
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বিষাক্ত পটকা মাছ খেয়ে একই বউ-শাশুড়ির মৃত্যু হয়েছে।গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার উত্তর ভাড়াউড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল থেকে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ মরদেহগুলো উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন, সদর ইউনিয়নের উত্তর ভাড়াউড়া গ্রামের জয়নাল আবেদিনের স্ত্রী সাহিদা বেগম (৪০) ও তার পুত্রবধূ নুরুন্নাহার (২৯)।
নিহত নুরুন্নাহারের শিশু ছেলে নাঈম (৯) গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় রাতেই শ্রীমঙ্গল সদর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ভানুলাল রায়, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ) সার্কেল আশরাফুজ্জামান, শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুস ছালেক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
মাছ বিক্রি করা জেলের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিবেশী রুমান জানান, গতকাল সকাল সাড়ে নয়টায় এক জেলে এই পটকা মাছ নিয়ে আসে। কেউ মাছ না রাখায় অনেক বার ঘুরাঘুরি করে আবার এই বাড়িতে এসে মাছ বিক্রি করে। এই জেলে তিন-চারদিন পরপর এসে এই অত্র এলাকায় মাছ বিক্রি করে যান।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী আরটিভি নিউজকে বলেন, গতকাল রাতে আমরা খবর পেয়েছি উত্তরভাড়াউড়া গ্রামে দুজন মানুষ ফুটপয়জিংয়ে মারা গেছেন। একজন শিশু আমাদের হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। শিশুটি শঙ্কামুক্ত রয়েছে। আমরা তার চিকিৎসা দিচ্ছি। জানতে পেরেছি তারা ফটকা মাছ খেয়েছে। মরদেহ মৌলভীবাজার সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
সেখানে জানা যাবে তারা পটকা মাছের বিষক্রিয়ায় মারা গেছে, নাকি অন্য কোনও কারণে মারা গেছে। আমরা জনগণকে বলবো পটকা মাছ একটি বিষাক্ত মাছ। এই মাছ না খাওয়ার জন্য নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল ও কমলগঞ্জ) সার্কেল আশরাফুজ্জামান আরটিভি নিউজকে বলেন, আমরা মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য আজ বৃহস্পতিবার সকালে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি। ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
জেবি




