
যশোর:
করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন সংক্রমণ প্রতিরোধে বেনাপোল চেকপোস্ট ও বন্দরে গ্রহণ করা হয়েছে বাড়তি সতর্কতা। ভারতের সকল যাত্রীকে ইমিগ্রেশন কাউন্টারে প্রবেশের পূর্বে মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে এবং হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার এবং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল থেকে পুলিশি তত্ত্বাবধানে ইমিগ্রেশনের প্রবেশের মুখে বসানো হয়েছে বিশেষ নিরাপত্তা চৌকি। যে সকল যাত্রী মাস্কবিহীন অবস্থায় বাংলাদেশে প্রবেশ করছেন তাদের মধ্যে ফ্রি মাস্ক সরবরাহ করা হচ্ছে। ভারত থেকে আগত পণ্যবাহী ট্রাকগুলোতে জীবাণুনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। ট্রাকচালক ও সহকারীদের মাস্ক ব্যবহারে নির্দেশনা দিচ্ছেন বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ওসি মোহাম্মদ রাজু আরটিভি নিউজকে বলেন, আমরা আগে থেকেই সতর্ক আছি। নতুন করে যেন কোনো আক্রান্ত ব্যক্তি সংক্রমণ ছড়াতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
হিলি:
অন্যদিকে হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে আসা সব ড্রাইভারকে হ্যান্ডস্কেনার দিয়ে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।
হাকিমপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার হুমায়ুন কবির আরটিভি নিউজকে জানিয়েছনে, দক্ষিণ আফ্রিকায় পাওয়া এ ধরনকে ইতোমধ্যে ভ্যারিয়েন্ট অব কনসার্ন হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ এ বিষয়ে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিচ্ছে। হিলি ইমিগ্রেশন চেপোস্টের প্রবেশপথে নিরাপত্তা জোরদার করার জন্য বলা হয়েছে। নতুন এ ধরন প্রতিরোধে সব ধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ।
হিলি পানামা পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো চিঠি তারা পায়নি। যার জন্য তেমন কোনো বাড়তি পদক্ষেপ নেননি পোর্ট কর্তৃপক্ষ। তবে পূর্বের ন্যায় মাস্ক ব্যবহার এবং ভারতীয় ড্রাইভারদের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করছেন তারা।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের তথ্য মতে, চলতি মাসে ভারত থেকে ৯৬ জন বাংলাদেশি দেশে প্রবেশ করেছে। তাদের সবাইকেই স্বাস্থ্যবিধি মতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
এমআই/টিআই




