
নরসিংদীতে ব্যানার লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে নৌকার সমর্থকদের চারটি মোটরসাইকেল ও অফিস ভাঙচুর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২১ ডিসেম্বর) সন্ধায় নরসিংদী-২ (পলাশ ও সদরের একাংশ) নির্বাচনী এলাকার মেহেরপাড়া ইউনিয়নের চৈতাব আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে নৌকা প্রতীকের ব্যানার লাগানোকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষে নৌকা প্রতীকের ডা. আনারুল আশরাফ খান দিলীপের এক সমর্থক আহত হয়, চারটি মোটরসাইকেল ও দলীয় কার্যালয়ে ব্যাপক ভাংচুর করা হয়।
স্থানীয়রা জানায়, শনিবার সকাল অত্র এলাকায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খানের নির্বাচনী গণসংযোগ এবং অত্র কার্যালয়ে উঠান বৈঠক করার কথা রয়েছে। সে এজন্য শুক্রবার সন্ধ্যায় মেহেরপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবের লোকেরা ডা. আনোয়ারুল আশরাফ খানের সমর্থক দলীয় কার্যালয়টিতে উঠান বৈঠকের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এরমধ্যে কার্যালয়ে পূর্ব থেকে লাগানো স্থানীয় মেয়েরপাড়া ইউপির বর্তমান চেয়ারম্যান আজহার অমিত প্রান্ত'র ছবি সম্বলিত ব্যানার খুলে সেখানে নৌকা প্রতীকের ব্যানার লাগানো হয়। এতে চেয়ারম্যান প্রান্ত'র সমর্থক আতাউর মেম্বারের লোকেরা সেখানে অতর্কিত হামলা চালায়। শাকিল মোল্লা নামে নৌকা প্রতীকের এক সমর্থক আহত হয়। হামলাকারীরা এ সময় সুজুকি ব্র্যান্ডের ৪টি মোটরসাইকেলসহ কার্যালয় ভাঙচুর করে চলে যায়।
হামলার পরপর নরসিংদী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান ও মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুজ্জামান মিলন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
মেহেরপাড়া ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, সন্ত্রাসী হামলায় নৌকা প্রতীকের একজন সমর্থক আহত হয়। এছাড়াও চারটি মোটরসাইকেল ও অফিস ভাঙচুর করা হয়। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে অভিযোগ দায়ের করা হবে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় মেহের পাড়া ইউপি সদস্য আতর মেম্বারের মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।
এদিকে ইউপি চেয়ারম্যান আজাহার অমিত প্রান্তর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও ফোন রিসিভ না করায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।
নরসিংদী সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে নির্বাচনী ব্যানার নিয়ে কথা-কাটাকাটি হয়। এ সময় চারটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনারস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে ও এ সময় নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ একজনকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।




