
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার রামারবাগ এলাকায় সেফটিক ট্যাংক বিস্ফোরণে এক শিশুসহ ২ জন মারা গেছে। দগ্ধ হয়েছে আরও আরও দুইজন। নিহত জিসান (১২) ওই এলাকার মামুন মিয়ার ছেলে ও ষষ্ঠ শ্রেণীর ছাত্র। অপরজন গার্মেন্টসকর্মী আবদুর রাজ্জাক (৩৫)।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন, রামারবাগ এলাকায় খাইরুল ইসলাম এর স্ত্রী সায়েদা বেগম (৪০) ও একই এলাকার পিয়ার আলীর ছেলে এবং মাদ্রাসা ছাত্র হাবিবুর রহমান সাকিব (১৩)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে বিস্ফোরণ হওয়া ওই বাড়ির সামনে দিয়ে বাবার কাছে যাচ্ছিল নিহত মো. জিসান। একই সময়ে পাশের বাড়ির ভাড়াটে ঘরে অবস্থান করছিলেন গার্মেন্টসকর্মী রাজ্জাক। ছুটি থাকায় কারখানায় যাননি তিনি। হঠাৎ সেফটিক ট্যাংক বিস্ফোরণ হলে ঘটনাস্থলে নিহত হয় জিসান। গুরুতর আহত অবস্থায় রাজ্জাককে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে (ভিক্টোরিয়া) নেয়া হলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, রামারবাগ এলাকায় সেফটিক ট্যাংক বিস্ফোরণের খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জিসান নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে এবং রাজ্জাক নামে আরেক পোশাক কারখানার শ্রমিক নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ২ জন। তাদের মধ্যে একজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে।
ফায়ার সার্ভিসের নারায়াণগঞ্জের উপ সহকারী পরিচালক আবদুল্লা আল আরেফিন জানান, ওই বাড়ির নীচতলায় থাকা সেফটিক ট্যাংকের বিস্ফোরণে পথচারী শিশু ও পাশের বাড়ির ভাড়াটিয়া নিহত হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে তাদের উদ্ধার করেছেন।
জিএ




