ঢাকা বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

মিরপুর ও ফার্মগেটে মেট্রো স্টেশনের নিচে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, চরম আতঙ্ক

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৬, ০১:২১ পিএম
মিরপুর ও ফার্মগেটে মেট্রো স্টেশনের নিচে ‘বোমা সদৃশ’ বস্তু, চরম আতঙ্ক । ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীর মিরপুর ১০ নম্বর ও ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে শনিবার (১ আগস্ট) দুপুরে সন্দেহজনক বস্তু পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক তৈরি হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) বিভাগের সদস্যরা।

সংস্থাটির প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক জানান, মিরপুর ও তেজগাঁও এলাকায় একসঙ্গে দুটি স্থানে বোমা সদৃশ বস্তু পাওয়ার খবর পাওয়া যায়। খবর পেয়ে তাদের দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে বিষয়টি পরীক্ষা শুরু করে।

মিরপুর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মোস্তাক সরকার বলেন, খবর পাওয়ার পর বিশেষ দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে নিশ্চিত করে বলা সম্ভব হয়নি, সেটি বিস্ফোরক কি না।

এদিকে ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনের নিচে ওঠানামার নির্দেশনামূলক বোর্ডের ওপরে একটি বস্তা পড়ে থাকতে দেখে সন্দেহ হলে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ পুলিশকে জানায়।

তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান জানান, একটি পিলারের পাশে সন্দেহজনক একটি বস্তা পাওয়া যায়। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে তা পরীক্ষা করতে বিশেষ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলকে ডাকা হয়।

তেজগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ক্যশৈনু মারমা বলেন, বস্তার ভেতরে কিছু থাকতে পারে, আবার নাও থাকতে পারে। তবে ঝুঁকি এড়াতে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়েই দেখা হয়েছে।

পরে দুপুর দেড়টার দিকে বিশেষ বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালায়। পরীক্ষা শেষে তারা জানায়, ফার্মগেইটে পাওয়া বস্তুটি একটি খালি বস্তা, এর ভেতরে কোনো বিস্ফোরক ছিল না।

উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই রাতে রাজধানীর মতিঝিল মেট্রো স্টেশনের নিচে একটি পরিত্যক্ত ছাতার ভেতর থেকে পাইপ বোমা উদ্ধার করা হয়েছিল। এছাড়া বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) রাতে রাজধানীর উপকণ্ঠ আশুলিয়ার চারাবাগ এলাকায় একটি চায়ের দোকানের সামনে থেকেও একটি শক্তিশালী বোমা উদ্ধার করে পরে তা নিষ্ক্রিয় করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।


আরটিভি/জেএমএ

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই আছেন
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অনিয়ম দেখলেই ছুটে যেতেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ খান। যাত্রী হয়রানি, লাগেজ চুরি কিংবা বিমানবন্দরের নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কারণে অল্প সময়েই যাত্রীদের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠেন তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশংসার পাশাপাশি অনেকে তাকে ডাকতেন ‘ফাটাকেষ্ট’ নামে। তবে বেশ কিছুদিন ধরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নওশাদ খানকে আগের মতো দেখা না যাওয়ায় ছড়িয়ে পড়ে নানা গুঞ্জন। ফেসবুক ও ইউটিউবে তার বদলির খবরও ছড়িয়ে পড়ে। প্রশ্ন ওঠে ‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখন কোথায়? তবে এসব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে নওশাদ খান জানিয়েছেন, তিনি এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন। দেশের এক গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ও তিনি বিমানবন্দরে লাগেজ ব্যবস্থাপনার কাজ করছিলেন।  ২০২৫ সালের অক্টোবর থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন শুরু করেন নওশাদ খান। দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন অনিয়মের বিরুদ্ধে তার অভিযান ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। লাগেজ ব্যবস্থাপনায় অনিয়ম ও যাত্রী হয়রানি কমাতেও বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়। লাগেজ হ্যান্ডলিং ও রিলিজের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের বডি-ক্যামেরার আওতায় আনা, গুরুত্বপূর্ণ কন্টাক্ট জোনে সিসিটিভি স্থাপন এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ফুটেজ সংরক্ষণের মতো উদ্যোগও নেওয়া হয়েছিল। এসব কারণে বিমানবন্দরে কোনো অনিয়মের অভিযোগ উঠলেই আলোচনায় আসত নওশাদ খানের নাম। তার তৎপরতায় অনেক যাত্রী ও প্রবাসীর মধ্যে আস্থাও তৈরি হয়েছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে আবারও বিমানবন্দরের যাত্রীসেবা নিয়ে নানা অভিযোগ সামনে আসছে। দীর্ঘ অপেক্ষা, লাগেজ পেতে বিলম্ব, ট্রলির সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন যাত্রীরা। সম্প্রতি মদিনা থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটের যাত্রীদের লাগেজ পেতে বিলম্ব এবং জমজমের পানি সরবরাহ নিয়ে উত্তেজনার ঘটনাও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। এ ঘটনায় বিমানবন্দরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত মেজর ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা মোহাম্মদ আখতারুজ্জামানের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। পরে সরকারি কাজে বাধা, হুমকি ও নিরাপত্তাকর্মীকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবারও নওশাদ খানের পুরোনো অভিযানগুলোর ভিডিও ও খবর ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে প্রশ্ন তোলেন, যাত্রীদের অভিযোগে দ্রুত ছুটে যাওয়া সেই কর্মকর্তা এখন কোথায়? কেউ কেউ তাকে আবারও সক্রিয়ভাবে বিমানবন্দরের অনিয়ম তদারকিতে দেখতে চেয়ে পোস্ট ও মন্তব্য করেন। তবে নওশাদ খান জানিয়েছেন, তিনি বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে কোথায় কী দায়িত্বে আছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি এখনও বিমানবন্দরেই আছি। একটু আগে লাগেজের কাজ করলাম। এসব খবর অনলাইনে দেখছি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাকে আগের মতো দেখা না যাওয়ার কারণও জানিয়েছেন নওশাদ। তিনি বলেন, ‘আমি তেমন সোশ্যাল মিডিয়ায় আসি না। এড়িয়ে চলি। বিমানবন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক কিছু আসলে শোনা যায়। কিন্তু আমাদের কাছে নির্দিষ্ট করে কেউ কোনো অভিযোগ জানালে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিই। সাধারণ মানুষকে বলব, সুনির্দিষ্ট অভিযোগ জানাতে। তাহলে প্রতিকার পাবেনই। অর্থাৎ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা গুঞ্জন ছড়ালেও ‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখনও শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরেই দায়িত্ব পালন করছেন। আরটিভি/এসকে
‘ম্যাজিস্ট্রেট নওশাদ’ এখনও শাহজালাল বিমানবন্দরেই আছেন
বিক্রি করতে না পেরে শিশু বায়জিদকে রাস্তায় ফেলে যায় অপহরণকারীরা
রাজধানীর রূপনগর থেকে অপহৃত ছয় বছরের শিশু বায়জিদকে ১৮ দিন পর জীবিত উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৪। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন এরশাদ নগরের দত্তপাড়ায় সম্মিলিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের বালক শাখা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এসআরবি-৪ জানায়, অপহরণের পর শিশুটিকে একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় অপহরণকারীরা। পরে তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে চলে যায় তারা। স্থানীয় পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে গাজীপুরের একটি শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে ভর্তি করে। সেখানেই এতদিন অবস্থান করছিল বায়জিদ। এসআরবি-৪-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান জানান, গত ১৮ সেপ্টেম্বর রূপনগর থানার দুয়ারীপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে শিশু বায়জিদ অপহৃত হয়। বিষয়টি গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে শিশুটিকে উদ্ধারে ছায়াতদন্ত শুরু করে এসআরবি-৪-এর একটি দল। তদন্তের শুরুতে ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়। এতে দেখা যায়, অপহরণের পর শিশুটিকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে স্কয়ার নার্সিং হোম ক্লিনিকের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে ওই ক্লিনিকের সিসিটিভি ফুটেজে লিপি ও নাসরিনকে শিশুটির হাত ধরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এরপর তাদের গতিবিধির আর কোনো ফুটেজ পাওয়া যায়নি। তদন্তে এসআরবি জানতে পারে, বায়জিদের বাবা রফিকুল ইসলামের পাশের বাসার ভাড়াটিয়া কুলসুমের মেয়ে নাসরিন কয়েক দিন ধরে ওই বাসায় অবস্থান করছিল। প্রাথমিক তদন্তে নাসরিনের একটি শিশু চুরি চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়। পরে লিপির সঙ্গে মিলে শিশুটিকে বিক্রির উদ্দেশ্যে গাজীপুরে নিয়ে যায় তারা। এ ঘটনায় কুলসুমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এসআরবি জানায়, তথ্যপ্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য ও তদন্তের মাধ্যমে বায়জিদের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে গাজীপুরের টঙ্গী পূর্ব থানাধীন এরশাদ নগরের দত্তপাড়ায় সম্মিলিত শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র থেকে তাকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের পর বায়জিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, নাসরিন ও লিপি তাকে একাধিক ব্যক্তির কাছে বিক্রির চেষ্টা করেছিল। তবে কোথাও তাকে বিক্রি করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত রাস্তায় ফেলে রেখে যায় তারা। পরে স্থানীয় থানা পুলিশ শিশুটিকে উদ্ধার করে শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রে দিয়ে যায়। শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বায়জিদের বাবা রিকশাচালক এবং মা বিভিন্ন বাসায় গৃহকর্মীর কাজ করেন। গত ১৮ সেপ্টেম্বর সকালে তার মা বায়জিদ ও তার বাবাকে বাসায় ঘুমন্ত অবস্থায় রেখে কাজে বেরিয়ে যান। পরে দুপুরে ঘুম থেকে উঠে বাবা দেখতে পান, বায়জিদ বাসায় নেই। বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করেও তাকে না পেয়ে রূপনগর থানায় মামলা করেন তিনি। শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্রের মানসিক চিকিৎসক ইসমত আরা মিতা জানান, গত ১৯ সেপ্টেম্বর গাজীপুরের বাসন থানা থেকে বায়জিদকে তাদের কেন্দ্রে দিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশ জানিয়েছিল, আগের রাতে শিশুটিকে রাস্তা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরিবারের কাউকে না পাওয়ায় তাকে পুনর্বাসন কেন্দ্রে রাখা হয়। এদিকে বায়জিদকে উদ্ধারের পাশাপাশি ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে এসআরবি-৪। আরটিভি/এসকে  
বিক্রি করতে না পেরে শিশু বায়জিদকে রাস্তায় ফেলে যায় অপহরণকারীরা
জন্মের তিন দিনের মাথায় মা, এবার ডেঙ্গুতে বাবাকে হারাল আরফা
জন্মের মাত্র তিন দিনের মাথায় মাকে হারিয়েছিল আরিফিন ইসলাম আরফা। গত ১৮ সেপ্টেম্বর ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন তার বাবা তাজুল ইসলাম। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে মা-বাবার কোলশূন্য হয়ে এখন অথই সাগরে ৯ বছরের এই শিশুটি।
জন্মের তিন দিনের মাথায় মা, এবার ডেঙ্গুতে বাবাকে হারাল আরফা
মোহাম্মদপুরে তৈরি হতো শিশুদের ভেজাল ওষুধ, গ্রেপ্তার ৩
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের একটি বাসায় তৈরি করা হতো শিশুদের ওষুধসহ সংবেদনশীল নানা ধরনের ওষুধ। এসব ভেজাল ঔষধ তৈরীর সরঞ্জামসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তারা হলেন— আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, মোহাম্মদ সাজু এবং সজীব। তারা আগে বিভিন্ন ওষুধ কোম্পানির রিপ্রেজেন্টেটিভ হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং পরবর্তীতে নিজেরা একটি কারখানা গড়ে তোলে। কারখানাটি থেকে প্রচুর পরিমাণ নকল ওষুধ এবং ক্যাপসুল তৈরি, ক্যাপসুল ভরাট ও লেবেলিং করার আধুনিক যন্ত্রপাতিও উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (গোয়েন্দা) মো. শফিকুল ইসলাম। তিনি জানান, ওষুধ প্রশাসনের দুজন কর্মকর্তার উপস্থিতিতে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওয়ারি বিভাগ ভেজাল ও অনুমোদনহীন ওষুধের বিরুদ্ধে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।  গত ৬ অক্টোবর ওয়ারি বিভাগের একটি দল মোহাম্মদপুর থানাধীন ঢাকা উদ্যান এলাকার রোড নম্বর ১, বাড়ি নম্বর ২, ব্লক সি-এর একটি ভবনের তৃতীয় তলায় ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল ওষুধ ও ওষুধ তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে। এ সময় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।  সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শফিকুল ইসলাম বলেন, সাধারণ মানুষের পক্ষে ভেজাল ওষুধ চেনা বেশ দুরূহ হলেও মোড়ক ও প্যাকেজিং দেখলে কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতে পারে। কিছু অনুমোদনহীন ওষুধ প্রতিবেশী দেশ (ভারত) থেকে আনা হচ্ছে, যা দেশের প্রচলিত ওষুধের তালিকায় নেই এবং নির্দিষ্ট কিছু চিকিৎসকের মাধ্যমে প্রেসক্রাইব করিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে। উদ্ধার করা ওষুধের তালিকা অনেক লম্বা, জানিয়ে তিনি জানান, এর মধ্যে কিছু আমদানি করা বিদেশি ওষুধও রয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের ভিটামিনের ঘাটতি পূরণের জন্য ব্যবহৃত 'কিডোকেয়ার' (কিড ওমেগা) নামক নকল সিরাপও উদ্ধার করা হয়েছে।  যেসব নির্দিষ্ট ডাক্তার ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের অনুমোদনহীন ওষুধ প্রেসক্রাইব করছেন, তদন্ত সাপেক্ষে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে এবং ওষুধগুলো কোথায় কোথায় সরবরাহ করা হয়েছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ জেনেছে, তারা গত তিন থেকে সাড়ে তিন মাস ধরে বাসা ভাড়া নিয়ে এই ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিল এবং তাদের এই কার্যক্রম আপাতত ঢাকা শহরের ভেতরেই সীমাবদ্ধ আছে।
মোহাম্মদপুরে তৈরি হতো শিশুদের ভেজাল ওষুধ, গ্রেপ্তার ৩
২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৬৫
ঢাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অভিযানে ৪৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে মামলা করা হয়েছে ৭৩টি।
২৪ ঘণ্টায় ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৪৬৫
আরও পড়ুন
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে বোমা হামলার হুমকি, তদন্তে পুলিশ
নিরাপত্তা শঙ্কায় যুক্তরাজ্যের ঘাঁটি ছাড়ল মার্কিন বোমারু বিমান
রাড্ডায় ভাঙচুর, জাতীয়তাবাদী সাইবার দলের সহ-সভাপতি গ্রেপ্তার
এবার পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠ থেকে ককটেল-পেট্রোল বোমা উদ্ধার