ঢাকা রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩

মাঝ আকাশে দরজা খুলে গেল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের, ঢাকায় নেমে রোগীর মৃত্যু

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৮ পিএম
ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করা সেই ইয়ার অ্যাম্বুলেন্স। ছবি: সংগৃহীত

ভারতের আগরতলা থেকে কলকাতা যাওয়ার পথে বড় ধরনের বিপত্তিতে পড়েছে একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স। মাঝ আকাশে হঠাৎ দরজা খুলে যাওয়ায় ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণে বাধ্য হয়েছেন অ্যাম্বুলেন্সটির পাইলট। পরে বিমানটিতে থাকা অসুস্থ নারীও মারা গেছেন।

রোববার (১৮ অক্টোবর) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ঢাকায় অবতরণের পর অঞ্জনা ভৌমিক নামে ওই রোগীকে দ্রুত কুর্মিটোলা হাসপাতালে নেওয়া হলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সিনিয়র অফিসার মো. রিয়াজ উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, মারা যাওয়া ওই নারী ভারতীয় নাগরিক। তার সঙ্গে ছিলেন চিকিৎসক ডা. ফিরোজ খান, প্যারামেডিক আজিম খান এবং দুই সঙ্গী সান্তা ভৌমিক ও দীপ জ্যোতি মিশ্র। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটির যাত্রী তালিকায় তাদের সবার জাতীয়তা ভারতীয় বলে উল্লেখ রয়েছে।

এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটির পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এসকেবি ইনফ্রাকন প্রাইভেট লিমিটেড। বিমানটির মডেল সি৯০এ (C90A) এবং নিবন্ধন নম্বর ভিটি-এইচওয়াইএ (VT-HYA)। এটি আগরতলা থেকে কলকাতায় যাচ্ছিল।

বিমানের পাইলট ইন কমান্ড ছিলেন ক্যাপ্টেন পুণ্য অনুপ এবং সহকারী পাইলট ছিলেন ক্যাপ্টেন তনুজ শর্মা। দুই পাইলটসহ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটিতে টিতে মোট সাতজন ছিলেন।

কী কারণে উড়োজাহাজটির দরজা খুলে গিয়েছিল এবং ওই নারীর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

আরটিভি/এসএইচএম

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ৭ মরদেহের বিপরীতে ৪ বাবার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ
কক্সবাজারে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত ১০ জনের মধ্যে সাতজনের মরদেহ শনাক্ত করতে ৪ বাবার কাছ থেকে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন একই পরিবারের খালাতো ভাই-বোন। তাদের মধ্যে চারজন মেয়ে ও দুজন ছেলে।
রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ৭ মরদেহের বিপরীতে ৪ বাবার ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ
চুরি যাওয়া এক মোটরসাইকেল খুঁজতে গিয়ে মিলল আরও আটটি
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মোটরসাইকেল চুরির ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে গোয়েন্দা-লালবাগ বিভাগ। এ সময় তাদের কাছ থেকে দুটি লোহার চাবি ও ৯টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে।
চুরি যাওয়া এক মোটরসাইকেল খুঁজতে গিয়ে মিলল আরও আটটি
চাঁদাবাজের খোঁজ পেলে ধরে আনুন: ডিএসসিসি প্রশাসক
ঢাকার নির্ধারিত সড়ক ও ফুটপাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে লাইসেন্স ছাড়া কোনো হকারকে বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
চাঁদাবাজের খোঁজ পেলে ধরে আনুন: ডিএসসিসি প্রশাসক
২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় ৪৯০ জন ধরা
রোববার (১৮ অক্টোবর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে  এ তথ্য জানায় ডিএমপি। 
২৪ ঘণ্টার অভিযানে ঢাকায় ৪৯০ জন ধরা
ছেলের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বাবার
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলের ছুরিকাঘাতে আহত বাবার মৃত্যু হয়েছে। নিহতের নাম লিটন মিয়া (৪৫)। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শনিবার (১৮ অক্টোবর) রাত ১টা ৫ মিনিটে মারা যান তিনি।   নিহতের বড় ছেলে রাসেল আমিন জানিয়েছেন, তার ছোট ভাই সোহেল মানসিক রোগী, কিছু দিন ভালো থাকে, আবার খারাপ (পাগল) হয়ে যায়। তাই তাকে মাঝে মধ্যে মেন্টাল হাসপাতালে ভর্তি রাখতে হয়।  তিনি বলেন, গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাতে মোবাইল দেখছিল সোহেল। তার বাবা তাকে মোবাইল বন্ধ করতে বলেছিলেন। পরে সবাই রাতে খাওয়া দাওয়া শেষে যার যার রুমে ঘুমাতে যায়। মা সানু বেগম সবার খোঁজ খবর নিয়ে নিজের রুমে ঘুমাতে যান। এ সময় সোহেল হঠাৎ তার বাবা-মায়ের রুমে গিয়ে তাদের ছুরিকাঘাত শুরু করে।  তিনি আরও বলেন, পরে তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আর ছেলেকে আটক করে পাবনায় মেন্টাল হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসায় মা সুস্থ হলেও, বাবা গতরাতে মারা যান।  নিহতের স্বজনদের এ ব্যাপারে কোনও অভিযোগ নেই। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানাকে (যাত্রাবাড়ী) অবগত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছেন নিহতের বড় ছেলে রাসেল আমিন।    ডেমরা কোনাপাড়া আদর্শবাগ এলাকায় পরিবার নিয়ে থাকতেন লিটন মিয়া। তিন ছেলের জনক ছিলেন তিনি।  নিহতের লাশ ঢামেক হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. হাবিবুর রহমান।  আরটিভি/এসআর
ছেলের ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল বাবার
আরও পড়ুন
সংসদ ভবনের সামনে হ্যাঁচকা টানে প্রধান শিক্ষিকার মৃত্যু, ছিনতাইকারীর জামিন
২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৬ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২ হাজার ৮৮
সৌদি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ১১৯৬