ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩

টাঙ্গাইল পৌরসভা নির্বাচনে আ. লীগে হাফ ডজন, বিএনপিতে একক প্রার্থী

কামাল হোসেন

প্রকাশ : ২৫ নভেম্বর ২০২০, ০২:০৪ পিএম
আওয়ামী লীগে হাফ ডজন, বিএনপিতে একক

ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে পৌরসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে টাঙ্গাইলে। প্রথম ধাপের ভোট হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে। পৌরসভা নির্বাচন সামনে রেখে ইতোমধ্যে প্রার্থীরা দৌড়ঝাপ শুরু করছেন। টাঙ্গাইলে পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে পৌরসভার সম্ভাব্য প্রার্থীরা ব্যাপক তৎপরতা শুরু করছেন।

টাঙ্গাইল পৌরসভা দেশের প্রাচীন পৌরসভার একটি। ১৮৮৭ সালের ১ জুলাই এ পৌরসভাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৫ সালে টাঙ্গাইল পৌরসভা ‘গ’ থেকে ‘খ’ এবং ১৯৮৯ সালে ‘খ’ থেকে ‘ক’ শ্রেণীতে উন্নতি লাভ করে।

আসন্ন পৌর নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠ গোছাতে ভোটারদের কাছে নানা প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজেদের তুলে ধরছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। করছেন গণসংযোগও। সরকার দলীয় আওয়ামী লীগের মনোনয়নের জন্য প্রার্থীরা জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। বর্তমান মেয়রসহ অর্ধডজন মেয়রপ্রার্থী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের যারা প্রচারণা চালাচ্ছেন তাদের মধ্যে রয়েছেন বর্তমান মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন, প্যানেল মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান খান সোহেল, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর, শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ রউফ, জেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সোলায়মান হাসান, মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমদের ছেলে আহমদ সুমন মজিদ।

অপরদিকে বিএনপির একক প্রার্থী হিসেবে এখন পর্যন্ত জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মো. মাহমুদুল হক সানুর নামই শোনা যাচ্ছে। বিগত নির্বাচনেও তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন। এবারও তিনিই নির্বাচন করবেন বলে দলটির একাধিক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে শহর জাতীয় পার্টির সভাপতি আহসানুল হক খান আছু গণসংযোগ শুরু করেছেন।

নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য মেয়র ও পৌরসভার ১৮টি ওয়ার্ডে কাউন্সিলর এবং মহিলা কাউন্সিলর পদে নতুন পুরোনো মুখ মিলে প্রায় ১০০ জন প্রার্থীর সক্রিয় তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীদের প্রচারণা ও তৎপরতা বেশি দেখা যাচ্ছে।

টাঙ্গাইল পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জামিলুর রহমান মিরন বলেন, আমি তিনবার টাঙ্গাইল পৌরসভার জনগণের বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছি। দল আমাকে আবারো মনোনয়ন দিলে অসমাপ্ত কাজ সমাপ্ত করবো এবং সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত শহর গড়ে তুলবো।

টাঙ্গাইল পৌরসভার বর্তমান প্যানেল মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুজ্জামান খান সোহেল বলেন, দীর্ঘদিন যাবত আমি টাঙ্গাইল পৌর এলাকার গণসংযোগ করে যাচ্ছি। এতে তৃণমূল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও জনগণের ব্যাপক সাড়া পেয়েছি। দল আমাকে মনোনয়ন দিলে মেয়র নির্বাচিত হয়ে প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার তিলোত্তমা টাঙ্গাইল শহর উপহার দেবো।

শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি সিরাজুল হক আলমগীর জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন দলের ত্যাগী নেতাদের মূল্যায়ন করা হবে। সে কারণে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী। এছাড়াও তিনি কয়েক যুগ ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। দলের জন্য আন্দোলন, সংগ্রাম, লড়াই ও জেল খেটেছেন। দায়িত্বশীল কর্মী বিবেচিত হলে তিনি দলের মনোনয়ন পাবেন।

জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মাহমুদুল হাসান সানু বলেন, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের কোনও বিকল্প নেই। জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে মেয়র নির্বাচিত করলে পৌর এলাকার যানজট নিরসন ও জলাবদ্ধতা দূর করবো। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকার রাস্তাঘাটের উন্নয়ন সাধন করবো।

টাঙ্গাইল শহর জাতীয় পার্টির সভাপতি আহসান খান আছু বলেন, ইতোমধ্যে দলের হাইকমান্ডের সবুজ সংকেত পেয়েছি। মেয়র পদে দলীয় মনোনয়ন পেলে জনগণের ভোটে আমি নির্বাচিত হবো। দলের হাইকমান্ডের সঙ্গে কথা হচ্ছে জোটের ব্যাপারেও।

নির্বাচিত চেয়ারম্যানের কাছে জনগণের চাওয়া কি? জানতে চাইলে ১৬ নং ওয়ার্ডের আব্দুর রাজ্জাক বলেন, এ ওয়ার্ডে বিশেষ করে মাদকসেবীদের প্রবণতা অনেক বেশি। এলাকায় চুরি, ছিনতাই, ইভটিজিং এবং বখাটেদের উৎপাত রয়েছে। ওয়ার্ডের ভিতরের রাস্তাগুলো এখনও কাঁচা রয়েছে। অল্পবৃষ্টি হলে কিছু এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এছাড়াও গ্যাস ও সাপ্লাইয়ের পানির স্বল্পতা রয়েছে। এমন প্রার্থী বেছে নেবো যিনি এসব সমস্যার সমাধান করবেন।

পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর রশিদ জানান, এই ওয়ার্ডের রাস্তা, যানজট, জলাবদ্ধতা ও মাদকের সমস্যাটা সবচেয়ে বেশি। এই ওয়ার্ডের প্রায় সব রাস্তায় বৃষ্টি হলে চলাচলে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এ ওয়ার্ডে সব রাস্তায় ড্রেনেজ ব্যবস্থা নেই। এ সমস্ত সমস্যার সমাধান যিনি করবেন তাকেই আমরা ভোট দিবো।

পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুর আহসানউল্লাহ জানান, এই ওয়ার্ডের যানজটই মূল সমস্যা। যানজট নিরসনে যিনি কাজ করবেন আমরা তাকেই ভোট দিবো।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল পৌরসভায় মোট ভোটার ৯৪ হাজার ৬৪৪ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৪৬ হাজার ১৩০ জন এবং মহিলা ভোটার রয়েছে ৪৮ হাজার ৫১৪ জন।
এসএস/পি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
শিক্ষকের পরিবারের নারী সদস্যকে গালিগালাজ, এলাকাবাসীর মানববন্ধন
মাদারীপুরে একেডি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র নাগ ও তার পরিবারের নারী সদস্যকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয়ার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থী-শিক্ষক, অভিভাবক ও এলাকাবাসী।  বৃহস্পতিবার কালকিনি উপজেলার ডাসার থানাধীন দর্শনা বাজারে এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। ব্যানার-ফেস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানববন্ধনে প্রধান শিক্ষক ও তার পরিবারকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয়ার প্রতিবাদ জানানো হয়।  এ সময় বক্তারা দ্রুত এই ঘটনার সাথে জড়িত ও অভিযুক্ত ডাসার ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজের বিচার দাবী করেন। গত ২৮ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিদ্যালয়ের কমিটি করাকে কেন্দ্র করে কালকিনি উপজেলার ডাসার ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজ একেডি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবুল চন্দ্র নাগের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের নারী সদস্যসহ প্রধান শিক্ষককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেন বলে অভিযোগ ওঠে। এরই প্রতিবাদ ও দোষীর বিচারের দাবীতে অনুষ্ঠিত হয় এই মানববন্ধন। উল্লেখ, ২০১৭ সালের ১৭ অক্টোবর ইয়াবাসহ ডাসার থানা পুলিশের হাতে আটক হয় ইউপি চেয়ারম্যান কাজী সবুজ। পরে পুলিশের দায়ের করা মামলায় তাকে পাঠানো হয় কারাগারে। এর আগে ২০১১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর চুরি, ডাকাতি ও অস্ত্র মামলায় তাকে গ্রেফতার করে জেলার  গোয়েন্দা পুলিশ। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মাদক সেবন ও বিক্রিসহ নানা অভিযোগে এনে পদত্যাগ দাবী করে একাধিকবার বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন এলাকাবাসী। তবুও টনক নড়েনি প্রশাসনের। জিএ
শিক্ষকের পরিবারের নারী সদস্যকে গালিগালাজ, এলাকাবাসীর মানববন্ধন
দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরের উদ্বোধন
দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরের উদ্বোধন করা হয়েছ। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে উপকূলীয় জেলা বরগুনায় নির্মাণ করা হয়েছে এ জাদুঘরের। দেশ-বিদেশের বিভিন্ন নকশার একশ’টি নৌকার অনুকরণে শুরু হল এই জাদুঘরের। বরগুনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন ৭৮ শতাংশ জমির ওপর স্থাপন করা হয়েছে জাদুঘরটি। বিশাল নৌকার আদলে তৈরি এ জাদুঘরটির দৈর্ঘ্য ১৬৫ ফিট এবং প্রস্থ ৩০ ফিট। এখানে থাকবে নৌকা গবেষণা কেন্দ্র, আধুনিক পাঠাগার, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নার, শিশু বিনোদন কেন্দ্র এবং ফুড কর্নারসহ নানা আয়োজন। জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহর পরিকল্পনা ও প্রচেষ্টায় মহামারি করোনা প্রতিকূলতার মাঝেও মাত্র ৮১ দিনে সম্পন্ন হয় দেশের প্রথম নৌকা জাদুঘর নির্মাণের কাজ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকালে জাদুঘরটির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক। এসময় জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ নদীমাতৃক দেশ। নদীমাতৃক দেশের প্রধান বাহক হিসেবে হাজার হাজার বছর ধরে ব্যবহার হয়ে আসছে এই নৌকা। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে দুঃসাহসিক বিভিন্ন অভিযানে নৌকা ব্যবহার করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সাথে মিশে আছে এই নৌকা। বঙ্গবন্ধু জাদুঘরটির মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় বিভিন্ন অনুকরণের নৌকার দেখা পাবে দেশের নতুন প্রজন্মরা- এমনটাই ভাবছেন স্থানীয় সচেতন মহল। জিএ 
দেশের প্রথম বঙ্গবন্ধু নৌকা জাদুঘরের উদ্বোধন
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক হত্যকান্ডে জড়িত এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশ।  বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) রাতে শহরের চন্ডিবের খাঁ বাড়ি এলাকা থেকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাকে আটক করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের প্রায় ৪৮ঘন্টা পর পুলিশ ঘটনার মুলহোতা এবং শহরের চিহ্নিত ছিনতাইকারী ইমনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। ইমন পৌর শহরের ভৈরবপুর মধ্যপাড়ার আড়াই বেপারীর বাড়ির মৃত মাসুদ মিয়ার ছেলে।  আজ বৃহস্পতিবার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ওসি মো. শাহিন।  জানা গেছে, শহরের দুর্জয় মোড়ের পূর্ব পাশে গত সোমবার রাত সাড়ে দশটার দিকে এহসানুল হক নামে এক কয়লা শ্রমিক ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়। নিহত শ্রমিক সুনামগঞ্জের বিশম্ভপুর উপজেলার বাঘগাঁও গ্রামের হিরু মিয়ার ছেলে। বিয়ের মাত্র দুই মাস পর নিহত এহসানুল তার এক চাচাসহ তারা দু’জন গত দু’সপ্তাহ আগে ভৈরবে কাজের সন্ধানে এসে ছিলেন। পরে কয়েক দিন শ্রমিকের কাজ করে কিছু টাকা জমান। পরে জমানো টাকা নিয়ে গত সোমবার রাতে তারা দুর্জয় মোড় থেকে বাড়ী যাবার সময় বাসে উঠার আগে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে। একই সাথে ছিনতাইকারীদের ধারালো ছুরির আঘাতে এহসানুল গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।  এ ঘটনায় পরের দিন মঙ্গলবার দুপুরে উত্তেজিত শত শত কয়লা শ্রমিকরা হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার এবং সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ফেরিঘাট থেকে মিছিল নিয়ে শ্রমিকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের দুর্জয় মোড় প্রদক্ষিণ করে ভৈরব থানায় প্রবেশ করে। পরে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার আশ্বাস দিলে তারা ফিরে যায় এবং কাজে যোগ দেয়।  এছাড়াও এদিন (মঙ্গলবার) রাতেই নিহতের চাচা আজিজুল হক বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা দু’জনকে আসামি করে থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে মুঠোফোনে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহিন জানান, ঘটনার পর থেকেই পুলিশ মাঠে নামে এবং প্রকৃত অপরাধীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে। জিএ
ছুরিকাঘাতে কয়লা শ্রমিকের মৃত্যু, ছিনতাইকারী আটক
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
চট্টগ্রামের আকবরশাহ এলাকায় পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় শীর্ষ সন্ত্রাসী নুরুর ১১ সহযোগীকে দেশীয় অস্ত্রসহ আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) ভোর ৫টার দিকে ঝিল এলাকার গহীন পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ইয়াবা, ছুরি, চাপাতি সহ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ। গত শনিবার শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ১৭ মামলার আসামি নুরুকে খুঁজতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালায় তার সহযোগীরা। এ সময় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এসময় আটক করা হয় নুরুর সেকেন্ড ইন আজমকে।  আটককৃতদের মধ্যে হামলার ঘটনায় কয়েকজন জড়িত বলে জানিয়েছেন আকবরশাহ থানার ওসি জহির হোসেন।   পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় শনিবার রাতে আকবর শাহ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঝিল এলাকায় সরকারী পাহাড়া কেটে আলিশান বাড়ী, সেমিপাকা ঘর, মসজিদ, এতিমখানা ও গরু-ছাগলের খামার তৈরি ও মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে নুরুর বিরুদ্ধে। জিএ
পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় ১১ জন আটক
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ: সিআইডির চার্জশিট, নাম নেই তিতাস কর্মকর্তাদের
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় প্রায় চার মাস তদন্ত শেষে পুলিশের দায়ের করা মামলায় ২৯ জনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা সিআইডি পুলিশ। তবে চার্জশিট থেকে বাদ দেয়া হয়েছে তিতাস গ্যাসের অভিযুক্ত ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে। বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় নারায়ণগঞ্জের আদালতে চার্জশিট দাখিল করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডির নারায়ণগঞ্জ শাখার তদন্ত দল। চার্জশিটে প্রধান আসামি করা হয়েছে ওই মসজিদের পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবদুল গফুর মিয়াকে (৬০)।  মামলায় প্রধান আসামি আবদুল গফুর মিয়া ছাড়াও অন্যান্য আসামিরা হলেন- সামসুদ্দিন সরদার (৬০), শামসু সরদার (৫৭), শওকত আলী (৫০), অসিম উদ্দিন (৫০), জাহাঙ্গীর আলম (৪০), শফিকুল ইসলাম উজ্জ্বল (৪৫), নাঈম সরদার (২৭), কাইয়ুম (৩৮), মামুন মিয়া (৩৮), আলমগীর সিকদার (৩৫), মাওলানা আল আমিন (৪৫), সিরাজ হাওলাদার (৫৫), নেওয়াজ মিয়া (৫৫), নাজির হোসেন (৫৬), আবুল কাশেম (৪৫), দেলোয়ার হোসেন, বশির আহমেদ (হৃদয়) (২৮), তানভীর আহমেদ (৪৫), আল আমিন (৩৫), আবদুল মালেক (৫৫), মনিরুল (৫৫), স্বপন মিয়া (৩৮), আসলাম আলী (৪২), আলী তাজম (মিল্কী) (৫৫), রিমেল (৩২), আরিফুর রহমান (৩০), মোবারক হোসেন (৪০) ও রায়হানুল ইসলাম (৩৬)।  তবে তাদের বিস্তারিত পরিচয় এখন পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়নি। সিআইডি পুলিশের নারায়ণগঞ্জ জেলার বিশেষ পুলিশ সুপার নাসির উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সরকারি বিধিনিষেধ থাকায় তিতাসের অভিযুক্ত আট কর্মকর্তা-কর্মচারিকে আপাতত চার্জশীটে লিপিবদ্ধ করা না হলেও তাদেরকে মামলায় রাখা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে  অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদন পেলেই তাদেরকে আসামি হিসেবে চার্জশীটে সম্পৃক্ত করা হবে। তবে ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি তিনি। নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, সিআইডি আদালত পুলিশের কাছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চার্জশিট জমা দিয়েছে। রোববার তা আদালতে পেশ করা হবে। উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর রাতে এশার নামাজ চলাকালে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থানার পশ্চিম তল্লা এলাকার বাইতুস সালাত জামে মসজিদে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। মসজিদের অভ্যন্তরে বিদ্যুতের অবৈধ সংযোগ থেকে স্পার্ক ও অবৈধ গ্যাস পাইপ লাইনের লিকেজ থেকে জমে থাকা গ্যাসের মিশ্রনে এই বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংস্থা সিআইডি পুলিশ। এই বিস্ফোরণে ৩৭ জন গুরুতর দ্বগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলে তাদের মধ্যে ৩৪ জন মারা যান। জিএ
নারায়ণগঞ্জে মসজিদে বিস্ফোরণ: সিআইডির চার্জশিট, নাম নেই তিতাস কর্মকর্তাদের
আরও পড়ুন
স্বাধীনতাযুদ্ধের ভূমিকা নিয়ে তুর্কি মন্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী
ব্যর্থতা গ্লানিকে ঝেড়ে ফেলে সামনে এগিয়ে যেতে হবে: ফখরুল
তথ্যমন্ত্রীর আশা: আগামী বছর বিএনপি চোখ খুলবে
‘জনগণ এখন আর সমালোচনার কাসুন্দি ঘাঁটা পছন্দ করে না’