ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

মিরপুরে অভিযানকালে পুলিশের ওপর হামলা, দৌড়ে প্রাণে বাঁচলেন সদস্যরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২০ মে ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
সরকারি জমি উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সরকারি জমি উদ্ধারে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। উচ্ছেদ অভিযানে বাধা দিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা পুলিশের ওপর হামলা চালিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশের অন্তত পাঁচ থেকে ছয়জন সদস্য আহত হয়েছেন।

বুধবার (২০ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে পল্লবীর কালশীর বাউনিয়া বাঁধ বস্তি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মোস্তাক সরকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গণপূর্ত অধিদপ্তরের উদ্যোগে সরকারি জমি উদ্ধার করতে বাউনিয়া বাঁধ বস্তিতে এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছিল। একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দুপুর থেকে উচ্ছেদ কার্যক্রম শুরু হলে স্থানীয় বাসিন্দারা একত্র হয়ে বাধা সৃষ্টি করেন। একপর্যায়ে তারা পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ওই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চলাকালে নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিল পল্লবী থানা-পুলিশ এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের বিশেষ ইউনিট প্রটেকশন অ্যান্ড অর্ডার ম্যানেজমেন্টের (পিওএম) সদস্যরা। স্থানীয়দের হামলায় পিওএম ও থানা-পুলিশের কয়েকজন সদস্য আহত হয়েছেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পল্লবী থানা-পুলিশ জানায়, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সরকারি কাজে বাধা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর...
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে বাসা বা হোটেলে ডেকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ। পরে সেসব ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে হাতিয়ে নেওয়া হতো মোটা অঙ্কের টাকা। এভাবে একের পর এক ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে একটি চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেপ্তারদের মধ্যে তিনজন পুরুষ ও দুজন নারী। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর মিন্টুরোডে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিবি প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন— জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান (৩৮), প্রীতম বিশ্বাস ওরফে অনিক শেখ (৩০), অর্থজীৎ ভক্ত ওরফে সিদ্ধার্থ (২০), সাবরিন কবির প্রেমা ওরফে নেহা (২২) ও সাদিয়া ইয়াসমিন ওরফে মাহি (২১)। পুলিশের ভাষ্য, জিৎ ভক্ত ওরফে আব্দুর রহমান চক্রটির মূল হোতা। প্রীতম তার ভাগিনা এবং সাবরিন তার ভাগিনার স্ত্রী। ডিবি প্রধান জানান, চার ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে দীর্ঘদিন ধরে চক্রটিকে শনাক্ত করতে গোয়েন্দা কার্যক্রম চালানো হচ্ছিল। চক্রের সদস্যরা ঘনঘন বাসা ও আস্তানা পরিবর্তন করতেন। পাশাপাশি ভুয়া নিবন্ধিত সিম ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাকাউন্ট পরিচালনা করায় তাদের অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছিল। পরে গোয়েন্দা নজরদারি ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় চক্রটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। এরপর তুরাগ থানা এলাকার একটি আবাসিক ভবন থেকে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে সাতটি মোবাইল ফোন, তিনটি ফাঁকা চেক ও একটি টর্চার বেল্ট উদ্ধার করা হয়। ডিবি প্রধান বলেন, চক্রটির নারী সদস্যরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন পরিচয় ও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মধ্যবয়সী ও বয়স্ক পুরুষদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। বিশেষ করে ব্যবসায়ী ও বিত্তশালী ব্যক্তিদের টার্গেট করা হতো। পরে কৌশলে তাদের নির্ধারিত বাসা বা হোটেলে আসতে প্রলুব্ধ করা হতো। ভুক্তভোগীরা সেখানে গেলে চক্রের পুরুষ সদস্যরা তাদের জিম্মি করে ভয়ভীতি দেখাতেন এবং শারীরিক নির্যাতন করতেন। এ সময় নারীদের সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ছবি ও ভিডিও ধারণ করা হতো। পরে এসব ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া কিংবা ভুক্তভোগীদের আত্মীয়স্বজনের কাছে পাঠানোর হুমকি দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করতেন চক্রের সদস্যরা। তিনি আরও জানান, একবার টাকা আদায়ের পরও চক্রটি থেমে থাকত না। ধারণ করা ছবি ও ভিডিও প্রকাশের ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে আরও টাকা আদায় করা হতো। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি। আরটিভি/এসআর
প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর...
বিগত ১৭ বছরে পাড়ায়-পাড়ায় মাদকের আখড়া তৈরি করা হয়েছে: আইজিপি
বিগত ১৭ বছর সরকারিভাবে প্যাট্রোনাইজ করে দেশের পাড়ায় পাড়ায় মাদকের আখরা তৈরি করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক মো. আলী হোসেন ফকির। রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রোবাদবিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, দেশে পুলিশের সংখ্যা মাত্র ২ লাখ ১৫ হাজার। আমরা এই বছরে ২০ হাজার লোক নিয়োগ দেব। কিন্তু আমাদের একসঙ্গে ২০ হাজার লোক প্রশিক্ষণ দেওয়ার মতো জায়গা নেই। এখন নতুন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি করতে হবে। দেশের উন্নয়ন নিয়ে মহাপরিদর্শক বলেন, একটা দেশের উন্নয়নের জন্য কোনো শর্টকাট ভূমিকা নেই। আপনারা সবাই মিলে যদি সরকারকে সহযোগিতা না করেন, তাহলে দেশ আগাবে না। দেশের শান্তি-সম্মৃদ্ধি উন্নয়নের জন্য, অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সবাই মিলে কাজ করতে হবে। এ ছাড়াও সমাবেশে মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রোবাদ প্রতিরোধে নানা নির্দেশনা দেন পুলিশ প্রধান মো. আলী হোসেন ফকির। তার ভাষ্য, কিশোর গ্যাং প্রতিরোধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার ওসিদের নিয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি জেলা থেকে শুরু করে ইউনিয়ন পর্যন্ত থাকবে। আপনারা জানেন কার ছেলে কি করে। তাই আপনাদের তথ্যের মাধ্যমেই কিশোর গ্যাংয়ের দৌরত্ম্য কমবে। সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধে দক্ষ সাইবার ইউনিট গঠন করা হয়েছে। যারা গুজব ও মব প্রতিরোধে কাজ করবে বলে জানান আইজিপি। দেশে যুবকদের অপরাধে জড়ানোর কারণ হিসেবে বেকারত্বকে দায়ী করে আলী হোসেন ফকির বলেন, প্রতিবছর দেশে ২৭ লাখ বেকার যোগ হচ্ছে। এদের ভেতরে হতাশা এবং যে জীবনী শক্তি আছে তা আমরা ব্যবহার করতে পারছি। ব্যবসায়ীরাও বিনিয়োগ করছে না। তারা টাকা ব্যংকে রেখে দিচ্ছে। বিনিয়োগ না করলে কর্মসংস্থান তেরি হবে না। মাদকের সঙ্গে জড়িত পুলিশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, গত দুই মাসে আমি ২৭ জন পুলিশ সদস্যকে জেলে পাঠিয়েছি মাদকের কারণে। আগে ঘর পরিস্কার হোক, তারপরে আপনারা পরিস্কার হবেন। তবে মাদকের বিরুদ্ধে তথ্য দিয়ে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান পুলিশ প্রধান। শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বিষয়ে আইজিপি বলেন, গুজব, আপা আসবে, কে আসবে আর না আসবে, তা নিয়ে আমাদের প্রশাসনের, কমিউনিটি পুলিশের কোনো ভাবনা নেই। বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মো. জামিলুর ইসলামের সভাপতিত্বে সভায়, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল করিম, বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মো. বাতেন, সরকারি পিসি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মিসেস পারভীন আক্তার, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু সাইদ শুনু, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের নেতা প্রদীপ বসু শন্তুসহ জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজী, দুর্নীতি, কিশোর গ্যাং ও উগ্রোবাদ প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উপস্থিত সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। আরটিভি/ এসআর
বিগত ১৭ বছরে পাড়ায়-পাড়ায় মাদকের আখড়া তৈরি করা হয়েছে: আইজিপি
মেট্রোরেলের সব স্টেশনে বসছে নতুন সিস্টেম
রোববার (২৫ অক্টোবর) ডিএমটিসিএলের পরিচালক মো. নজরুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
মেট্রোরেলের সব স্টেশনে বসছে নতুন সিস্টেম
ছুটি শেষে চেনা রূপে ঢাকা
টানা পাঁচ দিনের ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফিরতেই রাজধানীর সড়কে বাড়তি চাপের মুখে পড়েছেন নগরবাসী। বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের ভিড়ে ব্যস্ত হয়ে ওঠে সড়ক।
ছুটি শেষে চেনা রূপে ঢাকা
রাজউকের সেবায় নতুন গতি, ৭ মাসে প্রায় ১১ হাজার আবেদন
একইসঙ্গে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে আবেদন নিষ্পত্তি এবং আবেদনে কোনো ঘাটতি থাকলে মোবাইল ফোন বা ই-মেইলের মাধ্যমে তা জানানোর ব্যবস্থা চালু হওয়ায় সেবায় গতি ও স্বচ্ছতা বাড়ছে।
রাজউকের সেবায় নতুন গতি, ৭ মাসে প্রায় ১১ হাজার আবেদন
আরও পড়ুন
পুলিশের ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তাকে বদলি
প্রেমের ফাঁদে ফেলে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ, অতঃপর...
বিগত ১৭ বছরে পাড়ায়-পাড়ায় মাদকের আখড়া তৈরি করা হয়েছে: আইজিপি
১২ বছরের অপেক্ষার পর অন্তঃসত্ত্বা, যমজ সন্তান জন্ম দিতে গিয়ে মায়ের মৃত্যু