ঢাকা সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩

স্বামীকে হত্যার এক বছর পর পরকীয়া প্রেমিক দাদাসহ আটক হলেন মিতু

বরগুনা প্রতিনিধি, আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০২:২৩ পিএম
ছবি সংগৃহীত

বরগুনায় স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী ও তার পরকীয়া প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন নিহতের স্ত্রী ফাতেমা মিতু (২৪) ও তার পরকীয়া প্রেমিক রাজু মিয়া (২০)। গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১ টার দিকে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মেহেদী হাসান, বরগুনা থানার ওসি তারিকুল ইসলাম ও ডিবির ওসি আবুল বাশারের নেতৃত্বে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের বড়ইতলা গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নাসির উদ্দিন হাওলাদারকে (৪০) খুনের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। নাসিরের বাবার নাম গয়জদ্দিন হাওলাদার।

নিহতের ভাই আবদুল জলিল হাওলাদার জানিয়েছেন, তার ছোট ভাই নাসির উদ্দিন হাওলাদারের সঙ্গে দশ বছর আগে বরগুনা পৌরসভার শহীদ স্মৃতি সড়কের দলিল লেখক মাহতাব হোসেন মৃধার মেয়ে ফাতেমা মিতুর বিয়ে হয়। তাদের নুসরাত নামে আট বছরের একটি মেয়ে ও নাঈম নামে পাঁচ বছরের একটি ছেলে রয়েছে। দুই বছর আগে ঢলুয়া ইউনিয়নের গোলবুনিয়া গ্রামের আবদুল বারেকের কলেজ পড়ুয়া ছেলে রাজুর সঙ্গে মিতুর পরকীয়া প্রেম শুরু হয়। মিতু এবং রাজু সম্পর্কে দাদী-নাতি। কেননা রাজু হচ্ছে নিহত নাসিরের চাচাতো ভাইয়ের নাতি। পরকীয়া প্রেম থেকে তারা অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নাসির টের পেলে তাকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেবার সিদ্ধান্ত নেয়। গত বছরের ঈদের আগের রাতে (২৩মে, ২০২০) নাসিরকে পরিকল্পিতভাবে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে অচেতন করে কম্বল চাপা দিয়ে হত্যা করা হয়। পরবর্তীতে অতিরিক্ত কাঁঠাল খেয়ে নাসির স্ট্রোক করে মারা গেছে বলে চালিয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন : ধর্ষণ চেষ্টার পর মেয়েটিকে ধৌত করে ঘরে পাঠায় শাহীন

ফাতেমা মিতু তার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার কথা স্বীকার করে জানিয়েছেন, তাদের পরকীয়া সম্পর্ককে দীর্ঘস্থায়ী রূপ দিতে দুইজনে মিলে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। মিতু আরও জানান, ২৩ মে বিকেলে ঘুমর ওষুধ কিনে রাজু তাকে দিয়ে আসেন। সন্ধ্যার পরে নাসির মজা করে কাঁঠাল খায়। ঘুমের আগে কৌশলে নাসিরকে অতিরিক্ত পরিমান ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়। রাত ১১ টার পরে রাজুকে মোবাইলে জানানো হয়, নাসির ঘুমিয়ে পড়েছে তুমি চলে আসো। রাত সাড়ে ১১ টার দিকে মিতু ও রাজু মিলে নাসিরকে কম্বল চাপা দিয়ে মেরে ফেলে। মিতু স্বীকার করেছে, তার ইচ্ছে ছিলো রাজুকে বিয়ে করে নতুন সংসার শুরু করবে।

রাজু জানিয়েছেন, সম্পর্কে দাদী হলেও মিতুকে সে ভাবী বলে ডাকতো। চাকরির জন্য নাসির স্কুলে গেলেই তারা দাদী-নাতি অনৈতিক সম্পর্কে মিলিতো হতো। নাসির তাদের সম্পর্কের কথা জেনে ফেলায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। ঈদের আগের রাতকে হত্যাকাণ্ডের জন্য বেছে নেওয়ার প্রসঙ্গে বলেন, তাদের ধারণা ছিলো ছিলো ঈদের দিন সবাই ব্যস্ত থাকবে। কেউ পরিকল্পিত হত্যার বিষয়টি বুঝতে পারবে না। তবে হারিয়ে যাওয়া মোবাইলটি তাদের জন্য কাল হয়েছে। রাজু আরও জানায়, সপ্তাহ খানেক আগে তার মোবাইল ফোনটি হারিয়ে ফেলে।

আরও পড়ুন : বাক স্বাধীনতার নামে কারও ক্ষতির অধিকার নেই: জয়

বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, রাজুর হারিয়ে ফেলা মোবাইল ফোনটি ঢলুয়া ইউনিয়নের পোটকখালী বাজারের দোকানদার আরেক রাজু পেয়েছে। ওই মোবাইল ফোনের কল রেকর্ডে হত্যার পরিকল্পনার কথা জানা যায়। তাদের কল রেকর্ডসহ মোবাইল ফোনটি ওসির হাতে চলে আসলে বুধবার রাতেই মিতু ও রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি আরও জানিয়েছেন, নাসিরের বড় ভাই আবদুল জলিল হাওলাদার বাদী হয়ে মিতু ও রাজুকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছে।

বরগুনার পুলিশ সুপার মুহম্মদ জাহাঙ্গীর মল্লিক জানিয়েছেন, মিতু ও রাজু দুজনই তাদের কাছে নাসিরকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি আরও জানান, ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়েছেন। তারপরেই আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হবে।

আরও পড়ুন : জিয়ার 'বীরউত্তম' খেতাব বাতিলের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করছে বিএনপি

জেবি

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে দোয়া
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে-বরগুনাগামী লঞ্চ অভিযানে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে সভা ও আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে পৌর মিনি পার্কে দোয়া মোনাজাতে (ভার্চুয়ালি) প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র, আমির হোসেন আমু এমপি।  এলাকাবাসীর আয়োজনে দোয়া মোনাজাত ও আলোচনা সভায় যুবলীগ নেতা মোঃ ছবির হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী,পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান হাবিল,হাফিজ আল মাহমুদ। পরে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।  দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন ঈদগাহ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ গাজী শহীদুল ইসলাম। এলাকাবাসী লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ও আহতদের জন্য অর্থ সহায়তা প্রদান করে জলো প্রশাসকের কাছে। দোয়া মোনাজাতে নিহতদের স্বজনরাসহ শত শত মানুষ অংশগ্রহণ করে।  গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদী অতিক্রমকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৪৬ জনের প্রাণহানী ঘটেছে। প্রাণ বাঁচাতে নদীতে লাফিয়ে পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। এমএন  
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে দোয়া
সিরাজগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, ৪ মামলায় ৭ শতাধিক আসামি
সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় জেলা বিএনপির বেশকজন শীর্ষ নেতাসহ সাড়ে ৭শ জনকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান। তিনি বলেন, চার মামলার মধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি ও উজ্জল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে অপর মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান দুলাল, সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানাসহ একাধিক শীর্ষ নেতা রয়েছেন। পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০/১৫০ জনকে আসামি করে একটি, উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলীম হোসাইন বাদী হয়ে ২৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০০/২৫০ জনকে আসামি করে একটি এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদ হাসান বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২/৩শ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে রেলওয়ে কলোনি মহল্লার আওয়ামী লীগ কর্মী উজ্জল হোসেন বাদী হয়ে ৪০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামি করে আরও একটি মামলা দায়ের করেন। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সমাবেশে মিছিল নিয়ে আসার সময় বিএনপির সাথে যুবলীগ-ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ, ইটপাটকেল নিক্ষেপের এক পর্যায়ে শহরের কলেজ রোড, ইলিয়ট ব্রীজ এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৭০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এমএন
সিরাজগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, ৪ মামলায় ৭ শতাধিক আসামি
কিডনি-লিভার বিক্রি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
কিডনি ও লিভার পাচার চক্রের মূল হোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যােব। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের খুলশী থানার ইন্ডিয়ান ভিসা সেন্টারের পাশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা র্যা ব-৭ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যা বের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ। চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০-৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার বিক্রির জন্য ভারতে পাচার করেছে বলে দাবি র্যা বের। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মোহাম্মদ আলী ডালিম (৩৫), মো. আতিকুর রহমান রনি (৩৬) ও মো. আলম হোসেন (৩৮)। র্যা ব-৭ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বাংলাদেশে এ সিন্ডিকেটের মূল হোতা ডালিম। রনি আন্তর্জাতিক কিডনি ও লিভার পাচারকারী দলের সদস্য। ভারতে অবস্থান করেন শাহীন নামে আরেক বাংলাদেশি। তিনি রনি, আলমদের মাধ্যমে কিডনি ও লিভার বিক্রি করবে এমন লোকজন সংগ্রহ করে তাদের ওই দেশে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এ ক্ষেত্রে কিডনি ও লিভার দাতাদের ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেয় চক্রটি। কিন্তু এসব কিডনি ও লিভার চক্রটি ভারতে ক্রেতাদের কাছে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করত।  তিনি আরও বলেন, আসামি ডালিমের নেতৃত্বে চক্রের সদস্যরা প্রথমে কিডনি ডোনেট সেন্টারসহ বিভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ খোলে। পেজে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে ডোনারদের নানাভাবে কিডনিও লিভার বিক্রির (ডোনেশনের) ব্যাপারে প্রলোভন দেখানো হয়। কিডনি বা লিভার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করবে এমন ব্যক্তি পাওয়া গেলে তাদের পাসপোর্ট তৈরি ও ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানোর ব্যবস্থা করে দেয় চক্রটি। তারপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাদের রক্ত, কিডনি ও লিভারের পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট ঠিক থাকলে তাদের ভারতে পাচার করে। এরপর ভারতে অবস্থানরত শাহীন ওই দেশে আবারও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কিডনি ও লিভার সংগ্রহের ব্যবস্থা করে।  এ চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০ থেকে ৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার দেওয়ার ব্যবস্থা করে বলেও জানায় র্যা ব। এমএন 
কিডনি-লিভার বিক্রি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন
রাজশাহীতে ২ দিন ব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর)সকালে নগরীর বড় বনগ্রাম ইনস্টিটিউট এর প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আলোচনা সভার প্রথম পর্বে মিলিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর বিকেলে ২য় পর্বের আলোচনা সভায় রাজশাহী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল জলিল। এ সময় বক্তব্য রাখেন ইন্সটিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আইডিএসইবি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সরদার জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বেশ কয়েকজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী। ২ দিন ব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে আরটিভি। এমএন
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন
ভোটের লড়াইয়ে দুই জা
পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভোটের লড়াইয়ে মাঠে নেমেছেন দুই জা। তারা একই এলাকায় সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুই জায়ের এমন ভোটযুদ্ধকে বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন স্থানীয় ভোটাররাও। এক পরিবারের মানুষ হয়েও দুজনই ভোটের মাঠে নিজেদেরকে তুলে ধরছেন আলাদা প্রতীকে। ওই দুই প্রার্থী হলেন, তাড়াশ উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের শ্রী বিকাশ চন্দ্র সাহার স্ত্রী শ্রীমতি কনিকা রানী এবং শ্রী বিকাশ চন্দ্র সাহার ছোট ভাই শ্রী বিমান চন্দ্র সাহার স্ত্রী শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী)।   নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গুড়পিপুল দেশিগ্রাম ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে বড় জা বর্তমান ইউপি সদস্য শ্রীমতি কনিকা রানী মাইক প্রতীক ও ছোট জা শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী) হেলিকপ্টার প্রতীকে লড়ছেন। একই পদে দুই জা ছাড়াও রহিমা খাতুন কলম প্রতীকে এবং মেঘনা আক্তার সূর্যমুখী ফুল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ওই এলাকায় ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৫৫৯জন। এ নিয়ে বর্তমান ইউপি সদস্য বড় জা শ্রীমতি কনিকা রানী আরটিভি নিউজকে বলেন, এ ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে ভালোবেসে দুইবার তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে। এবারও নির্বাচনে অংশ নিতে আমি আগে থেকেই মাঠে গণসংযোগ করে আসছিলাম। কিন্তু আমার জা প্রতিহিংসার কারণে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছেন। এখন ভোটাররাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন। ছোট জা শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী) আরটিভি নিউজকে বলেন, রাজনীতিতে কোন আত্মীয় স্বজন নেই। কোন প্রতিহিংসা নয়, নির্বাচনে জয়লাভ করলে গরিব অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবা করবো। এমএন
ভোটের লড়াইয়ে দুই জা
আরও পড়ুন
সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মুরাদের বিরুদ্ধে এবার শরীয়তপুরে মামলা
ঘুষ দাবি করায় এসআই ক্লোজড
পতেঙ্গা ও পারকি সমুদ্রসৈকতে যেতে নিষেধাজ্ঞা
ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৫২