
খুলনার সিভিল সার্জন ডা. সুজাত আহমেদ বলেছেন, বাদুড়ের মাধ্যমেই নিপা ভাইরাস ছড়ায়। বাদুড় খেজুরের রস খায়। খাওয়ার সময় তার লালা ও প্রসাবের সঙ্গে এই ভাইরাস রসের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
রোববার (১১ ডিসেম্বর) সকালে জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ পরামর্শ দেন তিনি। খুলনার জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াসির আরেফীনের সভাপতিত্বে তার সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ডা. সুজাত আহমেদ বলেন, রস জ্বালিয়ে গুড় তৈরি করে খেলে নিপা ভাইরাস ছড়াতে পারে না। সে কারণে খেজুরের কাঁচা রস না খাওয়ার জন্য পরামর্শ দেন তিনি। করোনাভাইরাস এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে জেলা উপজেলা কমিটি সক্রিয়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। খুলনা জেলায় করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজ শতভাগ সম্পন্ন করা হয়েছে।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাহবুব হাসান বলেন, আগের তুলনায় খুলনার আইনশৃঙ্খলা ভালো অবস্থানে রয়েছে। এর ধরাবাহিকতা বজায় রাখতে হলে সবাইকে আরও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ দপ্তরের উপ-পরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, নভেম্বর মাসে জেলায় ১৪১টি মাদক বিরোধী টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ১৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মাদক সংক্রান্ত অপরাধের কারণে ১৬৭ জনকে আসামি করে ১২৯টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসময় আলামত হিসেবে ১৮ কেজি ২৬ গ্রাম গাঁজা, ২টি গাঁজার গাছ, ৪৬৫৫ পিস ইয়াবা, ২৭০ বোতল ফেনসিডিল, এ্যালকোহল ৫.৪ লিটার, হেরোইন ৩ গ্রাম ও ২ বোতল দেশীয় মদ জব্দ করা হয়েছে।
খন্দকার ইয়াসির আরেফীনে বলেন, জেলায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কাজ করে যেতে হবে। রপ্তানিযোগ্য চিংড়ি মাছে অপদ্রব্য পুশের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে সংশ্লিষ্টদের আরও অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। মাদক ও সন্ত্রাস প্রতিরোধে সব মসজিদে নামাজের পর এ বিষয়ে ইমামদের দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।




