
‘উন্নয়নের ধারাবাহিকতা ও গণতন্ত্রের অভিযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে’ এই স্লোগনকে সামনে রেখে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে একাদশ জাতীয় সংসদের দুই বছর পূর্তি ও গণতন্ত্রের বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আজ বুধবার বিকেলে সাহেব বাজার জিরো পয়েন্টে সভায় চলমান রাজনীতি ও সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি নিয়ে সভায় সভাপতির বক্তব্য রাখেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন।
এ সময় তিনি বলেন, আমাদের এই বিজয় সহজে আসেনি। আমাদের যে বিজয়, সেই বিজয়কে সংহত করার জন্য আজকের দিবস আমরা পালন করছি। আর এই বিজয় যাতে না থাকে সেই জন্য রাজাকার, আলবদর, বিএনপি, জামায়াত সেদিনও তৎপর ছিলো, আজও তৎপর আছে। তাদের নাম যাই হোক আগে ছিলো মুসলিম লীগ, তারপরে নেজামে ইসলাম, জামায়াতে ইসলামী, জেএমবি বা যেই নামেই হোক না কেন তাদের শেকড় কিন্তু একটাই তা হলো বিএনপি। এরা বাংলাদেশের অস্তিত্ব, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে কখনই বিশ্বাস করে না। তিনি বিএনপিকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, আজকে আওয়ামী লীগের সভা ও সমাবেশের লোকজন দেখে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়েছে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি শাহীন আকতার রেনী ও সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, রাজশাহী মহানগরের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, বীর মুক্তিযোদ্ধা নওশের আলী, অধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বাদশা, রেজাউল ইসলাম বাবুল, যুগ্ম সম্পাদক মোস্তাক হোসেন, আসাদুজ্জামান আজাদ, আহ্সানুল হক পিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইসতিয়াক আহম্মেদ লিমন, নগর যুব মহিলা লীগ সভাপতি অ্যাড. ইসমত আরা, নগর ছাত্রলীগ সভাপতি রকি কুমার ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজিব।
এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে মহানগরীর কুমারপাড়া দলীয় কার্যালয়ের সামনে রাজশাহী মহানগরের সভাপতি ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মাননীয় মেয়র এ.এইচ.এম খায়রুজ্জামান লিটন ও সাধারণ সম্পাদক মো. ডাবলু সরকার নেতা-কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে আতশবাজি’র মধ্যে দিয়ে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস উদযাপন করেন দলীয় নেতারা।
জেবি




