ঢাকা শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

কোটা আন্দোলনে নাশকতার নির্দেশনা আসে জামায়াতের ‘অবসর’ ভবন থেকে: সিটিটিসি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৮ জুলাই ২০২৪, ০৩:৩২ এএম
আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২৪, ০৮:৫৬ এএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর ধানমন্ডিতে ৫/এ সড়কে দীর্ঘদিন জামায়াতে ইসলামীর অফিস হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসা ‘অবসর’ নামে একটি ভবনে অভিযান চালিয়েছে পুলিশের বিশেষ ইউনিট কাউন্টার টেররিজম ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি)। অভিযানে কাউকে গ্রেপ্তার করা না গেলেও সেখান থেকে ১১টি হাতবোমা, চাপাতিসহ বিভিন্ন দেশি অস্ত্র ও জিহাদি বই উদ্ধার করেছে সংস্থাটি।

সিটিটিসির দাবি, সম্প্রতি কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে ঘটে যাওয়া নাশকতা, সহিংসতা ও অগ্নিসংযোগের কেন্দ্রীয় নির্দেশনা ছিল এই অফিস থেকে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর কেন্দ্রীয় অফিস হিসেবে ব্যবহার করা হয় এটিকে। আর এখান থেকেই তহবিল সংগ্রহ ও সরবারহ করা হতো।

শনিবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যার পর ‘অবসর’ ভবনে অভিযান চালায় (সিটিটিসি)। অভিযান শেষে রাতে ভবনের ভেতরেই সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার সিটিটিসির প্রধান আসাদুজ্জামান।

তিনি জানান, ছয়তলা ‘অবসর’ ভবনের চার তলার অর্ধেকজুড়ে জসিম উদ্দীন নামে এক আইনজীবী ভাড়া নিয়ে চেম্বার করতেন। তিনি জামায়াতে ইসলামীর একজন নেতা। এখান থেকেই গোপনে জামায়াতে ইসলামীর ঢাকাকেন্দ্রিক সব কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে যেসব সহিংসতা ঘটে, তাতে ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় জামায়াত ও শিবিরের নেতাকর্মীরা নেতৃত্ব দেন জানিয়ে আসাদুজ্জামান আরও বলেন, এই অফিস থেকে সেদিন সহিংসতায় নেতৃত্ব দেওয়ার তথ্য দিয়েছেন শিবিরের সাবেক সভাপতি রাশেদুল ইসলাম। অভিযানকালে আইনজীবীর ওই চেম্বার থেকে হামবোমা ও অস্ত্র ছাড়াও প্রচুর জিহাদি বই উদ্ধার করা হয়েছে। তবে জসিম উদ্দীনকে পাওয়া যায়নি।

সিটিটিসি প্রধান বলেন, ‘এর আগে শনিবার বিভিন্ন সময় ঢাকায় বিভিন্ন এলাকা থেকে শিবিরের সাবেক সভাপতি রাশেদুল ইসলাম, জামায়াত নেতা মিজানুর রহমান, জামায়াতের মহানগর কোষাধ্যক্ষ ও সদস্য আব্দুর রশিদকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে এখানে অভিযান চালানো হয়। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় যে নারকীয় নাশকতার ঘটনা ঘটেছে, তার মূল নেতৃত্বে ছিলেন রাশেদুল ইসলাম।’

জিজ্ঞাসাবাদে তারা তাদের গোপন আস্তানার কথা স্বীকার করেছেন জানিয়ে আসাদুজ্জামান বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর কেন্দ্রীয় অফিস হিসেবে এ অফিসটি ব্যবহার করা হয়। এ অফিসে অনেক আলামত পেয়েছি। সম্প্রতি নাশকতায় তারা যেসব দেশীয় অস্ত্র ব্যবহার করেছে, ভাঙচুর, নাশকতা ও পুলিশের ওপর আক্রমণে যেসব অস্ত্র ব্যবহার করেছে, সেগুলো এখান থেকে উদ্ধার করেছি।’

তিনি বলেন, ‘সরকারি স্থাপনায় যেসব হামলা হয়েছে, সবকিছু সমন্বয় করা হয়েছে এই অফিস থেকে। বিভিন্ন নাশকতায় যারা অংশ নিয়েছে, এই অফিস থেকেই তাদের তহবিল সরবরাহ করা হয়েছে। এ ছাড়া কেন্দ্রীয়ভাবে এ অফিস থেকেই তহবিল সংগ্রহ করা করেছে। এ সংক্রান্ত বিপুল ডকুমেন্টস পাওয়া গেছে। আমাদের তল্লাশি অভিযান অব্যাহত আছে। যারা এসব কাজে সমন্বয়কের ভূমিকায় ছিল, যারা এসব কাজে অর্থ সরবরাহ করেছিল, তাদের সবাইকে খুঁজে বের করে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসবো।’

সিটিটিসি প্রধান আরও জানান, আন্দোলনে সহিংসতা চালানোর জন্য তহবিল দিয়েছে, এমন বেশ কিছু বড় ডোনারের নাম পাওয়া গেছে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় হামলা করার চেষ্টা হয়েছিল, সেই নির্দেশনাও এই অফিস থেকে হয়েছিল। জঙ্গি স্টাইলে জামায়াতে ইসলামীর কার্যক্রম পরিচালিত হতো এ অফিস থেকে। নাম-ঠিকানা গোপন করে এখানে অফিস চলছিল গত পাঁচ বছর ধরে।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘মার্চ ফর ইউনিটি’তে অংশগ্রহণকারীদের জন্য জাতীয় নাগরিক কমিটির ৭ নির্দেশনা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে আয়োজিত ‘মার্চ ফর ইউনিটি’তে অংশ নিতে মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জমায়েত হচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপ্লবী ছাত্র-জনতা। এই সমাবেশ সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে জাতীয় নাগরিক কমিটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য ৭ দফা নির্দেশনা দিয়েছে। সকালে জাতীয় নাগরিক কমিটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এই নির্দেশনাগুলো প্রকাশ করা হয়। কেন্দ্রীয় নির্দেশনাগুলো হলো- ১. ব্যানার প্রদর্শন না করা প্রতিটি থানা ইউনিটকে শহীদ মিনারে পৌঁছে কোনো ব্যানার প্রদর্শন করবে না। ২. স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা অনুসরণ প্রোগ্রামে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবকদের দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। ৩. একত্রে অবস্থান শহীদ মিনারে পৌঁছে প্রতিটি থানার সদস্যদের একসঙ্গে থাকতে হবে। ৪. মাইকের নির্দেশনা মেনে চলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মাইকের মাধ্যমে প্রচারিত নির্দেশনাগুলো অবশ্যই মেনে চলতে হবে। ৫. বাগ্বিতণ্ডা পরিহার প্রোগ্রামে উপস্থিত অন্য থানা সদস্য বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কোনো ধরনের বাগ্বিতণ্ডায় জড়ানো যাবে না। ৬. নারী সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রতিটি থানার নারী সদস্যদের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ৭. মঞ্চে বা মিডিয়ায় আলাদা বক্তব্য এড়ানো প্রোগ্রামের চলাকালীন মঞ্চের সামনে যাওয়া বা মিডিয়ায় আলাদাভাবে বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে আজ শহীদ মিনারে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করার পরিকল্পনা ছিল। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণায় বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে গতকাল রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আজ বিকেল ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘মার্চ ফর ইউনিটি’ কর্মসূচি পালন করা হবে। এই কর্মসূচিকে ঘিরে বিপুল উৎসাহের মধ্যেও জাতীয় নাগরিক কমিটি নির্দেশনাগুলো মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।
‘মার্চ ফর ইউনিটি’তে অংশগ্রহণকারীদের জন্য জাতীয় নাগরিক কমিটির ৭ নির্দেশনা
থার্টিফার্স্ট   / ঢাকায় অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেট
থার্টিফার্স্ট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এবং রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এলাকায় মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ ও থাকবে পরিবেশ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেট বলে জানিয়েছেন, ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে থার্টিফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে ডিএমপি কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থাসংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত পুলিশ মোতায়েন থাকে। প্রত্যেক ফাঁড়ি থেকে রাতে কমপক্ষে দুটি পেট্রোল টিম থাকে, থানা থেকে চারটি-পাঁচটি টিম থাকে। এটা আমাদের রেগুলার ডিপ্লয়মেন্ট। আজকে শুধু থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে এর বাইরে তিন হাজার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা মনে করছি এটা যথেষ্ট। আমরা কিছু পয়েন্টকে টার্গেট করেছি। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গুলশান, ৩০০ ফিট, উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকায় বেশি পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আমাদের পুলিশ ফোর্সের পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেটরা থাকবেন। ওনারা যেকোনো জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত চালালে আমাদের ফোর্স তাদের সহযোগিতা করবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আতশবাজি ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষকে বরণ করা হয়, বাংলাদেশে পরিবেশের এত সমস্যা কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথমত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে থার্টিফার্স্ট উদযাপিত হয়। বেশিরভাগ দেশে এটি নববর্ষ, আমাদের দেশে নয়। দ্বিতীয়ত, অন্যান্য দেশে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের আয়োজন করা হয়, পুরো শহরজুড়ে আতশবাজি ফোটানো হয় না। আমরাও এ বছর ঢাকা মহানগরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে থার্টিফার্স্ট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের অনুষ্ঠান আয়োজন করার চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু এই বছর আমরা সেটি পারিনি। আশা করি আগামী বছর আমরা সেটি আয়োজন করব। পুলিশের মনোবল ফিরে এসেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশের মনোবলের যে ঘাটতি ছিল, এটি আমরা উৎরিয়ে উঠেছি। আমাদের এখনো কোনো সমস্যা নেই। আমরা যে কোমায় যাওয়ার অবস্থায় গিয়েছিলাম, সেটি থেকে ফিরে এসেছি। আমাদের অফিসারদের মনোবল এখন অনেক ভালো। থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে কোনো থ্রেট আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো থ্রেট নেই। এর আগে, ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, থার্টিফার্স্ট নাইটে যাতে আতশবাজি, পটকা, ক্লাস্টার বোমা, রকেট বোমা না ফোটানো হয় সেজন্য গত এক সপ্তাহ ডিএমপি রাজধানীতে অভিযান পরিচালনা করে ১২৭ কেজি আতশবাজি, পটকা, ক্লাস্টার বোমা, রকেট বোমা জব্দ করেছি। এ বিষয়ে ৫টি মামলা হয়েছে এবং ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তিনি নগরবাসীর উদ্দেশে বলেন, শুধু পুলিশ বা পরিবেশ অধিদপ্তর দিয়ে শব্দ দূষণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে। আমরা সবার সহযোগিতা চাই। এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত কমিশনার (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) খোন্দকার নজমুল হাসান। আরটিভি/এমএ/এস  
ঢাকায় অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেট
আতশবাজি করলেই এক মাসের জেল: অতিরিক্ত সচিব
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস বলেছেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে আতশবাজি ফোটালে এক মাসের জেল ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে পর্যাপ্ত সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নামানো হচ্ছে জানিয়ে তপন কুমার বিশ্বাস বলেন, দিনে এবং রাতে অভিযান চালানো হবে। আতশবাজি ও পটকা ফোটাতে দেয়া হবে না। আতশবাজি ফোটালে এক মাসের জেল ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। শব্দ দূষণে হৃদরোগসহ অনেক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয় জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আজকে কোনোভাবেই শব্দ হয় এমন কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না।‌ এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। মানুষও মারা যায়। আতশবাজি ও পটকা বৈধভাবে আমদানি হয় না, অবৈধভাবে আনা হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।  একই অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, গত ১ সপ্তাহে ১৭২ কেজি আতশবাজি ও পটকা জব্দ করা হয়েছে। এসময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে পাঁচ জনকে।‌ পুলিশ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে। আগামী বছর নির্দিষ্ট স্থানে আতশবাজির অনুমতি দেয়ার পরিকল্পনা আছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সারা বিশ্বে আতশবাজি একটি নির্দিষ্ট স্থানে উদযাপন করা হয়। অথচ বাংলাদেশ যত্রতত্র হয়। সেই কারণেই এবার বন্ধ করা হয়েছে। ঢাকাবাসীকে তিনি অনুরোধ করে বলেন, আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকুন। যত্রতত্র হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকুন। সবাইকে আশ্বস্ত করে বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কোনো হুমকি নেই।
আতশবাজি করলেই এক মাসের জেল: অতিরিক্ত সচিব
বছরের প্রথম দিন যেসব এলাকায় ১১ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় আগামীকাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১১ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি কাজের জন্য বুধবার (১ জানুয়ারি) গ্যাস পাইপলাইন রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মোট ১১ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এলাকাগুলো হলো—পশ্চিম রাজাবাজার, ইন্দিরারোড, শুক্রবাদ। একই সময় আশপাশের এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আগাম দুঃখ প্রকাশ করেছে। আরটিভি/এস
বছরের প্রথম দিন যেসব এলাকায় ১১ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
‘প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভল্যুশন’ ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি ‘প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভল্যুশন’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।  সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান। এতে বলা হয়েছে, গাবতলী হয়ে ঢাকা মহানগরে প্রবেশ করা যানবাহনগুলো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আগারগাঁও এলাকার পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে পার্কিং করবে। সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী প্রবেশপথ দিয়ে আসা যানবাহনগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় পার্কিং করবে। আবদুল্লাহপুর হয়ে প্রবেশ করা যানবাহনগুলো ৩০০ ফিট এলাকায় পার্কিং করবে। ঢাকা মহানগর এলাকা যানজটমুক্ত রাখতে ও সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে অনুষ্ঠানে আসা সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে ডিএমপি। আরটিভি/এসএপি
‘প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভল্যুশন’ ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা
আরও পড়ুন
কুমিল্লার সাবেক এমপি নাসিমুল কারাগারে
শহীদ মিনারে বিপ্লবীদের জনস্রোত, শেখ হাসিনার ফাঁসি দাবি
অভ্যুত্থানে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা শহীদ মিনারে জড়ো হচ্ছেন
‘মার্চ ফর ইউনিটি’তে অংশগ্রহণকারীদের জন্য জাতীয় নাগরিক কমিটির ৭ নির্দেশনা