ঢাকা সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য দেশের প্রথম ডেন্টাল ইউনিট চালু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫, ১০:০৪ পিএম
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ঢাকায় বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি দেশের প্রথম বিশেষায়িত ডেন্টাল ইউনিট যাত্রা শুরু করেছে। এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবার ক্ষেত্রে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক।

সোমবার (২৪ নভেম্বর) ফেইথ বাংলাদেশের লালমাটিয়া ক্যাম্পাসে এক অনুষ্ঠানে এ ইউনিটটি উদ্বোধন করা হয়, যেখানে অংশ নেন অতিথি, বিশেষ শিশুদের জন্য এ প্রতিষ্ঠান-পরিচালিত স্কুলের শিক্ষার্থী, তাদের অভিভাবক এবং ফেইথ বাংলাদেশ পরিবারের সদস্যরা।

নতুন ডেন্টাল ইউনিটটি বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য নিরাপদ, শিশু-সংবেদনশীল ও বিশেষায়িত দন্তচিকিৎসা প্রদান করছে। এটিকে নিয়মিত ও উন্নত দন্তচিকিৎসা প্রদানের উপযোগী করে গড়ে তোলা হয়েছে। এখানে প্রয়োজনে অ্যানেস্থেসিয়া প্রয়োগ করে চিকিৎসা প্রদান করা হয়, যা প্রচলিত ডেন্টাল ক্লিনিকগুলোতে সাধারণত থাকে না।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে যোগ দেন বাংলাদেশ সরকারের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও জনতা ব্যাংকের পরিচালক ড. মো. শাহাদাত হোসেন এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. জহিরুল ইসলাম।

অন্যান্যের মধ্যে ফেইথ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক নীলুফার আহমেদ করিম ও বোর্ড সদস্য ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম, ফেইথ বাংলাদেশ ইন্সটিটিউটের উপদেষ্টা ও সাবেক সচিব শাহজাহান আলী মোল্লা এবং খ্যাতিমান ডেন্টাল সার্জন ডা. রেজাউল আহসান উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। ডেন্টাল ইউনিটের উদ্বোধন উপলক্ষে শিশুদের জন্য একটি প্রতিরোধমূলক ডেন্টাল কেয়ার সেমিনার এবং ডেন্টাল স্ক্রিনিং প্রোগ্রামও আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় এখনও উপেক্ষিত বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য বিশেষায়িত চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন।

প্রধান অতিথি মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা প্রায়শই সমাজ এবং এমনকি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকেও দুর্ব্যবহার এবং নিষ্ঠুরতার সম্মুখীন হয়। তিনি বলেন, আমাদের সকলের উচিত এই শিশুদের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করা এবং তাদেরকে জাতীয় সম্পদে পরিণত করার প্রচেষ্টা চালানো।

দেশে ১৬-১৮ লাখ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের সকলের জন্য বিশেষায়িত দন্তচিকিৎসা নিশ্চিত করা উচিত এবং ধনী ব্যক্তিদের এই লক্ষ্যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত।

বিশেষ অতিথি মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য একটি উন্নত ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।

ফেইথ বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক নীলুফার আহমেদ করিম বলেন, সহানুভূতিশীল ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানে তাদের প্রতিষ্ঠানের যে প্রতিশ্রুতি, তারই প্রতিফল এই ডেন্টাল ইউনিট।

তিনি বলেন, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের চিকিৎসা কেবল চিকিৎসা নয়, এটি এক আবেগের যাত্রা। একটি পরিবারের দুশ্চিন্তা, একটি শিশুর অস্বস্তি এবং নিরাপত্তা ও ভালোবাসার সেই অদৃশ্য চাহিদা, সবকিছু মিলেই এটি এক গভীর মানবিক দায়িত্ব।

নীলুফার আহমেদ করিম উল্লেখ করেন, এই বিশেষায়িত ইউনিটের ধারণাটি এমন পরিবারের অভিজ্ঞতা থেকে এসেছে, যারা তাদের শিশুদের জন্য নিরাপদ, সহানুভূতিশীল দন্তচিকিৎসা পরিবেশ খুঁজে পেতে সংগ্রাম করেছিল। তিনি বলেন, এই ইউনিটটি ভালোবাসা, মানবিকতা ও দায়িত্ববোধের প্রতীক। আজকের প্রতিশ্রুতি হলো আমাদের শিশুদের ব্যথা আর উপেক্ষিত হবে না। তাদের চিকিৎসা হবে নিরাপদ, স্বচ্ছন্দ ও সহমর্মিতাপূর্ণ পরিবেশে।

ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, সমাজের কাছ থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের সহানুভূতি নয়, সমানুভূতি প্রাপ্য যাতে তারা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারে।

ডেন্টাল ইউনিট উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ফেইথ বাংলাদেশ ঘোষণা করে যে তারা বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য আরও দুটি বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা চালু করতে যাচ্ছে। সেবা দুটি হলো নিবেদিত চক্ষু সেবা এবং অ্যাজমা সেন্টার। অভিভাবক, সেবাপ্রদানকারী, শিক্ষক ও স্বাস্থ্য পেশাদাররা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

আরটিভি/এফএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে ২ জানুয়ারি (শুক্রবার) পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে। এ উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মহানগর এলাকায় কয়েকটি নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র‍্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। এ ছাড়া উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা মেনে চলতে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে জানাজা শেষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও তার স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়। খালেদা জিয়ার কবরে সবার আগে নামেন তার বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজ হাতে তিনি তার মাকে কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন। এর আগে, বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপির শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয় জিয়া উদ্যানে। এ সময় সড়কের দুপাশে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সেসময় এলাকাজুড়ে শোক ও নীরবতার আবহ বিরাজ করে। আরটিভি/একে
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে অসুস্থ হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এক ব্যক্তি মারা যান। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন (৫৬)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম। আরও পড়ুন প্রাথমিকে ছুটি কমল যত দিন তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে নিরব হোসেন নামের ওই ব্যক্তি মারা যান। তিনি অসুস্থ ছিলেন। জানাজার সময় মানুষের প্রচণ্ড ভিড়ও ছিল। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারায় মিল রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন। বাবার নাম মতিউর রহমান মিঞা।  ঠিকানা লেখা রয়েছে, ১৭৪ বড় মগবাজার, ডাক্তার গলি, শান্তিনগর, রমনা। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। আরটিভি/এসআর
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
ঢাকার তেজগাঁও সাতরাস্তা ও মহাখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে সাতরাস্তায় ট্রাকচাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার যাত্রী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রফিকুল ইসলাম (৪০) ও তার মেয়ে তানজিলা (১২) মারা যান এবং ছেলে নুর ইসলাম আহত হয়। আর মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় মারা যান ৩৫ বছরের অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আহত নুর ইসলামকে ভর্তি করা হয়। নিহত রফিকুল ইসলামের ভাতিজা আব্দুর রাকিব জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণা পূর্বধলা উপজেলার জটিয়াবো গ্রামে। বর্তমানে তারা মগবাজার ওয়্যারলেস রেলগেট এলাকায় থাকতেন। নুর ইসলাম ও তানজিলা স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। তাদের বাবা রফিকুল ইসলাম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তিনি ওই এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। আরও পড়ুন সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ রাকিব আরও জানান, রাতে তার চাচা রফিকুল ইসলাম দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হন। মগবাজার থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে যাচ্ছিলেন। সাতরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে তিনজন আহত হন। পরে পথচারীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে বাবা ও মেয়ে মারা যায়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হামিদ বলেন, বুধবার ভোরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তেজগাঁও সাতরাস্তা এলাকায় বাবা মেয়ে মারা গেছেন। অন্যদিকে, মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কোনো এক যানবাহনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক মারা গেছেন। এসআই আরও জানান, তবে মহাখালী এলাকায় নিহত ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। যানবাহন শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আরটিভি/একে
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) মেট্রোরেল স্টেশন আজ সন্ধ্যায় থেকে বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমআরটিসিএল)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।  ডিএমআরটিসিএল জানিয়েছে, সম্মানিত যাত্রীসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আজ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৭:০০ হতে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজাস্থলে ছুটছে লাখো মানুষ, হাউমাউ করে কাঁদছে অনেকে এ দিকে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি, লণ্ঠন ও পটকা ফোটানো পরিহার করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো এবং পটকা ফোটানোর ফলে বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, অগ্নিকাণ্ড ও পাখির মৃত্যু ঘটায়। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এটি পরিহার করি।’ প্রসঙ্গত, আজ (বুধবার) দিন পেরিয়ে রাত ১২টা বাজলেই শুরু হবে নতুন বছর ২০২৬ সাল। নতুন এই বর্ষকে উপযাপনে প্রস্তুত গোটা বিশ্ব। আরটিভি/এসআর
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জায়গা না পেয়ে আশপাশের ভবন, গলি, রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। যে যেখানে জায়গা পারছেন, সেখানেই তৈরি করছেন কাতার। মানুষের কাতার কারওয়ান বাজার ছাড়িয়ে যেতে দেখা গেছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ইন্দিরা রোড এলাকায় এ দৃশ্য দেখা গেছে।  আরও পড়ুন নারীর ক্ষমতায়নে খালেদা জিয়া সরেজমিনে দেখা গেছে, জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ। জানাজার কাতারে জায়গা না পেয়ে পেছনের দিকে ফিরতে থাকে মানুষ। এ সময় বিভিন্ন ভবনের গ্যারেজ, গলি, ছোট বড় ফাঁকা জায়গাগুলোতে অবস্থান নিতে থাকেন তারা, দাঁড়িয়ে যান কাতার সোজা করে। রাজধানীর মিরপুর থেকে আসা মোহাম্মদ রফিক বলেন, ‘এত মানুষ। কোনোভাবেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢুকতে পারলাম না। বরং যারা মানিক মিয়ায় ছিলেন, তারা উলটো দিকে ফিরছেন। হাজার হাজার মানুষের চাপে আমিও উলটা পথে এসে এখানে অবস্থান নিয়েছি।’ মতিঝিল থেকে আসা মোহাম্মদ উজ্জ্বল বলেন, ‘আগে কারো জানাজায় এত মানুষ দেখিনি। আমি খামারবাড়ি মোড়ে ছিলাম। হঠাৎ প্রচুর ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গেলাম। দেখলাম, মানিক মিয়া থকে লোকজন এদিকে ফিরছে, সামনে আর জায়গা নাই।' উজ্জ্বল আরো বলেন, ‘মানুষের চাপে আমার দুজন সঙ্গী পড়ে গিয়েছিলেন। চিৎকার করার পর লোকজনের গতি একটু কমলে তারা উঠে দাঁড়ান। নইলে তারা আজ আহত হতে পারতো।’ আরটিভি/এফএ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
আরও পড়ুন
সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাহমুদুল হাসান মারা গেছেন
সেই মানিক মিয়াতেই শেষ বিদায় নিচ্ছেন খালেদা জিয়া
রাষ্ট্রীয় শোকের ৩ দিন যেসব নির্দেশনা দিল ডিএমপি
শিবিরের নতুন সভাপতি নুরুল ইসলাম সাদ্দাম