ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩

ভয়ংকর প্রতারণা, জরিমানা দিলেন সেই তনি

আরটিভি নিউজ

প্রকাশ : ১৫ মে ২০২৪, ০৮:১৩ পিএম
রুবাইয়াত ফাতিমা তনি (সংগৃহীত ছবি)

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ জনপ্রিয় মুখ এবং রাজধানীর গুলশানে ‘সানভীস বাই তনি’র শোরুমের মালিক রুবাইয়াত ফাতিমা তনি। পাকিস্তানি বলে দেশীয় পোশাক বেশি দামে বিক্রি করায় এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করায় তাকে আড়াই লাখ টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার (১৪ মে) প্রতিষ্ঠানটির মালিক তনি ভোক্তা অধিদপ্তরে হাজির হয়ে অভিযোগের বিপরীতে কোনো প্রমাণ দেখাতে না পারায় তাকে জরিমানা করা হয়। দেশি থ্রিপিস পাকিস্তানি বলে বিক্রির জন্য ৫০ হাজার এবং মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণার অভিযোগে তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে তনি ও ভুক্তভোগীকে নিয়ে ভোক্তা অধিদপ্তর নিজস্ব অফিসে একটি লাইভ অনুষ্ঠান করে। সেখানে তনি জানান, তিনি এসব অভিযোগের বিষয়ে অবগত নন। তার ব্যবসায়িক পেজে অভিযোগকারী নারী অভিযোগ জানালেও মডারেটররা এটা গুরুত্ব দেন না এবং পরে গুলশানের পুলিশ প্লাজা মার্কেটে ভোক্তা অধিদপ্তরের একটি নোটিশ আসে। সেটিও তনির সেলসম্যান গুরুত্ব না দিয়ে ফেলে রাখেন। সোমবার (১৩ মে) গুলশান শুটিং ক্লাব এলাকায় পুলিশ প্লাজা মার্কেটে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ‘সানভীস বাই তনি’ প্রতিষ্ঠানটি সিলগালা করে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে ভোক্তা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আবদুল জব্বার মণ্ডল বলেন, প্রতিষ্ঠানটি দেশি থ্রি পিস পাকিস্তানি বলে বিক্রি করতো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণা করতো। তনি শুনানিতে অংশ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমা চান। এ ছাড়া ভবিষ্যতে এই বিষয়ে সর্তক থাকবেন। এই প্রতিষ্ঠান নিয়ে কিছু অভিযোগ আসার পর প্রতিষ্ঠানটিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। তারা দীর্ঘদিন ধরে অনলাইনে এবং এই দোকানে দেশি পোশাকগুলো বিদেশি বলে চড়া দামে বিক্রি করে আসছিল। তারা অনলাইনে পাকিস্তানি ড্রেস বলে বিক্রি করে। কিন্তু ডেলিভারি দেওয়ার সময় দেশি ড্রেস দেয়।

তিনি বলেন, গুলশানের শোরুমের গিয়ে সেটার প্রমাণ পেয়েছি। তারা পাকিস্তানি ড্রেসের পক্ষে কোনো কাগজপত্র, প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তাদের শুধু ট্রেড লাইসেন্স আছে, সেটা সাধারণ পোশাক বিক্রেতা হিসেবে। আপাতত তাদের শোরুম বন্ধ করে দিয়েছি।

আরটিভি অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
‘মার্চ ফর ইউনিটি’তে অংশগ্রহণকারীদের জন্য জাতীয় নাগরিক কমিটির ৭ নির্দেশনা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে আয়োজিত ‘মার্চ ফর ইউনিটি’তে অংশ নিতে মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) সকাল থেকেই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জমায়েত হচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিপ্লবী ছাত্র-জনতা। এই সমাবেশ সফল ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে জাতীয় নাগরিক কমিটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য ৭ দফা নির্দেশনা দিয়েছে। সকালে জাতীয় নাগরিক কমিটির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এই নির্দেশনাগুলো প্রকাশ করা হয়। কেন্দ্রীয় নির্দেশনাগুলো হলো- ১. ব্যানার প্রদর্শন না করা প্রতিটি থানা ইউনিটকে শহীদ মিনারে পৌঁছে কোনো ব্যানার প্রদর্শন করবে না। ২. স্বেচ্ছাসেবকদের নির্দেশনা অনুসরণ প্রোগ্রামে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবকদের দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। ৩. একত্রে অবস্থান শহীদ মিনারে পৌঁছে প্রতিটি থানার সদস্যদের একসঙ্গে থাকতে হবে। ৪. মাইকের নির্দেশনা মেনে চলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মাইকের মাধ্যমে প্রচারিত নির্দেশনাগুলো অবশ্যই মেনে চলতে হবে। ৫. বাগ্বিতণ্ডা পরিহার প্রোগ্রামে উপস্থিত অন্য থানা সদস্য বা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কোনো ধরনের বাগ্বিতণ্ডায় জড়ানো যাবে না। ৬. নারী সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রতিটি থানার নারী সদস্যদের জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। ৭. মঞ্চে বা মিডিয়ায় আলাদা বক্তব্য এড়ানো প্রোগ্রামের চলাকালীন মঞ্চের সামনে যাওয়া বা মিডিয়ায় আলাদাভাবে বক্তব্য দেওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে আজ শহীদ মিনারে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করার পরিকল্পনা ছিল। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের এই দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণায় বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে গতকাল রাতে রাজধানীর বাংলামোটরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আজ বিকেল ৩টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ‘মার্চ ফর ইউনিটি’ কর্মসূচি পালন করা হবে। এই কর্মসূচিকে ঘিরে বিপুল উৎসাহের মধ্যেও জাতীয় নাগরিক কমিটি নির্দেশনাগুলো মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে সমাবেশ শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।
‘মার্চ ফর ইউনিটি’তে অংশগ্রহণকারীদের জন্য জাতীয় নাগরিক কমিটির ৭ নির্দেশনা
থার্টিফার্স্ট   / ঢাকায় অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেট
থার্টিফার্স্ট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এবং রাজধানীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এলাকায় মোতায়েন করা হবে অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ ও থাকবে পরিবেশ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেট বলে জানিয়েছেন, ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে থার্টিফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে ডিএমপি কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা ব্যবস্থাসংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে তিনি এসব তথ্য জানান। ডিএমপি কমিশনার বলেন, ঢাকা শহরের নিরাপত্তা নিশ্চিতে নিয়মিত পুলিশ মোতায়েন থাকে। প্রত্যেক ফাঁড়ি থেকে রাতে কমপক্ষে দুটি পেট্রোল টিম থাকে, থানা থেকে চারটি-পাঁচটি টিম থাকে। এটা আমাদের রেগুলার ডিপ্লয়মেন্ট। আজকে শুধু থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে এর বাইরে তিন হাজার অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা মনে করছি এটা যথেষ্ট। আমরা কিছু পয়েন্টকে টার্গেট করেছি। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, গুলশান, ৩০০ ফিট, উত্তরা দিয়াবাড়ী এলাকায় বেশি পুলিশ মোতায়েন থাকবে। আমাদের পুলিশ ফোর্সের পাশাপাশি পরিবেশ অধিদপ্তরের ম্যাজিস্ট্রেটরা থাকবেন। ওনারা যেকোনো জায়গায় ভ্রাম্যমাণ আদালত চালালে আমাদের ফোর্স তাদের সহযোগিতা করবে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আতশবাজি ফুটিয়ে ইংরেজি নববর্ষকে বরণ করা হয়, বাংলাদেশে পরিবেশের এত সমস্যা কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রথমত পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে থার্টিফার্স্ট উদযাপিত হয়। বেশিরভাগ দেশে এটি নববর্ষ, আমাদের দেশে নয়। দ্বিতীয়ত, অন্যান্য দেশে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের আয়োজন করা হয়, পুরো শহরজুড়ে আতশবাজি ফোটানো হয় না। আমরাও এ বছর ঢাকা মহানগরের একটি নির্দিষ্ট স্থানে থার্টিফার্স্ট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপনের অনুষ্ঠান আয়োজন করার চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু এই বছর আমরা সেটি পারিনি। আশা করি আগামী বছর আমরা সেটি আয়োজন করব। পুলিশের মনোবল ফিরে এসেছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, পুলিশের মনোবলের যে ঘাটতি ছিল, এটি আমরা উৎরিয়ে উঠেছি। আমাদের এখনো কোনো সমস্যা নেই। আমরা যে কোমায় যাওয়ার অবস্থায় গিয়েছিলাম, সেটি থেকে ফিরে এসেছি। আমাদের অফিসারদের মনোবল এখন অনেক ভালো। থার্টিফার্স্ট নাইট উপলক্ষে কোনো থ্রেট আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোনো থ্রেট নেই। এর আগে, ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, থার্টিফার্স্ট নাইটে যাতে আতশবাজি, পটকা, ক্লাস্টার বোমা, রকেট বোমা না ফোটানো হয় সেজন্য গত এক সপ্তাহ ডিএমপি রাজধানীতে অভিযান পরিচালনা করে ১২৭ কেজি আতশবাজি, পটকা, ক্লাস্টার বোমা, রকেট বোমা জব্দ করেছি। এ বিষয়ে ৫টি মামলা হয়েছে এবং ৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তিনি নগরবাসীর উদ্দেশে বলেন, শুধু পুলিশ বা পরিবেশ অধিদপ্তর দিয়ে শব্দ দূষণ বন্ধ করা সম্ভব নয়। এজন্য প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে। আমরা সবার সহযোগিতা চাই। এ সময় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত কমিশনার (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ, অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) খোন্দকার নজমুল হাসান। আরটিভি/এমএ/এস  
ঢাকায় অতিরিক্ত ৩ হাজার পুলিশ মোতায়েন, থাকবেন ম্যাজিস্ট্রেট
আতশবাজি করলেই এক মাসের জেল: অতিরিক্ত সচিব
পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব তপন কুমার বিশ্বাস বলেছেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে আতশবাজি ফোটালে এক মাসের জেল ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উপলক্ষে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সংক্রান্ত ব্রিফিংয়ে এ হুঁশিয়ারি দেন তিনি। থার্টি ফার্স্ট নাইট ঘিরে পর্যাপ্ত সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নামানো হচ্ছে জানিয়ে তপন কুমার বিশ্বাস বলেন, দিনে এবং রাতে অভিযান চালানো হবে। আতশবাজি ও পটকা ফোটাতে দেয়া হবে না। আতশবাজি ফোটালে এক মাসের জেল ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হবে। শব্দ দূষণে হৃদরোগসহ অনেক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয় জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আজকে কোনোভাবেই শব্দ হয় এমন কর্মসূচি করতে দেওয়া হবে না।‌ এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হয়। মানুষও মারা যায়। আতশবাজি ও পটকা বৈধভাবে আমদানি হয় না, অবৈধভাবে আনা হয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।  একই অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেন, গত ১ সপ্তাহে ১৭২ কেজি আতশবাজি ও পটকা জব্দ করা হয়েছে। এসময় গ্রেপ্তার করা হয়েছে পাঁচ জনকে।‌ পুলিশ ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে কাজ করবে। আগামী বছর নির্দিষ্ট স্থানে আতশবাজির অনুমতি দেয়ার পরিকল্পনা আছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, সারা বিশ্বে আতশবাজি একটি নির্দিষ্ট স্থানে উদযাপন করা হয়। অথচ বাংলাদেশ যত্রতত্র হয়। সেই কারণেই এবার বন্ধ করা হয়েছে। ঢাকাবাসীকে তিনি অনুরোধ করে বলেন, আতশবাজি ও পটকা ফোটানো থেকে বিরত থাকুন। যত্রতত্র হর্ন বাজানো থেকে বিরত থাকুন। সবাইকে আশ্বস্ত করে বলেন, থার্টি ফার্স্ট নাইট ও ইংরেজি নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে কোনো হুমকি নেই।
আতশবাজি করলেই এক মাসের জেল: অতিরিক্ত সচিব
বছরের প্রথম দিন যেসব এলাকায় ১১ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় আগামীকাল বুধবার সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত ১১ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।  মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি কাজের জন্য বুধবার (১ জানুয়ারি) গ্যাস পাইপলাইন রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য সকাল ৯টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত মোট ১১ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে। এলাকাগুলো হলো—পশ্চিম রাজাবাজার, ইন্দিরারোড, শুক্রবাদ। একই সময় আশপাশের এলাকায় গ্যাসের চাপ কম থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। গ্রাহকদের সাময়িক অসুবিধার জন্য তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আগাম দুঃখ প্রকাশ করেছে। আরটিভি/এস
বছরের প্রথম দিন যেসব এলাকায় ১১ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না
‘প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভল্যুশন’ ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি ‘প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভল্যুশন’ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে। আগামীকাল মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) ওই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।  সোমবার (৩০ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান। এতে বলা হয়েছে, গাবতলী হয়ে ঢাকা মহানগরে প্রবেশ করা যানবাহনগুলো মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও আগারগাঁও এলাকার পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে পার্কিং করবে। সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী প্রবেশপথ দিয়ে আসা যানবাহনগুলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় খেলার মাঠ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় পার্কিং করবে। আবদুল্লাহপুর হয়ে প্রবেশ করা যানবাহনগুলো ৩০০ ফিট এলাকায় পার্কিং করবে। ঢাকা মহানগর এলাকা যানজটমুক্ত রাখতে ও সুষ্ঠু ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার স্বার্থে অনুষ্ঠানে আসা সবার সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছে ডিএমপি। আরটিভি/এসএপি
‘প্রোক্লেমেশন অব জুলাই রেভল্যুশন’ ঘিরে ডিএমপির ট্রাফিক নির্দেশনা
আরও পড়ুন
অতিরিক্ত সচিব হলেন ১২ কর্মকর্তা
তাপমাত্রা নিয়ে আবহাওয়ার দুঃসংবাদ
শীত বাড়বে কবে, জানাল আবহাওয়া অফিস
সাগরে লঘুচাপ, যেসব অঞ্চলে হতে পারে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি