
মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ী উপজেলায় পদ্মার শাখা নদীতে বাল্কহেডের ধাক্কায় যাত্রীবাহী ট্রলারডুবির ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন দুই ব্যক্তি।
তারা হলেন- সিরাজদিখান উপজেলার মালখানগর ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. হারুন অর রশিদ খান (৫০) ও রাজধানীর ধানমন্ডিতে বসবাসরত মাহফুজুর রহমান (৩৫) নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস।
জানা যায়, ডুবে যাওয়া ট্রলারের মালিক উপজেলার হাসাইল গ্রামের আলামিন বাদী হয়ে এ ঘটনায় টঙ্গিবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
এ ঘটনায় বাল্কহেডের ৩ শ্রমিককে আটকের পর সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে মুন্সীগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এর আগে রোববার সন্ধ্যায় বাল্কহেডের ভেতরে ইঞ্জিনের পাশে লুকিয়ে থাকা অবস্থায় ৩ শ্রমিককে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিরা হলেন, বাল্কহেডের ইঞ্জিন মিস্ত্রি হানিফ নিয়াজি (৫০), লস্কর মো. হানিফ (২০) ও পাচক মো. নাকিব হাসান (২০)।
এদিকে মুন্সীগঞ্জ সদরের চর আবদুল্লাহ নৌ পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বপ্রাপ্ত পরিদর্শক মো. হাসনাত জামান বলেন, নিখোঁজ ২ জনের সন্ধানে আমাদের উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আমরা ঘটনাস্থলে ও আশপাশের নদীতে নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছি। ফায়ার সার্ভিসও নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, ঘাতক বাল্কহেডের ৩ শ্রমিককে আটক করে টঙ্গিবাড়ী থানা পুলিশে হস্তান্তর করা হয়েছে। আটক ৩ শ্রমিক জনরোষ থেকে বাঁচতে জব্দকৃত বাল্কহেডের ইঞ্জিন কক্ষে তেল রাখার ড্রামে বিশেষ কায়দায় লুকিয়ে ছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় নৌ পুলিশ বাল্কহেড তল্লাশি চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে ঘটনার পর বাল্কহেডের চালক পালিয়ে গেছেন।




