ঢাকা শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

জবি ছাত্রদল নেতা খুন নিয়ে পুলিশের বক্তব্য মিথ্যা: দাবি বর্ষার বাবার

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৫, ০২:৪৩ এএম
ছবি: সংগৃহীত

পুরান ঢাকায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল ও বর্ষার হাউজ টিউটর জোবায়েদ হোসাইনের খুনের ঘটনায় বর্ষার ও মাহির নিয়ে পুলিশের বক্তব্যকে মিথ্যা দাবি করেছেন বর্ষার বাবা গিয়াসউদ্দিন।

শনিবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় একটি সংবাদমাধ্যমকে এসব দাবি করেন তিনি। এ সময় বর্ষার মা তারা মেয়েকে নির্দোষ দাবি করেন।

এর আগে, জোবায়েদ হোসাইনের খুনের ঘটনায় রহস্য উন্মোচন করে সম্মেলন করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। এতে পুলিশ বর্ষাকে মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে চিহ্নিত করে। একইসাথে পুলিশ বলে বর্ষার ও মাহির পরিকল্পিতভাবে জোবায়েদকে খুন করে এবং খুনের পিছনে ত্রিভুজ প্রেম দায়ী ছিল।

বর্ষার বাবা গিয়াসউদ্দিন বলেন, পুলিশ বলেছে বর্ষা পরিকল্পনা করে স্যারকে খুন করেছে। কিন্তু আমি বলছি বলছি পুলিশের এই বক্তব্য মিথ্যা। এটা পুরোপুরি মিথ্যা। এটা কোন ভাবেই হতে পারে না। পুলিশ সত্যটা বলেনি। মাহিরই খুন করেছে। বর্ষা এই হত্যা সম্পর্কে কিছুই জানতো না।

পুলিশের আরও বেশ কয়েকটি বক্তব্যকে মিথ্যা দাবি করে তিনি বলেন, পুলিশের বলা বক্তব্যে বলা হয়- খুনের সময় বর্ষা তৃতীয় তলায় দাঁড়িয়ে ছিল। এবং খুনের আগে বর্ষার নিকট জোবায়েদ বাচার আকুতি জানিয়েছিলো পুলিশের এই সকল বক্তব্য মিথ্যা। এগুলি সব মিথ্যা। এগুলো সব ভুল।

সেদিনের বর্ণনা দিয়ে গিয়াসউদ্দিন বলেন, ওর (বর্ষার) স্যার (জোবায়েদ হোসাইন) যখন খুন হয় সেদিন বর্ষার আম্মু বর্ষাকে ভাত খাওয়াচ্ছিল। বর্ষা ঘরের মধ্যে ছিল। খুনের ঘটনা জানার পর বর্ষা ৫ তলার বাসা থেকে তৃতীয় তলায় আসে ওর আম্মুর সাথে। খুনের সময় বর্ষা উপস্থিত ছিল না। এর আগে সারাদিন বর্ষা বাসা থেকে নামেনি।

বর্ষার সাথে মাহিরের প্রেমের সম্পর্কের বিষয় সত্য নয় দাবি করে তিনি বলেন, আমরা প্রথমে জানতাম না। জানছি দুই বছর পর। যখন জানতে পারি তখন ওদের ভাড়া বাসা থেকে বের করে দিই। তিন চার বছর আগেই ওরা এখান থেকে চলে যায়।

আদালতে বর্ষার স্বীকারোক্তির বিষয়টি পুরোপুরি মিথ্যা কথা বলে দাবি করে গিয়াসউদ্দিন বলেন, বর্ষা স্বীকারক্তি দিয়েছে এটা পুরো মিথ্যা কথা। পুলিশ তাকে মারধর করে স্বীকারোক্তি নিয়েছে।

এ সময় পুলিশের আরো একটি বক্তব্য মিথ্যা বলে দাবি করে বর্ষার বাবা বলেন, পুলিশ জানিয়েছে স্যারের (জোবায়েদ) ও বর্ষার তিন মাসের সম্পর্ক ছিল। বাস্তবে স্যার (জোবায়েদ) অনেক ভালো ছিলেন। আমরা কখনও তার মধ্যে খারাপ কিছু দেখিনি৷ তাদের প্রেমের সম্পর্ক ছিল না। আমি শুক্র-শনিবার বাসায় থাকতাম। কখনও খারাপ কিছু পায়নি স্যারের মধ্যে। ওর মায়ের মুখেই কখনও শুনিনি। বরং এই স্যারের অনেক সুনাম ছিল। অনেক ভালো ছিলেন তিনি।

বর্ষা ও মাহিরের প্রেমের সম্পর্কে বাবা গিয়াসউদ্দিন বলেন, বর্ষা মাহিরের সাথে সম্পর্ক রাখতে চাইনি। সে দূরে দূরে থাকতো মাহিরের থেকে। এ জন্য বর্ষাকে অনেক হুমকিও দিতো মাহির। মাহির বর্ষাকে এসিড মারার হুমকিও দিয়েছিল। এগুলো বর্ষা ওর মাকে জানিয়েছিল আগেই।

মাহিরের বিষয়ে বর্ষার বাবা বলেন, মাহির ভালো ছিলো না। নেশাগ্রস্ত ছিল। মহল্লার মধ্যেই নেশা করতো। আমরাও চাইতাম না তার সাথে কথা বলুক বর্ষা। ছেলের মাও চাইতো না। ছেলের মা নিজেই বর্ষাকে বলতো মাহির ভালো না। ওর সাথে কথা না বলতে নিষেধ করেছি।

পুলিশের বলা বক্তব্যে, বর্ষা বাড়ি থেকে গহনা বিক্রি করে এক লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে মাহিরকে বাইক কিনে দিয়েছে। এই বক্তব্যকে মিথ্যা দাবি করে গিয়াসউদ্দিন বলেন, এই ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। এইটা মিথ্যা কথা। কোন গহনা হারায়নি বাসা থেকে। ওই (বর্ষা) গয়না পাবে কোথায়? ওতো টাকা পাবে কোথায় ওই? এসব সব মিথ্যা কথা পুলিশের।

জোবায়েদ খুনের কারণ উল্লেখ করে বর্ষার মা বলেন, স্যার (জোবায়েদ) যে বর্ষাকে পড়াতো এটা কোন ভাবেই পছন্দ করতো না মাহির। এটা বর্ষা গ্রেপ্তার হওয়ার আগে আমাদের জানায়। এ ছাড়া, বর্ষা মাহিরকে বিভিন্নরকম হমকি দিতো।

কান্নাজড়িত কন্ঠে তিনি বলেন, আমি চাই স্যারের (জোবায়েদের) হত্যার বিচার হোক। সে ভালো ছেলে ছিল। আমি কখনো খারাপ কিছু পাইনি। কিন্তু আমার মেয়ে নির্দোষ। ও (বর্ষা) কিছু জানতো না।

এ সময় তাকে বর্ষা ও জোবায়েদের মধ্যে কোন প্রেমের সম্পর্ক ছিল কিনা জানতে চাইলে বলেন, এমন কিছু ছিলো না। আমি কখনো দেখিনি। আমার চোখে পড়েনি।

এদিকে, বর্ষার বাবা মায়ের এসকল অভিযোগের বিষয়ে বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামকে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলেও পাওয়া যায়নি।

তবে জোবায়েদ খুন ও এই মামলার ঘটনা পানির মতো পরিষ্কার দাবি করে মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ও উপ-পরিদর্শক আশরাফ হোসেন বলেন, বর্ষার বাবা-মা তো চাইবেই বর্ষাকে নির্দোষ প্রমাণের জন্য। কোন অপরাধীই অপরাধ করে স্বীকার করে না। আর তাকে সেভ করার জন্য তার বাব-মা আত্নীয় স্বজন সবাই বলে যে সে ভালো। বর্ষার বাবা মাও সেই ভূমিকা পালন করছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা তো আসামিদের বক্তব্য উপস্থাপন করেছি। আসামীরা যে বক্তব্য দিয়েছে পুলিশের নিকট, কোর্টের নিকট তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই বলা হয়েছে। তারা কি পরিকল্পনা করেছিল এটা ওরাই বলেছে পুলিশের কাছে। আর মাহির যে অপরাধী এটা বর্ষার মা কিভাবে জানে? মুলত বর্ষাকে সেভ করার জন্যই তার মা এসব বলছে।

আরটিভি/কেএইচ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে ২ জানুয়ারি (শুক্রবার) পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে। এ উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মহানগর এলাকায় কয়েকটি নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র‍্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। এ ছাড়া উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা মেনে চলতে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে জানাজা শেষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও তার স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়। খালেদা জিয়ার কবরে সবার আগে নামেন তার বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজ হাতে তিনি তার মাকে কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন। এর আগে, বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপির শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয় জিয়া উদ্যানে। এ সময় সড়কের দুপাশে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সেসময় এলাকাজুড়ে শোক ও নীরবতার আবহ বিরাজ করে। আরটিভি/একে
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে অসুস্থ হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এক ব্যক্তি মারা যান। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন (৫৬)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম। আরও পড়ুন প্রাথমিকে ছুটি কমল যত দিন তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে নিরব হোসেন নামের ওই ব্যক্তি মারা যান। তিনি অসুস্থ ছিলেন। জানাজার সময় মানুষের প্রচণ্ড ভিড়ও ছিল। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারায় মিল রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন। বাবার নাম মতিউর রহমান মিঞা।  ঠিকানা লেখা রয়েছে, ১৭৪ বড় মগবাজার, ডাক্তার গলি, শান্তিনগর, রমনা। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। আরটিভি/এসআর
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
ঢাকার তেজগাঁও সাতরাস্তা ও মহাখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে সাতরাস্তায় ট্রাকচাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার যাত্রী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রফিকুল ইসলাম (৪০) ও তার মেয়ে তানজিলা (১২) মারা যান এবং ছেলে নুর ইসলাম আহত হয়। আর মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় মারা যান ৩৫ বছরের অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আহত নুর ইসলামকে ভর্তি করা হয়। নিহত রফিকুল ইসলামের ভাতিজা আব্দুর রাকিব জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণা পূর্বধলা উপজেলার জটিয়াবো গ্রামে। বর্তমানে তারা মগবাজার ওয়্যারলেস রেলগেট এলাকায় থাকতেন। নুর ইসলাম ও তানজিলা স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। তাদের বাবা রফিকুল ইসলাম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তিনি ওই এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। আরও পড়ুন সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ রাকিব আরও জানান, রাতে তার চাচা রফিকুল ইসলাম দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হন। মগবাজার থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে যাচ্ছিলেন। সাতরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে তিনজন আহত হন। পরে পথচারীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে বাবা ও মেয়ে মারা যায়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হামিদ বলেন, বুধবার ভোরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তেজগাঁও সাতরাস্তা এলাকায় বাবা মেয়ে মারা গেছেন। অন্যদিকে, মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কোনো এক যানবাহনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক মারা গেছেন। এসআই আরও জানান, তবে মহাখালী এলাকায় নিহত ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। যানবাহন শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আরটিভি/একে
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) মেট্রোরেল স্টেশন আজ সন্ধ্যায় থেকে বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমআরটিসিএল)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।  ডিএমআরটিসিএল জানিয়েছে, সম্মানিত যাত্রীসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আজ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৭:০০ হতে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজাস্থলে ছুটছে লাখো মানুষ, হাউমাউ করে কাঁদছে অনেকে এ দিকে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি, লণ্ঠন ও পটকা ফোটানো পরিহার করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো এবং পটকা ফোটানোর ফলে বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, অগ্নিকাণ্ড ও পাখির মৃত্যু ঘটায়। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এটি পরিহার করি।’ প্রসঙ্গত, আজ (বুধবার) দিন পেরিয়ে রাত ১২টা বাজলেই শুরু হবে নতুন বছর ২০২৬ সাল। নতুন এই বর্ষকে উপযাপনে প্রস্তুত গোটা বিশ্ব। আরটিভি/এসআর
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জায়গা না পেয়ে আশপাশের ভবন, গলি, রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। যে যেখানে জায়গা পারছেন, সেখানেই তৈরি করছেন কাতার। মানুষের কাতার কারওয়ান বাজার ছাড়িয়ে যেতে দেখা গেছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ইন্দিরা রোড এলাকায় এ দৃশ্য দেখা গেছে।  আরও পড়ুন নারীর ক্ষমতায়নে খালেদা জিয়া সরেজমিনে দেখা গেছে, জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ। জানাজার কাতারে জায়গা না পেয়ে পেছনের দিকে ফিরতে থাকে মানুষ। এ সময় বিভিন্ন ভবনের গ্যারেজ, গলি, ছোট বড় ফাঁকা জায়গাগুলোতে অবস্থান নিতে থাকেন তারা, দাঁড়িয়ে যান কাতার সোজা করে। রাজধানীর মিরপুর থেকে আসা মোহাম্মদ রফিক বলেন, ‘এত মানুষ। কোনোভাবেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢুকতে পারলাম না। বরং যারা মানিক মিয়ায় ছিলেন, তারা উলটো দিকে ফিরছেন। হাজার হাজার মানুষের চাপে আমিও উলটা পথে এসে এখানে অবস্থান নিয়েছি।’ মতিঝিল থেকে আসা মোহাম্মদ উজ্জ্বল বলেন, ‘আগে কারো জানাজায় এত মানুষ দেখিনি। আমি খামারবাড়ি মোড়ে ছিলাম। হঠাৎ প্রচুর ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গেলাম। দেখলাম, মানিক মিয়া থকে লোকজন এদিকে ফিরছে, সামনে আর জায়গা নাই।' উজ্জ্বল আরো বলেন, ‘মানুষের চাপে আমার দুজন সঙ্গী পড়ে গিয়েছিলেন। চিৎকার করার পর লোকজনের গতি একটু কমলে তারা উঠে দাঁড়ান। নইলে তারা আজ আহত হতে পারতো।’ আরটিভি/এফএ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
আরও পড়ুন
ছাত্রদলকর্মীকে ডেকে নিয়ে ছুরিকাঘাতে হত্যা
ছাত্রদলের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল ছাত্রদল নেতার 
৪০০ মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিলো জবি ছাত্রদল