
বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ মেরামত না করায় দিনে দু’বার জোয়ারের পানিতে ডুবে যায় নোয়াখালীর হাতিয়ার বিস্তীর্ণ এলাকা। অনেকেই ঘর বাড়ি ছেড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে বাধ্য হন। দুর্ভোগ কমাতে টেকসই ও স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি এলাকাবাসীর।
বিভিন্ন সময় মেঘনার ভাঙনে বিলিন হয় নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার নলচিরা, সুখচর ও চর ঈশ্বর ইউনিয়নের প্রায় সাড়ে সাত কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত হয় আরও আট কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। দীর্ঘদিন এসব বাঁধ মেরামত না করায় ভাঙা অংশ দিয়ে জোয়ারের সময় পানি ঢুকছে লোকালয়ে। জোয়ার এলেই পানিতে ডুবে যায় ঘর বাড়ি, ফসলি জমি ও মাছের ঘের।
এলাকাবাসীরা বলেন, পাঁচ বছরেও এমন পানি বা বন্যা দেখিনি। আমাদের ঘর বাড়ি সব নষ্ট হয়ে গেছে। ঝড় বৃষ্টির কারণে ঘরে থাকা কষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মাছের ঘের, সবজি বাগানসহ অনেক ফসলি জমি নষ্ট হয়ে গেছে।
প্রতি বছর ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ মেরামত করা হলেও চলতি বছর এখনও তা করা হয়নি অভিযোগ করে স্থানীয়রা বলেন, বাঁধ মেরামত না করায় এলাকায় পানিতে তলিয়ে গেছে।
বরাদ্দ না থাকায় বাঁধ সংস্কার সম্ভব হয়নি বলে জানান নোয়াখালীর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাছির উদ্দিন।
তিনি বলেন, বেড়িবাঁধ মেরামত করার জন্য আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম। তবে বরাদ্দ না থাকার কারণে আমরা বেড়িবাঁধ মেরামত করতে পারিনি।
উপকূলের অসহায় মানুষগুলোর একটাই চাওয়া নিজেদের ফসলি জমি রক্ষায় স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণে উদ্যোগী হবে প্রশাসন।
এসএ/এমকে




