
সারাদেশে বছরজুড়ে বলাৎকারের মতো জঘন্যতম অপরাধ করছে মানুষ। তবে বলাৎকারের ঘটনা প্রকাশ পেলে অপরাধীদের সাজা হয়। আর প্রকাশ না পেলে অপরাধী সাজার বাইরে থেকে যায়। দোকানে কাজ করা থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বলাৎকারের শিকার হচ্ছে। বলাৎকারের ঘটনাগুলোর তথ্যচিত্র প্রদর্শনী করছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ।
আজ বুধবার (৯ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ কর্মসূচি শুরু হয়।
শাহবাগে সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কোমলমতি শিশুদের বলাৎকারের শিকারের ঘটনাগুলো নিয়ে ডিজিটাল ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শিত করা হচ্ছে। ডিজিটাল ব্যানারে লেখা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নই আমাদের অঙ্গীকার। বড় ব্যানারে লেখা হয়েছে, সমগ্র দেশে গত এক মাসে প্রায় ৪০ জন মাদরাসার শিক্ষার্থী বলাৎকার ও দু’জনের মৃত্যুর বিষয়ে নীরবতাই প্রমাণ করে ধর্ম ব্যবসায়ী মামুনুল-ফয়জুল গংরা সমর্থনদাতা। ’
মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বলেন, দেশের বিভিন্ন সময়ে মাদরাসায় বলাৎকারের ঘটনা ঘটছে। জঘন্যতম এসব ঘটনার নিয়ে অনেকেই নিশ্চিপ থাকেন। তাই বলাৎকারের ঘটনাগুলো নিয়ে তথ্যচিত্র প্রদর্শনী করা হয়েছে। আমাদের দাবি হচ্ছে বলাৎকারের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড করতে হবে।
এফএ




