
পৌষের শীতে কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা। আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় এ জেলায়।
গতকাল সোমবারও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায়। অব্যাহত রয়েছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশা ও হিমেল হাওয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। সন্ধ্যায় ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে গ্রাম-শহর। প্রচণ্ড শীতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে খেটে খাওয়া ছিন্নমূল মানুষ।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বলে জানান চুয়াডাঙ্গা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সামাদুল হক।
তিনি জানান, গতকালও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় চুয়াডাঙ্গায় ৭.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গেল ১২ ডিসেম্বরও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় এ জেলায়। তাপমাত্রা আরও কমতে পারে বলেও জানান তিনি।
সকালের ঘন কুয়াশা ও প্রচণ্ড শীতে ক্ষতির মুখে মাঠের ফসল। চলতি মৌসুমে জেলার চার উপজেলায় ৩৩ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। কিন্তু প্রচণ্ড শীতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে ধানের বীজতলা। এতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে কীনা? তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন কৃষকরা।
দামুড়হুদার নতিপোতা গ্রামের কৃষক আলা উদ্দিন জানান, শীতে ধানের সব চারা নষ্ট হয়ি যাচ্ছিল। কোনও ওষুধে কাজ হচ্ছিল না। এবার মনে করলাম ৪ বিগা জমিতে ধান লাগাবো। কিন্তু খুব শীত ও কুয়াশায় ধানের চারা হলুদ হয়ি নষ্ট হচ্ছে।ধান চাষ নিয়ে খুব চিন্তা হচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আলী হাসান আরটিভি নিউজকে জানান, শীতে ধানের বীজতলা কিছুটা বিবর্ণ হলেও দুঃশ্চিন্তার কোনও কারণ নেই। ধানের বীজতলার যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
জেবি




