ঢাকা শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

ঢাকার পানি-বর্জ্য প্রকল্পে অস্বাভাবিক ব্যয়ের পাঁয়তারা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৩:৫৩ পিএম
রাজধানীর মিরপুরের রূপনগর খাল। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানী ও আশপাশের এলাকার পানি নিরাপত্তা ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ‘মেট্রো ঢাকা ওয়াটার সিকিউরিটি অ্যান্ড রেজিলিয়েন্স প্রোগ্রাম’ নামে প্রায় ৩ হাজার ৮০১ কোটি টাকার একটি প্রকল্প প্রস্তাব করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ। ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন ও ঢাকা ওয়াসা যৌথভাবে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

তবে বাস্তবায়নে পরামর্শকদের পেছনে ৮০৮ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে, যাকে অস্বাভাবিক বলছেন সংশ্লিষ্টরা। এ ছাড়া সুনির্দিষ্ট সমীক্ষা ছাড়াই প্রকল্পের বিভিন্ন খাতে অত্যধিক ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে, যা নিয়ে আপত্তি তুলেছে খোদ পরিকল্পনা কমিশনও। অভিযোগ উঠেছে, নানা ত্রুটিবিচ্যুতি থাকার পরও প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদনে চাপ দিচ্ছেন এক উপদেষ্টার।

অতিরিক্ত পরামর্শক ব্যয় নিয়ে বিতর্ক

ডিপিপি অনুযায়ী, প্রকল্পে ১৬ ক্যাটাগরির পরামর্শক নিয়োগে ব্যয় প্রস্তাব করা হয়েছে ৮০৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, যা মোট ব্যয়ের ২১ শতাংশের বেশি।

পরিকল্পনা কমিশন এটিকে ‘অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিক’ মন্তব্য করে বলছে—ঋণের বড় অংশ পরামর্শকদের পেছনে গেলে জনগণের উপকারের তুলনায় বিশেষজ্ঞদের আয়ই বেশি হবে।

বিশ্লেষকদের মতে, খাল পুনর্বাসন বা স্যানিটেশন উন্নয়নের মতো কাজ বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে; এত বিপুল পরামর্শক ব্যয়ের যৌক্তিকতা নেই।

ব্যয় বরাদ্দে আরও অসংগতি

পরামর্শক ব্যয়ের পাশাপাশি বেতন-ভাতা, অফিস খরচ, সেমিনার ও প্রশাসনিক ব্যয়েই বরাদ্দ রাখা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৩২ কোটি টাকা। এ ছাড়া খাল পুনর্বাসনে ব্যয় হিসাবেও অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। ঢাকায় কিলোমিটারপ্রতি পুনর্বাসন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৮ কোটি টাকার বেশি, যেখানে নারায়ণগঞ্জে একই কাজের ব্যয় ২৫ কোটি টাকার মতো।

যানবাহন ও যন্ত্রপাতি কেনায় ব্যয় প্রস্তাব ৫৫৩ কোটি টাকা, যার মধ্যে ১৬০টি ভ্যাকিউম ট্রাক ও অন্যান্য ছোট যানবাহন কিনতেই বরাদ্দ ৩০৬ কোটি টাকা।

বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক মুখ্য অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেন, এই প্রকল্পে যে পরামর্শক ব্যয় ধরা হয়েছে, সেটা অনেক বেশি। প্রকল্পে যদি খুব উচ্চ প্রযুক্তির নকশা, জটিল কারিগরি ডিজাইন বা ‘সোফিস্টিকেটেড’ কাজ থাকত, তাহলে বিশেষজ্ঞ পরামর্শক নেওয়ার যৌক্তিকতা থাকত, কিন্তু এমন কাজে ৮০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় করার প্রস্তাব করা হয়েছে—এটা অতিরঞ্জিত, কোনো যৌক্তিকতা নেই। এ ধরনের প্রস্তাব যারা করে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

সমীক্ষা ছাড়াই প্রকল্প প্রস্তাব, অনুমোদনে চাপ

অসঙ্গতি সত্ত্বেও প্রকল্পটি দ্রুত অনুমোদনের চাপ রয়েছে বলে জানিয়েছে পরিকল্পনা কমিশনের সূত্র। প্রকল্পটি এখনও এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত নয়, তবুও বিশেষ অনুমতিতে পিইসি সভায় তোলা হয়েছে—যা নিয়মবহির্ভূত বলে কর্মকর্তারা উল্লেখ করেন।

পিইসি সভায় পরামর্শক খাতে অস্বাভাবিক বরাদ্দ, ব্যয়ের অসামঞ্জস্য, পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষার অনুপস্থিতি এবং ক্রয় পরিকল্পনায় পিপিআর বিধির ব্যত্যয়সহ একাধিক আপত্তি তোলা হয়। সংশোধন করে নতুনভাবে ডিপিপি পাঠানোর নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।

ঋণ করে পরামর্শক খাতে এই বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রস্তাবকে অস্বাভাবিক ও অত্যাধিক বলছেন পরিকল্পনা কমিশন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, ঋণের বড় অংশ যদি পরামর্শকদের পেছনে খরচ হয়ে যায়, তাহলে এ প্রকল্পে জনগণের উপকারের তুলনায় বাইরের বিশেষজ্ঞদের আয়ই দাঁড়াবে বেশি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, আলোচ্য প্রকল্প প্রস্তাব প্রণয়নে পরামর্শক হিসেবে কাজ করেছে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গ্রুপ। যাদের সরকারি ডিপিপি প্রণয়নের অভিজ্ঞতা নেই এবং সরকারি পরিকল্পনা প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা কম। তারাই অনেকগুলো পরামর্শক খাত যুক্ত করেছে, যেগুলো আসলে এখানে আসার কথা নয়।

কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা

স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিকল্পনা শাখার যুগ্ম সচিব ড. আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, পরামর্শক ব্যয়ের প্রাক্কলনে ভুল হয়েছিল। পিইসির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী প্রকল্পটি সংশোধনের কাজ চলছে; সংশোধন হলে মোট ব্যয় কমে যাবে বলে তিনি আশা করেন।

আরটিভি/একে

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আগামী আজ বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) থেকে ২ জানুয়ারি (শুক্রবার) পর্যন্ত রাষ্ট্রীয়ভাবে শোক পালন করা হবে। এ উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) মহানগর এলাকায় কয়েকটি নির্দেশনা জারি করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, শোক পালনকালীন ঢাকা মহানগর এলাকায় সব ধরনের আতশবাজি, পটকা ফোটানো, ফানুস ও গ্যাস বেলুন ওড়ানো নিষিদ্ধ থাকবে। একই সঙ্গে উন্মুক্ত স্থানে কোনো ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ডিজে পার্টি, র‍্যালি বা শোভাযাত্রা আয়োজন করা যাবে না। এ ছাড়া উচ্চশব্দে গাড়ির হর্ন বাজানো বা গণ-উপদ্রব সৃষ্টি করে এমন কোনো কর্মকাণ্ড থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলীর সই করা গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা মেনে চলতে নগরবাসীর সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করা হয়। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে জানাজা শেষে রাজধানীর জিয়া উদ্যানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও তার স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়াকে দাফন করা হয়। খালেদা জিয়ার কবরে সবার আগে নামেন তার বড় ছেলে ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। নিজ হাতে তিনি তার মাকে কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করেন। এর আগে, বুধবার দুপুরে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় খালেদা জিয়ার নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, বিএনপির শীর্ষ নেতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা, কূটনীতিক, বিশিষ্ট ব্যক্তিসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য নেওয়া হয় জিয়া উদ্যানে। এ সময় সড়কের দুপাশে অসংখ্য মানুষ দাঁড়িয়ে প্রিয় নেত্রীকে শেষ শ্রদ্ধা জানান। সেসময় এলাকাজুড়ে শোক ও নীরবতার আবহ বিরাজ করে। আরটিভি/একে
রাষ্ট্রীয় শোক চলাকালে ঢাকায় আতশবাজি-ফানুস-ডিজে পার্টি নিষিদ্ধ
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে অসুস্থ হয়ে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে এক ব্যক্তি মারা যান। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন (৫৬)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এই তথ্য জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার ফজলুল করিম। আরও পড়ুন প্রাথমিকে ছুটি কমল যত দিন তিনি বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জানাজায় অংশ নিতে এসে নিরব হোসেন নামের ওই ব্যক্তি মারা যান। তিনি অসুস্থ ছিলেন। জানাজার সময় মানুষের প্রচণ্ড ভিড়ও ছিল। পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, মৃত ব্যক্তির কাছ থেকে পাওয়া জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবির সঙ্গে তাঁর চেহারায় মিল রয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র অনুযায়ী তার নাম মো. নিরব হোসেন। বাবার নাম মতিউর রহমান মিঞা।  ঠিকানা লেখা রয়েছে, ১৭৪ বড় মগবাজার, ডাক্তার গলি, শান্তিনগর, রমনা। তার বাড়ি পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায়। আরটিভি/এসআর
খালেদা জিয়ার জানাজায় নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
ঢাকার তেজগাঁও সাতরাস্তা ও মহাখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় বাবা-মেয়েসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এদের মধ্যে সাতরাস্তায় ট্রাকচাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার যাত্রী দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী রফিকুল ইসলাম (৪০) ও তার মেয়ে তানজিলা (১২) মারা যান এবং ছেলে নুর ইসলাম আহত হয়। আর মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে অজ্ঞাত একটি গাড়ির ধাক্কায় মারা যান ৩৫ বছরের অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে এলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আহত নুর ইসলামকে ভর্তি করা হয়। নিহত রফিকুল ইসলামের ভাতিজা আব্দুর রাকিব জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি নেত্রকোণা পূর্বধলা উপজেলার জটিয়াবো গ্রামে। বর্তমানে তারা মগবাজার ওয়্যারলেস রেলগেট এলাকায় থাকতেন। নুর ইসলাম ও তানজিলা স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করত। তাদের বাবা রফিকুল ইসলাম দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী। তিনি ওই এলাকায় ভিক্ষাবৃত্তি করতেন। আরও পড়ুন সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ রাকিব আরও জানান, রাতে তার চাচা রফিকুল ইসলাম দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি যাওয়ার উদ্দেশে বের হন। মগবাজার থেকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশায় মহাখালী বাসস্ট্যান্ডে যাচ্ছিলেন। সাতরাস্তা এলাকায় পৌঁছালে একটি ট্রাক অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। রিকশা থেকে ছিটকে পড়ে তিনজন আহত হন। পরে পথচারীরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে গেলে বাবা ও মেয়ে মারা যায়। তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আব্দুল হামিদ বলেন, বুধবার ভোরে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। তেজগাঁও সাতরাস্তা এলাকায় বাবা মেয়ে মারা গেছেন। অন্যদিকে, মহাখালী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় কোনো এক যানবাহনের ধাক্কায় অজ্ঞাতপরিচয়ের এক যুবক মারা গেছেন। এসআই আরও জানান, তবে মহাখালী এলাকায় নিহত ওই যুবকের পরিচয় পাওয়া যায়নি। যানবাহন শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আরটিভি/একে
ঢাকায় সড়কে গেল বাবা-মেয়েসহ ৩ প্রাণ
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) মেট্রোরেল স্টেশন আজ সন্ধ্যায় থেকে বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমআরটিসিএল)।  বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।  ডিএমআরটিসিএল জানিয়েছে, সম্মানিত যাত্রীসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে আজ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখ সন্ধ্যা ৭:০০ হতে মেট্রোরেলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন বন্ধ থাকবে। আরও পড়ুন খালেদা জিয়ার জানাজাস্থলে ছুটছে লাখো মানুষ, হাউমাউ করে কাঁদছে অনেকে এ দিকে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনে আতশবাজি, লণ্ঠন ও পটকা ফোটানো পরিহার করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আহ্বান জানিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, ‘ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে আতশবাজি, ফানুস ওড়ানো এবং পটকা ফোটানোর ফলে বায়ুদূষণ, শব্দদূষণ, অগ্নিকাণ্ড ও পাখির মৃত্যু ঘটায়। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষায় এটি পরিহার করি।’ প্রসঙ্গত, আজ (বুধবার) দিন পেরিয়ে রাত ১২টা বাজলেই শুরু হবে নতুন বছর ২০২৬ সাল। নতুন এই বর্ষকে উপযাপনে প্রস্তুত গোটা বিশ্ব। আরটিভি/এসআর
সন্ধ্যা থেকে বন্ধ থাকবে ঢাবির মেট্রো স্টেশন, জানা গেল কারণ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জানাজা উপলক্ষে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জায়গা না পেয়ে আশপাশের ভবন, গলি, রাস্তায় ছড়িয়ে পড়েছে মানুষ। যে যেখানে জায়গা পারছেন, সেখানেই তৈরি করছেন কাতার। মানুষের কাতার কারওয়ান বাজার ছাড়িয়ে যেতে দেখা গেছে। বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুর দেড়টার দিকে ইন্দিরা রোড এলাকায় এ দৃশ্য দেখা গেছে।  আরও পড়ুন নারীর ক্ষমতায়নে খালেদা জিয়া সরেজমিনে দেখা গেছে, জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ। জানাজার কাতারে জায়গা না পেয়ে পেছনের দিকে ফিরতে থাকে মানুষ। এ সময় বিভিন্ন ভবনের গ্যারেজ, গলি, ছোট বড় ফাঁকা জায়গাগুলোতে অবস্থান নিতে থাকেন তারা, দাঁড়িয়ে যান কাতার সোজা করে। রাজধানীর মিরপুর থেকে আসা মোহাম্মদ রফিক বলেন, ‘এত মানুষ। কোনোভাবেই মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে ঢুকতে পারলাম না। বরং যারা মানিক মিয়ায় ছিলেন, তারা উলটো দিকে ফিরছেন। হাজার হাজার মানুষের চাপে আমিও উলটা পথে এসে এখানে অবস্থান নিয়েছি।’ মতিঝিল থেকে আসা মোহাম্মদ উজ্জ্বল বলেন, ‘আগে কারো জানাজায় এত মানুষ দেখিনি। আমি খামারবাড়ি মোড়ে ছিলাম। হঠাৎ প্রচুর ধাক্কাধাক্কিতে পড়ে গেলাম। দেখলাম, মানিক মিয়া থকে লোকজন এদিকে ফিরছে, সামনে আর জায়গা নাই।' উজ্জ্বল আরো বলেন, ‘মানুষের চাপে আমার দুজন সঙ্গী পড়ে গিয়েছিলেন। চিৎকার করার পর লোকজনের গতি একটু কমলে তারা উঠে দাঁড়ান। নইলে তারা আজ আহত হতে পারতো।’ আরটিভি/এফএ
জনসমুদ্র মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ
আরও পড়ুন
খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ডিএমটিসিএলের শোক
৩০০ ফিটের সব বর্জ্য পরিষ্কার করল বিএনপি
শুক্রবার ৩০০ ফিটের সব বর্জ্য অপসারণ করবে বিএনপি
৫০০ টাকা বাজিতে খালে ১০০ ডুব, অতঃপর...