ঢাকা বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে বঙ্গবন্ধু পরিষদের বিবৃতি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩, ১১:২৮ পিএম
ফাইল ছবি

বাংলাদেশের ৫২তম মহান বিজয় দিবসে বঙ্গবন্ধু পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এবং সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক শনিবার (১৬ ডিসেম্বর) এক যুক্ত-বিবৃতিতে পরিষদের সকল স্তরের সদস্য, শুভানুধ্যায়ী ও দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

এই শুভেচ্ছা বার্তায় তারা বলেন- বিশ্বের যেসব দেশে জনগণের বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে, তাদের প্রায় প্রতিটি দেশেই প্রতিবিপ্লবও ঘটেছে বা প্রতিবিপ্লবের চেষ্টা হয়েছে। সেই প্রতিবিপ্লবগুলোর কোনোটা সফল হয়েছে, আবার কোনোটা শুরুতেই কিংবা কিছুদিন পর ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের দুর্ভাগ্য যে আমরা ১৯৭১-এর বিপ্লবের পর মাত্র ৪ বছরের মাথায় প্রতিবিপ্লব নামের মহাবিপর্যয়কে প্রত্যক্ষ করেছি। দীর্ঘ ২০০ বছরের ঔপনিবেশিক শাসন আর পরবর্তী ২৪ বছরের প্রায়-ঔপনিবেশিক শাসনকালে বাঙ্গালি সুদীর্ঘ সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছে। পৃথিবীর আর কোনো দেশ তার স্বাধীনতার জন্য এত কষ্ট, এত ত্যাগ স্বীকার ও এত সংখ্যক জীবনদান করেনি। সেই যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশটিকে যখন বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে গড়ে তোলার কাজটি শুরু হয়, সেই সময় সপরিবারে তাকে হত্যা করেই জঘণ্য প্রতিবিপ্লবের হোতারা ক্ষান্ত হলো না। তারা দেশটিকে পুনরায় পাকিস্তানি ধারায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটি জোরদার করে।

দীর্ঘ ২১টি বছর এই প্রক্রিয়ার পর বঙ্গবন্ধু-কন্যার নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর পুনরায় মুক্তিযুদ্ধের ধারায় দেশ পরিচালনার চেষ্টা হয়। কিন্তু কুচক্রীরা আবারও প্রতিবিপ্লব ঘটিয়ে আরো ৭ বছর দেশে ষড়যন্ত্র করার সুযোগ পায়। এই দীর্ঘ মোট ২৮ বছরে প্রতিবিপ্লবীরা তাদের অবস্থান শক্ত করার চেষ্টা করেছে নানাভাবে। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ করা গণমানুষ তাতে সমর্থন না দেয়াতে এখন তারা তাদের কৃত সেই ১৯৭১-এর ধারায় বারবার আগুন সন্ত্রাস, সম্পদ ও মানুষ ধ্বংসের পর এখন যে নতুন বর্বরতা যোগ করেছে, তাহলো রেল লাইন নষ্ট করে ব্যাপক সংখ্যক মানুষ হত্যা করা।

প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত কুশলী হতে দেশে উন্নয়নের ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন এবং এর মাত্র কিছু অংশ দৃশ্যমান হয়েছে। বাকি অংশগুলোও আগামীতে ইনশাল্লাহ তার মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা যায়। কিন্তু এর বিরুদ্ধে প্রতিবিপ্লবীরা মানুষকে জিম্মী করে পুনরায় তাদের অব্যাহত ষড়যন্ত্র আরো জোরদার করছে। বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে লুপ্ত করে একে একটি সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গীরাষ্ট্রে রূপান্তরিত করার অপ-পরিকল্পনাকারী দীর্ঘদিনের এই প্রতিবিপ্লবীদের সাথে সম্প্রতি যোগ হয়েছে বিদেশি ষড়যন্ত্রকারীরাও। অথচ তারা খেয়াল করছে না যে বাংলাদেশ জঙ্গীরাষ্ট্র হলে তারাও নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

তাই এবারের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনটি হতে যাচ্ছে জাতির জন্য একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। কিছু ষড়যন্ত্রকারীর প্রতিবিপ্লবী কথাবার্তা, ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ড ও মানুষ হত্যার মতো জঘণ্য আচরণে বাংলাদেশের মানুষ বিভ্রান্ত না হয়ে নির্বাচনের দিনে এই আগুন-সন্ত্রাসী ও রেল লাইন তুলে ফেলা খুনি প্রতিবিপ্লবীদের বিরুদ্ধে সারা দেশে শক্ত অবস্থান গ্রহণ ও নির্বাচনকে সফল করার জন্য আমরা দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
বনশ্রীতে সমমনা পরিষদের কম্বল বিতরণ
রাজধানীর বনশ্রী এলাকায় সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে সমমনা পরিষদের পক্ষ থেকে বনশ্রী সোসাইটি এলাকার সকল মসজিদের মুয়াজ্জিন এবং খাদেমদেরকে শীতের কম্বল উপহার দেওয়া হয়। বনশ্রীতে জনস্বার্থে নিয়োজিত সংগঠন ‘সমমনা পরিষদ’। স্বেচ্ছাসেবী এ সংগঠন বনশ্রী সোসাইটির উন্নয়নে এবং এখানকার জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে দীর্ঘ সময় ধরে নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। করোনা মহামারী জনিত লকডাউনের সময় নানা সহায়তামূলক কার্যক্রম পরিচালনার মধ্য দিয়ে ‘মানবিক সংগঠন’ হিসেবে ‘সমমনা পরিষদ’ নজর কাড়ে। সংগঠনটি বনশ্রী রামপুরা এলাকার পাশাপাশি বিভিন্ন প্রাকৃতিক দূর্যোগে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে অসহায় মানুষের পাশে ছুটে যায়। পাশাপাশি ধর্মীয় ও জনস্বার্থমূলক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহায়তায় এগিয়ে যায়। কম্বল বিতরণ কালে সমমনা পরিষদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) ইংরেজী বর্ষবরণ উপলক্ষে বনশ্রী সোসাইটির সকল শ্রেণীর স্টাফদের মাঝে শীতের কম্বল বিতরণ করা হবে বলে সমমনা পরিষদের কর্মকর্তারা জানান।
বনশ্রীতে সমমনা পরিষদের কম্বল বিতরণ
ইসলামী আন্দোলনের কর্মসূচি / বায়তুল মোকাররমে র‌্যাব ও পুলিশ মোতায়েন
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটসহ আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক র‌্যাব ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকে ওই এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন বাতিল, বর্তমান সংসদ ভেঙে দেওয়া এবং নতুন শিক্ষা কারিকুলাম পরিবর্তনের দাবিতে আজ (রোববার) রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি পেশ করবে দলটি। এ জন্য সকাল থেকেই বায়তুল মোকাররম এলাকায় ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা জড়ো হতে থাকেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মতিঝিল জোনের অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার গোলাম রুহানি বলেন, সহিংসতার কোনো আশঙ্কা নেই, তারপরেও নির্বাচন সামনে রেখে নিরাপত্তায় জোরদার করা হয়েছে। দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা আসলে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।  উল্লেখ্য, গত ১৫ নভেম্বর সন্ধ্যায় দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত নির্বাচনী প্রচারণা চলবে। ভোটগ্রহণ ২০২৪ সালের সাত জানুয়ারি।
বায়তুল মোকাররমে র‌্যাব ও পুলিশ মোতায়েন
বনশ্রীতে গৃহকর্মীর মৃত্যুর জেরে গাড়িতে আগুন-ভাঙচুর
রাজধানীর বনশ্রীতে আসমা বেগম (৪৫) নামে এক গৃহকর্মীকে হত্যার অভিযোগে চারটি গাড়িতে আগুন ও ভাঙচুর করেছে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সকালে রামপুরা বনশ্রী ‘ডি’ ব্লকের ৩২ নম্বর বাড়িতে এ ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানান, ওই বাসার একটি কাজের মেয়ের মৃত্যুর সংবাদে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। এ সময় এলাকাবাসী ও আশপাশে গৃহকর্মীরা বিক্ষোভ এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন। পরে ওই বাড়ির নিচে থাকা চারটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন তারা। এই ঘটনায় তিন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। ওই বাড়ির গৃহকর্তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। এদিকে বাড়ির মালিক দেলোয়ার হোসেন জানান, নিহত আসমা বেগম তার মেয়ের বাসার গৃহকর্মী। ভোরে সবাই যখন ঘুমিয়ে ছিলেন, তখন আসমা ছাদে গিয়ে সেখানে থেকে পড়ে যেতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, সকালে ওই ভবনটির মূল ফটকের সামনে গৃহকর্মীর লাশ পড়ে থাকে। এ সময় তার নাক দিয়ে রক্ত পড়ছিল। লাশটি দেখে মনে হয়েছে কেউ যেন শুয়ে আছে। ছাদ থেকে পড়েছে বলে তার মনে হয়নি। ঢাকা মহানগর পুলিশের মিতিঝিল বিভগের উপ কমিশনার হায়তুল ইসলাম খান বলেন, ওই গৃহকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে– এমন কথা ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। বিক্ষোভকারীরা বাড়ির নিচতলায় ভাঙচুর এবং গাড়িতে আগুন দেয়। তিনি আরও বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে আছি, পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছি। বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
বনশ্রীতে গৃহকর্মীর মৃত্যুর জেরে গাড়িতে আগুন-ভাঙচুর
ঢাকার বাতাস আজও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’, দূষণের তালিকায় তৃতীয়
বিশ্বে দূষিত শহরের তালিকায় সম্প্রতি প্রায় প্রতিদিনই শীর্ষ তিনের মধ্যে থাকছে ঢাকার নাম। আজও বায়ুদূষণের তালিকায় ঢাকার অবস্থান তৃতীয়। রোববার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় বায়ুমানের সূচক (একিউআই) অনুযায়ী ঢাকায় বাতাসের মান ছিল ২৪৪ স্কোর। বায়ুর মান বিচারে এ মাত্রাকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ ছাড়া স্কোর ২৫৩ নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে চীনের সাংহাই। ২৫২ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। ২০৩ স্কোর নিয়ে চতুর্থ স্থানে রয়েছে পাকিস্তানের করাচি এবং একই স্কোর নিয়ে পঞ্চম স্থানে রয়েছে চীনের ছেংতু। তথ্যমতে, একিউআই স্কোর ১০১ থেকে ২০০ এর মধ্যে থাকলে ‘অস্বাস্থ্যকর’, ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকলে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ এবং স্কোর ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকলে ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়। ঢাকায় বায়ুদূষণের জন্য ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলোকে দায়ী করে আসছেন বিশেষজ্ঞরা। ভয়াবহ এই দূষণের ফলে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হচ্ছে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। বিশেষ করে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর। নগর পরিকল্পনাবিদ অধ্যাপক ড. আদিল মুহাম্মদ খান বলেন, ঢাকার বায়ু দূষণ ধারাবাহিকভাবেই উদ্বেগজনক। বায়ুদূষণের অনেক উৎসের মধ্যে ইদানিং নির্মাণযজ্ঞও উঠে এসেছে। ভবন বা অবকাঠামো নির্মাণে আদর্শ মান মানা হয় না। সরকারি ও বেসরকারি সব উন্নয়নকাজ উন্মুক্তভাবেই করা হচ্ছে।
ঢাকার বাতাস আজও ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’, দূষণের তালিকায় তৃতীয়
থার্টি ফার্স্ট নাইট : রাজধানীর যেসব সড়ক বন্ধ থাকবে
ইংরেজি নববর্ষ থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপনে মানুষের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ৩১ ডিসেম্বর রাজধানীর বেশ কয়েকটি সড়কে যান চলাচলে ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।  এছাড়া প্রকাশ্য কোনো ধরনের সভা-জমায়েত বা উৎসব করা যাবে না বলেও জানিয়েছে ডিএমপি। ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. ফারুক হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।  আরও পড়ুন : সংসদ সদস্যকে হুমকি দেওয়ায় আ.লীগ নেত্রীকে শোকজ নগরবাসীকে নিম্নোক্ত ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলার জন্য অনুরোধ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।   ১. ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে পরদিন ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় যানবাহনযোগে প্রবেশের জন্য কামাল আতাতুর্ক অ্যাভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে। ২. রাত ৮টা থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে মহাখালী এলাকা-ফিনিক্স রোড ক্রসিং, বনানী ১১ নম্বর রোড ক্রসিং, চেয়ারম্যান বাড়ি ক্রসিং, ঢাকা গেট, শুটিং ক্লাব, বাড্ডা লিংক রোড, ডিওএইচএস বারিধারা-ইউনাইটেড হাসপাতাল ক্রসিং ও নতুন বাজার ক্রসিং এলাকাগুলোতে প্রবেশের জন্য ব্যবহার করা যাবে না, তবে ওই এলাকা থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে এসব ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে। আরও পড়ুন : কেউ ভোট কেন্দ্রে যাবেন না, এটি জনগণের নির্বাচন নয় : রিজভী  ৩. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ব্যতিত অন্য যেকোন ব্যক্তি বা যানবাহন কেবলমাত্র পুরনো হাইকোর্ট-দোয়েল চত্বর-শহীদ মিনার-জগন্নাথ হলের দক্ষিণ গেট-পলাশী মোড় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। ওই এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্যান্য সব ক্রসিং বন্ধ থাকবে। ৪. ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে শাহবাগ, নীলক্ষেত ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, বক্শীবাজার ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং চাঁনখারপুল/শহিদুল্লাহ হল ক্রসিং দিয়ে কোনো প্রকার যানবাহন প্রবেশ করবে না। ৫. সড়ক ব্যবহার সংক্রান্তে যে কোন জরুরি প্রয়োজনে ফোন করুন : ডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬০, এডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬১, এসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৭২, এসি ট্রাফিক (মহাখালী) ০১৩২০-০৪৪৩৭৫, এসি ট্রাফিক (বাড্ডা) ০১৩২০-০৪৪৩৭৮, ডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬০, এডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬১, ডিসি (গুলশান) ০১৩২০-০৪১৪২০ ও ডিসি (রমনা) ০১৩২০-০৩৯৪৪০।
থার্টি ফার্স্ট নাইট : রাজধানীর যেসব সড়ক বন্ধ থাকবে
আরও পড়ুন
শেখ হাসিনার প্রতি আস্থা রেখেই আজকের উন্নত বাংলাদেশ
২০২৪ সালে রেকর্ডসংখ্যক টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ
নতুন বছরে ব্যাংক ঋণের সুদহার নির্ধারণ করল বাংলাদেশ ব্যাংক
থার্টিফার্স্ট নাইটে নিরাপত্তায় বিজিবির ডগ স্কোয়াড