
ফোনালাপের মাধ্যমে উসকানির অভিযোগের মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ দুইজনের নামে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তিন বছর আগে নিরাপদ সড়ক চাই আন্দোলনের সময় ফোনালাপটি ফাঁস হয়।
বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) চট্টগ্রাম আদালতে মামলা দুটির প্রতিবেদন জমা দেন পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিট চট্টগ্রামের উপপরিদর্শক (এসআই) সঞ্জয় গুহ। একই অভিযোগে তার নামে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে করা মামলায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (প্রসিকিউশন) কামরুল হাসান আরটিভি নিউজকে জানিয়েছেন, আমীর খসরু ও মিলহানুর রহমানের নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি আইনে করা মামলায় দুজনকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। অভিযোগপত্রগুলো গ্রহণের শুনানির জন্য তারিখ এখনও নির্ধারণ করা হয়নি।
২০১৮ সালের ৪ আগস্ট তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭(২) এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর বাদী হয়ে নগরের কোতোয়ালি থানায় মামলা দুটি করেন।
পুলিশ সূত্র জানা গেছে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন (সংশোধিত ২০১৩/৫৭(২) ধারা) এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনের ১৫(৩) ধারায় এ মামলা হয়েছে।
মামলার এজাহারে জানা গেছে, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছিলেন। ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রে নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।
মামলা করার সপ্তাহখানেক আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। এটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই ক্লিপে কুমিল্লা থেকে মিলহানুর রহমান নামের এক কর্মীর সঙ্গে একজনকে কথা বলতে শোনা যায়। নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যে লোকজনকে নামানোর জন্য কথা বলতে শোনা যায় তাকে।
এমআই/টিআই




