
দীর্ঘদিনের অসুস্থতা কাটিয়ে বাড়ি ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন খুলনা মহানগর ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খান সাইফুল। হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফেরার আগে মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিনিধিরা। এ সময় তার হাতে চিকিৎসা-পরবর্তী প্রয়োজনীয় ওষুধ ও আর্থিক সহায়তা তুলে দেওয়া হয়।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে প্রায় ১০ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বর্তমানে সুস্থতার পথে রয়েছেন খান সাইফুল।
প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে মঙ্গলবার তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে যান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চিকিৎসক ও বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জন অধ্যাপক ডা. শাহ মুহাম্মদ আমান উল্লাহ আমান এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন (মিথুন)। তারা সাইফুলের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং তার চিকিৎসা-পরবর্তী প্রয়োজনীয় ওষুধ ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।
খান সাইফুলের চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সম্প্রতি খুলনায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সাইফুলের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। এরপর তিনি তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে সাইফুলের চিকিৎসার ব্যবস্থা করাসহ সার্বিক খোঁজখবর নেওয়ার নির্দেশ দেন।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ১১ অক্টোবর খান সাইফুলকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নুরুজ্জামানের তত্ত্বাবধানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
হাসপাতালে সাক্ষাৎকালে আরও উপস্থিত ছিলেন অ্যানেসথেশিয়া বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম সাইফউদ্দিন, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর জ্যেষ্ঠ সদস্য মাসুদ রানা লিটন, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) আইনবিষয়ক সম্পাদক ডা. এম আর হাসান এবং ছাত্রনেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ অন্যরা।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে তৎকালীন সরকারের পুলিশের নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন খান সাইফুল। এর আগে বিভিন্ন সময়ে তারেক রহমানের নির্দেশনায় রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
আরটিভি/এসকে



