
বরযাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় নিহা আক্তার (২) ও জাকিয়া বেগম (৫৫) নামে আরও দু’জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড।
আজ শনিবার সকালে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরগজারিয়া মেঘনা নদী থেকে নিহা ও ভোলার মনপুরার রামনেওয়াজ মেঘনা নদী থেকে জাকিয়া বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এর আগে গতকাল শুক্রবার বিকেলে হাতিয়ার টাংকির ঘাট মেঘনা নদী থেকে হাসান (৭) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন পাঁচজন।
কোস্টগার্ডের স্টেশন কমান্ডার লে. তাহসিন রহমান আরটিভি নিউজকে জানান, প্রতিদিনের ন্যায় কোস্টগার্ডের টিম নদীতে টহল দিচ্ছিল। এই অবস্থায় স্থানীয় জেলেদের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে প্রথমে গজারিয়ার চর থেকে নিহা আক্তার ও মনপুরার রামনেওয়াজ থেকে জাকিয়া বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মৃত নিহা হাতিয়ার চানন্দী ইউনিয়নের থানার হাট এলাকার রিয়াজ উদ্দিনের মেয়ে। মৃত জাকিয়া বেগম একই এলাকার নাসির উদ্দিনের স্ত্রী বলে নিখোঁজদের স্বজনরা নিশ্চিত করেছে। জাকিয়া ও নিহা বরযাত্রীবাহী ট্রলার দুর্ঘটনায় নিখোঁজ হওয়া আটজনের মধ্যে দুইজন।
প্রসঙ্গত, গেলো ১৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার বিকেলে কনেসহ বরযাত্রী নিয়ে ট্রলারটি হাতিয়ার চানন্দী ঘাট থেকে বরের বাড়ি ঢালচরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়। ট্রলারটি ঢালচরের কাছাকাছি এলে প্রবল স্রোতে নদীতে নিমজ্জিত হয়ে যায়। এই ঘটনায় কনে তাছলিমাসহ সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করা হলেও এক নারী ও শিশুসহ আটজন নিখোঁজ হয়। এ সময় ট্রলারের মধ্যে নারী পুরুষ শিশুসহ প্রায় অর্ধশতাধিক মানুষ ছিল বলে জানা যায়।
কনের বাবা ইব্রাহীম সওদাগর জানান, তার মেয়ে তাছলিমার সঙ্গে হাতিয়ার ঢালচরের বেলাল মিস্ত্রীর ছেলে ফরিদ উদ্দিনের বিয়ে হয়। মঙ্গলবার তাছলিমাকে আনুষ্ঠানিকভাবে বরের বাড়িতে নেওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
জেবি




