
অভিন্ন কায়দায় জেনারেল পোস্ট অফিস (জিপিও) এর মাধ্যমে বিদেশে ইয়াবা পাচারকারীর একটি চক্রের ৪ সদস্যকে আটক করেছে খিলগাঁও থানা পুলিশ।
এই চক্রটি জিপিও কুরিয়ার ব্যবহার করে কাপড়ের পার্সেলের ভিতরে করে ভিন্ন কায়দায় লুকিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে ইয়াবা পাচার করে থাকেন। সর্বশেষ গত ৯ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে ২ হাজার চারশত পিস ইয়াবার একটি চালান পাঠিয়েছিলন।
৬ ডিসেম্বর এই চক্রের সাথে জড়িত মো. নাহিদ পারভেজ (৩৭), মিজানুর রহমান জুয়েল (৩৮) মো. এনামুল হোসেন খান রাহাত (৪০), মো. রাজিব হালদারদের (২৮) আটকের পর তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গুলিস্তান জিপিও অফিস থেকে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পার্সেল করা ৩ কেজি ৩৩৪ গ্রামের একটি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। যার ভিতরে জিন্স প্যান্টের ভিতরে ভিন্ন কায়দায় ইয়াবা রাখা ছিল। এ চালানটি যুক্তরাষ্ট্রের মেহজাবীন ওরিন নামে এক ব্যক্তির ঠিকানায় বুকিং করা ছিল।
খিলগাঁও জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার জুলফিকার আলী বলেন, গত ৬ ডিসেম্বর রাত সাড়ে ১১টার দিকে থানায় একটি তথ্য আসে কিছু লোক মাদক বিক্রি করছেন। সেই তথ্য অনুযায়ী রামপুরা বনশ্রী জে ব্লকের ৭ নং রোডে এলাকা থেকে তাৎক্ষণিকভাবে একজনকে আটকে করা হয়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ৩ জনকে আটক করি। পরে তাদের কাছে এসএ পরিবহনের একটি কুরিয়ার করা রশিদ পাওয়া যায়। কক্সবাজার থেকে একটি পার্সেল এসেছে তাদরে নামে সেটি তারা রিসিভ করেছেন। জিপিও পোস্ট অফিসের মাধ্যমে একটি পার্সেল বুকিং করেছে নিউইউর্কে পাঠানোর জন্য তা স্বীকার করেছেন। এর আগে গত ৯ নভেম্বর একটি ইয়াবার চালান নিউইয়র্কে পাঠিয়েছে এই চক্রটি।
তিনি আরও বলেন, চার জনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী আমি ৭ ডিসেম্বর জিপিওতে গিয়ে ফরেন কার্যালয়ের অফিসারের সাথে কথা বলে পার্সেলটা বের করি। তখন পার্সেলটি এয়ারপোর্টে পাঠানোর জন্য প্রসেসিং করা হয়েছিল। ওখানকার সবাইকে নিয়ে সেটি খুলে দেখি প্যান্টের পল্ডিং এর ভিতরে লুকানো ছিল ২ হাজার চারশ পিস ইয়াবা। তারা নভেম্বরেও পাঠিয়েছে একটি চালান। ধারণা করা হচ্ছে, এরা নিয়মিত বিদেশে ইয়াবার চালান পাঠাত। এর সাথে আর কে বা কারা জড়িত আছে তদন্ত করে শনাক্ত করা হবে।
জিএম/পি




