
চুয়াডাঙ্গা গণমিছিলের প্রস্তুতিকালে জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শরীফুজ্জামানসহ ৮ নেতাকে আটক করেছে পুলিশ। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে শহরের সাব-রেজিস্ট্রার অফিস এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে শহরের শহীদ রবিউল ইসলাম সড়ক নিয়ন্ত্রণে নেয় পুলিশ। পণ্ড হয়ে যায় বিএনপির কর্মসূচি।
আটককৃতরা হলেন- জেলা বিএনপির সদস্যসচিব মো. শরীফুজ্জামান, আবু বকর সিদ্দিক, আলমডাঙ্গা উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক (রোকন), আইলহাস ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. আবু হানিফ, জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাজিব খান, জেলা ছাত্রদলের
সাংস্কৃতিক সম্পাদক ইমরান হোসেন, পৌর ছাত্রদলের আহ্বায়ক কৌশিক আহমেদ ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আরমান খান।
বিএনপি নেতারা জানান, কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে গণমিছিলের প্রস্তুতি নিতে শহরের কোর্টমোড় এলাকায় জড়ো হচ্ছিল নেতাকর্মীরা। এসময় পুলিশের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয় বিএনপি নেতাদের। সেখান থেকে আটক করা হয় বিএনপির ৮ নেতাকে। পণ্ড হয়ে যায় গণমিছিল কর্মসূচি। চলতি মাসে গায়েবি মামলা দিয়ে বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের ২৫ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কিন্তু তাদের নামে পূর্বে কোন মামলা ছিল না।
বিএনপি আর জানায়, শান্তিপূর্ণভাবে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির পালন করার প্রস্ততি চলছিল। ওই কর্মসূচি পণ্ড করতে পুলিশ সদস্যরা দলের নেতাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করে। পরে তাদেরকে জোরপূর্বক আটক করে নিয়ে যায়।
চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ্ আল মামুন জানান, বিএনপির মিছিল থেকে হামলা ভাঙচুর ও ক্ষতির আশঙ্কার তথ্য ছিল। পরিস্থিতি অশান্ত করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। সেই তথ্যের ভিত্তিতে সেখানে অভিযান চালায় পুলিশ। বিভিন্ন মামলায় ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের সন্ধ্যায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।




