
স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে আজও বাড়িতে ফিরছে মানুষ। ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক হয়ে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া নৌপথে ছুটছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ১৯টি জেলার যাত্রীরা। এ কারণে গেল দুদিন ধরে আটকে পড়া মানুষ ফেরি পার হয়ে গন্তব্যে যেতে পারলেও নতুন করে আটকে পড়ছেন অনেকেই। সবশেষ খবর অনুযায়ী পাটুরিয়া ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় আটকে আছে ছোট-বড় মিলে তিন শতাধিক গাড়ি।
মানিকগঞ্জের পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম আরটিভি নিউজকে বলেন, শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ী নৌপথ বন্ধ থাকায় ওই পথের যাত্রী ও যানবাহন পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া পথে আসাতেই পাটুরিয়া ঘাটে গাড়ির লাইন দীর্ঘ হয়ে গেছে।
ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (অপরাধ) জিহাদুল কবীরের নেতৃত্বে জেলা পুলিশের সদস্যরা দিন-রাত আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন বলেই আটকে পড়া যাত্রী ও যানবাহন রাতেই পার করা সম্ভব হয়েছে। রাতের কোনও যাত্রী ও যানবাহন ঘাটে আটকা নেই। তবে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে ভোর থেকেই ঢাকা থেকে শত শত গাড়িতে বাড়ি ফিরছেন অনেকেই। এ কারণে পাটুরিয়া ঘাটে এখন তিন শতাদিক গাড়ি ফেরি পারের অপেক্ষায় আছে। তবে শৃঙ্খলা ঠিক রাখতে পুলিশ সদস্যরা এখনও মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে এবং পাটুরিয়া ঘাটে নিয়োজিত রয়েছেন।
বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের উপ-মহাব্যবস্থাপক জিল্লুর রহমান আরটিভি নিউজকে জানান, ছোট-বড় মোট ১৬টি ফেরির মধ্যে ১৪টি ফেরি দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। ফেরি পারাপার স্বাভাবিক আছে।
উল্লেখ্য, এই পথে গাড়ির চাপ বেড়ে যাওয়ায় ফেরি পারের অপেক্ষায় থাকা গাড়ির লাইন পাটুরিয়া ফেরি ঘাট থেকে ৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ হয়। এতে যাত্রী ও যানবাহনের চালক,সহযোগীরা চরম দুর্ভোগে পড়েন।
আরও পড়ুন: কুড়িগ্রাম-৩ আসনের এমপি এম এ মতিন করোনায় আক্রান্ত
জেবি




