাপতি আরিফ হোসেন এবং জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি ফরিদ আহমেদ এর যৌথ বিবৃতি বলা হয়, বাংলা একাডেমি কর্তৃপক্ষ একতরফা মিটিংয়ে আসন্ন অমর একুশে বইমেলা ২০২১ স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বইমেলার সার্বিক দায়িত্বপ্রাপ্ত ‘অমর একুশে বইমেলা পরিচালনা পর্ষদ’বিষয়টি ওয়াকিবহাল নয়। এছাড়া বইমেলার অংশীজন প্রকাশকদের প্রতিনিধিত্বকারী দুই সংগঠন বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি এবং বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি কারও সঙ্গেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কিংবা অনানুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা করা হয়নি। এ বিষয়ে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি হাবীবুল্লাহ সিরাজী আরটিভি নিউজকে বলেছিলেন, করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধির আশঙ্কায় এবার বাঙালির প্রাণের উৎসব ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২১’স্টল বসিয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। তবে ভার্চুয়ালি মেলার আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলা একাডেমি।  তিনি আরও বলেন, আগামী বছরে অমর একুশে গ্রন্থমেলা ভার্চুয়ালি কীভাবে আয়োজন হবে এবং বইমেলার জন্য স্টল বসিয়ে কোন মাসে আয়োজন করা সম্ভব হবে সেসব বিষয়ে আলোচনা চলছে। মেলা বাতিল হয়নি। শুধু বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত তারিখে মেলা শুরু হবে না। জানা গেছে, অমর একুশে গ্রন্থমেলার স্টল বরাদ্দের শেষ সময় ছিল ৭ ডিসেম্বর। এই সময়ের মধ্যে মাত্র ৮৬ জন স্টল ও প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেছে। কিন্তু প্রকাশনার সঙ্গে জড়িত দুই সমিতি ‘বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি’ও ‘বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতি’র কেউই স্টল বা প্যাভিলিয়ন বরাদ্দ চেয়ে আবেদন করেননি। পি  
ভার্চুয়াল নয় আগের মতোই হচ্ছে বইমেলা: ফরিদ আহমেদ
আরও পড়ুন
আজ কথাসাহিত্যিক অরুণ কুমার বিশ্বাসের জন্মদিন
সাংবাদিক ও কথাসাহিত্যিক রাহাত খান আর নেই
হুমায়ূন আহমেদের ‘দখিন হাওয়া’ বাড়িতে আগুন