
রাজধানীতে পুলিশ সদস্যদের ওপর জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের হামলার ঘটনায় জড়িত কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না। এ হামলার ঘটনাকে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) গুরুত্ব সহকারে নিয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার খন্দকার গোলাম ফারুক।
শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) থার্টি ফার্স্ট নাইট উপলক্ষে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, জামায়াতে ইসলামী পুলিশের কাছ থেকে গণমিছিলের অনুমতি নেয়নি। আমরা বিষয়টি খুব গুরুত্ব সহকারে নিয়েছি। যেহেতু তারা বিনা অনুমোদনে একটা মিছিল বের করেছে, পুলিশের ওপর হামলা করেছে। সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তাসহ আরও পুলিশ সদস্যরা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। হামলাকারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে মামলা-মোকদ্দমা করা হবে। অভিযুক্তদের আইনের আওতায় এনে শাস্তি দেওয়ার জন্য আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, এ বিষয়ে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। এভাবে বেআইনি কাজ করা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলার বিষয়ে কাউকে বিন্দুমাত্র ছাড় দেওয়া হবে না।
শুক্রবার পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় গোয়েন্দা নজরদারির ব্যর্থতা রয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, গোয়েন্দা নজরদারি ছিল না বিষয়টি এরকম নয়। আমরা কিছু তথ্য পেয়েছিলাম। তারা (জামায়াতের নেতাকর্মীরা) বিভিন্নভাবে ছড়িয়েছে, তারা বায়তুল মোকাররমের সামনে থেকে মিছিল করবে। কিন্তু তারা মালিবাগ চৌধুরীপাড়া আবুল হোটেলের সামনে থেকে মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। বাধা পেয়ে মৌচাক-মালিবাগে এসে মিছিল করে।
থার্টি ফার্স্ট নাইটে জঙ্গি হামলার হুমকি রয়েছে কি না জানতে চাইলে খন্দকার গোলাম ফারুক বলেন, সম্প্রতি দুইজন জঙ্গি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আমাদের অভিযান চলছে, অন্য জঙ্গি সদস্যও ধরা পড়ছে। তবে
এ ছাড়া থর্টি ফার্স্ট নাইটে নির্দিষ্ট কোনো হুমকি নেই।




