
কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর ইউনিয়নে শ্বশুরবাড়িতে স্ত্রীকে হত্যা করে পালিয়ে যান স্বামী ইউছুফ মিয়া (৩১)।
শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ওই ইউনিয়নের আমিরাবাদ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত গৃহবধূ ওই গ্রামের মান্নান মিয়া ওরফে মনা চৌকিদারের মেয়ে জাহেরা আক্তার। অভিযুক্ত ব্যক্তি চাঁদপুর জেলার মতলব দক্ষিণ উপজেলার নাগদা গ্রামের বিল্লাল হোসেনের ছেলে ইউছুফ মিয়া।
শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ জাহেদা আক্তারের ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে।
পুলিশ জানায়, প্রায় ৩ মাস প্রেমের পর তাদের বিয়ে হয়। বিয়ে করে ৪ থেকে ৫ মাস একই গার্মেন্টসে স্বামী-স্ত্রী চাকরি করার পর পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ের জানাজানি হয়। এর পর স্ত্রীকে শ্বশুরবাড়িতে পাঠিয়ে দেন ইউছুফ। শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে আসেন তিনি। রাতে তার মোবাইল দিয়ে তার ভগ্নিপতির সঙ্গে কথা বলেন স্ত্রী জাহেদা। এ নিয়ে স্ত্রীকে সন্দেহ করেন ইউছুফ মিয়া। এ ঘটনায় কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে স্ত্রীকে খুন করে দরজায় তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান ইউছুফ। পরে শনিবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দরজার তালা খুলে খাটের ওপর জাহেদার রক্তাক্ত দেহ দেখতে পায় পরিবারের সদস্যরা।
নিহতের বাবা মান্নান মিয়া ওরফে মনা বলেন, প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন আগে মেয়েকে আমার বাড়িতে রেখে যায় ইউসুফ। শুক্রবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে সেও বেড়াতে আসে। এ সময় তার ভগ্নিপতি সঙ্গে টেলিফোনে কথা হয় জাহেদার। এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হলে আমরা বুঝিয়ে দেই। পরে রাতে আমার মেয়েকে হত্যা করে দরজায় তালা ঝুলিয়ে পালিয়ে যায়। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
জিএম




