
বগুড়ায় দুই সাংবাদিকদের ওপর হামলা অনাকাঙ্খিত বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক মো. মাহবুব হোসেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মাদারীপুর সদর উপজেলার পেয়ারপুরে হতদরিদ্রদের জন্য নির্মিত ঘরের চলমান কাজ পরির্দশনকালে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ তহবিল থেকে হতদরিদ্রদের জন্য নতুন ঘর নির্মাণ করে দেয়া হচ্ছে। এরসঙ্গে সাংবাদিকরা সবসময় সম্পৃক্ত রয়েছে। বগুড়ায় সংবাদ সংগ্রহের সময় দুই সাংবাদিকদের ওপর হামলায় ঘটনা তদন্ত করে সরকার ব্যবস্থা নিবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর প্রকল্প পরিচালক মাহবুব হোসেন বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দিয়েছেন মুজিববর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না। এই লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রথম পর্যায়ে ৬৫ হাজার ৭শ’ ২৬টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হচ্ছে। যা আগামী মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধনের মাধ্যমে ভূমিহীনদের মধ্যে হস্তান্তর করবেন। এখানে প্রত্যেক ভূমিহীনকে ঘরের সঙ্গে দুই শতাংশ জমিও রেজিষ্ট্রি করে দেবে সরকার। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প, গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প, দুর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এই তিন সংস্থা থেকে একযোগে ১ হাজার ১৬০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এখানে কমিটির মাধ্যমে নির্মাণ কাজ করা হয়েছে। তালিকাও চূড়ান্ত করবে কমিটির সদস্যরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাদারীপুরের জেলা প্রশাসক ড. রহিমা খাতুন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা ইয়াসমিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুদ্দিন গিয়াস, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মফিউর রহমান ও পেয়ারপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান।
প্রসঙ্গত, বুধবার ১২টার দিকে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণে দুর্নীতি হচ্ছে এমন অভিযোগের ভিত্তিতে সংবাদ সংগ্রহে বগুড়া সদর উপজেলার নিশিন্দারা ইউনিয়নের দশটিকা এলাকায় যান সময় টেলিভিশনের রিপোর্টার মাজেদুর রহমান ও চিত্র সাংবাদিক রবিউল ইসলাম। এ সময় স্থানীয় ইউপি সদস্য লুৎফর রহমান লাল মিয়া ও ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সভাপতি জনি ও তার সহযোগীরা লাঠিসোটা দিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। বেধড়ক পিটুনিতে জ্ঞান হারান মাজেদুর রহমান ও রবিউল ইসলাম। ছিনিয়ে নেয়া হয় ক্যামেরা, ল্যাপটপ ও মোবাইল। খবর পেয়ে পরে তাদের উদ্ধার করে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেলে ভর্তি করেন সহকর্মীরা।
জেবি




