ঢাকা মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩

ঢাকার আরও ৫০ ট্রাফিক সিগনাল পয়েন্টে বসছে এআই ক্যামেরা

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ২৪ আগস্ট ২০২৬, ১০:০২ এএম
ছবি: সংগৃহীত

যানবাহনের নিয়ম মেনে চলা ও সুশৃঙ্খল পথচারী পারাপার নিশ্চিত করতে ঢাকার সড়কে প্রসার ঘটছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নিয়ন্ত্রিত সিগন্যাল ব্যবস্থার। গেল বছরের মাঝামাঝি সময়ে পরীক্ষামূলকভাবে ঢাকার ১৩টি ইন্টারসেকশনে সেমি অটোমেটেড ও এআই ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর পর এবার আরও ৫০টি স্থানে এই প্রযুক্তি যুক্ত করা হচ্ছে।

দুই সিটি করপোরেশন এলাকার নতুন ৫০টি পয়েন্টের মধ্যে ২৮টি বসছে ঢাকা উত্তর এবং ২২টি বসছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে। বুয়েটের তত্ত্বাবধানে তৈরি এই বিশেষ প্রযুক্তি চালকদের মধ্যে নিয়ম মানার প্রবণতা বাড়াতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে বলে জানা গেছে।

নতুন ট্রাফিক ব্যবস্থার সুফল সম্পর্কে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা জানান, সম্পূর্ণ অটোমেটেড এই সিগন্যালগুলো চালাতে আলাদা কোনো অপারেটরের প্রয়োজন পড়বে না। এটি সড়কের যানবাহনের চাপের ওপর ভিত্তি করে অটোমেটিক কাজ করবে। পাশাপাশি ট্রাফিক পুলিশের সদস্যরা চাইলে হাতের ট্যাব ব্যবহার করেও সিগন্যাল পরিবর্তন করতে পারবেন।

আরও পড়ুন

সড়কে এই প্রযুক্তির ব্যবহার চালকদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনছে বলে মনে করছেন চালকেরা। অনেক চালক জানান, মামলা খাওয়ার ভয় ও সতর্ক থাকার তাগিদ থেকে এআই সিগন্যাল মেনে চলার এই উদ্যোগ বেশ কার্যকর।

আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিনিধিরাও প্রযুক্তিভিত্তিক এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. আনিছুর রহমান জানান, মানুষকে পুরনো অভ্যাস থেকে বের করে এনে শৃঙ্খলায় ফেরানো সহজ নয়। তবে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে এই ব্যবস্থার প্রতি ইতিবাচক সাড়াদান পাওয়া যাচ্ছে।

তবে সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই ক্যামেরার সক্ষমতা নিয়ে কিছুটা মিশ্র অভিজ্ঞতাও রয়েছে। মাঠপর্যায়ের ট্রাফিক কর্মকর্তারা বলছেন, ফুটপাত দখল, যত্রতত্র পথচারীদের রাস্তা পারাপার এবং ফিটনেসবিহীন ও ব্যাটারিচালিত রিকশার উপস্থিতির কারণে অনেক সময় এআই সিস্টেম সঠিকভাবে কাজ করতে সমস্যার মুখে পড়ে।

প্রযুক্তিগত এই সেবা সার্বক্ষণিক পরিচালনা করতে নতুন লোকবল নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সিগন্যালিং ব্যবস্থা সচল রাখা ও দক্ষ তদারকির জন্য ট্রাফিক পুলিশের পক্ষ থেকে 'ট্রাফিক টেকনিক্যাল ইউনিট' নামে একটি বিশেষায়িত ইউনিটকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দিয়ে প্রস্তুত করা হচ্ছে।

আরটিভি/এআর

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিস্থল জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ভিড় জমেছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে প্রিয় নেতার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করতে সেখানে উপস্থিত হয়েছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয়, মহানগর ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকেই জিয়া উদ্যান এলাকায় যুবদলের নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। এ সময় যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি এবং ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে সেখানে উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচিতে অংশ নেন। এ সময় ‘তারেক রহমানের জন্য বাংলাদেশ ধন্য’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘আজকের এই দিনে জিয়া তোমায় মনে পড়ে’ এবং ‘জিয়ার সৈনিক এক হও, লড়াই করো’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় তাদের। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। এতে যুবদলের কেন্দ্রীয় ও মহানগর পর্যায়ের নেতারা অংশ নেবেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদল সদস্য সচিব রবিউল ইসলাম নয়ন বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গৌরবের দিন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে ধারণ করে যুবদল প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই দেশের গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার ও জাতীয়তাবাদী রাজনীতির পক্ষে কাজ করে যাচ্ছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে যুবদলকে আরও সুসংগঠিত ও শক্তিশালী করতে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছি। দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ এবং গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে যুবদলের নেতাকর্মীরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন। যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির যোগাযোগবিষয়ক সম্পাদক সাজিদ হাসান বাবু বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ বুকে ধারণ করে যুবদল দীর্ঘদিন ধরে দেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী শুধু আনন্দ-উৎসবের দিন নয়, এটি আমাদের জন্য নতুন করে শপথ নেওয়ার দিন। দেশনায়ক তারেক রহমানের নেতৃত্বে যুবদলকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করতে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে যুবদলের প্রতিটি নেতাকর্মী ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবেন। ১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান জাতীয়তাবাদী যুবদল প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি বিএনপির রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। দলটির বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়ন ও সাংগঠনিক কার্যক্রমে যুবদলের নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে আসছেন। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে যুবদল। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুর ১২টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে রক্তদান কর্মসূচি ও বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এ ছাড়া ২৭ ও ২৮ অক্টোবর সারা দেশে আলোচনা সভা, র‍্যালি, সমাবেশ, রক্তদান, বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা, বৃক্ষরোপণ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে সংগঠনটি। পাশাপাশি মাছের পোনা অবমুক্তকরণ এবং দুস্থ মানুষের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে যুবদলের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন নুরুল ইসলাম নয়ন। আরটিভি/টিআর
যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জিয়া উদ্যানে নেতাকর্মীদের ঢল
যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকায় শোডাউন
জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানীতে শোডাউন করেছেন ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মেহেদী হাসান রুয়েল।
যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ঢাকায় শোডাউন
পুলিশের ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় গ্রেপ্তার ৫৪৩
রাজধানীর বিভিন্ন থানা এলাকায় নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এ সময়ে ৩৮টি মামলা দায়ের করা হয়।
পুলিশের ২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় গ্রেপ্তার ৫৪৩
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) দেখে নিন কোন কোন মার্কেট, শপিংমল ও এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
ঢাকার যেসব এলাকায় আজ মার্কেট বন্ধ থাকবে
ঢাকায় সরকারি বাসা নেওয়া চাকরিজীবীদের কড়া হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর 
ঢাকায় সরকারি বাসা নিয়ে যে চাকরিজীবীরা থাকছেন, তাদের উদ্দেশে কড়া এক হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
ঢাকায় সরকারি বাসা নেওয়া চাকরিজীবীদের কড়া হুঁশিয়ারি প্রতিমন্ত্রীর