ঢাকা শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩

মৌলভীবাজারে পাওয়া গেছে ৫২ প্রজাতির সাপ

চৌধুরী ভাস্কর হোম

প্রকাশ : ০২ আগস্ট ২০২১, ০৯:৪০ পিএম

প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা মৌলভীবাজারের বনাঞ্চলে বেড়েছে সাপের সংখ্যা। পাওয়া গেছে ৫২ প্রজাতির সরিসৃপের অস্তিত। প্রায় ঘটছে সর্প ধ্বংসনের ঘটনা। ইতিমধ্যে মারাও গেছেন একজন। সাপের কামড় খেয়েছেন আরো অনেকে। সাপের এমন উপদ্রব থাকলেও এই জেলায় নেই কোন চিকিৎসার ব্যবস্থা। বিষধর সাপ কামড়ালে দ্রুত অ্যান্টিভেনম নেওয়ার ব্যাপারে চিকিৎসকরা পরামর্শ দিলেও বন ও চা বাগান অধ্যূষিত এ জেলায় নেই সেই সুযোগ।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের তথ্য মতে, দেশে ২৭টি বিষধর সাপসহ ৭৯ প্রজাতির সাপের সন্ধান পাওয়া গেছে। যার মধ্যে ৫২ প্রজাতির সরিসৃপের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে মৌলভীবাজারে। যেগুলোর বেশিভাগের অস্তিত্ব লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সহ মৌলভীবাজারের বিভিন্ন বনে রয়েছে।

চিকিৎসকদের মতে, বিষাক্ত সাপ কামড়ালে দ্রুত এন্টিভেনম দিতে হয়। না হলে সাপে কামড়ানো ব্যক্তিকে বাঁচানো সম্ভব নয়। কিন্তু মৌলভীবাজার জেলার হাসপাতালে নেই সেই এন্টিভেনম গ্রহনের সুযোগ। তাই সাপে কামড়ানো ব্যক্তিকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং সেখান থেকে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে সিলেটের এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পৌছাতে অন্তত দুই/তিন ঘন্টা সময় প্রয়োজন। ততক্ষনে সাপে কামর খাওয়া ব্যাক্তির পুরো রক্তে বিষক্রিয়া ছড়িয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

বনবিভাগ সুত্রে জানা যায়, সম্প্রতি প্রচুর পরিমানে সাপ মৌলভীবাজারের পাহাড়ী এলাকায় বিশেষ করে শ্রীমঙ্গলের দোকান, বাড়ি, বাজার ও গাড়ি থেকে উদ্ধার হচ্ছে। সাপের কামড়ে তিনজন এর মধ্যে একজন মারা গেছেন। সর্বশেষ গত ২৪ জুলাই শ্রীমঙ্গল নোয়াগাঁও গ্রামে সাপের কামড়ে ৮ বছরের এক শিশু আহত হয়েছে। ২৩ জুলাই শ্রীমঙ্গল ডুলুছড়া এলাকায় একটি দোকানের আলমারি থেকে বিশাল একটি দাঁড়াশ সাপ উদ্ধার করা হয়। ১৯ জুলাই শ্রীমঙ্গল জেরিন চা বাগান থেকে ৩টি জীবিত ও ২টি মৃত সাপ উদ্ধার করা হয়। যার কামরে একজন মারা যান। ৫ জুলাই শ্রীমঙ্গল এম আর খান চা বাগানে সাপের কামড়ে আহত হন চা শ্রমিক প্রবাসী নেপালী। ১১ জুলাই শ্রীমঙ্গল পৌরসভার কাঁচা বাজারের ২য় তলা থেকে ও ১০ জুন শ্রীমঙ্গল নতুন বাজার কাঠালবাহী জীপ গাড়ি থেকে বিপন্ন প্রজাতীর দুটি আইড ক্যাট সাপ উদ্ধার করা হয়।

চলতি বছর অসংখ্যা সাপ উদ্ধারের ঘটনা ঘটেছে বলে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল বলেন, জীবনের ঝুকি নিয়ে বিভিন্ন স্থান থেকে সাপ উদ্ধার করে যাচ্ছি। গত বছর কুলাউড়ায় সাপের কামড়ে চা শ্রমিকসহ দুই নারী মারা যান। প্রায়ই সাপের কামড়ের শিকার হচ্ছে এ জেলার মানুষ।

শ্রীমঙ্গলের জেরিন চা বাগানের ব্যবস্থাপক সেলিম রেজা চৌধুরী জানান, তার বাগানের এক শ্রমিককে বিষধর সাপে কাটার পর শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার হাসপাতাল ঘুরে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়। কিন্তু পৌঁছানোর আগেই তার মৃত্যু হয়। যদি মৌলভীবাজারে এর ব্যবস্থা থাকত তাহলে হয়ত তাকে বাঁচানো যেত।

সাপে কাটা চিকিৎসার ব্যবস্থা না হওয়ায় আক্ষেপ করে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব জানান, বহুদিন ধরে মৌলভীবাজারে সাপে কাটার চিকিৎসার ব্যবস্থা করার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করা হলেও ‘কোনো কাজ হয়নি’। শুধু বন-জঙ্গলেই নয় ইঁদুর খেতে বাড়িঘরেও প্রচুর সাপ চলে আসে বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ শ্রীমঙ্গলের সহকারী বন সংরকক্ষ শ্যামল কুমার মিত্র জানান, এ এলাকায় বিষাক্ত সাপে কাউকে কামড় দিলে সিলেট পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে বাঁচানো সম্ভবনা। এ বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে স্বাস্থ্য বিভাগকে অবহিত করা হবে।

বন্যপ্রাণী ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম জানান, এক গবষেণায় ৫২ প্রজাতির সরিসৃপের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এসব সাপের মধ্যে লাউয়াছড়া বনে অজগর, কিং কোবরা, দাঁড়াশ, আইড ক্যাট স্নেক, সবুজ বোড়া, লাউডগা, কালনাগিনী, দুধরাজ, ঢোঁড়া, হিমালয়ান ঢোঁড়াসহ ৩৯ প্রজাতির সাপের সন্ধান পাওয়া যায়। “অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন সাপের সংখ্যা বেড়েছে। বনকর্মীরা টহলে গিয়ে প্রায়ই বিভিন্ন প্রজাতির সাপ দেখতে পান।

এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে দায়িত্ব প্রাপ্ত তত্ত্বাবধায়ক ডা: বিনেন্দু ভৌমিক জানান, মৌলভীবাজারে সাপে কামরের এনন্টিভেনম নেই। এ ভেনম প্রদানের বেশ কৌশল রয়েছে, প্রশিক্ষন ছড়া এটি দেয়া সম্ভব না। এর জন্য জনবল প্রয়োজন। আইসিউ বেড থাকলে ভালো। কারন এ এন্টিভেনম প্রদানের সময় এনাফাইলেকটিক শক হয়ে (বিরুপ প্রতিক্রিয়া) রোগী মারা যেতে পারেন।

এ ব্যপারে মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন ডা: জালাল উদ্দিন চৌধুরী জানান, মৌলভীবাজার জেলায় সম্প্রতি সাপের কামড় ও উপদ্রবের বিষয়টি তিনি অবগত রয়েছেন। ইতিমধ্যে অনলাইনে সাপে কামড়ের ব্যাবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রশিক্ষন দেয়া হয়। বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরাও এতে অংশ নেন। মৌলভীবাজারে সাপের কামড়ের চিকিৎসা চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার জন্য তিনি উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করবেন বলে জানান।

এমএন

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে দোয়া
ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে-বরগুনাগামী লঞ্চ অভিযানে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে সভা ও আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে পৌর মিনি পার্কে দোয়া মোনাজাতে (ভার্চুয়ালি) প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র, আমির হোসেন আমু এমপি।  এলাকাবাসীর আয়োজনে দোয়া মোনাজাত ও আলোচনা সভায় যুবলীগ নেতা মোঃ ছবির হোসেনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ জোহর আলী,পৌর মেয়র লিয়াকত আলী তালুকদার, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান হাবিল,হাফিজ আল মাহমুদ। পরে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া মোনাজাত করা হয়।  দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন ঈদগাহ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মোঃ গাজী শহীদুল ইসলাম। এলাকাবাসী লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যু ও আহতদের জন্য অর্থ সহায়তা প্রদান করে জলো প্রশাসকের কাছে। দোয়া মোনাজাতে নিহতদের স্বজনরাসহ শত শত মানুষ অংশগ্রহণ করে।  গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদী অতিক্রমকালে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চটিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৪৬ জনের প্রাণহানী ঘটেছে। প্রাণ বাঁচাতে নদীতে লাফিয়ে পড়ে নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। এমএন  
লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের স্মরণে দোয়া
সিরাজগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, ৪ মামলায় ৭ শতাধিক আসামি
সিরাজগঞ্জে আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় চারটি মামলা দায়ের হয়েছে। এসব মামলায় জেলা বিএনপির বেশকজন শীর্ষ নেতাসহ সাড়ে ৭শ জনকে আসামি করা হয়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান। তিনি বলেন, চার মামলার মধ্যে পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি ও উজ্জল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে অপর মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় আসামিদের মধ্যে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু, সহ-সভাপতি আজিজুর রহমান দুলাল, সহ-সভাপতি নাজমুল হাসান তালুকদার রানাসহ একাধিক শীর্ষ নেতা রয়েছেন। পরিদর্শক (তদন্ত) সাজ্জাদুর রহমান বলেন, উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০/১৫০ জনকে আসামি করে একটি, উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলীম হোসাইন বাদী হয়ে ২৭ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ২০০/২৫০ জনকে আসামি করে একটি এবং উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহমুদ হাসান বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২/৩শ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। অপরদিকে রেলওয়ে কলোনি মহল্লার আওয়ামী লীগ কর্মী উজ্জল হোসেন বাদী হয়ে ৪০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৫০/৬০ জনকে আসামি করে আরও একটি মামলা দায়ের করেন। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে সমাবেশে মিছিল নিয়ে আসার সময় বিএনপির সাথে যুবলীগ-ছাত্রলীগ কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এ সময় উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া, ককটেল বিস্ফোরণ, ইটপাটকেল নিক্ষেপের এক পর্যায়ে শহরের কলেজ রোড, ইলিয়ট ব্রীজ এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৭০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। এমএন
সিরাজগঞ্জে বিএনপি-আ.লীগ সংঘর্ষ, ৪ মামলায় ৭ শতাধিক আসামি
কিডনি-লিভার বিক্রি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
কিডনি ও লিভার পাচার চক্রের মূল হোতাসহ তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে র্যােব। বৃহস্পতিবার (৩০ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের খুলশী থানার ইন্ডিয়ান ভিসা সেন্টারের পাশ থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেলে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা র্যা ব-৭ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যা বের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ। চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০-৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার বিক্রির জন্য ভারতে পাচার করেছে বলে দাবি র্যা বের। গ্রেপ্তার তিনজন হলেন- মোহাম্মদ আলী ডালিম (৩৫), মো. আতিকুর রহমান রনি (৩৬) ও মো. আলম হোসেন (৩৮)। র্যা ব-৭ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এ ইউসুফ বলেন, তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, বাংলাদেশে এ সিন্ডিকেটের মূল হোতা ডালিম। রনি আন্তর্জাতিক কিডনি ও লিভার পাচারকারী দলের সদস্য। ভারতে অবস্থান করেন শাহীন নামে আরেক বাংলাদেশি। তিনি রনি, আলমদের মাধ্যমে কিডনি ও লিভার বিক্রি করবে এমন লোকজন সংগ্রহ করে তাদের ওই দেশে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। এ ক্ষেত্রে কিডনি ও লিভার দাতাদের ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দেয় চক্রটি। কিন্তু এসব কিডনি ও লিভার চক্রটি ভারতে ক্রেতাদের কাছে ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকায় বিক্রি করত।  তিনি আরও বলেন, আসামি ডালিমের নেতৃত্বে চক্রের সদস্যরা প্রথমে কিডনি ডোনেট সেন্টারসহ বিভিন্ন নামে ফেসবুক পেজ খোলে। পেজে বিভিন্ন পোস্টের মাধ্যমে ডোনারদের নানাভাবে কিডনিও লিভার বিক্রির (ডোনেশনের) ব্যাপারে প্রলোভন দেখানো হয়। কিডনি বা লিভার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করবে এমন ব্যক্তি পাওয়া গেলে তাদের পাসপোর্ট তৈরি ও ইন্ডিয়ান ভিসা লাগানোর ব্যবস্থা করে দেয় চক্রটি। তারপর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাদের রক্ত, কিডনি ও লিভারের পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্ট ঠিক থাকলে তাদের ভারতে পাচার করে। এরপর ভারতে অবস্থানরত শাহীন ওই দেশে আবারও পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কিডনি ও লিভার সংগ্রহের ব্যবস্থা করে।  এ চক্রটি এখন পর্যন্ত ৩০ থেকে ৪০ জন লোককে প্রলুব্ধ করে অবৈধভাবে কিডনি ও লিভার দেওয়ার ব্যবস্থা করে বলেও জানায় র্যা ব। এমএন 
কিডনি-লিভার বিক্রি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন
রাজশাহীতে ২ দিন ব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন হয়েছে। শুক্রবার (৩১ ডিসেম্বর)সকালে নগরীর বড় বনগ্রাম ইনস্টিটিউট এর প্রাঙ্গণ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালি বের করা হয়। র‌্যালিটি নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আলোচনা সভার প্রথম পর্বে মিলিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। এরপর বিকেলে ২য় পর্বের আলোচনা সভায় রাজশাহী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী সরকারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোস্তাফিজুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল জলিল। এ সময় বক্তব্য রাখেন ইন্সটিটিউটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী আইডিএসইবি কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব সরদার জাহাঙ্গীর হোসেনসহ বেশ কয়েকজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী। ২ দিন ব্যাপী ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে রয়েছে আরটিভি। এমএন
ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড সার্ভে ইন্সটিটিউটের শতবর্ষ উদযাপন অনুষ্ঠানের উদ্বোধন
ভোটের লড়াইয়ে দুই জা
পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ভোটের লড়াইয়ে মাঠে নেমেছেন দুই জা। তারা একই এলাকায় সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। দুই জায়ের এমন ভোটযুদ্ধকে বেশ ইতিবাচকভাবেই দেখছেন স্থানীয় ভোটাররাও। এক পরিবারের মানুষ হয়েও দুজনই ভোটের মাঠে নিজেদেরকে তুলে ধরছেন আলাদা প্রতীকে। ওই দুই প্রার্থী হলেন, তাড়াশ উপজেলার দেশিগ্রাম ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের শ্রী বিকাশ চন্দ্র সাহার স্ত্রী শ্রীমতি কনিকা রানী এবং শ্রী বিকাশ চন্দ্র সাহার ছোট ভাই শ্রী বিমান চন্দ্র সাহার স্ত্রী শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী)।   নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গুড়পিপুল দেশিগ্রাম ইউনিয়নের ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে বড় জা বর্তমান ইউপি সদস্য শ্রীমতি কনিকা রানী মাইক প্রতীক ও ছোট জা শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী) হেলিকপ্টার প্রতীকে লড়ছেন। একই পদে দুই জা ছাড়াও রহিমা খাতুন কলম প্রতীকে এবং মেঘনা আক্তার সূর্যমুখী ফুল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ওই এলাকায় ভোটার সংখ্যা ৫ হাজার ৫৫৯জন। এ নিয়ে বর্তমান ইউপি সদস্য বড় জা শ্রীমতি কনিকা রানী আরটিভি নিউজকে বলেন, এ ওয়ার্ডের মানুষ আমাকে ভালোবেসে দুইবার তাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে। এবারও নির্বাচনে অংশ নিতে আমি আগে থেকেই মাঠে গণসংযোগ করে আসছিলাম। কিন্তু আমার জা প্রতিহিংসার কারণে নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করেছেন। এখন ভোটাররাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবেন। ছোট জা শ্রীমতি সাধনা রানী (সাথী) আরটিভি নিউজকে বলেন, রাজনীতিতে কোন আত্মীয় স্বজন নেই। কোন প্রতিহিংসা নয়, নির্বাচনে জয়লাভ করলে গরিব অসহায় মানুষের পাশে থেকে সেবা করবো। এমএন
ভোটের লড়াইয়ে দুই জা
আরও পড়ুন
লাইফ সাপোর্টে চিত্রনায়ক সোহেল রানা
হাসপাতাল থেকে ফিরেই পার্টিতে নাচলেন সালমান (ভিডিও)
ছোবল দেওয়া সাপটির সঙ্গে সেলফি তুলেছেন সালমান!
সালমানের বিলাসবহুল বাড়িতে সাপ ঢুকল কীভাবে?